প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   বনি কুরাইজা: হত্যাকাণ্ড নাকি রাষ্ট্রদ্রোহীর...

বনি কুরাইজা: হত্যাকাণ্ড নাকি রাষ্ট্রদ্রোহীর দণ্ড? (তৃতীয় পর্ব)

২৭ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:০৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী
(পূর্ব প্রকাশের পর) পাঠকরা নিশ্চয়ই ভাবছেন, বনি কুরাইজা গোত্র বিচারক হিসেবে সাদ (রা.) কে চাইল কেন? এর কারণ সাদ (রা.) ছিলেন আওস গোত্রের, আর আওসরা বনি কুরাইজার অনেক পুরোনো মিত্র। কাজেই বিশ্বাসঘাতক ইহুদিরা হয়ত আশা করেছিল সাদ বিন মোয়াজ (রা.) আর যাই হোক মিত্র গোত্রের বিরুদ্ধে কঠোর কোনো ফয়সালা দিবেন না।

আল্লাহর রসুল তাদের শর্ত মেনে নিলেন। সাদকে (রা.) বিচারের দায়িত্ব দেওয়া হলো। সাদ (রা.) সেখানে উপস্থিত হয়েই জানতে চাইলেন- তিনি যেই ফয়সালা দিবেন সেটাই সবাই বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নিবে কিনা। নাকি আবার রায় প্রত্যাখ্যান করবে। ইহুদিদের পক্ষ থেকে নিশ্চয়তা পেয়ে সাদ (রা.) বললেন, এখানে আরও একজন আছেন, তাঁর মন্তব্যও প্রয়োজন (অর্থাৎ তিনি আল্লাহর রসুলের কাছেও জানতে চাচ্ছেন)। আল্লাহর রসুল বললেন, হ্যাঁ, তুমি যে ফয়সালা দিবে সেটাই কার্যকর হবে। অতঃপর যে দ- তাদের প্রাপ্য ছিল সেটাই সাদ (রা.) ঘোষণা করলেন এবং তাও আবার তাদের ধর্মগ্রন্থ তওরাতের আইন দিয়েই। দ-াজ্ঞা হলো- ‘বনি কুরাইজার প্রাপ্তবয়স্ক যোদ্ধাদের প্রাণদ- ও অন্যদের বন্দী করার’। অচিরেই সেই দ- কার্যকর করা হলো।

৪. ইসলামবিদ্বেষীদের অপপ্রচার কতটা যৌক্তিক?
পাঠক, গত কয়েকটি পর্বে খন্দক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বনি কুরাইজা অভিযানের যে বর্ণনা তুলে ধরলাম- তা কিন্তু আমার নিজের মনগড়া বক্তব্য নয়। সবই ঐতিহাসিক তথ্যসূত্রের আলোকে বলা, আস্তিক-নাস্তিক কেউই তা অস্বীকার করতে পারবেন না। আশা করি এই ঐতিহাসিক আলোচনার পর পাঠকের কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে এই বিশ্বাসঘাতক গোত্রটিকে কেন এতবড় দণ্ড দেওয়া হয়েছিল এবং তা কোন প্রেক্ষাপটে। প্রশ্ন হচ্ছে, আমি কেন এই ইতিহাসের অবতারণা করলাম। করলাম এই কারণে যে, আলোচ্য বিষয়টি নিয়ে বাংলার ইন্টারনেট জগতে ধুম্রজাল সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী একটি মহল, আর তাতে বিভ্রান্ত হচ্ছে ইতিহাস অসচেতন ব্যক্তিরা। বিস্মিত না হয়ে উপায় থাকে না যখন বিশ্বাসঘাতক বনি কুরাইজা গোত্রের বেইমানীর দণ্ডকে তারা ‘হত্যাকাণ্ড’ ‘গণহত্যা’ ইত্যাদি বলে চালিয়ে দিতে চেষ্টা করেন! এই ইসলামবিদ্বেষীদের একটা মারাত্মক দক্ষতা হলো- ‘ইতিহাসকে কেটে ছেটে সুবিধাজনকভাবে উপস্থাপন করতে পারেন’- বর্ণনা সত্য কিন্তু উপস্থাপনার দোষে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। তারা সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনার বাইরে রেখে তাদের পছন্দের অংশবিশেষের উপর বিদ্বেষের প্রলেপ লাগিয়ে এমনভাবে পাঠকদের সম্মুখে উপস্থাপন করেন যা ইতিহাস অসচেতন ব্যক্তিমাত্রকেই প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

Screenshot 1

ব্লগে, ফেসবুকে এই ইসলামবিদ্বেষীদের কুৎসামূলক লেখালেখির সাথে যারা পরিচিত আছেন, তারা ভালোভাবেই জানেন বনি কুরাইজার শাস্তির ঘটনাটি নিয়ে কী পরিমাণ বিদ্বেষ ইসলামের বিরুদ্ধে ছড়ানো হয়ে থাকে। এই মৃত্যুদণ্ড নিয়ে তারা অসংখ্য লেখালেখি করেছেন, এখনও করে যাচ্ছেন। সাধারণত তারা ওই গোত্রের অপরাধগুলো এড়িয়ে যান, কোন পরিস্থিতিতে তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হলো, তাদের অপরাধের ভয়াবহতা ইত্যাদি বিচিত্র কারণে বেমালুম ভুলে যান। যদি ক্ষীণকণ্ঠে দুই এক বাক্য বলেনও তাহলে এমনভাবে বলেন যেন ওটা কোনো অপরাধের মধ্যেই পড়ে না, সামান্য ভুল বোঝাবুঝি মাত্র। আসল অপরাধ হচ্ছে তাদেরকে দণ্ড দেওয়া। এতগুলো মানুষকে হত্যা করা হলো, একজন নবী কীভাবে এত নির্দয় হতে পারেন- এই প্রশ্ন তুলেই তারা বনি কুরাইজার যোদ্ধাদের হত্যার পুংখানুপুংখ বর্ণনা নিয়ে হাজির হন। তাদেরকে কীভাবে টানতে টানতে নিয়ে আসা হলো, শিরোচ্ছেদ করা হলো, কোথায় লাশ ফেলা হলো, কে চিৎকার করছিল, কার রক্ত কোথায় গড়িয়ে পড়েছিল- এইসবের বীভৎস ফিরিস্তি দিতে থাকেন। সেই ফিরিস্তি পড়ে আপনি ভাববেন, আসলেই তো! এতগুলো মানুষকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা!

আপনি যখন এই কথাটি ভাবছেন তখন ২০১৮ সাল। আপনি একটি রাষ্ট্রের একজন সাধারণ নাগরিক, একজন রাষ্টপ্রধান বা সেনাপতি নন, এমনকি সাধারণ সৈনিকও নন। আপনি না কোনো যুদ্ধের মধ্যে আছেন, আর না সম্প্রতি আপনার জাতি ভয়াবহতম অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছে এবং কেউ সেই সঙ্কট থেকে ফায়দা লোটার জন্য আপনারই ছত্রছায়ায় থেকে আপনার বিরুদ্ধেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। যুদ্ধ সম্পর্কে আপনার প্রত্যক্ষ ধারণা নেই, যুদ্ধের নিমর্ম বাস্তবতা সম্পর্কে আপনি অনভিজ্ঞ। আপনি বাস করছেন একটি স্বাভাবিক পরিবেশে, শত্রুমুক্ত নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে। এই অবস্থায় তিনশ’ জন মানুষ কেন, একজন মানুষকে হত্যা করা হলেও আঁৎকে ওঠা স্বাভাবিক। কিন্তু মাত্র ৪৭ বছর আগের বাংলাদেশে ফিরে যান, দেখবেন পথেঘাটে মানুষের মরদেহ পড়ে আছে, আর তারই পাশে জীবিতরা নির্বিকার ভঙ্গিতে হেঁটে বেড়াচ্ছে। কেউ আঁৎকে উঠছে না। কারণটা যুদ্ধকালীন বাস্তবতা। আপনি যখন যুদ্ধের ইতিহাস পর্যালোচনা করবেন তখন ওই যুদ্ধের বাস্তবতা ভুলে গেলে চলবে না।

আমার কথা হচ্ছে, পাকিস্তানি মিলিটারিরাও মানুষ, মুক্তিযোদ্ধারাও মানুষ। পাকিস্তানিরা বাঙালি মেরেছে, মুক্তিযোদ্ধারাও কি পাকিস্তানি মারেনি? পাকিস্তানিদের রক্ত গড়িয়ে পড়েনি? বোমার আঘাতে পাকিস্তানিদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েনি? ওদের স্ত্রী-সন্তান, মাতা-পিতা স্বজন হারানো বিয়োগব্যথা ভোগ করেনি? যদি ন্যায়ের পক্ষ অন্যায়ের পক্ষ বলে কিছু না থাকে, সব মৃত্যুই সমান অমানবিক হয় তাহলে মুক্তিযুদ্ধকে কী বলা হবে?

ইসলামবিদ্বেষীদের জন্য আমার আফসোস হয় এই কারণে যে, ইসলামকে খুনোখুনির ধর্ম প্রমাণ করতে তেমন কিছু খুঁজে না পেয়ে অবশেষে বেচারারা বিশ্বাসঘাতক বনি কুরাইজাকে দেওয়া ‘দণ্ড’কেই প্রধান উপজীব্য হিসেবে বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন। কতই না সিরাতের পাতা উল্টেছেন, কতই না হাদিস গ্রন্থ তোলপাড় করেছেন, এমন কিছুই পাননি যেখানে আল্লাহর রসুল নিরাপরাধ কাউকে হত্যা করেছেন। অগত্যা লজ্জার মাথা খেয়ে তাদেরকে চোখের পানি ফেলতে হচ্ছে ‘অপরাধীর দণ্ড’ নিয়ে, সাফাই গাইতে হচ্ছে বিশ্বাসঘাতকতার পক্ষে। ‘যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টিস্যুতে’ স্লোগান দিয়ে যারা রাজপথ মুখরিত করে রাখেন, তারাই কোন যুক্তিতে যুদ্ধাপরাধী বিশ্বাসঘাতক ইহুদি গোত্র বনি কুরাইজার জন্য কান্নাকাটি করে দুনিয়া ভাসিয়ে ফেলেন আমার বুঝে আসে না। হত্যা আর দণ্ডের মধ্যেকার পার্থক্য কি তারা বোঝেন না? . . . (চলবে)

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ
নদীবেষ্টিত জেলা বরিশালের চারদিক দিয়ে বয়ে চলেছে কীর্তনখোলা, পদ্মা ও মেঘনাসহ অসংখ্য নদী। এসব নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতি বছর বদলে যাচ্ছে জেলার মানচিত্র। মাইলের পর…
 ১০ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু…
 ১০ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির নিজস্ব…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন হয়। হঠাৎ হওয়া এই কম্পনের ফলে সাধারণ…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে…
 ২৫ মে ২০২৬    জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে,…
 ২৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামে পরিচিত আবু বকর সিদ্দিকের অন্ধকার জগতের নানা তথ্য সামনে এসেছে। ধর্মের লেবাস এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে তিনি গত কয়েক…
 ২৩ মে ২০২৬    অন্যান্য