খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কেআইবি মিলনায়তনে আয়োজিত গণশুনানির দ্বিতীয় দিনে এই প্রস্তাব পেশ করা হয়।
কমিটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, বিদ্যুতের এই নতুন দাম কার্যকর হলে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারের ভর্তুকি প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা কমে আসবে। ওই অর্থবছরে মোট ৯৫ হাজার ৬১২ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এই পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বিতরণ সংস্থাগুলোর প্রায় ১ লক্ষ ১৯ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা নিট রাজস্ব প্রয়োজন হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
টিইসির পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় সিস্টেম লস বা লোকসানের ধরণ কিছুটা উন্নতির দিকে ছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৭.৩৮ শতাংশ যা ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৭.৩৭ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে।
গাইবান্ধায় পানের হাট দখল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, এলাকায় উত্তেজনা

গ্রাহক পর্যায়ের বিলিং বা স্ল্যাব পদ্ধতিতে আপাতত কোনো পরিবর্তনের সুপারিশ করেনি কারিগরি কমিটি। লাইফলাইন গ্রাহকসহ (০-৫০ ইউনিট) অন্য সব ধাপের বর্তমান পদ্ধতিই বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে। এর আগে স্ল্যাব কমিয়ে নতুন পদ্ধতি চালুর বিষয়ে আলোচনা হলেও কমিটি তাতে সায় দেয়নি। তাদের মতে, হুট করে এমন পরিবর্তন করলে নিম্ন আয়ের ও প্রান্তিক গ্রাহকরা আর্থিক চাপের মুখে পড়তে পারেন। সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষার জন্যই বর্তমান ধাপগুলো বজায় রাখার সুপারিশ করা হয়েছে বলে কমিটি জানায়। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
















