প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   আকিদা ভুলে যাওয়ার পরিণতি

আকিদা ভুলে যাওয়ার পরিণতি

২৩ জুন ২০১৮ ০৯:১৮ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী
আল্লাহ রব্বুল আলামিন মানবজাতিকে হেদায়াহ দেওয়ার জন্য বাবা আদম থেকে শেষ নবী পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ নবী-রসুল পাঠিয়েছেন। পূর্বপবর্তী নবী-রসুলগণ এসেছেন যার যার অঞ্চল, সম্প্রদায়, জাতি এমনকি পরিবারের জন্যও। কিন্তু সর্বশেষ যিনি এসেছেন, আখেরী নবী মোহাম্মদ (সা.), তাঁর আগমন সমস্ত মানবজাতির জন্য। তিনি মানবজাতির উদ্দেশে বলেছেন, ‘হে মানুষ! আমি তোমাদের জন্য আল্লাহর প্রেরিত রসুল (আরাফ: ১৫৮)।’ সমস্ত মানবজাতির জন্য প্রেরিত হয়েছেন বলে তাঁর টাইটেল হলো ‘রহমাতাল্লিল আলামিন’ (আম্বিয়া: ১০৭) অর্থাৎ সারা বিশ্বের জন্য রহমত। এই যে তিনি সারা বিশ্বের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে আবির্ভূত হলেন, তিনি কী নিয়ে আসলেন, কেনই বা আসলেন, তাঁর নবুয়তি জিবনীর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো বিষয়টিকে এক নজরে দেখা ও বোঝার নামই হচ্ছে রসুলাল্লাহ সম্পর্কে আকীদা। যারা রসুলের অনুসারী হবেন, উম্মতে মোহাম্মদী হবেন, তাদের এই আকীদা অবশ্যই পরিষ্কার থাকতে হবে।
আজ বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান বিশ্বাস করছেন আখেরী নবী মোহাম্মদ (সা.) সত্যিই আল্লাহর প্রেরিত নবী, কিন্তু তাঁর সামগ্রিক জীবন সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকায় অর্থাৎ আকীদা না জানায় একেকজন একেকভাবে তাঁর সম্পর্কে ধারণা করে নিচ্ছেন। আল্লাহর রসুল সশস্ত্র জিহাদ করেছেন। ব্যস, এই উদ্ধৃতি দিয়ে একদল মানুষ জিহাদের নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে পড়ছেন। আল্লাহর রসুল কেন জিহাদ করেছেন, কখন করেছেন ইত্যাদি আকীদা তাদের অজানা। আরেকদল ইতিহাসের পাতা উল্টে দেখলেন যে, ‘আল্লাহর রসুল রাষ্ট্রচালনা করেছেন।’ ব্যস, তারা পাশ্চাত্যের তৈরি প্রক্রিয়ায় রাজনীতি শুরু করে দিলেন। ওদিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ নামাজ, রোজা, তসবিহ, তাহলিল, জিকির আজগার ইত্যাদিকেই ইসলাম বলে সাব্যস্ত করে নিয়েছে, জীবনের উদ্দেশ্য বলে ধরে নিয়েছে। তাদের আবার জিহাদ, রাষ্ট্র, আইন, কানুন, দণ্ডবিধি, অর্থনীতি ইত্যাদি নিয়ে মাথাব্যথা নেই, ওগুলো তাদের ধারণারও বাইরে। আল্লাহর রসুল নামাজ পড়েছেন, উম্মাহকে নামাজে উৎসাহ দিয়েছেন, কাজেই তাদের ধারণা শুধু নামাজ পড়েই তারা এত সওয়াব কামিয়ে ফেলবেন যে, জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে। অন্য কিছুর দরকার নেই।
এই যে আল্লাহর রসুলের ঘটনাবহুল জীবনের খাতা থেকে একেকজন একেক পাতা ছিঁড়ে নিয়ে সেটাকেই আল্লাহর রসুলের সংগ্রামী জীবনের একমাত্র দিক বলে গ্রহণ ও প্রচার করছেন, এটা সম্ভব হচ্ছে কারণ যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আল্লাহর রসুল সংগ্রাম করেছিলেন; জাতির সামরিক, অর্থনৈতিক, আধ্যাত্মিক, বিচারিক ইত্যাদি বিভিন্ন অঙ্গনে গতিশীল পদচারণা করেছিলেন, সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য জাতি হারিয়ে ফেলেছে। ফলে সামগ্রিকভাবে আল্লাহর রসুলের কর্মকাণ্ডকে বোঝা তাদের পক্ষে সম্ভব না হওয়ায় তারা রসুলাল্লাহকে জানছেন খণ্ডিতভাবে এবং সেটাকেই রসুলাল্লাহর আগমনের লক্ষ্য বলে চালিয়ে দিচ্ছেন।
একজন মানুষ বলতে আমরা কী বুঝব? মাথা থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত সমগ্রটা নিয়ে একজন মানুষ। যদিও পা তার দেহেরই অঙ্গ কিন্তু দেহ থেকে পা’টা আলাদা করে নিলে সেই পা’কে আর মানুষ বলা যায় কি? যায় না। তেমনি আলাদাভাবে মস্তক, হাত, কান, চোখ ইত্যাদি কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকেই মানুষ বলা যায় না। কিন্তু সেটাই বলা হচ্ছে ইসলামের বেলায়। একটি শ্রেণির দিকে তাকালে মনে হয় আল্লাহর রসুল এসেছেন মানুষকে শুধু মেসওয়াক করাতে, ডান খাতে শোয়াতে, খাওয়ার পরে মিষ্টি খাওয়াতে। আরেকদিকে তাকালে মনে হয় আল্লাহর রসুল এসেছেন বিধর্মীদের কতল করাতে। কারো দিকে তাকালে মনে হয় তিনি এসেছেন রাজনীতি শেখাতে। একইভাবে এক শ্রেণির দিকে দেখলে মনে হয় তাঁর আগমনের উদ্দেশ্য আর কিছুই নয়, সুফি সাধক তৈরি করা। সমাজের অন্যায় অবিচার যাই হোক ওদিকে না তাকিয়ে বিভিন্ন তরিকা ধরিয়ে দিয়ে মানুষকে আত্মার ঘসামাজায় বসিয়ে দেওয়াই তাঁর মূল কাজ ছিল!
এই যে বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গি- এই বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গি ও দিক-নির্দেশনার কারণে জাতি আজ বিভিন্নদিকে ছুটে চলেছে। যারা রসুলের জীবনের হাজারো শিক্ষা থেকে বেছে বেছে মেসওয়াককে গ্রহণ করেছেন কিন্তু কিতালকে বর্জন করেছেন, তারা কিতালকারীদের দুই চোখে দেখতে পারেন না এবং যারা আবার অন্যসব ভুলে শুধু কিতালকে গ্রহণ করেছেন তারা মেসওয়াকধারীদের দেখতে পারেন না। যারা আধ্যাত্মিকতাকে আঁকড়ে ধরেছেন তারা রাজনীতিকারীদের পছন্দ করেন না, তাদেরকে পথভ্রষ্ট মনে করেন এবং যারা রাজনীতিকেই ইসলাম মনে করেন তারা আধ্যাত্মিক চর্চাকারীদের পথভ্রষ্ট, ভণ্ড মনে করেন ও গালমন্দ করেন। অথচ এটা ঐতিহাসিক সত্য যে, আল্লাহর রসুল যেমন সমস্ত নির্যাতন অপমান গায়ে না মেখে তওহীদের দিকে মানুষকে আহ্বান করেছেন, তেমনি শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করেছেন, প্রশিক্ষণ দিয়ে দুর্ধর্ষ যোদ্ধা জাতি তৈরি করেছেন। তিনি ক্ষমার অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, কুসুমের মত কোমলতা প্রদর্শন করেছেন, আবার পাথরের মত শক্ত ও পাহাড়ের মত অটল থেকে অপরাধীকে কঠোর দণ্ডও দিয়েছেন। তিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার প্রস্তাবকে দুই পায়ে ঠেলে দিয়েছেন, অর্থাৎ রাজনীতিকে উপেক্ষা করে গেছেন, আবার একটি পর্যায়ে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বও পালন করেছেন, বিচার ফয়সালা করেছেন। শুধু তাই নয়, জাতির আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য বিভিন্ন ধরনের আমলের শিক্ষাও তিনিই দিয়েছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, কোনটা কখন কীভাবে এবং কেন?
এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হবে। কারণ, এর উত্তর জানাই আকীদা, যেই আকীদা ছাড়া ঈমান ও আমল সমস্তকিছুই নিষ্ফল হয়ে যায়। ইসলামের বহু বিধান রয়েছে- নামাজ, রোজা, হজ্ব, যাকাত, জিহাদ, কিতাল ইত্যাদি। মনে করুন এই বিধানগুলোকে একেকটি ফুল। আর ইসলামকে মনে করুন সেই ফুলগুলো দিয়ে তৈরি মালা। ফুলগুলোকে যতক্ষণ না একটি সুতো দিয়ে একত্রে গেঁথে সেই সুতোটি গিঁট দেওয়া হবে ততক্ষণ কি সেটা মালা হতে পারবে? পারবে না। এই সুতোর গিঁটটাই হচ্ছে আকীদা। আমরা বিয়ের ব্যাপারে ‘আকদ’ শব্দটি ব্যবহার করি একজন পুরুষের সাথে একজন নারীর ‘সংযোগ করে দেওয়া’ বোঝাতে। অর্থাৎ যে জ্ঞান বা ধারণার মাধ্যমে ইসলামের সমস্ত বিধান, সমস্ত বিশ্বাস, সমস্ত রীতি-নীতি এবং আল্লাহর রসুলের সংগ্রামী জীবনের সমস্ত কর্মপ্রক্রিয়া একটি সূত্রে সমন্বিত থাকে সেটাই আকীদা।
আজকে আমাদের সমাজে মসজিদ ভর্তি মানুষ নামাজ পড়ছে, লক্ষ লক্ষ লোক হজ্ব করতে যাচ্ছে, রমজান মাসে রোযা রাখছে, ঈদের দিনে উৎসব করছে, আবার কথিত জিহাদও করছে, কিন্তু এই বিধানগুলোর একটির সাথে আরেকটির কী স¤পর্ক তা কেউ জানে না। কোন আমলের পূর্বশর্ত কোনটা তাও তাদের অজানা। তারা নামাজ পড়ছে কিন্তু নামাজের উদ্দেশ্য অজানা। লাখ লাখ টাকা খরচা করে হজ্ব করতে যাচ্ছে কিন্তু জানে না হজ্বের উদ্দেশ্য কী। জিহাদের নামে শরীরে বোমা বেঁধে আত্মঘাতী হয়ে যাচ্ছে কিন্তু জানে না জিহাদের উদ্দেশ্য কী। তারা জানে না নামাজের সাথে জিহাদের স¤পর্ক কী, আবার জিহাদের সাথে তওহীদের স¤পর্ক কী। অর্থাৎ ফুল অনেক থাকলেও সেগুলো কেবলই ছিন্নবিচ্ছিন্ন ফুল। সেই ফুল কখনও মালা হয়ে উঠে নি। আর যতক্ষণ এই ফুলগুলো একত্রে গ্রন্থিত হয়ে মালা তৈরি না হয় ততক্ষণ সেটা বিশ্বনবীর ইসলাম হয় না। এ কারণে আমাদের সমাজে ইসলাম বলে যেটা পালিত হচ্ছে বাইরে থেকে দেখতে সেটা আল্লাহ-রসুলের প্রকৃত ইসলামের মত মনে হলেও আদতে সেটা আল্লাহ-রসুলের প্রকৃত ইসলাম নয়, তার বিপরীত একটা কিছু। এবং এই জাতি তাদের বিকৃত ধারণায় আল্লাহর রসুলকে যেমনটা কল্পনা করে থাকে সেটাও ভুল। আল্লাহর রসুলকে জানতে হলে অবশ্যই আল্লাহর রসুলের আগমনের উদ্দেশ্য ও সংগ্রামী জীবনের আকীদা জানা থাকা অপরিহার্য। সেই সামগ্রিক ধারণা জাতির নেই, আছে বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্ত কিছু খণ্ডিত ধারণা যা দিয়ে আল্লাহর রসুলকে বোঝা দুরূহ।
একটি গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ থাকে। যার গাড়ি সম্পর্কে সম্যক ধারণা নেই তাকে যদি গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দিয়ে সেগুলো সংযুক্ত করতে বলা হয় তিনি কি পারবেন? সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায়, তিনি ব্যর্থ হবেন। গাড়ির ইঞ্জিন কোথায় বসবে, গিয়ার বক্স কোথায় বসবে, লুকিং গ্লাস কোথায় বসবে, চাকা কোথায় বসবে, আবার হয়ত কোন যন্ত্রাংশ গাড়ির অংশই নয়, ক্ষতিকর, সেটা ফেলে দিতে হবে- এসব কিছুই তিনি জানেন না বিধায় যন্ত্রপাতিগুলো সঠিকভাবে স্থাপন করতে পারবেন না এবং চ‚ড়ান্তভাবে একটি গাড়ির যে উদ্দেশ্য থাকে অর্থাৎ মানুষকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া সেই লক্ষ্যও ওই ব্যক্তিকে দিয়ে অর্জিত হবে না। তা কেবল তিনিই পারবেন যিনি গাড়ি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন। ১৩০০ বছরের কালপরিক্রমায় এক আল্লাহ, এক রসুল, এক কিতাবের অনুসারী এক জাতিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গাড়ির যন্ত্রাংশের মতই ভেঙে আলাদা আলাদা করা হয়েছে এবং শুধু তাই নয়, আজ বিভিন্ন ফেরকা, মাজহাব, তরিকা, দল উপদল ইত্যাদি ওই ভাঙা গাড়ির ভিন্ন ভিন্ন অংশকেই ‘গাড়ি’ মনে করছেন। গাড়ির যে কাজ সেটা তো লুকিং গ্লাস দিয়ে হাসিল করা যায় না, হোক সেটা গাড়ির অংশ। অথচ সেটাই করার চেষ্টা হচ্ছে। কেউ অতি নিখুঁতভাবে গাড়ির চাকা পরিষ্কার করছেন, ইঞ্জিন পরিষ্কার করছেন, লুকিং গ্লাসের ধুলোবালি মুছছেন, ক্যাসেট প্লেয়ার মেরামত করছেন এবং মনে করছেন খুব সওয়াবের কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু সম্যক ধারণা নেই বলে সমস্ত যন্ত্রপাতি সংযুক্ত করে যে গাড়িটির পূর্ণাঙ্গতা দিবেন এবং তারপর সেই গাড়িটি চালিয়ে গন্তব্যস্থলে যাবেন সেটা কেউ করছেনও না, জানছেনও না।
আল্লাহর রসুলের সংগ্রামী জীবনের লক্ষ্য (আকীদা) ভুলে গিয়ে লক্ষ্য অর্জনের বিভিন্ন প্রক্রিয়াকেই আজ লক্ষ্য বানিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তার পরিণতি হয়েছে ভয়াবহ। আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে মুসলমান জাতি। সাম্রাজ্যবাদীরা তাদেরকে টার্গেট করেছে। তাদের দেশগুলো একের পর এক ধ্বংস করে ফেলছে। গণহত্যা চালাচ্ছে। লক্ষ লক্ষ নারী ধর্ষিতা হচ্ছে। কোটি কোটি মুসলমান আজ উদ্বাস্তু। কিন্তু জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে এই আগ্রাসন যে মোকাবেলা করবে, তা করতে চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে। কোথাও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না। এই অবস্থায় জাতির করণীয় ছিল দুইটি- প্রথমত নিজেদের মধ্যে যাবতীয় মতভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়া এবং দ্বিতীয়ত আল্লাহর রসুলের সংগ্রামী জীবনকে সামগ্রিকভাবে উপলব্ধি করে তিনি যেই কর্মপন্থায় যেই লক্ষ্যে সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন সেই কর্মপন্থা মোতাবেক সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়া। কিন্তু হায়! ঐক্যবদ্ধ হবার সমস্ত পথই যে বন্ধ। দ্বীনের প্রকৃত আকীদা ভুলে গিয়ে, আল্লাহর রসুলের আগমনের উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে, তওহীদের রশি ছেড়ে দিয়ে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ছোট-খাটো বিভিন্ন আমল নিয়ে তর্ক, বাহাস, মারামারি ইত্যাদিতে লিপ্ত থেকে ঐক্যের সমস্ত দরজাতেই তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর দ্বীনের ছোট খাটো কম প্রয়োজনীয়, এমনকি অপ্রয়োজনীয় বিষয়েও বাড়াবাড়ি রকমের অতি বিশ্লেষণ করতে করতে ছোট খাটো বিষয়ের মধ্যেই জাতির দৃষ্টিভঙ্গি এমনভাবে নিবদ্ধ হয়ে গেছে যে, সেখান থেকে মাথা তুলে এক নজরে আল্লাহর রসুলের সামগ্রিক জীবনটাকে দেখার ও উপলব্ধি করার সক্ষমতা তাদের নেই। এমতাবস্থায়, এই জাতির ঐক্যের সূত্র কী হতে পারে এবং আল্লাহর রসুল কীজন্য আবির্ভুত হয়েছিলেন, কী লক্ষ্যে সংগ্রাম করেছেন এবং জাতির উপর কী দায়িত্ব অর্পণ করে গেছেন, তা জাতির সামনে তুলে ধরার মহৎ উদ্যোগটি নিয়েছে হেযবুত তওহীদ। হাজারো বিকৃতি ও মতভেদের চাদর সরিয়ে আল্লাহ-রসুলের প্রকৃত ইসলামের যে আকীদা হেযবুত তওহীদ উপস্থাপন করছে তা যদি জাতি উপলব্ধি করতে পারে তাহলে এখনও ঘুরে দাঁড়ানো অসম্ভব নয়। [মোহাম্মদ আসাদ আলী: সাংবাদিক ও কলামিস্ট; ফেসবুক: facebook/asadali.ht, ফোন: ০১৬৭০-১৭৪৬৪৩, ০১৬৭০-১৭৪৬৫১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির নিজস্ব…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন হয়। হঠাৎ হওয়া এই কম্পনের ফলে সাধারণ…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে…
 ২৫ মে ২০২৬    জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে,…
 ২৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামে পরিচিত আবু বকর সিদ্দিকের অন্ধকার জগতের নানা তথ্য সামনে এসেছে। ধর্মের লেবাস এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে তিনি গত কয়েক…
 ২৩ মে ২০২৬    অন্যান্য

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা
গত কয়েক দিন ধরে অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহের কারণে বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়েছিল।…
 ২৩ মে ২০২৬    জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী

রামিসার হত্যাকারীদের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি

রামিসার হত্যাকারীদের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি
মিরপুরের শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচার দ্রুত শেষ করে এক মাসের মধ্যেই সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভবিষ্যতে কেউ…
 ২৩ মে ২০২৬    জাতীয়