প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   তাকওয়ার প্রদর্শনী ও নিষ্ফল আমল

তাকওয়ার প্রদর্শনী ও নিষ্ফল আমল

২ অক্টোবর ২০২২ ০৮:৫৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

ইলিয়াস আহমেদ:

মুসলমানিত্ব, ঈমানদারী এসব দেখানোর বিষয় না। দাড়ি-টুপি ধারণ করলেই কেউ মুসলিম হয়ে যায় না, মো’মেন হয়ে যায় না, জোব্বা-পাগড়ি পড়লেই পরহেজগার হয়ে যায় না। এসবকে যদি আপনি আখেরি নবীর অনুসারীর চিহ্ন, মুসলিম, মো’মেনের পরিচায়ক হিসেবে মনে করে তাহলে ঘোর ভুলের মধ্যে রয়েছেন। কারণ যদি তাই হতো, তবে হাশরের ময়দানে আল্লাহ পাক পোশাকহীন না উঠিয়ে মুসলিম-মো’মেনদের জোব্বা-পাঞ্জাবি, পাগড়ি-টুপি ইত্যাদিসহ উঠাতেন। এসবে মুসলমানিত্ব নেই, ঈমানদারীত্ব নেই। যদি তারপরেও বলেন এসব ছাড়া ইসলাম হয় না, মুসলমান হওয়া যায় না; তবে বুঝে নিতে হবে আপনি যে ইসলামের লালন করছেন সেটা আরব্য জাতীয়তাবাদে আবদ্ধ, কূপমণ্ডূকতায় আড়ষ্ট।

পোশাকে সৈনিকত্ব নেই, ডাক্তারিত্ব নেই। খাকি রঙের ইউনিফর্ম পড়লেই সৈনিক হয় না, অ্যাপ্রন আর গলায় একটা স্টেথোস্কোপ ঝুলিয়ে রাখলেই ডাক্তার হয় না। সৈনিকত্ব, ডাক্তারিত্ব বহু অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অর্জন করে নিতে হয়। তেমনি মুসলমানিত্ব, মো’মেনত্ব এসব আত্মায় ধারণ করতে হয়, নিজের ভিতরে, বিবেকে-চিন্তায়, চরিত্রে প্রতিষ্ঠা করতে হয়। ইসলাম হচ্ছে প্রকাশমান বিষয়, আর ঈমান হচ্ছে অন্তরের বিষয়। আল্লাহ কারো বাহ্যিক চেহারা, পোশাক আশাক দেখেন না, তিনি দেখেন মানুষের অন্তর ও মানুষের কাজ (আবু হোরায়রা রা. থেকে মুসলিম)। একাধিক হাদিসে পাওয়া যায়, রসুল (সা.) তাঁর হাত দ্বারা বক্ষের দিকে ইশারা করেন তিনবার; এরপর বলেন, “তাকওয়া এখানে”। [আনাস বিন মালিক (রা.) হতে, মুসনাদে আহমেদ (ইফা), ২য় অধ্যায়, হাদিস নং ৯]

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

কেবলমাত্র ইসলাম প্রকাশ্যমান। ইসলাম মানুষের শরীরে থাকে না, থাকে চরিত্রে। ইসলাম থাকে পরিবারে, সমাজে, রাষ্ট্রে। এই ইসলামের ফলই হলো শান্তি। সত্য, ন্যায়, মানবিকবোধ, নিরাপত্তার অভূতপূর্ব মেলবন্ধনের নাম ইসলাম। সমাজে শান্তি নেই মানে সমাজে ইসলাম নেই, রাষ্ট্রে শান্তি নেই মানে রাষ্ট্রে ইসলাম নেই। দীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার বিষয়; কাগজে লিপিবদ্ধ করে রাখার তত্ত্ব না, কন্ঠে বয়ানে সীমাবদ্ধ রাখার মন্ত্র-কালাম না, আবার কেবলমাত্র বিশ্বাসে গেঁথে রাখারও বিষয় না।

মহানবীর মক্কি জীবনে তখনও ইসলাম প্রতিষ্ঠা হয় নি। তখন ইসলাম কবুলকারীদের উপর নেমে এসেছিলো অকথ্য নির্যাতন। তাঁরা যখন আর সহ্য করতে পারছিল না, তখন একদিন তাঁদের অন্যতম খাব্বাব (রা.) রসুলাল্লাহর কাছে এলেন। খাব্বাব (রা.) বলেন, আমি একবার নবী করিম (সা.) এর খেদমতে হাযির হলাম। তখন তিনি তাঁর নিজের চাদরকে বালিশ বানিয়ে কা’বা গৃহের ছায়ায় বিশ্রাম করছিলেন। যেহেতু আমরা মুশরিকদের পক্ষ থেকে কঠিন নির্যাতন ভোগ করছিলাম, তাই আমি বললাম, আপনি কি আমাদের (শান্তি ও নিরাপত্তার) জন্য আল্লাহর কাছে দু’আ করবেন না? তখন তিনি উঠে বসলেন এবং তাঁর চেহারা রক্তিম বর্ণ হয়ে গেল। তখন তিনি বললেন, তোমাদের পূর্ববর্তী ঈমানদারদের মধ্যে কারো কারো শরীরের হাড় পর্যন্ত সমস্ত মাংস ও শিরা উপশিরাগুলো লোহার চিরুনী দিয়ে আঁচড়ে পৃথক করে ফেলা হত। কিন্তু এসব নির্যাতনও তাদেরকে দীন থেকে বিমুখ করতে পারত না। তাঁদের মধ্যে কারো মাথার মধ্যবর্তী স্থানে করাত স্থাপন করে তাকে দ্বিখণ্ডিত করে ফেলা হত। কিন্তু এ নির্যাতনও তাঁদেরকে তাদের দীন থেকে ফিরাতে পারত না। আল্লাহর কসম, আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই দীনকে পরিপূর্ণ করবেন, ফলে একজন উষ্ট্রারোহী সান’আ শহর থেকে হাযারামাউত পর্যন্ত একাকী ভ্রমণ করবে। আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সে ভয় করবে না। রাবী (র.) অতিরিক্ত বর্ণনা করেন এবং তার মেষ পালের উপর নেকড়ে বাঘের আক্রমণে সে ভয় করবে না। [সহীহ বুখারি (ইফা), ৬ষ্ঠ খন্ড, হাদিস নং ৩৫৭৩]

হ্যাঁ, ইসলামের মূল উদ্দেশ্যই এটা। মানুষের সামাজিক, আর্থিক, রাষ্ট্রীয়সহ সকল ধরনের নিরাপত্তা প্রদান করা; সত্য ও ন্যায় সুপ্রতিষ্ঠিত করা। এককথায় পৃথিবীকে স্বর্গে পরিণত করার আরেক নাম ইসলাম। আমরা ইতিহাসে দেখেছি, পরবর্তীতে এই ইসলামের মাধ্যমে সমস্ত আরবে কী পরিমাণ শান্তি, নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা হয়েছিলো। একজন সুন্দরী সালঙ্কারা নারী একাকী রাতের আঁধারে মাইলে পর মাইল পাড়ি দিত, কিন্তু তার মনে আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ভয় থাকতো না। আর্থিক অবস্থার এতটাই উন্নতি হয়েছিলো যে, শহর-উপশহর, মরুভূমি চষে বেড়িয়েও দান গ্রহণের জন্য এমন একজনকেও পাওয়া যেত না। মাসের পর মাস আদালত আলস্যে দিন কাটাতেন বিচারকগণ।

কোথায় সেই ইসলাম? কোথায় সেই নিরাপত্তা? আজ কোথায় সেই শান্তি? বাস্তবের কাছে সবই যেন আজ দুঃস্বপ্ন। কারণ, আমরা রসুল (সা.) ও তাঁর আসহাবদের কাছ থেকে প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করার পরিবর্তে গ্রহণ করেছি তাঁদের যুগের আরবীয় লেবাস, সুরত। বিষ ভর্তি রসগোল্লা খেলে যা হয়, তাই হয়েছে আমাদের। হ্যাঁ, আমরা মরেই গিয়েছি, মৃতজাতি। না হলে কী করে আমরা বাস্তব ও পার্থিব জীবনের শান্তিটাকে বিসর্জন দিয়ে, মানবজাতির দুঃখ দুর্দশা দেখেও না দেখে স্বার্থপরের মতো পরকালীন সুখের জন্য নিজেকে আবদ্ধ করেছি ফজিলত ও সওয়াবের নানাবিধ ব্যক্তিগত আমলে! আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই সালাহ যাবতীয় অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে তোমাদের বিরত রাখে (সুরা আনকাবুত ৪৫)। তাহলে সালাতের ফল কী সেটা বোঝা গেল, কিন্তু আমাদের সমাজে লক্ষ লক্ষ মসজিদে কোটি কোটি মুসল্লির নামাজের ফল কী হলো সেটা বোঝা গেল না। সবচেয়ে বেশি যারা নামাজ পড়ছে অর্থাৎ মাদ্রাসা ও মসজিদের বাসিন্দারা, তাদের মধ্যে শিশুকামিতা, ধর্ষণ, বলাৎকার ইত্যাদি বহুবিধ অশ্লীলতার চর্চা প্রায়ই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে পড়ে।

সুতরাং যে নামায সমাজের অন্যায়, অবিচার, অশ্লীলতা দূর করতে পারে না, সেটা নামাযই না। যে নামাযে গরিব-দুঃখী, এতিম-মিসকীনদের পাশে দাঁড়ানোর কথা তিলাওয়াত করা হয়, যে নামাজে সত্য, ন্যায়, সুবিচারের কথা তিলাওয়াত করা হয় আর সেই নামাযকেই আমরা অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের পূজা-প্রার্থনার মতো নির্জীব, প্রাণহীন উপাসনায় পরিণত করেছি। মূর্তির কাছে প্রার্থনায় যেমন কোনো ফলাফল নেই, আমরাও নামায থেকে কোনো ফলাফলে আশাবাদী না, বিশ্বাসী না। তেমনি রোজা-কুরবানি দেয়া হয়েছে তাকওয়াভিত্তিক চরিত্র তৈরির জন্য (সুরা বাকারাহ ১৮৩, সুরা হজ ৩৭), ওগুলো পালন করে জান্নাত যাবার জন্য না। এই তাকওয়াভিত্তিক চরিত্রের উদ্দেশ্য সমাজে-রাষ্ট্রে সর্বত্র শান্তি, ন্যায়, সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা। এখনতো আমাদের রোজা-কুরবানিতে তাকওয়া অর্জন হয় না, হয় পার্থিব সম্মান অর্জন। এসব উৎসব-আড়ম্বরে পরিণত হয়েছে আমাদের কাছে, সামাজিক মান-মর্যাদার, প্রদর্শনেচ্ছা, প্রতিযোগতার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি তাকওয়া অর্জনই করতে পারতাম তবে সমাজে-রাষ্ট্রে এতো অন্যায়, হানাহানি, রক্তপাত থাকার কথা ছিলো না; এতো অশান্তি থাকার কথা ছিলো না। কারণ আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই বলে, “জনপদের অধিবাসীগণ যদি ঈমান আনতো এবং তাকওয়া অবলম্বন করতো, তবে আমি তাদের জন্যে আকাশ ও পৃথিবীর বরকতের দ্বার খুলে দিতাম।” (সুরা আরাফ ৯৬)।

আজ কোথায় আল্লাহর রহমত, কোথায় বরকত? আকাশে-বাতাসে বোমা-বারুদের গন্ধ, পারদ-সীসার বিষবাষ্প; মুসলিমদের ভূখণ্ডগুলো আবালবৃদ্ধবণিতার রক্তে সিক্ত; ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়া, লিবিয়া, আরাকান, উইঘুর, জিংজিয়াং, কাশ্মির, লেবানন, ইয়ামেনসহ বহু দেশের নদী-সাগরের পানি আজও রক্তমিশ্রিত ও পঁচা লাশে বিষাক্ত। কামান-শেলে ঝলসে যাচ্ছে ভূখণ্ডগুলো, রাসায়নিক অস্ত্রের প্রয়োগে কিংবা ক্ষুধার যন্ত্রণায় ধুঁকে ধুঁকে মারা যাচ্ছে মানুষ। আমাদেরই অসাবধানতায়, কূপমণ্ডূকতায়, অজ্ঞানতায়, উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপনের কারণে মানবতার মহাশত্রু দাজ্জাল (কথিত পশ্চিমা সভ্যতা) মহা ধ্বংসযজ্ঞের আয়োজন করেছে। সময় খুব কম, যদি সত্যটা না বুঝি, প্রস্তুত থাকতে হবে আত্মাহুতির মাধ্যমে তার অভ্যর্থনা জানানোর জন্য।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!
আগামীকাল রোববার বাংলাদেশে আসতে পারেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটানের রাজধানী থিম্পু সফরে যাওয়ার পথে স্বল্প সময়ের জন্য ঢাকায় ট্রানজিট নেওয়ার…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীভল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে ভাতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায়…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় একটি ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর আনুমানিক বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ইলেকট্রনিক্স পণ্য পরিবেশক সমিতি বাংলাদেশ তথা ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইপিডিএবি)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটির পথচলায় এক…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপির সদ্যঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলটির একাংশের নেতাকর্মীরা। কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পুটিমারী এলাকায় স্থানীয় এক জেলের জালে ৯০ কেজি ওজনের একটি বিশালাকার বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) মাছটির ছবি…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী এলাকায় ডিসি সড়কে মালবোঝাই ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আকস্মিক পরিদর্শনে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায় সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে। এ সময় কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
মোঃ শফিকুল ইসলামকালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধিগাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরস্থইবনে সিনা  ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড  এর হারবাল শাখায় শনিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওষুধের মেশিন ও গোডাউনে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে তিন শিশুও। শুক্রবার রাতে নুডলস খাওয়ার পর ঘুমাতে যান পরিবারের সদস্যরা।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় ভেঙে পড়েছেন আশিকুল ইসলাম। আনন্দঘন ভ্রমণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!
মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি পরকম্পন বা আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর দেশটির…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক