প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   রোজা আসন্ন: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের কী...

রোজা আসন্ন: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের কী উপায়?

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ০১:০২ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মো. আসাদ আলী:
মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে। যে দ্রব্যগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাথে যুক্ত, যেসব ছাড়া মানুষ বাঁচে না, সেগুলোর দাম প্রতিবছর পূর্ববর্তী বছরের রেকর্ড ভাঙছে। এটা নিয়ে কত আন্দোলন হচ্ছে, সরকার পর্যন্ত পতন হয়ে যাচ্ছে। সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট ও ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের মাধ্যমে ভ্রাম্যমান আদালতন চালু করেছে, ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু করছে, টিসিবির ট্রাক নামাচ্ছে, মিডিয়ায় ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। নিচের ছোট্ট পরিসংখ্যানটি প্রমাণ করে যে সরকারগুলো দ্রব্যমূল্য কমাতে নিদারুণভাবে ব্যর্থ হচ্ছে, যদিও বেশ কিছু দিন আগের হিসাব (সূত্র: ১৪ জানুয়ারি, ২০২৪, দৈনিক প্রথম আলো)।

প্রশ্ন হল, এর কি সমাধান নেই? হ্যাঁ, সমাধান আছে। তবে কোনো একটি সামাজিক ও জাতিগত সমস্যা একদিক থেকে সমাধান করা সম্ভব নয়। এর সাথে অনেকগুলো নিয়ামক বা ফ্যাক্টর জড়িত। প্রথম কথাই হচ্ছে, রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল পরিবর্তন করে আল্লাহর দেওয়া রাষ্ট্রকাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। তৃতীয়ত, বাণিজ্যব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা একটি শোষণমূলক ব্যবস্থা যা মানুষে মানুষে বিপুল আয়বৈষম্য সৃষ্টি করে। সুদভিত্তিক অর্থনীতির কারণে গুটিকয় পুঁজিপতির কাছে জাতির অধিকাংশ সম্পদ জমা হয়ে যাচ্ছে আর অপরদিকে বৃহত্তর জনগোষ্ঠী বঞ্চিত হচ্ছে। এ কারণেই বর্তমানে বিশ্বের ৬৩% সম্পদ মাত্র ১% ধনীর হাতে জমা হয়ে গেছে (১৭ জানুয়ারি ২০২৩, দৈনিক প্রথম আলো)। এই ব্যবস্থায় ধনীদের মাধ্যমে ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট তৈরি হচ্ছে, যা অধিক মুনাফার লোভে নিত্যপণ্যসহ সকল পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারমূল্য বাড়িয়ে তুলছে। ধনতন্ত্রের চর্চার ফলে ব্যাংক, বিমা, স্টক মার্কেটসহ প্রচুর আর্থিক প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে যেগুলোর মাধ্যমেও প্রচুর অর্থ জমা হয়ে যাচ্ছে। অর্থের এক জায়গায় জমা হয়ে যাওয়ার কারণে সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য ও জালিয়াতি সৃষ্টি হচ্ছে। এটা যেন হতে না পারে এজন্যই আল্লাহ সুদকে হারাম করেছেন এবং ব্যবসাকে হালাল করেছেন (সুরা বাকারা ২:২৭৫)। শেষ জীবনব্যবস্থায় অর্থনীতির প্রণেতা স্বয়ং স্রষ্টা, আল্লাহ। এই ব্যবস্থার ভিত্তি নীতি (ইধংরপ ঢ়ৎরহপরঢ়ষব) হচ্ছে সম্পদকে মানুষের মধ্যে দ্রুত গতিতে চালিত করা, কোথাও সঞ্চিত হতে না দেওয়া। পুঁজিবাদ বলছে সম্পদ খরচ না করে সঞ্চয় কর; সবার সঞ্চয় একত্র কর, পুঞ্জীভূত কর (ব্যাংকে), আল্লাহ কোর’আনে বলছেন দান কর, ব্যয় কর, সম্পদ জমা কোরো না, পুঞ্জীভূত কর না। অর্থাৎ ইসলামের অর্থনীতি পুঁজিবাদী অর্থনীতির ঠিক বিপরীত। একটায় সঞ্চয় কর অন্যটায় ব্যয় কর।

তাই কোনোভাবেই সুদের ব্যবসা, ব্যাংকিং, লেনদেন চালু রাখা যাবে না। পরিবর্তে সুদমুক্ত, ঝুঁকি ও মুনাফার অংশীদারত্বের (জরংশ ধহফ চৎড়ভরঃ ঝযধৎরহম – গঁফধৎধনধয ধহফ গঁংযধৎধশধয) ভিত্তিতে অর্থাৎ সুদ হবে না এমন যৌক্তিক বাণিজ্যনীতি প্রবর্তন করতে হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট নিশ্চিহ্ন করতে হবে যেন বড় বড় শিল্পপতিদের দাপটে ছোট-মাঝারি বিনিয়োগকারীদের পুঁজি হারাতে না হয়। সেটার জন্য কয়েকটি স্তরে বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলো সজ্জিত করতে হবে। বৃহৎ পুঁজির মালিকদের উৎপাদন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্র সুনির্দিষ্ট থাকবে যেন স্বল্পপুঁজির ব্যবসায়ীরা বাজারে টিকে থাকতে পারে। যেমন ঔষধ উৎপাদনকারী বৃহৎ কোম্পানি হলুদ মরিচের ব্যবসা করতে যাবে না। সেটা করবে মাঝারি বা ক্ষুদ্র পুঁজির উদ্যোক্তারা।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

এই সবগুলো নিয়ামকই দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এর বাইরে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য যে নীতি গ্রহণ করতে হবে তা হল, যে পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে, সেই পণ্যের যোগান বাড়ানোর চেষ্টা করা। অর্থাৎ পণ্যটা যাতে বাজারে পর্যাপ্ত থাকে তা নিশ্চিত করা। যোগান বাড়লে দাম কমবে এটা সরল হিসাব। এই যোগান বাড়ানো যেতে পারে দুইভাবে- উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে অথবা আমদানির মাধ্যমে। বাজারে পণ্যটার যোগান ঠিক রাখা গেলে, দোকানে সরবরাহ ঠিক থাকলে, আর অসাধু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে মজুদ করতে না পারলে পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই সহজ।

কিন্তু যদি পণ্যটা আমদানি বা উৎপাদন করা সম্ভব না হয়? ধরুন বাংলাদেশে যে পণ্যের দাম বেড়ে গেছে, সেই পণ্যটা পাওয়া যায় ইউক্রেনে। এতদিন ইউক্রেন থেকে ব্যবসায়ীরা পণ্যটা আমদানি করত। এখন যুদ্ধের কারণে পণ্য আমদানি করা যাচ্ছে না। কিংবা ধরুন, পণ্যটা এতদিন আমদানি করা হতো রাশিয়া থেকে। রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হওয়ায় এখন আর দেশটি আর পণ্য রপ্তানি করতে পারছে না। আবার বাংলাদেশেও সেই পণ্যটা ব্যাপকভাবে উৎপাদন করাও যাচ্ছে না, কারণ বাংলাদেশের আবহাওয়া জলবায়ু এই পণ্য উৎপাদনের সহায়ক নয়, দক্ষ জনশক্তিও নাই, পর্যাপ্ত কৃষিজমি নেই। তখন কী করণীয়?

তখন রয়েছে দ্বিতীয় উপায়। সেটা হল- পণ্যটার চাহিদাও কমিয়ে ফেলা। মনে রাখতে হবে জনগণ যে জিনিস কিনবে না, সেটার দাম এমনিতেই কমে যাবে। ধরা যাক সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে যাবার পর জনগণ সয়াবিন তেল খাওয়া বাদ দিয়ে সরিষা তেল খাওয়া শুরু করল, কিংবা সয়াবিন তেল যারা খাচ্ছে খুবই অল্প পরিমাণে খাচ্ছে। এতে কিছুদিনের মধ্যেই সয়াবিন তেলের যোগান বেড়ে যাবে এবং তার ফলে দাম কমতে শুরু করবে। তবে সাধারণত এভাবে চাহিদা কমানোর মাধ্যমে দাম কমানোর নজির খুবই কম। কেননা জনগণ কখনই ঐক্যবদ্ধভাবে কোনো পণ্যের ব্যবহার বন্ধ করতে পারে না। জনগণ ঐক্যবদ্ধ নয়।

আরেকটা কথা জেনে রাখা আবশ্যক- যে পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে সেটার চাহিদা এমনিতেও কিছুটা কমে যায়, তবে সেটা আশানুরূপ নয়। অর্থাৎ যতটা চাহিদা কমলে দাম কমে যাবে ততটা চাহিদা কমে না। বিশেষ করে পণ্যটা যদি নিত্য প্রয়োজনীয় কোনোকিছু হয়, তাহলে চাহিদা কমে না বরং চাহিদা আরও বেড়ে যায়। তখন সবার মধ্যেই পণ্যটা মজুদ করে রাখার প্রবণতা তৈরি হয়। কয়েক বছর পূর্বে লবণের দাম নিয়ে গুজব রটার পর দেখা গিয়েছিল অবিশ্বাস্য রেটে সাধারণ মানুষ লবণ কিনে বাড়িতে জমা করে রাখছে। অর্থাৎ দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের চাহিদাও যেন বেড়ে গিয়েছিল! 
এদিকে জাতির ধনিক শ্রেণির দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই- নিত্য প্রয়োজনীয় কোনো ভোগ্যবস্তুর দাম বেড়ে গেলেও জনগণের এই অংশকে কোনো ভোগান্তি পোহাতে হয় না, বা চাহিদা কমানোর কথা ভাবতে হয় না। দাম বাড়ার পরও ধনীরা সেই পণ্যটা যত ইচ্ছা কিনতে থাকে ও ভোগ করতে থাকে। যেহেতু বাজারে বেশি দামে অনেকে কিনছেই, তাই সেই পণ্যটার দাম কমার সম্ভাবনাও আর থাকে না। ব্যবসায়ীদের ব্যবসা ঠিক থাকে, উচ্চবিত্তদের জীবন-জীবিকাও ঠিক থাকে, উৎপাদকরাও সীমিত উৎপাদন দিয়েই প্রচুর মুনাফা অর্জন করতে থাকে, শুধু মানবিক বিপর্যয়ে পড়ে যায় হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী!

এই কারণেই মূলত ভোগবাদী সমাজে চাহিদা কমানোর মাধ্যমে পণ্যের দাম কমানোর কথা চিন্তাও করা যায় না। একটা ভোগবাদী সমাজে মানুষ বেঁচেই থাকে ভোগ করার জন্য। যার বেশি সামর্থ্য সে বেশি ভোগ করে, অল্প সামর্থ্য থাকলে অল্প ভোগ করে। কিন্তু সামর্থ্য থাকার পরও বৃহত্তর স্বার্থে ভোগ না করার মানসিকতা এই সমাজে কখনই গড়ে ওঠে না। দেশের আর্থসামাজিক হালচাল যা-ই হোক, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আগের চেয়ে একটু কম খাওয়া, একটু কম মানের পোশাক পরা, একটু কম খরচের চেষ্টা করার কথা ভাবতেও পারে না ভোগবাদী সমাজের মানুষ। তাই এই দিকটা নিয়ে বর্তমানের পুঁজিবাদী অর্থনীতির ধারক-বাহকরা তেমন একটা আশাবাদী হতে পারে না। যারা সরকারের নীতিনির্ধারণ করেন, তারাও ভালোভাবেই জানেন একটা পণ্যের দাম ১০গুণ বেড়ে গেলেও জনগণের একাংশ সেই পণ্য কিনবেই। রাষ্ট্রপ্রধানও যদি পণ্যটি না খাওয়ার জন্য বা কম খাওয়ার জন্য জাতিকে আহ্বান করেন, জাতি সেই আহ্বান মানবে না। তাই নীতি-নির্ধারকরা পণ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির সমাধান হিসেবে সবসময় যোগান বাড়ানো, আমদানি বাড়ানো, শুল্ক কমানো, ভ্যাট কমানো ইত্যাদি গতানুগতিক পন্থাকেই বেছে নেন। এসবে কাজের কাজ কিছুই হয় না, তা সবাই জানেন।

অথচ আমরা যারা নিজেদেরকে মুসলমান বলে দাবি করি, আমাদের সমাজে দ্বিতীয় সূত্রটাই কিন্তু বেশি ফলপ্রসূ হবার কথা ছিল। আমাদের সমাজের ধনী বা গরিব যে শ্রেণির কথাই বলি- তাদের কিন্তু ভোগবাদী ও বস্তুবাদী হবার কথা ছিল না। বরং কথা ছিল তারা নিজেরা না খেয়ে অন্যকে খাওয়াবে। তাদের ঘরে যদিও ফ্রিজভর্তি খাবার থাকে, লকারভর্তি টাকা থাকে, তথাপি তারা নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে, সংযমে রাখবে। এই সংযম যদি কোনো জনগোষ্ঠীর মধ্যে থাকে তাহলে সেখানে খুব সহজেই অর্থনৈতিক সঙ্কটের সমাধান করা সম্ভব, আবার এই সংযম না থাকলে শত আন্তরিক প্রচেষ্টাতেও অর্থনৈতিক সঙ্কটের সমাধান সম্ভব নয়।

রমজান মাসে মুসলিমদের ফরজ আমল হল সওম। সওম মানেই আত্মসংযম। আল্লাহ বছরের বারো মাসের মধ্যে একটামাস নির্ধারণ করেছেন যেই মাসে মুসলিম জনসাধারণ নিজেদের জীবনে সংযমের শিক্ষা অর্জন করবে। নিজেদের নফসকে নিয়ন্ত্রণের অনুশীলন করবে। তারপর যেই সংযম সে অর্জন করতে পারল, সেটার প্রতিফলন ঘটাবে বাকি এগারো মাসের জীবন-যাপনে। রমজান মাসে একজন মুসলিমের পেটে ক্ষুধা থাকে, টেবিলে খাবার থাকে, কিন্তু সে না খেয়ে থাকে। এই না খাওয়াটা তার নিজের জন্য নয়, আল্লাহর জন্য। ঠিক তেমনি রমজান মাস ছাড়াও একজন মুসলিম বহুকিছু খাবে না, বহু খরচ করবে না শুধুই আল্লাহর জন্য, মানবতার কল্যাণের জন্য, সমাজের বৃহত্তর স্বার্থের জন্য। সওম যেমন ধনী-দরিদ্র সবার জন্য ফরজ, তেমনি সমাজের স্বার্থের জন্য নিজের চাহিদাকে কমিয়ে আনার দায়িত্বও ধনী-দরিদ্র সবাইকেই পালন করতে হবে।

আমাদের সওম যদি সত্যিকারের সওম হতো তাহলে একটা সওমই যথেষ্ট হতো বহু অর্থনৈতিক সঙ্কটের সমাধান এনে দেওয়ার জন্য। সমস্যা হল- আমরা সওম পালন করি, কিন্তু সওমের উদ্দেশ্য বুঝি না এবং সওমের শিক্ষা চরিত্রে ধারণ করারও চেষ্টা করি না। আমরা সওমের নামে শুধু না খেয়ে থাকি। আর মনে করি- সওমে না খেয়ে কষ্ট পাওয়ার মধ্যেই আছে সওয়াব। সন্ধ্যা পর্যন্ত সওয়াব অর্জনের পর মাগরিবের আজানের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সংযমের লাগাম ছিঁড়ে বেরিয়ে আসে ভোগবাদী আসল চেহারাটা! একবেলা না খেয়ে থাকার পর আরেকবেলায় দুইগুণ বেশি খাবার খেয়ে কষ্টের মাশুল আদায় করি! ফল হয় এই যে, রমজান মাস এলে দ্রব্যমূল্য কমার বদলে বেড়ে যায় কয়েকগুণ। পরিহাস আর কাকে বলে!

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ফেনীতে মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের জেলা কমিটির সাধারণ সভা

ফেনীতে মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের জেলা কমিটির সাধারণ সভা
ফেনী প্রতিনিধি: বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএমইউজে) ফেনী জেলা কমিটির মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফেনী শহরের একটি রেস্তোরাঁয় এই সভার…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

মহাপরিচালকের পদক্ষেপে ডেসকো আনসার গার্ডের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান

মহাপরিচালকের পদক্ষেপে ডেসকো আনসার গার্ডের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান
সদস্যদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ও দায়িত্ব পালনে স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনায় নানা কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কাউনিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে প্রেস কনফারেন্স

কাউনিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে প্রেস কনফারেন্স
কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি: ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে অবহিত করতে সচিবালয় থেকে সরাসরি সারাদেশে একযোগে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রংপুরের…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

গাজীপুরে কেয়া কসমেটিকসের নকল পণ্য তৈরির কারখানায় অভিযান, ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা

গাজীপুরে কেয়া কসমেটিকসের নকল পণ্য তৈরির কারখানায় অভিযান, ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা
গাজীপুর সংবাদদাতা:কেয়া কসমেটিকসসহ বিভিন্ন সুপরিচিত ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করে নকল সাবান ও ডিটারজেন্ট পাউডার তৈরি, প্যাকেটজাত এবং বাজারজাত করার অভিযোগে গাজীপুরের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৯৫ হাজার…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সম্পত্তির বিরোধে বাবার দাফন আটকে দিলেন মেয়ে!

সম্পত্তির বিরোধে বাবার দাফন আটকে দিলেন মেয়ে!
বাবার জীবদ্দশায় ছেলের নামে জমি লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে জানাজা ও দাফনে আপত্তি জানান মেয়ে। এ নিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে পারিবারিক বিরোধ ও সমঝোতার…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

এমন কোনো প্রতীক নেই, যেটায় ভোট দিলে জান্নাতে যাবে!

এমন কোনো প্রতীক নেই, যেটায় ভোট দিলে জান্নাতে যাবে!
‘পৃথিবীতে এমন কোনো প্রতীক নেই, যে প্রতীকে ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যায়’—এমন মন্তব্য করেছেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোল্লা তরিকুল ইসলাম শোভন। সোমবার…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

ফেসবুকে প্রেম, বিয়ে করতে ভারত থেকে জয়পুরহাটে যুবক!

ফেসবুকে প্রেম, বিয়ে করতে ভারত থেকে জয়পুরহাটে যুবক!
ফেসবুকে গড়ে ওঠা প্রেমের টানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় এসেছেন এক যুবক। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন নিজের ভাইকেও। ভারতীয় দুই যুবকের আগমনের খবর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

পারিবারিক জেরে অন্তঃসত্তা স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

পারিবারিক জেরে অন্তঃসত্তা স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:​গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

গলাচিপায় জিম্মি করে জবানবন্দি নেওয়ার অভিযোগে মাদ্রাসা সুপারের সংবাদ সম্মেলন

গলাচিপায় জিম্মি করে জবানবন্দি নেওয়ার অভিযোগে মাদ্রাসা সুপারের সংবাদ সম্মেলন
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও বক্তব্য ধারণ এবং ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন মধ্য-পানপট্টি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মুহা. মাকছুদুর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

সাভারে অস্ত্র ও খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

সাভারে অস্ত্র ও খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে তিনটি ধারালো ছোরা এবং একটি খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত ও ছিনতাইকারী দলের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ আর নেই!

সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ আর নেই!
সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ মারা গেছেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে নিজ বাসায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩৮ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

৭ দেশে টিকটকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করল মেটা!

৭ দেশে টিকটকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করল মেটা!
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা যুক্তরাষ্ট্রসহ সাতটি দেশে চীনা প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের বিজ্ঞাপন প্রচার নিষিদ্ধ করেছে। এর ফলে এসব দেশে টিকটকসহ বাইটড্যান্সের অন্যান্য সেবার প্রচারণামূলক…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    প্রযুক্তি

ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের দায়িত্ব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারপ্রধান হিসেবে প্রত্যেক নাগরিকের…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ফিফা থেকে অতিরিক্ত ১ কোটি ডলার পেতে পারে বাংলাদেশ!

ফিফা থেকে অতিরিক্ত ১ কোটি ডলার পেতে পারে বাংলাদেশ!
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে সদস্য দেশগুলোর জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা ও উত্তর, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

উচ্চস্বরে আজান দেওয়ার অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার!

উচ্চস্বরে আজান দেওয়ার অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার!
ভারতের উত্তর প্রদেশের বিজনোর জেলায় নির্ধারিত শব্দসীমা অতিক্রম করে লাউড স্পিকারে আজান দেওয়ার অভিযোগে মোহাম্মদ ফাইজান নামে এক মুয়াজ্জিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতে হাজির করার…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক