দখলদার ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে তুমুল লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছে লেবাননভিত্তিক শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। গতকাল শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সীমান্তে ইসরায়েলের সেনাদের একটি চারতলা ভবন বিশিষ্ট ব্যারাক উড়িয়ে দিয়েছে তারা।
ইসরায়েলিদের ব্যারাকে হামলার ভিডিও প্রকাশ করেছে হিজবুল্লাহ। তারা জানিয়েছে, ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র (এটিজিএম) ব্যবহার করে সফলভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার সঙ্গে সঙ্গে ওই ব্যারাকটি ধসে পড়ে। হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, হামলার সময় ব্যারাকের ভেতর ইসরায়েলি সেনারা ছিলেন।
টিকা সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ১৫ বার সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

গতকাল শনিবার হিজবুল্লাহর একটি পর্যবেক্ষণ পোস্টে হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েলি সেনারা। ওই হামলার প্রতিশোধ নিতেই ব্যারাক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে তারা।
ব্যারাকে ভয়াবহ এ হামলার পর লেবাননের বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল আজ রোববার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর হামলায় ছয় সেনা (দুইজন গুরুতর) আহত হওয়ার পর লেবাননের স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।
গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ বাধে। যুদ্ধ শুরুর পরের দিনই এতে জড়ায় লেবাননের হিজবুল্লাহ।
এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় হিজবুল্লাহর প্রায় ১০০ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহর দাবি, তাদের হামলায় অসংখ্য ইসরায়েলি আহত ও নিহত হয়েছেন।
হিজবুল্লাহ অবশ্য ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এখনো তাদের পূর্ণ শক্তি ব্যবহার করেনি। তারা বলে আসছে, ইসরায়েলিরা যুদ্ধ দীর্ঘ করলে এবং গাজায় বর্বরতা বন্ধ না করলে যুদ্ধের মোড় অন্য দিকে ঘুরে যেতে পারে।
















