প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   চলমান অন্ধকার যুগ পাল্টে দিবে...

চলমান অন্ধকার যুগ পাল্টে দিবে হেযবুত তওহীদ

১৭ মে ২০২৩ ০৭:৩৯ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বর্তমানে সমগ্র মুসলিম জাতির জীবনে নেমে এসেছে ভয়াবহ সঙ্কটকাল। এই জাতিকে ধ্বংস করতে বহুমুখী আক্রমণ চলছে। একটির পর একটি মুসলিম প্রধান দেশ ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিও এ ষড়যন্ত্রের বাইরে নেই। এই ষড়যন্ত্র যদি সফল হয় তাহলে আর কিছুই থাকবে না। আমাদের সেই দশা হবে যেটা ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তন, লিবিয়া, ইয়েমেনের হয়েছে। বস্তুত এই সঙ্কট উপলব্ধি করেই আমরা হেযবুত তাওহীদ ঐক্যের ঝাণ্ডা হাতে রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ছুটে চলেছি। সকল মানুষের সামনে তুলে ধরছি আসন্ন সঙ্কট ও এই সঙ্কট থেকে মুক্তির উপায়। আমরা সেই আদর্শ তুলে ধরছি যেটা ধারণ করে আমরা ১৬ কোটি বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হতে পারি।

আজ থেকে ১৪শ বছর আগে আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগ কেমন ছিলো সে কথা সবাই জানেন। সেই সমাজে আবির্ভূত হয়েছিলেন আল্লাহর শেষ রসুল। যেই সমাজে কন্যা শিশুকে কবর দেয়া হতো, নারী মানেই পরিবারের জন্য বোঝা মনে করা হতো। যতই মেধা থাকুক না কেনো তাদেরকে একটা বোঝা বলেই গণ্য করা হতো। এর বেশি তাদের কিছু ভাবাই হতো না। নারীদেরকে মনোরঞ্জনের উপাদান, বিনোদনের সামগ্রী মনে করা হতো। সেই সময় মদ্যপান ছিলো প্রকাশ্য আর অবারিত। গোত্রে গোত্রে চলতো যুদ্ধ। ক্ষুধা-দারিদ্র, অজ্ঞতা ছিলো জাতীয় বৈশিষ্ট। তখন আল্লাহর রসূল ভাবতে লাগলেন কিভাবে মানুষের মুক্তি সম্ভব? তিনি পথ খুুজঁতে লাগলেন। তারপর আল্লাহ তাকে পথ দেখালেন। সে পথ হলো- হেদায়াহ, তওহীদ অর্থাৎ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। এক আল্লাহ ছাড়া কারো হুকুম মানি না- এই কথার উপর ধীরে ধীরে ঐ আরবের মানুষগুলোকে আল্লাহর রসুল ঐক্যবদ্ধ করলেন। তারপর পুরো আরবের চিত্রটাই পাল্টে গেলো।

তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ আরবজতি তখন শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত হলো। যারা নিজেরা নিজেরা কলহ-বিবাদ ও রক্তারক্তি করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল, তারাই ঐক্য ভ্রাতৃত্ব ও শৃঙ্খলায় দৃষ্টান্তস্থানীয় হয়ে উঠল। অজ্ঞতার অন্ধকার কেটে গিয়ে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হলো সমাজ। যাদের পেটে খাবার ছিল না, পরনে পর্যাপ্ত বস্ত্র ছিল না তারা অর্থনৈতিক সচ্ছলতায় এমন পর্যায়ে পৌঁছালো যে, মানুষ দান করার জন্য সম্পদ, খাদ্যদ্রব্য নিয়ে পথে পথে ঘুরত, কিন্তু গ্রহণ করার মত লোক পেত না। রসুলাল্লাহ সমস্ত নারীদের আদর্শিক শিক্ষা দিয়ে তাদের জীবনের গতি ধারা পাল্টে দিলেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার জন্য উদ্দীপনা দিলেন। যে নারীরা ছিল সমাজের সবচাইতে অবহেলিত অংশ, যাদেরকে মনে করা হত বোঝা, সত্যদীনের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে তারা হয়ে উঠল বীরাঙ্গনা। তারা রোমান ও পারস্য সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে আনল। এই যে যুগের পরিবর্তন সাধিত হলো, এটি সম্ভব হয়েছিল যে বাক্যটির দ্বারা সেটাই ইসলামের কলেমা- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অর্থাৎ তওহীদ। একটি সাধারণ অঙ্গীকার যে আমাদের জীবনে আমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারো হুকুম বিধান মানবো না। এই সিদ্ধান্তই সমাজকে সর্ববিষয়ে অগ্রণী করেছিল। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো আমরা আজকে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে গেছি। আমরা মুখে মুখে কলেমা তওহীদ পাঠ করছি কিন্তু বাস্তব জীবনে হুকুম বিধান মানছি দাজ্জাল তথা ইহুদি খ্রিষ্টান বস্তুবাদী সভ্যতার। তওহীদ যদি থাকত তাহলে বর্তমানে মুসলিম জাতির যে ভয়াবহ চিত্র আমরা দেখতে পাচ্ছি, তার বদলে আমরা ভিন্ন চিত্র দেখতে পেতাম।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

আল্লাহর রসুলের প্রকৃত ইসলামের একটাই রূপ ছিল। সবার আকিদা ছিলো একরকম। কিন্তু বর্তমানে আমাদের মধ্যে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। হাজার হাজার দল-ফেরকা-মাজহাব-তরিকায় বিভক্ত আজকের মুসলিম জাতি। তারা আজ আল্লাহর তৈরী জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে পশ্চিমা সভ্যতার তৈরী জীবনব্যবস্থা মেনে চলছে। যার কারণে পৃথিবীতে আজ কোথাও শান্তি নেই। অন্যায় অবিচার যুদ্ধ রক্তপাতে নিমজ্জিত আজ পুরো পৃথিবীর মানুষ। এই যখন অবস্থা, তখন আল্লাহর রসুলের পদাঙ্ক অনুসরণ করে হেযবুত তওহীদ জাতিকে তওহীদের ভিত্তিকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজে নেমেছে। চারিদিক আজ হতাশার ঘুটঘুটে অন্ধকার, আর এরই মাঝে হেযবুত তওহীদ এক খণ্ড আলো। হেযবুত তওহীদের বক্তব্য হলো- শান্তি, ন্যায়, সুবিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহর দেয়া জীবন ব্যবস্থাকে সমষ্টিগত জীবনে কার্যকর করা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।

এই বক্তব্য নিয়ে হেযবুত তওহীদ যখন এগিয়ে চলেছে, তখন পরিতাপের বিষয় হলো- সমাজের সেই শ্রেণিটি যারা ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা করে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করে আসছে, তারা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। কারণ ধর্মব্যবসা হারাম- এ সত্যটি হেযবুত তওহীদ কোর’আন, হাদিস, ইতিহাসের দলিল যুক্তি তথ্য উপাত্ত দিয়ে মানুষের সামনে তুলে ধরছে। কায়েমী স্বার্থকে সুরক্ষিত রাখতে তারা হেযবুত তওহীদের বিরোধিতায় অবতীর্ণ হয়েছে। এটি হলো প্রধান কারণ। এছাড়াও তাদের বিরোধিতার অন্যতম কারণ হলো- হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমাম নারীদের সম্পর্কে বলেছেন নারীদের মেধা আছে, যোগ্যতা আছে, শক্তি আছে, জ্ঞান আছে, তারাও জাতির জন্য সমাজের জন্য মানবজাতির জন্য ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারে। উম্মতে মোহাম্মদীর বীরাঙ্গণা নারীরা পুরুষদের থেকে কোনো অংশেই কম ছিলেন না, তারা রসুলাল্লাহর সাথে থেকে স্বীয় মেধা ও যোগ্যতা মোতাবেক সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গনে ভূমিকা রেখেছেন।

বস্তুত সমাজের অর্ধেকই হচ্ছে নারী, তাদেরকে যখন বন্দী রাখা হয় সে জাতি কখনো উন্নতি সাধন করতে পারে না। নারীদের নিয়ে হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমামের এই বজ্রকণ্ঠ যখন বাংলার আকাশ-বাতাসে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে, উপেক্ষিত নির্যাতিত নারীদের দৃষ্টি খুলে যাচ্ছে, তখন ধর্মান্ধতা ও নারীবিদ্বেষের ব্যাধিতে আক্রান্ত ধর্মব্যবসায়ীরা বুঝতে পারছে এতদিন ধর্মের নামে তারা যে বিকৃত প্রথাগুলোকে জাতির উপর চাপিয়ে রেখেছে সেগুলোর দিন ফুরিয়ে আসছে। হেযবুত তওহীদের কারণে তাদের অপব্যাখ্যার অসারতা প্রমাণিত হচ্ছে। আর তা দেখে ধর্মব্যবসায়ীরা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, এমনকি বহু জায়গায় হামলা চালিয়ে হেযবুত তওহীদের সদস্যদেরকে আহত-নিহত পর্যন্ত করছে। ধর্মব্যবসায়ীদের এই আচরণ স্মরণ করিয়ে দেয় মক্কায় আল্লাহর রসুলের দুঃসহ রক্তক্ষরা দিনগুলোর কথা, তওহীদের ডাক দেওয়ার কারণে তাঁর উপর কতই না ভয়াবহ নির্যাতন চালিয়েছে আবু জাহেল, উতবা, শায়বাসহ তৎকালীন ধর্মব্যবসায়ী নেতারা। প্রশ্ন হলো, এই অপপ্রচার কি সত্যের অগ্রাযাত্রাকে রুদ্ধ করতে পেরেছিল?

না, কখনই পারেনি। ইনশা’আল্লাহ হেযবুত তওহীদকেও অপপ্রচারের বালির বাঁধ দিয়ে আটকে রাখতে পারবে না। যে সত্য ১৪০০ বছর আগের আরব সমাজকে পাল্টে দিতে পেরেছিল, সে একই সত্য আজ হেযবুত তওহীদ মানুষের সামনে তুলে ধরছে। কাজেই এ যুগেরও পরিবর্তন হবে। কেটে যাবে অমানিশার ঘোর অন্ধকার। শত্রুতা-বিদ্বেষ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হবে সমগ্র জাতি। নারীরা ফিরে পাবে তাদের হারানো সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার। আজকে নারীদেরকে ধর্মের নামে কার্যত গৃহবন্দী করে রাখা হয়, কিন্তু আল্লাহর রসুলের প্রকৃত আদর্শকে ধারণ করলে নারীরা তাদের মেধাকে আল্লাহর জন্য, দীনের জন্য, মানুষের জন্য উৎসর্গ করতে পারবে। তারা শালীনতা বজায় রেখে জাতীয়, রাষ্ট্রীয়, সামষ্টিক জীবনের সকল কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে অর্থাৎ প্রকৃত স্বাধীনতা ফিরে পাবে। স্বাধীনতার নামে ইউরোপীয় বস্তুবাদী সভ্যতা নারীদেরকে যে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনার দিকে ঠেলে দিচ্ছে সেদিকে তাদেরকে যেতে হবে না। তারা সমাজের প্রতিটি অঙ্গনে শালীনতার সাথে পুরুষের পাশাপাশি সকল কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে। হেযবুত তওহীদ টাকা-পয়সা চায় না। ভোটের রাজনীতিও করে না। এ আন্দোলনের কোনো পার্থিব স্বার্থও নেই। হেযবুত তওহীদ কেবল দেশটাকে বাঁচাতে চায়, মানুষকে রক্ষা করতে চায়, পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বর্তমান ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে এই জাতিকে বাঁচানোর জন্যই হেযবুত তওহীদের সদস্যরা নিজেদের সর্বস্ব উৎসর্গ করে মানুষকে সচেতন করে চলছে নতুন যুগের আগমনী বার্তা নিয়ে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের এই করুণ পরিণতি কোনো নিয়তির নির্মম পরিহাস নয়, বরং তা আল্লাহর বিধান থেকে দূরে সরে যাওয়ারই অবশ্যম্ভাবী ফসল। আমরা নামের শেষে মুসলিম…
 ১৬ জুন ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার
চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন
চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের জন্য সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পসহ নতুন ও সংশোধিত পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়