প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ঐতিহাসিক বিদায় হজ্বের ভাষণ আমরা...

ঐতিহাসিক বিদায় হজ্বের ভাষণ আমরা কতটুকু মনে রেখেছি?

৭ আগস্ট ২০১৭ ১০:০৭ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী:
কোন লোক যদি একটি বিরাট উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য সারাজীবন আপ্রাণ চেষ্টা, অবিশ্বাস্য ত্যাগ ও নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামের মাধ্যমে একটি নতুন জাতি সৃষ্টি করেন, তবে তিনি এ পৃথিবী ছেড়ে যাবার সময় তার সৃষ্ট জাতিটাকে কী উপদেশ দিয়ে যাবেন? নিঃসন্দেহে বলা যায় যে তিনি তার শেষ উপদেশে সেই সব বিষয়ই মূলত উল্লেখ করবেন যে সব বিষয়ের উপর তার জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে এবং তার অবর্তমানে যে সব বিষয়ে জাতির ভুল ও পথভ্রষ্ট হবার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকবে। তাই নয় কী?
এবার দেখা যাক শেষ নবী (সা.) তাঁর বিদায় হজ্বে, যে হজ্ব তিনি জানতেন তাঁর শেষ হজ্ব, তিনি তার জাতিকে কি কি বিষয়ে বলছেন। বিদায় হজ্ব ছিল বিশ্বনবীর (সা.) জীবনের সবচেয়ে বড় জনসমাবেশ। এতে তাঁর ভাষণকে তিনি কতখানি গুরুত্ব দিয়েছিলেন তা বোঝা যায় এই থেকে যে, অতবড় সম্মেলনেও খুশি না হয়ে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে, যারা উপস্থিত আছেন তারা তাঁর নির্দেশগুলি যেন যারা উপস্থিত নেই তাদের সবার কাছে পৌঁছে দেন- অর্থাৎ আরও বৃহত্তর জনগোষ্ঠী, তাঁর সমস্ত উম্মাহ তা শুনুক, জানুক। এখন দেখা যাক কী কী ছিল তার বক্তব্যে।
আমরা পাই-
(১) এই উম্মাহর লোকদের পরস্পরের সম্পত্তি ও রক্ত নিষিদ্ধ, হারাম করা।
(২) আমানত রক্ষা ও প্রত্যার্পন করা।
(৩) সুদ নিষিদ্ধ ও হারাম করা।
(৪) রক্তের দাবী নিষিদ্ধ করা।
(৫) পঞ্জিকা অর্থাৎ দিন, মাস, বছরের হিসাব স্থায়ী করা।
(৬) স্বামী-স্ত্রী, নর-নারীর অধিকার নির্দিষ্ট করে দেওয়া।
(৭) কোর’আন ও সুন্নাহকে জাতির পথ-প্রদর্শক হিসাবে রেখে যাওয়া।
(৮) একের অপরাধে অন্যকে শাস্তি দেয়া নিষিদ্ধ করা।
(৯) সত্যনিষ্ঠ নেতার আনুগত্য বাধ্যতামুলক করে দেয়া।
(১০) জীবন-ব্যবস্থা, দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি নিষিদ্ধ করা।
(১১) এই জাতির মধ্যকার সর্বপ্রকার ভেদাভেদ নিষিদ্ধ করা।
(১২) স¤পত্তির ওসিয়ত নিষিদ্ধ করা, অর্থাৎ আল্লাহ যে উত্তরাধিকার আইন দিয়েছেন তা লংঘন না করা।
(১৩) স্বামীর বিনানুমতিতে স্ত্রীর দান নিষিদ্ধ করা।
বিদায় হজ্বের এই ভাষণটি পর্যালোচনা করলে যা দেখা যায় তা হচ্ছে এগুলো আগে থেকেই কোরান-হাদীসে ছিল। তারপরেও তিনি জোর দিয়ে গুরুত্ব সহকারে তাঁর জীবনের সর্বশেষ সমাবেশে এই নির্দেশনাগুলি আবারো জাতিকে স্বরণ করিয়ে দিলেন। আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল তাঁর নির্দেশনাগুলির ছিল সবই জাতীয়, সামাজিক, আইনগত, অর্থনৈতিক, একটিও পুরোপুরি ব্যক্তিগত ছিল না। সেই ভাষণে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে জাতির ঐক্য সম্বন্ধে তাঁর ভয় ও চিন্তা। এটা স্বাভাবিক, কারণ সারাজীবন ধরে সংগ্রাম করে, শত নির্যাতন, অত্যাচার সহ্য করে, অপমান সহ্য করে, কাফের মোশরেকদের নির্মম আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে তিলে তিলে যে জাতিটিকে তিনি গড়ে তুললেন সেই জাতির উপর তাঁর কাজের দায়িত্ব অর্পন করে চলে যাবার সময় মানুষের মনে ঐ শঙ্কাটাই বড় হয়ে দাঁড়াবে। কারণ ঐক্য ভেঙ্গে গেলেই সর্বনাশ, জাতি আর তার আরদ্ধ কাজ করতে পারবে না, শত্রæর কাছে পরাজিত হবে। তাই তাকে বিদায় হজ্বের ভাষণে বলতে শুনি- ‘‘হে মানুষ সকল! আজকের এই দিন (১০ই জিলহজ্ব), এই মাস (জিলহজ্ব) এই স্থান (মক্কা ও আরাফাত) যেমন পবিত্র, তোমাদের একের জন্য অন্যের প্রাণ, স¤পদ ও ইজ্জত তেমনি পবিত্র (হারাম)। শুধু তাই নয় এই দিন, এই মাস ও এই স্থানের পবিত্রতা একত্র করলে যতখানি পবিত্রতা হয়, তোমাদের একের জন্য অন্যের জান-মাল-ইজ্জত ততখানি পবিত্র (হারাম)। খবরদার! খবরদার! আমার (ওফাতের) পর তোমরা একে অন্যকে হত্যা করে কুফরী করো না।’’ এই সাবধানবাণীটি তিনি একবার নয়, বার বার উচ্চারণ করেছিলেন। এখানে লক্ষ করার বিষয় হচ্ছে যে, নিজেদের মধ্যে মারামারি কাটাকাটিকে, অর্থাৎ জাতির ঐক্য নষ্ট করাকে নবীজী কোন পর্যায়ের মধ্যে ফেলেছেন? একেবারে কুফরের পর্যায়ে।
এবারে আসুন নবীজীর সেই সাবধান বাণীটি আজকের এই জাতিটি কতটুকু মেনে চলছে তা বাস্তবের সাথে মিলিয়ে দেখি। আজ বিশ্বনবীর উম্মাহর দাবীদার জাতিটি পঞ্চাশটির মত ভৌগোলিক রাষ্ট্রে বিভক্ত। শিয়া-সুন্নিতে, মযহাবে মযহাবে, ফেরকায় ফেরকায় বিভক্ত হয়ে নিজেদের মধ্যে রক্তপাতে মশগুল হয়ে আছে। দ্বীন নিয়ে বাড়াবাড়ীকে রসুলাল্লাহ যে নিষেধ করলেন তা আজ অতি সওয়াবের কাজ মনে করে করা হচ্ছে। কিন্তু তারপরেও প্রতিবছর হজ্জ করতে যাচ্ছে কোথায়? সেই জায়গায় যেখানে দাড়িয়ে নবীজী ঐক্যহীনতাকে কুফর বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই অনৈক্যে ডুবে থাকলেও মুসলিম দাবিদার এই জাতি হজ্বের অতি সামান্যতম খুটিনাটিও অতিযত্নের সাথে পালন করছে আর ভাবছে, তাদের হজ্ব আল্লাহ কবুল করছেন, তাদের জন্য আল্লাহ জান্নাত সাজিয়ে গুছিয়ে রেডি করে রেখেছেন। তাদের ঐ আশা যে কতখানি হাস্যকর তা বোঝার ক্ষমতাও আজ এই জাতির নেই।
আল্লাহর রসুল তাঁর অবর্তমানে যে যে বিষয়ে আশংকা প্রকাশ করেছিলেন ঠিক সেই বিষয়গুলোই আজ এই জাতি করছে অতি সওয়াবের কাজ মনে করে। শিয়ারা সুন্নিদের আর সুন্নিরা শিয়াদের রক্তে হলি খেলছে। উভয় আশা করে তাদেরকে আল্লাহ খুশি হয়ে জান্নাত দান করবেন। এদিকে জাতীয় জীবন থেকে ধর্মকে তো তিনশ’ বছর আগেই বিতাড়িত করা হয়েছে। কাজেই আল্লাহর হুকুম মোতাবেক শাসনকারী আমীরের আনুগত্যেরও কোন বালাই নাই। যে সুদকে আল্লাহর রসুল মায়ের সাথে যেনার সঙ্গে তুলনা করেছেন, সেই সুদের ভিতরে এই জাতি আজ আপাদমস্তক ডুবে আছে। পঞ্জিকার কথা বলতে গেলে তো বলা যায় যে, এই জাতির যে নিজস্ব একটি পঞ্জিকা রয়েছে তা এদের অধিকাংশ সদস্য আজ জানেই না। এভাবে জাতীয়, সামাজিক, আইনগত, সকল বিষয়ে রসুলের আশংকাগুলোই আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। তাঁর সাবধানবণীকে এই জাতি সামান্য পরিমাণ গুরুত্ব দেয় নি। এদের কাছে এটা কোন গুরুত্ব দেবার মত বিষয়ই নয়। এদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে দাড়ি, টুপি, মোজা, পাজামা, টাখনু, তসবীহ, তাহাজ্জুদ, কুলুখ, যেকের, ডান পাশে শোয়া, নফল নামাজ পড়া, রোযা করা, মেসওয়াক করা ইত্যাদি। এইগুলো করেই এই জাতি ভেবে রেখেছে যে জান্নাতের দরজা খুলে আল্লাহ তাদের জন্য অপেক্ষা করছেন। কতখানি নির্বুদ্ধিতার পরিচয়!

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

দুষ্টের দমনে সাংবাদিকদের কলমকে তরবারির মতো ব্যবহারের আহ্বান

দুষ্টের দমনে সাংবাদিকদের কলমকে তরবারির মতো ব্যবহারের আহ্বান
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক সাংবাদিকদের সমাজ পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সমাজ…
 ১২ জুন ২০২৬    ঢাকা

গাইবান্ধায় পানের হাট দখল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, এলাকায় উত্তেজনা

গাইবান্ধায় পানের হাট দখল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, এলাকায় উত্তেজনা
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পানের হাট দখল ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণও হয় বলে জানিয়েছেন…
 ১১ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

শ্রীপুরে পল্লী বিদ্যুতের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, অবরুদ্ধ কর্মকর্তাদের উদ্ধার করল পুলিশ

শ্রীপুরে পল্লী বিদ্যুতের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, অবরুদ্ধ কর্মকর্তাদের উদ্ধার করল পুলিশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে এমসি বাজার এলাকায় এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা ও লাইনম্যানদের ওপর হামলা, মারধর এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ…
 ১১ জুন ২০২৬    ঢাকা

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত, আহত ৩

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত, আহত ৩
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় পণ্যবাহী ট্রাকের চাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত তিনজন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে উপজেলার শ্রীরামদী…
 ১১ জুন ২০২৬    ঢাকা

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ
নদীবেষ্টিত জেলা বরিশালের চারদিক দিয়ে বয়ে চলেছে কীর্তনখোলা, পদ্মা ও মেঘনাসহ অসংখ্য নদী। এসব নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতি বছর বদলে যাচ্ছে জেলার মানচিত্র। মাইলের পর…
 ১০ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু…
 ১০ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়