প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   প্রকৃত ইসলামের মসজিদ কেমন ছিল?

প্রকৃত ইসলামের মসজিদ কেমন ছিল?

২৭ এপ্রিল ২০২৩ ০৫:৩৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মসজিদ একটি আরবি শব্দ। এটি এসেছে সেজদা অর্থাৎ আনুগত্য থেকে। স্রষ্টার উদ্দেশে ভূমিতে মাথা ঠেকানোই সেজদা নয়, কারণ সমস্ত সৃষ্টিই আল্লাহ তা’আলাকে সেজদা করে (১৩:১৫)। তারা তো কেউ জমিনে মাথা ঠেকায় না। প্রকৃতপক্ষে সেজদা হলো আনুগত্য। আল্লাহ যে হুকুম দিয়েছেন সৃষ্টিকূল যদি তা মেনে নেয় তাহলেই তাঁর আনুগত্য করা হলো। গাছ, নদী, চন্দ্র, সূর্য ইত্যাদি সকল সৃষ্টিজগতই আল্লাহ তা’আলার বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তাদের নিজ নিজ কাজ করে যাচ্ছে। এরা যদি আল্লাহর আনুগত্য না করত তবে জগতের অবস্থা কী হতো?

কর্তৃত্বশীল সর্বময় ক্ষমতার মালিক স্রষ্টার প্রতি সকল সৃষ্টি ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় আনুগত্য করতে বাধ্য। অতএব তাঁর আনুগত্য স্বীকার করে নেয়াই যুক্তি, জ্ঞান ও বিবেকের দাবি। এ দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিকী প্রকাশ হলো সেজদা করা। এই প্রতিক প্রহসনে পরিণত হয় যখন মানুষ আল্লাহর সর্বময় ক্ষমতা- সার্বভৌমত্বকে না মেনে নিয়ে শুধু আনুষ্ঠানিক সেজদা (মাথা ঠেকানো) করা হয়। আল্লাহ বলেন, তাঁকেই ডাক আনুগত্যকে একমাত্র তাঁরই জন্য বিশুদ্ধ ও নিষ্ঠাপূর্ণ করে (৭ঃ২৯)। মসজিদ আল্লাহর বড়ত্বের, শ্রেষ্ঠত্বের তথা সার্বভৌমত্বের প্রতিক। আল্লাহ বলেন- মসজিদসমূহ আল্লাহর জন্য। সুতরাং আল্লাহর সহিত অন্য কাউকে আহ্বান কোরো না (৭২ঃ১৮)। খণ্ডিত আনুগত্য আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য নয়। এটা শেরক। আল্লাহর কাম্য বিশুদ্ধ তওহীদ, সার্বভৌমত্ব। আল্লাহর সার্বভৌমত্বের চর্চাকেন্দ্র মসজিদ। এখান থেকে আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের, সার্বভৌমত্বের যাবতীয় কর্মকাণ্ড মানুষ তাঁর খলিফা-প্রতিনিধি হিসাবে পরিচালিত করে থাকে। এটি দুনিয়াতে মানুষের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি প্রশাসনিক দপ্তর।

পৃথিবীতে আল্লাহর প্রশাসনিক দপ্তর মসজিদকে মো’মেনগণ সর্বসময়ে সঠিক অবস্থানে ধরে রাখতে পারে নি। ইবলিসের অনুচর কাফের-মোশরেকগণ আল্লাহর সার্বভৌমত্বের পতন ঘটিয়ে অনেক সময় মসজিদের পরিচালনার দায়িত্ব পর্যন্ত ছিনিয়ে নেয় এবং আল্লাহর নাম দিয়ে তাদের ধর্মব্যবসা চালাতে থাকে। যেমনটা হয়েছিল প্রাক-ইসলামী যুগে কাবাঘরের বেলায়। আজকের দুনিয়ার মসজিদ সমূহও আল্লাহর সার্বভৌমত্ব অস্বীকারকারীদের নিয়ন্ত্রণে।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

আল্লাহর সার্বভৌমত্বের পার্থিব কার্যালয় ও আনুগত্যের প্রশিক্ষণ গৃহরূপে মসজিদের অপরিহার্যতা রসুলাল্লাহ (দ.) জানতেন বলেই মদীনায় গিয়েই তিনি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিলেন। তিনি মসজিদে আল্লাহর প্রতিটি হুকুম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চরিত্র সৃষ্টির অন্যতম পদ্ধতি পাঁচ ওয়াক্ত সালাহ আদায় করার মাধ্যমে সাহাবীদের প্রশিক্ষিত করতে শুরু করলেন। ধীরে ধীরে মসজিদে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, জাতীয়, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সামরিক, বিচারিক ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হল। প্রকৃত ইসলামের যুগের মসজিদের কর্মকাণ্ডের সাথে বর্তমান মসজিদের কর্মকাণ্ডের আকাশ-পাতাল ফারাক। এখানে এমনই কয়েকটি পার্থক্য তুলে ধরছি।

১) জাতীয় কার্যালয়: প্রকৃত ইসলামের সময়ে মসজিদ ছিল প্রধান রাষ্ট্রীয় কার্যালয় এবং সামাজিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সকল দুনিয়াবি ও আধ্যাত্মিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু আজ মসজিদে দুনিয়াবি কথা বলাই হারাম। ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী মসজিদ নির্মাণ করতে পারতো না, রাষ্ট্রীয় কার্যালয় যেভাবে ব্যক্তিগত বা দলগত উদ্যোগে নির্মাণ করার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু আজ প্রায় সকল মসজিদই নির্মিত হয় লোকের টাকায়, চেয়েচিন্তে। অনেক সময় অপরের জমি দখলে রাখতেও মসজিদ নির্মাণ করা হয়। প্রকৃত ইসলামের সময়ে মসজিদ ছিল সদা কর্মচঞ্চল, আর আজকের বিশাল বিশাল মসজিদগুলো নামাজের নির্দিষ্ট সময়টুকু ছাড়া রাতদিন তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকে।

২) কোষাগার: জাতির অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেমন যাকাত, সাদকা, উশর, ফেতরা ইত্যাদি বণ্টন করা হতো মসজিদ থেকেই। আর আজ এমাম মোয়াজ্জেনের বেতন-ভাতাসহ মসজিদের উন্নয়নের কথা বলে জনগণ থেকে অর্থ গ্রহণ করা হয়। এমাম সাহেব ও তার সহকারীরা রাস্তার পাশে মাইকে করুণ সুরে বয়ান করে, হাত পেতে টাকা তোলেন। সেই অর্থের অধিকাংশই সংশ্লিষ্টদের ভোগে যায়, মসজিদের কাজে লাগে না।

৩) বিচারালয়: প্রকৃত ইসলামের যুগে মসজিদে সামাজিক অপরাধের বিচার ফয়সালা করা হতো, দণ্ড কার্যকর করা হতো। অথচ আজ চুরির ভয়ে মসজিদের দরজা, মাইক, ওজুর বদনা পর্যন্ত তালাবদ্ধ করে রাখতে হয়। আর নামাজের সময় নোংরা জুতাজোড়া রাখতে হয় সেজদার স্থানে।

৪) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: তখন মসজিদের সম্মুখস্থ বারান্দার ফাঁকা জায়গায় শরীর গঠনমূলক দৌঁড়, কুস্তিসহ বিভিন্ন খেলাধূলার আয়োজন করা হতো। এছাড়াও তীর বল্লম নেজা ইত্যাদি চালনার প্রতিযোগিতা হতো। আজ সেখানে গোল হয়ে বসে হালকায়ে জিকির বা ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আর তাতে বক্তার বক্তব্যের মূল বিষয় থাকে ঢিলা কুলূক, দস্তরখান বিছিয়ে খানা খাওয়ার ফজিলত, কোন আমলে কত কত সোয়াব, বেপর্দা নারী কত ভয়াবহ ইত্যাদি।

৫) মেহরাব: সেকালে মসজিদের মেহরাবে যুদ্ধ সরঞ্জাম- তীর ধনুক নেজা বল্লম তলোয়ার ইত্যাদি রাখা হত। মেহরাব শব্দটির উৎপত্তি দক্ষিণ আরবীয় শব্দ র্হাব থেকে, হারব অর্থ যুদ্ধ (A Comprehensive Persian-English Dictionary, Page 1354)। আজও কেবলা নির্দেশক হিসাবে এবং পুরাতন ঐতিহ্য রক্ষার জন্য মেহরাব নির্মাণ করা হয়। কিন্তু উম্মতে মোহাম্মদীর সেই যোদ্ধা জীবনও নেই, যুদ্ধাস্ত্ররও কোন প্রয়োজন হয় না। তাই আজ মেহরাবে রাখা হয় মসজিদের চাটাই, দেয়াশলাই, মোমবাতি আর এমাম সাহেবের থুতু ফেলার পিকদানী।

৬) সাহাবীদের থাকার জায়গা: আল্লাহর রসুলের সময় মসজিদ সংলগ্ন স্থানে হুকুমপালনে সদাপ্রস্তুত মুজাহিদ তথা আসহাবে সুফফার থাকার ব্যবস্থা ছিল। আর আজ মসজিদ সংলগ্ন স্থানে দোকান বানিয়ে ভাড়া দেওয়া হয়।

৭) দূতাবাস: তখন মসজিদেই বিভিন্ন গোত্র বা রাজ্যের প্রতিনিধিদের থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত করা হতো। আজ মসজিদের ধর্মজীবী এমাম মোয়াজ্জেন ও খাদেমদের বসবাসের জন্য হুজরা তৈরি করা হয়।

৮) মসজিদের এমাম: প্রকৃত ইসলামে প্রধান মসজিদের সালাতের এমাম হতেন আল্লাহর তা’আলার সার্বভৌমত্বের প্রতিনিধিত্বকারী জাতির এমাম। বর্তমানে সালাতের এমামতি করেন মসজিদ কমিটির আজ্ঞাবহ এক চাকুরীজীবি। একজন কর্মচারীকেই নেতা বা এমাম বলে ডাকা তো অসম্মান আর প্রহসন বৈ কিছু নয়। এবাদত কবুলের পূর্বশর্ত হচ্ছে হালাল রুজি। অথচ তাদের নিজেদের রুজি কেবল হারামই নয়, আল্লাহর ভাষায় তারা জাহান্নামের আগুন খায় (২ঃ১৭৪)।

৯) অনাড়ম্বর মসজিদ: খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগ পর্যন্ত মসজিদগুলি ছিল অনাড়ম্বর। খেজুর গাছের কড়ি বর্গা, পাতার ছাউনি যা সামান্য ঝড়বৃষ্টিও ধরে রাখতে পারত না। কিন্তু এতে সালাহ কায়েমকারী মো’মেনদের ভয়ে কাফের মোশরেক ও তাদের সৈন্যবাহিনী থাকতো সদা কম্পমান। পক্ষান্তরে আজকের মসজিদগুলো অট্টালিকাসম, সেগুলোর মোজাইক করা ঝক্ঝকে মেঝেতে চেহারা দেখা যায়। কিন্তু প্রায়শই এসব মসজিদ শত্রুর গোলার আঘাতে ধূলিসাৎ হয়ে যায়, কখনো বা মসজিদে আটকিয়ে মুসল্লীদেরকে হত্যা করা হয়। এই অর্থহীন আড়ম্বরের কথাই আল্লাহর রসুল বলেছেন, ‘আখেরী যুগের মসজিদসমূহ হবে জাঁকজমকপূর্ণ ও লোকে লোকারণ্য কিন্তু সেখানে হেদায়াহ অর্থাৎ আল্লাহর সার্বভৌমত্ব থাকবে না [আলী (রা:) থেকে বায়হাকী, মেশকাত]’।

১০) মসজিদে নারী: আল্লাহর ঘর মসজিদে নারী পুরুষ উভয়েই সমানভাবে যাতায়াত করতেন। সালাতে, আলোচনা সভায় নারীরা পুরুষদের পাশাপাশি অংশ নিতেন। কিন্তু আজ মহিলাদের মসজিদের যাওয়ারই কোনো সুযোগ বলতে গেলে নেই।

১১) যেকের: মসজিদে আল্লাহকে অধিক স্মরণ (যেকের) করা হয়। অর্থাৎ আল্লাহর আইন-কানুন, বিধি বিধান, আদেশ নিষেধ ইত্যাদির সবচেয়ে বেশি চর্চা হবে মসজিদে। বর্তমানে এসবের অস্তিত্ব নেই। এখন যেকের মানে হলো অনেকে জড়ো হয়ে বসে চোখ বন্ধ করে, মাথা দুলিয়ে, পাড়া মহল্লা কাঁপিয়ে ‘আল্লা-হু আল্লা-হু’ জপ করা।

১২) খোতবা: প্রকৃত ইসলাম যখন ছিল তখন প্রতি শুক্রবার সামাজিক, জাতীয় সমস্যাদি জনগণকে অবহিত করা হতো, সে বিষয়ে দিক-নির্দেশনা দেওয়া হতো। এখন জাতিকে দিকনির্দেশনা দেওয়ার এখতিয়ারই খতিবের নেই, তবু খোতবার ধারা যেহেতু ইসলামে ছিল তাই জুমা সালাতের পূর্বে বই দেখে অন্তত ৫০০ বছর পূর্বের তৈরি গতবাঁধা কিছু দোয়া কালাম পাঠ করা হয়, আরবীয়রা এসব বুঝলেও অনাবর মুসুল্লিদের অনেকেই কথাগুলো না বুঝতে পেরে ঝিমাতে থাকেন।

১৩) তত্ত্বাবধায়ক: মসজিদের তত্ত্বাবধানের অধিকার ছিল পরহেজগার মুত্তাকী মো’মেনদের (৮ঃ৩৪, ৯ঃ১৭-১৮) যা সরাসরি রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হতো। আজ যারা মসজিদের তত্ত্বাবধান করেন তারা অধিকাংশই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দলীয় মতবাদের বিশ্বাসী, এবং অনেক ক্ষেত্রেই অবৈধ টাকার মালিকেরা।

১৪) মিনার ও আজান: মসজিদের মিনার, আল্লাহর ওয়াহদানিয়াত (একত্ব) আর সেই সাথে উলুহিয়াতের (সার্বভৌমত্ব) তথা ‘লা শারিক আল্লাহ’ এবং ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ’ অর্থাৎ আল্লাহর কোন শরিক নেই এবং সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহর-এ ঘোষণার এক স্থাপত্য প্রতীক (Symbolic Monument)। এ মিনার থেকে দৈনিক পাঁচবার আজানের মাধ্যমে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ঘোষণাও করা হয়। প্রকৃত ইসলামের সময়ে ব্যক্তি থেকে পরিবার, পরিবার থেকে পাড়া মহল্লা, পাড়া মহল্লা থেকে জাতীয় অঙ্গন সর্বত্র এক আল্লাহর সার্বভৌমত্বের বাস্তবায়ন কার্যকর ছিল। সে সময় আজানের শব্দগুলোর অর্থগত দিক থেকে আল্লাহ তা’আলা যথার্থই সমাজে আকবর বা সর্বোচ্চ স্থানে ছিলেন। আর আজও আজান দেয়া হয়, ‘আল্লাহু আকবার’ বলাও হয়। ‘আশহাদু আল্লাহ এলাহা এল্লা আল্লাহ’ বলে সাক্ষ্য দেওয়া হয় কিন্তু বাস্তবে আল্লাহর হাতে সার্বভৌমত্ব নেই, সার্বভৌমত্ব আছে আল্লাহবিরোধী শক্তির হাতে। যারা আজানের এ ঘোষণা শুনে ছুটে আসছেন, তারাও আল্লাহকে একমাত্র বিধান দাতা-সার্বভৌমত্বের মালিক (এলাহ) বলে মানছেন না। তারা কেউ মানছেন সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণকে, কেউ রাজাকে কেউ বা একনায়ককে। সুতরাং তাদের এই ঘোষণা মিথ্যা, আল্লাহর সঙ্গে প্রতারণা ও প্রহসন। আল্লাহ মোশরেকদের কোন দোয়া তিনি কবুল করবেন না এবং তাদেরকে ক্ষমা করবেন না। আর সাথে সাথে তাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন বলে অঙ্গীকার করে রেখেছেন (৪ঃ৪৮/১১৬)। অথচ বহুবিধ তন্ত্রমন্ত্রে বিশ্বাসী বর্তমান মসজিদের মুসুল্লিগণ ধারণা করে বসে আছেন যে- মুসলিম বংশপরিচয় আছে বলে তাদের দেহ থেকে রূহ নির্গত হওয়ামাত্রই তাদেরকে লালগালিচা সম্বর্ধনা দিয়ে জান্নাতে নিয়ে যাওয়া হবে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার
ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে টানা তিন দফা স্বর্ণের দাম কমার পর এবার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৫…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    অর্থনীতি

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) পরিচালিত ‘নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ (মউশিক) প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এস এম তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা এলাকা থেকে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল মাতুব্বরকে গ্রেফতার করেছে মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)…
 ১৫ আগস্ট ২০২৬    ঢাকা

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের
​ঢাকা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কর্তৃক হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার অন্যায্য ও অগণতান্ত্রিক দাবির তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান…
 ১০ আগস্ট ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি