প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   কেমন ছিল ওমরের (রা.) শাসনকাল?

কেমন ছিল ওমরের (রা.) শাসনকাল?

২৮ মে ২০২৩ ০৩:৩৭ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

ওমর (রা.) ছিলেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা। ইসলাম কবুলের পর তিনি আরব্য জাহেলিয়াতকে নিজের চরিত্র থেকে একেবারে ধুয়ে ফেলতে সফল হয়েছিলেন। সাহস ও বীরত্ব ছিল তাঁর জন্মগত স্বভাব। ইসলামের প্রাথমিক যুগে দরিদ্র ও দাসশ্রেণি থেকে যারা ইসলামে দীক্ষিগত হয়েছিলেন তাদের উপর ভয়াবহ নির্যাতন চালাতেন। কোরায়েশ বংশের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসাবে তাঁর ভিতরেও বংশীয় গরিমা ছিল। কিন্তু দীন গ্রহণের পর থেকে তাঁর ভিতরে কোনোরূপ বর্ণবাদী ধ্যানধারণা অবশিষ্ট ছিল না। তাঁর চারিত্রিক আদর্শ এতটাই উন্নত পর্যায় পৌঁছেছিল যে, তাঁর সময়ের প্রতি অপূর্ব নিষ্ঠা, আল প্রতি ভালোবাসা, সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা, দুনিয়ার ভোগবিলাস পরিহার, সত্যবাদিতা, আমানতদারিতা, দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি আল্লাহর সর্তকতা, অন্যায়ের ব্যাপারে কঠোরতা ইত্যাদি গুণগুলি তৎকালীন মানুষের মনে গভীরভাবে রেখাপাত করেছিল। যারাই ওমরের (রা.) সাহচর্য লাভ করেছেন তাদের প্রত্যেকের মাঝে ঐ সমস্ত গুণগুলি ফুটে উঠতো। তাঁর চারিত্রিক গুণাবলি সম্পর্কে ঐতিহাসিক পন্ডিত আল্লামা মাসউদী বলেন, ওমর এর মধ্যে যে সমস্ত উন্নত চারিত্রিক গুণাবলি ছিল, তার খেলাফতের সহকর্মীদের মধ্যেও অবিকল তার প্রতিফলন হতো। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, আবু ওবায়দা (রা.), সালমান ফারসী (রা.), সা’দ ইবনে আমির (রা.) ইত্যাদি সাহাবীদের মধ্যে ওমরের (রা.) গুণাবলি বিদ্যমান ছিল।

১। কু-অভ্যাসের মূলোৎপাটন
আরব জাতির মধ্যে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরেও জাহিলিয়াতের সময়ে যে সমস্ত নাফরমানী ছিল তার অনেক খারাপ অভ্যাস তৎকালীন আরব জাতির মধ্যে ছিল। বংশ নিয়ে অহংকার, আত্মাম্ভরিতা, সাধারণ মানুষকে ঘৃণা করা, মানুষকে অপমান করে কথা বলা, কথায় কথায় গালি দেওয়া, উচ্ছৃংখল জীবন যাপন করা, মদ্যপান করা ইত্যাদি বিষয়গুলো বিশেষভাবে উলেস্নখযোগ্য ছিল। ওমরের (রা.) শাসনামলে এ সমস্ত অভ্যাসগুলো তিনি কঠোর হাতে দমন করেছিলেন। তাঁর সামনে যে সমস্ত গর্ব অহংকারের বস্তু পরিলক্ষিত হতো বা তা যদি কারো মধ্যে তিনি দেখতে পেতেন তাহলে তিনি তার সমস্ত শক্তি দিয়ে সেই অহংকার ও দাম্ভিকতাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতেন। নিজ বংশ নিয়ে যে অহংকার আরব সমাজে প্রচলিত ছিল সেটি তারা যুদ্ধের ময়দানে পর্যন্ত দেখিয়ে থাকতেন। ওমর সেটাকেও আইন করে বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

২। প্রভু ও দাসের মধ্যে ব্যবধান দূরীকরণ
ওমর (রা.) যখন খেলাফতের দায়িত্ব পালন করেন তখন প্রভু আর দাস বলে কোনো শব্দ ছিল না। মালিক এবং কর্মচারি সকলেই সমান সুযোগ ভোগ করতেন। উভয় শ্রেণি একে অপরকে অত্মা থেকে সম্মান করতেন। উভয় শ্রেণির মাঝে মানবিক মর্যাদার কোন ব্যবধান তিনি রাখেন নি। যখনই তিনি দেখেছেন যে, কোনো মালিক তার কর্মচারির প্রতি অবিচার করছে বা কর্মচারির বেতন ঠিকমতো পরিশোধ করেনি অথবা কর্মচারিকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলছেন তখন তিনি সেগুলোকে কঠোর হাতে দমন করতেন এবং তিনি এগুলোকে কখনোই সহ্য করতেন না। একদিন আরবের সাফওয়ান ইবনে উমাইয়াসহ আরো অনেকে ওমরকে (রা.) তাদের বাড়িতে দাওয়াত দিলেন, তিনি সেখানে গিয়ে দেখলেন কর্মচারি এবং মালিকদেরকে একসাথে খেতে দেওয়া হয়নি। অবস্থা দেখে তিনি ব্যাপক মনঃক্ষুণ্ণ হলেন এবং তাদেরকে সাথে সাথে সতর্ক করে দিলেন যেন ভবিষ্যতে আর কখনো মালিক এবং কর্মচারিদের মাঝে এরকম কোন ব্যবধান না রাখা হয়।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

৩। কুৎসা রটনাকারী কবিদের ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন
ওমর (রা.) এর শাসনামলে তখনো আরব সমাজে মানুষ বংশমর্যাদা নিয়ে একে একে অপরকে কুৎসা রটনা করে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতো। আর জাহেলিয়াতের যুগে এ কুৎসা রটনার অন্যতম হাতিয়ার ছিল অশালীন কবিতা রচনা। কবিতা রচনা করে এক গোত্র অন্য গোত্রকে অপমান করতো। আরব সমাজের চিরাচরিত বদ অভ্যাস, উচ্ছৃংখলতা ও অবৈধ প্রেমের প্রধান বাহন ছিল এই কবিতা। তৎকালীন সময়ের কবিরা নিজ-নিজ প্রিয়ার নাম নিয়ে অত্যন্ত নগ্ন ও অশালীন কবিতা লিখতেন এবং এগুলো সমাজে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। তারপর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে নগ্নতা, উচ্ছৃংখলতা ব্যাপকভাবে প্রসার হতো। যখন মুখে মুখে একে অপরকে কবিতার মাধ্যমে কুৎসা রটনা করে অপমান অপদস্থ করত তখন তাদের মধ্যে মারামারি থেকে শুরু করে যুদ্ধ পর্যন্ত বেঁধে যেত। আর এই যুদ্ধ বছরের পর বছর পর্যন্ত চলতে থাকত। ওমর (রা.) এই প্রকার কুৎসা রটনামূলক কবিতাকে একটি ‘অপরাধ’ বলে ঘোষণা করলেন এবং এই অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখলেন। যারা এরকম কুৎসা রটনামূলক কবিতা রচনা করেছিলেন তাদের অনেককে ওমর (রা.) শাস্তি দিয়েছিলেন।

৪। ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতামতের অধিকার প্রদান
ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতামতের অধিকার মানুষের জীবন-যাপনের একটি অন্যতম মাধ্যম। মানুষ যখন একটি সমাজে বসবাস করে তখন তার ব্যক্তি স্বাধীনতা না থাকলে সে সমাজে উন্নত চরিত্র এবং আত্মামর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে পারেনা। তাই ওমর (রা.) ব্যক্তি স্বাধীনতাকে যথেষ্ট মর্যাদা দিয়েছিলেন এবং সমাজের প্রত্যেকের ব্যক্তি স্বাধীনতাকে তিনি গুরুত্ব দিয়ে তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ দিয়েছিলেন। ওমরের (রা.) শাসনামল ব্যতীত আর কোন খলিফার শাসনামলে এমন  নিরঙ্কুশভাবে ব্যক্তি স্বাধীনতা জনগণ ভোগ করতে পারেনি। ওমরের পরবর্তী শাসকগণ বিশেষ করে উমাইয়া খলিফাগণ মতামত প্রকাশের অবাধ অধিকারের ঘোর বিরোধী ছিলেন। খলিফা আব্দুল মালিক প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছিলেন যে, কোনো ব্যক্তি তার নির্দেশের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারবে না। যারা তার বিরুদ্ধে কথা বলবেন তাকে তিনি কঠিন শান্তি দিতেন। উসমান (রা.) এবং আলী (রা.) অবশ্য ব্যক্তিস্বাধীনতার উপরে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করেন নাই। কিন্তু এই হস্তক্ষেপ না করার খারাপ পরিণতির দিকটি তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন নাই। এজন্য আলী (রা.) “জামাল” ও “সিফফিনের” রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে শামিল হতে বাধ্য হন। অপরদিকে ওমর (রা.) অত্যন্ত উচ্চস্তর ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের অধিকার দান করা সত্ত্বেও জনসাধারণের আত্মার আইন শৃঙ্খলা ও শাসন ক্ষমতার পূর্ণ মর্যাদা বজায় ছিল। ওমর (রা.) ঘোষণা দিতেন যে, পৃথিবীর প্রতিটি আদম সন্তান মায়ের গর্ভ থেকে স্বাধীনরূপে জন্মলাভ করেছে। সুতরাং প্রত্যেক আদম সন্তান স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারবে।

৫। আরবের প্রভাবশালী নেতাদের দাম্ভিকতায় হস্তক্ষেপ।
আরব সমাজে একটি প্রচলিত রীতি ছিল যে, সমাজের উচ্চস্তরের লোকজনকে অর্থাৎ প্রভাবশালী নেতাদেরকে নিন্মস্তরের লোকেরা যখন সম্বোধন করতেন তখন তারা বলতেন “আমার পিতা মাতা আপনার উপর উৎসর্গ”, “আল্লাহর আমাকে আপনার উপর কোরবান করুক” ইত্যাদি নানা প্রকার স্তুতিবাক্য ব্যবহার করত। যা ওমর (রা.) কোনভাবেই সহ্য করতে পারেননি। এই সমস্ত বাক্য দ্বারা যেহেতু মানুষে মানুষে একটা অহেতুক প্রভূত্ব ও দাসত্বের মনোভাব বৃদ্ধি পায় এজন্য ওমর (রা.) এই স্তুতিমূলক বাক্যকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলেন। কেউ যদি তাকে এরূপ বলত তবুও তিনি তাকে সতর্ক করতেন। ওমরের (রা.) এই প্রকারের ব্যবহারের দ্বারা সাধারণ মানুষের অšত্মর যে কত উন্নত হয়েছিল এবং সাধারণ মানুষ যে কত স্বাধীন মতামত প্রকাশ করত তা নিম্নে কয়েকটি ঘটনা হতে উপলব্ধি করা যায়

(ক) একদিন ওমর (রা.) বক্তব্যয় বলতেছিলেন, ভাইসব! আমি যদি দুনিয়ার প্রতি আকৃষ্ট হইয়া যাই তবে তোমরা কি করবে? তৎক্ষণাৎ এক ব্যক্তি তরবারি মুক্ত করে বলল, “এটি দিয়ে আমি তোমার মস্তক দ্বিখন্ডিত করে দিব।” ওমর (রা.) লোকটির মনোবল পরীক্ষার জন্য ধমক দিয়ে বললেন “এত স্পর্ধা!” লোকটি বললো নিশ্চয়ই! নিশ্চয়ই!। এ কথা শোনার পর ওমর (রা.) হাস্যোজ্জ্বল মুখে বললেন, “আলস্নাহকে ধন্যবাদ যে, আমার জাতির মধ্যে এমন লোকে বিদ্যমান আছে যদি আমি বিপদে চলে যাই তবে তিনি আমাকে সরল পথে আনতে সমর্থ হবেন।”

(খ) মুসলিমরা যখন পুরো আরব উপদ্বীপে সত্যদীন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তখন অনেক মুজাহিদ তৎকালীন খ্রিষ্টান নারীদেরকে বিবাহ করছিলেন। ওমর (রা.) এই বিয়েকে পছন্দ করতেন না। তাই তিনি তৎকালীন ওই এলাকার আমির হুযাইফা ইবনুল ইয়ামানকে চিঠি লিখে বললেন, তিনি এরূপ বিবাহ পছন্দ করেন না। জবাবে হুজাইফা উত্তর দিলেন, এটা কি আপনার ব্যক্তিগত মত নাকি শরিয়তের বিধান? ওমর লিখিলেন, এটি আমার ব্যক্তিগত মত, শরিয়তের বিধান নয়। হুজাইফা তখন বললেন, “আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দ মেনে চলতে আমরা প্রয়োজনবোধ করি না।” শেষ পর্যন্ত দেখা গেল যে, ওমর (রা.) এর আপত্তি থাকা সত্ত্বেও অনেক লোকই খ্রিষ্টান নারীদেরকে বিবাহ করেছিলেন।

এ দুটি ঘটনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, ওমর (রা.) এর শাসনামলে মানুষ এতোটাই ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশ করতে পারত যা কেবল কল্পনাই করা যায়, যার স্বপ্ন দেখা যায় কিন্তু বাস্তবে মেলে না। ওমর (রা.) এই উদারতা সৃষ্টির ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা হয়ে মানবজাতির সামনে শিক্ষনীয় হয়ে আছে। এক কথায় ওমর (রা.) আল্লাহর দীনকে এমনভাবে ধারণ করেছিলেন এবং সেটাকে নিজের শাসনব্যবস্থায় প্রয়োগ করেছিলেন যা গোটা মুসলিম জাতির প্রত্যেকটি মানুষের মানসিক পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হয়েছিল। তাঁর সময়ে তিনি সততা, দৃঢ়তা, আদর্শবাদী ও নিষ্ঠাবান চরিত্র, আলস্নাহর প্রতি ভক্তি, সংকটকালে সবর ও আত্মমর্যাদার এক জীবন্ত মূর্তিতে পরিণত হয়েছিলেন।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!
আগামীকাল রোববার বাংলাদেশে আসতে পারেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটানের রাজধানী থিম্পু সফরে যাওয়ার পথে স্বল্প সময়ের জন্য ঢাকায় ট্রানজিট নেওয়ার…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীভল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে ভাতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায়…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় একটি ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর আনুমানিক বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ইলেকট্রনিক্স পণ্য পরিবেশক সমিতি বাংলাদেশ তথা ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইপিডিএবি)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটির পথচলায় এক…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপির সদ্যঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলটির একাংশের নেতাকর্মীরা। কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পুটিমারী এলাকায় স্থানীয় এক জেলের জালে ৯০ কেজি ওজনের একটি বিশালাকার বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) মাছটির ছবি…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী এলাকায় ডিসি সড়কে মালবোঝাই ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আকস্মিক পরিদর্শনে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায় সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে। এ সময় কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
মোঃ শফিকুল ইসলামকালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধিগাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরস্থইবনে সিনা  ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড  এর হারবাল শাখায় শনিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওষুধের মেশিন ও গোডাউনে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে তিন শিশুও। শুক্রবার রাতে নুডলস খাওয়ার পর ঘুমাতে যান পরিবারের সদস্যরা।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় ভেঙে পড়েছেন আশিকুল ইসলাম। আনন্দঘন ভ্রমণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!
মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি পরকম্পন বা আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর দেশটির…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক