প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   পুরাণের কাহিনীতে পার্থিব জীবনের অসারতা...

পুরাণের কাহিনীতে পার্থিব জীবনের অসারতা ও মুক্তির একমাত্র উপায়

৯ ডিসেম্বর ২০১৫ ০১:২৭ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী:
———————
আমরা ছোটবেলায় সংখ্যা গণনা শেখার সময় অনেকেই পড়তাম একে চন্দ্র, দু’য়ে পক্ষ, তিনে নেত্র . . . আটে অষ্টবসু ইত্যাদি। হ্যাঁ, ঘটনাটি এই অষ্টবসুকে নিয়ে। যে সময়টির কথা বলছি তখন অষ্টবসু অর্থাৎ আটজন বসু ছিলেন স্বর্গের বাসিন্দা। দেব-দেবীদের সাথে থাকতেন, ঘুরতেন, আনন্দ-খুশি করতেন। তাদেরকে যেমন অন্য কারও দুঃখ-দুর্দশা দেখতে হতো না, তেমন নিজেদেরও দুঃখ-দুর্দশার লেশমাত্র ছিল না। একদিন কী হেতু তাদের ইচ্ছা হলো পৃথিবীতে ঘুরতে আসার। অতঃপর ইচ্ছাপূরণের অভিপ্রায় নিয়ে সত্যি সত্যিই তারা পৃথিবীতে আসলেন। আসার সময় নিজ নিজ স্ত্রীকেও সঙ্গে নিয়ে আসলেন। তারা পৃথিবীর এমন একটি বনে পৌঁছলেন যেখানে বশিষ্ঠ নামের একজন অতি শক্তিধর ঋষির আশ্রম ছিল। ঋষি বশিষ্ঠ ছিলেন ঋষিদের সেরা, শক্তিমান রাজাধিরাজেরও রাজা।

তার কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করার কথা কোনো মহাশক্তিধর রাজা-মহারাজাও চিন্তা করতে পারতেন না। যাই হোক, মূল ঘটনা শুরু হবে এখন। ঋষি বশিষ্ঠের সুরভী নাুী একটি গাভী ছিল। সেটি অন্যান্য সাধারণ গাভীদের মতো ছিল না। সুরভী একাই দশ হাজার মানুষের প্রয়োজনীয় দুগ্ধ প্রদান করতে পারতো। গাভীটি ঋষির অত্যন্ত প্রিয় ছিল। ভ্রমণের এক পর্যায়ে অষ্টবসু যখন ঋষি বশিষ্ঠের আশ্রমে আসলেন তখন বশিষ্ঠ সেখানে ছিলেন না, এমনকি তার কোনো শিষ্যও ছিল না। আশ্রমে কেবল গাভীটি অবস্থান করছিল। দুর্ভাগ্যক্রমে ওই আকর্ষণীয় গাভীটি দেখে বসু দ্যু-এর স্ত্রী মুগ্ধ হয়ে গাভীটিকে নিয়ে যাবার জন্য স্বামীর নিকট অনুরোধ জানালেন। বসুগণও আগ-পাছ না ভেবে গাভীটি সঙ্গে নিতে মনস্থির করলেন। তারা ভাবলেন- কী আর হবে, একজন ঋষির গাভী নিলে তিনি কী আর করতে পারবেন? বস্তুত তারা ঋষি বশিষ্ঠের অসম্ভব ক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন। তাই অজ্ঞতাবশত তারা গরুটিকে নিয়ে স্বর্গে চলে গেলেন। আর এতেই ঘটল বিপত্তি!
ঋষি বশিষ্ঠ আশ্রমে ফিরে গাভীকে দেখতে না পেয়ে বেশ বিচলিত হয়ে উঠলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও যখন গাভীর অবস্থান জানা গেল না তখন যোগের মাধ্যমে ঋষি সব ঘটনা জানতে পারলেন। অতঃপর তিনি শুধু গাভীটি ফিরিয়ে এনেই ক্ষান্ত হলেন না, উপরন্তু বসুগণকে অভিশাপ করলেন যে, তোমাদের সবাইকে মানুষ হিসেবে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করতে হবে এবং পৃথিবীর দুঃখ-কষ্ট ভোগ করতে হবে, যেমন অন্যরা করে থাকে। এ অভিশাপ শ্রবণ করে বসুগণ ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়লেন।
পৃথিবী কত কষ্টের জায়গা। কত অন্যায়, অবিচার, অশান্তি হয় সেখানে। অশান্তিময় ওই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করতে হবে? বসবাস করতে হবে? এত বৃহৎ শাস্তি কীভাবে ভোগ করব? বসুগণ ঘোর সঙ্কটে নিপতিত হলেন।
অনুশোচনাবশত বসুগণ হৃদয়বিদারী ক্রন্দন করতে লাগলেন। আকাশ-বাতাস, পশু-পক্ষী, গাছ-পালাও সে কান্নায় কষ্ট অনুভব করল। বিভিন্নভাবে অনুনয়-বিনয় সহকারে বসুগণ ঋষি বশিষ্ঠের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করতে লাগলেন। এক পর্যায়ে ঋষি বশিষ্ঠের দয়া হলো। তিনি একটি উপায় বাতলে দিলেন যে, যদি কোনো স্বর্গের দেবী তোমাদেরকে পৃথিবীতে জন্ম দিতে রাজী হন তাহলে কেবল দ্যু ছাড়া অন্য সাতজনের পৃথিবীতে জন্ম নিলেই হবে, বসবাস করতে হবে না। তবে দ্যু-এর পাপ বেশি হওয়ায় তাকে পৃথিবীতে পূর্ণজীবন অতিবাহিত করতেই হবে এবং জীবন শেষে পুনরায় স্বর্গে প্রবেশ করবে।
উপায় খুঁজে পেয়ে বসুগণ স্বর্গের দেবী গঙ্গার শরণাগত হয়ে ঘটনা খুলে বললে দেবী তাদেরকে পৃথিবীতে জন্ম দিতে রাজী হলেন। কিন্তু কার ঔরষে অষ্টবসু পৃথিবীতে জন্ম নেবে? যার তার ঔরষে তো আর জন্ম নেয়া যায় না। এরা যে স্বর্গবাসী। অনেক খুঁজে নির্ধারণ করা হলো যে, কুরুবংশের প্রজাহিতৈষী রাজা শান্তনুর ঔরষে অষ্টবসু পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করবে। রাজা শান্তনু কুরুবংশের উজ্জ্বল প্রদীপ। তার প্রজাবান্ধব শাসনে কুরুরাজ্যে তখন সুখ-শান্তির জোয়ার বইছে। একদিন রাজা শান্তনু নদী তীরবর্তী এলাকায় শিকারে বের হলেন। সেখানেই নদীর কিনারে সাক্ষাৎ ঘটল দেবী গঙ্গার সঙ্গে। দেবী গঙ্গার রূপ মাধুর্য দেখে অভিভূত হয়ে রাজা সেখানেই বিয়ের প্রস্তাব দিলে দেবী গঙ্গা কয়েকটি শর্তের কথা জানালেন এবং সেইসব শর্তসাপেক্ষে বিয়ে করতে রাজী হলেন। শর্তগুলো হচ্ছে:
এক- রাজা তার (গঙ্গা দেবীর) কোনো বংশপরিচয় জানতে চাইবেন না,
দুই- তার কোনো কাজের ব্যাখ্যা জানতে চাইবেন না,
তিন- তার কোনো কাজে রাজা বাধা প্রদান করতে পারবেন না। এই তিন শর্তের মধ্যে যদি একটি শর্তেরও লঙ্ঘন করা হয় তাহলে তিনি রাজমহল ছেড়ে চলে যাবেন।
আপাতদৃষ্টে শর্তগুলো অমান্যযোগ্য হলেও দেবী গঙ্গার রূপে রাজা এতটাই মুগ্ধ হয়ে পড়েছিলেন যে তিনি একটু সময় নিয়ে চিন্তাও করলেন না, অমনি রাজী হয়ে গেলেন। ফলে রাজা শান্তনুর ঘরে দেবী গঙ্গা স্ত্রী হিসেবে প্রবেশ করলেন। এর পরবর্তী ঘটনা সংক্ষেপে এই যে, বছর ঘুরতেই গঙ্গার গর্ভে রাজার একটি সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে রানী সাথে সাথে শিশুটিকে নদীতে ফেলে দিলেন। রাজা অবাক হলেন, মনকষ্টে ভুগলেন কিন্তু কিছুই বলতে পারলেন না, কারণ পর্যন্ত জিজ্ঞাসা করতে পারলেন না। এভাবে যে সন্তানই জন্ম নেয় রানী সাথে সাথে সন্তানকে পানিতে ফেলে দেন। রাজা কিছুই বলতে পারেন না। তিনি ক্রমেই চিন্তিত হয়ে পড়লেন। সব সন্তানকে পানিতে ফেলে মেরে ফেললে বংশের ধারা রক্ষা হবে কী করে? সব থেকে বড় কথা হলো এমন কাজ কোনো মা করতে পারে? রাজা ভয়াবহ সঙ্কটে পতিত হয়ে অসহায় বোধ করতে লাগলেন। তিনি না রানীকে হারাতে চান, আবার না সন্তান হারিয়ে নির্বংশ হতে চান। এক পর্যায়ে সাত সন্তানের মৃত্যুর পর অষ্টম সন্তানটি যখন ভূমিষ্ঠ হলো এবং রানী বেশধারী দেবী গঙ্গা তাকে নদীতে ফেলার উদ্দেশ্যে নদীর কিনারে পৌঁছলেন তখন আর রাজা শান্তনু চুপ থাকতে পারলেন না। তিনি রানীকে বাধা প্রদান করে এমন অহেতুক ও অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের কারণ জিজ্ঞাসা করে বসলেন। দেবী গঙ্গা জানতেন এমনটাই ঘটবে। কারণ এই অষ্টম সন্তানকে পৃথিবীর পূর্ণজীবন অতিবাহিত করতে হবে। এরপর দেবী রাজাকে সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করে চলে গেলেন। পুরাণের এই দু’কেই আমরা মহাভারতের কাহিনীতে জানি দেবব্রত ও ভীস্ম হিসেবে। তিনি পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন শাস্তিসরূপ, যে শাস্তি তাকে পেতে হয়েছিল দীর্ঘ জীবনে একটু একটু করে দুঃখ-কষ্ট ভোগ করতে করতে। সত্য-মিথ্যার দ্বন্দ্বে যিনি কখনও সত্যের পক্ষ নিয়ে কৃতার্থ হয়েছেন আবার কখনও অজ্ঞতাবশত মিথ্যার পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। তবে সবশেষে তিনি সত্যকেই আঁকড়ে ধরেছিলেন যার দরুণ শেষাবধি তার এই মানবজনম স্বার্থক হয়েছিল।
এবারে আসি কাহিনীটির শিক্ষণীয় দিকটিতে। আমরাও মানুষ হিসেবে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছি, বসবাস করছি, খাচ্ছি-দাচ্ছি, বংশ বিস্তার করছি, হাসি-তামাশা করছি, ব্যবসা-বাণিজ্য করছি, অবসর যাপন করছি। কিন্তু একটিবার কি ভেবে দেখেছি যে, আমার মানবজনম স্বার্থক হলো কিনা? বসুগণ পৃথিবীতে স্বেচ্ছায় আসেন নি, এসেছিলেন বাধ্য হয়ে। হয়তো আমরাও স্বেচ্ছায় আসি নি। অশান্তিময় এই পৃথিবীতে ক্ষণকালের জন্য কে-ই বা স্বেচ্ছায় আসতে চায়? কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো- যে পৃথিবীতে বসবাস করতে হবে ভেবে বসুগণ আকাশ-পাতাল বিদীর্ণ করে ক্রন্দনে ফেটে পড়েছিলেন সেই পৃথিবীতে আজ আমাদের অবস্থা এই যে, আমরা অনেকেই ভাবি- পৃথিবীই আমার পরম পাওয়া, জীবনমাত্রই উপভোগ্য; মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছি বলে অজ্ঞতা ও মোহবশত আমরা নিজেদের ধন্য মনে করি। আমরা একথা ভুলে যাই যে, এককালে আমি পৃথিবীতে ছিলাম না, আবার এককালে থাকবও না। কাজেই এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী আমার পরম গন্তব্য হতে পারে না। পৃথিবীর শষ্যক্ষেত্রসম, ক্ষণস্থায়ী জীবনে আমি এই শস্যক্ষেত্রে যে বীজ বপন করব তারই ফল প্রাপ্ত হবে পারলৌকিক জীবনে। বস্তুবাদী জীবনদর্শনের আগ্রাসনে এই বোধ আমাদের অবশিষ্ট আছে কি?
পৃথিবী বড়ই কঠিন। এখানে শুধুই পরীক্ষা আর পরীক্ষা। এটা আরাম-আয়েশে বেঁচে থাকার জায়গা নয়। এটা সংগ্রামের জায়গা, দুঃখ-কষ্টের জায়গা। যারা পৃথিবীকেই সবকিছুর আধার ধরে নিয়ে পার্থিব ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকে তারা বিপথগামী ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই তো যুগে যুগে আমরা কত ঋষি-মুণি, দরবেশ, পীর-ফকির, সন্ন্যাসী, ভিক্ষুর কথা জানতে পাই যারা এই জগৎ সংসারের মায়া ত্যাগ করে, পার্থিব কাজ-কর্ম ত্যাগ করে কেবল স্রষ্টাকেই খুঁজে ফিরেছেন, আত্মিক উন্নতি করার প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, সমাজ-সংসার থেকে বের হয়ে বনে-জঙ্গলে জীবন কাটিয়েছেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ওটাও কোনো স্বাভাবিক জীবন নয়, মুক্তির পথ নয়।
প্রকৃত মুক্তির পথ আমরা পাই বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে। যেমন গীতায় আছে কর্মযোগ। মানুষ প্রকৃতপক্ষে কর্মের দ্বারা আবদ্ধ হয় না, কর্মফলের কামনা-বাসনা দ্বারা আবদ্ধ হয়। কর্মফলের কামনা-বাসনাই কর্মের বন্ধন। কর্মযোগ অর্থাৎ সকল কর্মের পশ্চাতে আশা-আকাক্সক্ষা ত্যাগ করার মাধ্যমে কর্মের এই বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব। পার্থিব জগতে বাস করেও, অন্য আর দশজন মানুষের সাথে জীবনযাপন করেও, সংসারধর্ম নির্বাহ করেও সন্ন্যাসী হওয়া সম্ভব। তার জন্য বনে-জঙ্গলে যাবার প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন নিঃস্বার্থভাবে মানবতার কল্যাণে কাজ করা। এ সন্ন্যাস থেকে শুধু ব্যক্তিই লাভবান হয় না, সমস্ত মানবজাতিই লাভবান হয়। কারণ নিঃস্বার্থভাবে মানবতার কল্যাণে কাজ করলে যেমন স্রষ্টার সান্নিধ্যে যাওয়া যায় তেমন পৃথিবীকেও সুন্দর করা যায়। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের প্রাক্কালে যখন অর্জুনের দৃঢ়তার খুঁটি নড়বড় করছিল তখন মুক্তির বার্তা নিয়ে আসা শ্রীকৃষ্ণ তাকে এই মুক্তির পথই দেখিয়েছিলেন।
ইসলাম ধর্মও একই কথা বলে। আল্লাহর রসুল নিঃস্বার্থভাবে সত্য প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঘর-বাড়ি ত্যাগ করাকে অর্থাৎ জেহাদকে ইসলামের বৈরাগ্য বলে অভিহিত করেছেন। ঘরে বসে থেকে বা বনে জঙ্গলে ঘুরে আত্মার ঘষামাজা করে স্রষ্টার সান্নিধ্যে যাবার প্রচেষ্টাকে ইসলাম অনুমোদন দেয় নি। মহামতি বুদ্ধকেও আমরা দেখি এককালে সংসারের মায়া ত্যাগ করে তিনি সমাজ-সংসার ছেড়েছিলেন ঠিকই কিন্তু পরবর্তীতে সত্য পাওয়ার পর সমাজ-সংসারেই ফিরে এসেছেন ভিন্নভাবে, ভিন্ন উদ্দেশ্যে।
আবারো বলছি পৃথিবী মোটেও ভালো জায়গা নয়, ভোগ-বিলাসের জায়গা নয়। এটা নিছক পরীক্ষাকেন্দ্র। তাই পৃথিবীতে বিষয়াসক্ত হয়ে পড়া চূড়ান্ত অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ। আবার পৃথিবীতে আসক্ত হবো না এই উদ্দেশ্যে জনসমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়াও সমীচীন নয়। মুক্তির একমাত্র পথ হচ্ছে নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে একে অপরের কল্যাণে সংগ্রাম করা, যেটা সকল নবী-রসুল-অবতার করেছেন। তাতে পৃথিবীও সুন্দর হবে, পরকালও সুন্দর হবে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!
আগামীকাল রোববার বাংলাদেশে আসতে পারেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটানের রাজধানী থিম্পু সফরে যাওয়ার পথে স্বল্প সময়ের জন্য ঢাকায় ট্রানজিট নেওয়ার…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীভল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে ভাতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায়…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় একটি ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর আনুমানিক বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ইলেকট্রনিক্স পণ্য পরিবেশক সমিতি বাংলাদেশ তথা ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইপিডিএবি)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটির পথচলায় এক…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপির সদ্যঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলটির একাংশের নেতাকর্মীরা। কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পুটিমারী এলাকায় স্থানীয় এক জেলের জালে ৯০ কেজি ওজনের একটি বিশালাকার বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) মাছটির ছবি…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী এলাকায় ডিসি সড়কে মালবোঝাই ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আকস্মিক পরিদর্শনে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায় সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে। এ সময় কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
মোঃ শফিকুল ইসলামকালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধিগাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরস্থইবনে সিনা  ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড  এর হারবাল শাখায় শনিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওষুধের মেশিন ও গোডাউনে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে তিন শিশুও। শুক্রবার রাতে নুডলস খাওয়ার পর ঘুমাতে যান পরিবারের সদস্যরা।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় ভেঙে পড়েছেন আশিকুল ইসলাম। আনন্দঘন ভ্রমণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!
মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি পরকম্পন বা আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর দেশটির…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক