প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   আত্মপ্রবঞ্চনার ফাঁদ কেটে প্রকৃত ইসলামের...

আত্মপ্রবঞ্চনার ফাঁদ কেটে প্রকৃত ইসলামের সন্ধানে

২০ মার্চ ২০২৬ ০১:২১ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

শাহাদৎ হোসেন:
ইসলাম নিয়ে আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু সাধারণ ধারণা আছে। ছোটবেলা থেকে আমরা পরিবার ও চারপাশে যা দেখে বড় হই, ধরে নিই সেটাই বুঝি সঠিক। কিন্তু কখনো কি একটু গভীরভাবে ভেবে দেখেছি, আজ আমরা যে ইসলাম পালন করছি, বিশ্বনবী রহমাতাল্লিল আলামিন হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এবং তাঁর সাহাবীদের পালিত ইসলাম এমন ছিল কি না? ইতিহাস বলে, বর্তমানের প্রচলিত ইসলামের সাথে রাসুলের (সা.) শেখানো ইসলামের পার্থক্য বিস্তর। কালের পরিক্রমায় আল্লাহর দেওয়া রসুল (সা.) এর প্রতিষ্ঠিত সেই প্রকৃত ইসলাম থেকে আজ আমরা অনেক দূরে অবস্থান করছি।

ইসলাম আসলে কেমন?
ইসলাম কোনো প্যাকেটজাত আচার-অনুষ্ঠানের নাম নয়। ইসলাম কেবল মসজিদে বসে তসবিহ টেপা, মিলাদ পড়া বা খানকায় বসে আধ্যাত্মিক সাধনা করার ধর্ম নয়। আমরা ধর্মকে জীবনের একটি ছোট অংশ হিসেবে আলাদা করে ফেলেছি। আমাদের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থা, দণ্ডবিধি- সবকিছুই পরিচালিত হচ্ছে মানুষের বানানো আইনে, আর আমরা কেবল ব্যক্তিগত জীবনে কিছু আচার পালন করছি।

প্রকৃত ইসলাম হলো একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা বা ‘দীন’। এর মূল ভিত্তি হলো তওহীদ অর্থাৎ আল্লাহর হুকুম। এই ধর্মের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো মানুষের বানানো সমস্ত শোষণমূলক, বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা ভেঙে দিয়ে সেখানে আল্লাহর দেওয়া জীবন বিধান কার্যকর করা, যেন পৃথিবীতে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

আমরা যেমনটা মনে করি:
একবার আমাদের রুটিন জীবনের দিকে তাকান। আমাদের ছকবাঁধা জীবনটা কেমন? জন্ম নেব, এরপর মক্তবে গিয়ে না বুঝে আলিফ, বা, তা, ছা পড়ব। একটু বড় হলে স্কুল, কলেজ, ডিগ্রি, চাকরি বা ব্যবসা করব। এর মাঝে ব্যক্তিগতভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ব, রমজানের রোজা রাখব, আর শেষ বয়সে পারলে হজ করে আত্মতৃপ্তি মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করি। আমাদের বদ্ধমূল ধারণা, এই চেকলিস্ট মেলালেই আমাদের দায়িত্ব শেষ, আমরা কামিয়াব।

আমাদের সমাজ ও রাজনীতির দিকে তাকালেও একই বিভ্রম দেখা যায়। আমরা মনে করি, প্রচলিত ব্যবস্থার মধ্যে কোনো একটি ইসলামী দলকে ভোট দিলেই ইসলামের দায়িত্ব পালন হয়ে গেল। কেউ কেউ আবার ‘মডারেট ইসলাম’ বা ‘গণতান্ত্রিক ইসলাম’-এর স্লোগান দেন। আমরা ভাবি, দেশের সংবিধানের শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ লেখা থাকলে আর রাষ্ট্রপতির অফিসের দেয়ালে ক্যালিগ্রাফি ঝোলানো থাকলেই দেশে ইসলামের জয়জয়কার চলছে।

অনেকে আবার ইবাদতের নতুন মাত্রা আবিষ্কার করেছেন। তারা ভাবেন, সারা বছর নিজের খেয়ালখুশি মতো চলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লে, বছরে একমাস রোজা রাখলে, রমজানের শেষ দশ দিন মসজিদে ইতিকাফ করলেই সব গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। এসব করে হয়তো বিশাল আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়, কিন্তু সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জেঁকে বসা অন্যায় ও জুলুম নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা থাকে না। আমরা কাকে বোকা বানাচ্ছি? আল্লাহকে, নাকি নিজেদেরকে?

আসলে ইসলাম কেমন?
এ প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায় রসুল (সা.) এর একটি হাদিসে। রসুল (সা.) একটি চমৎকার উপমা দিয়ে বলেছেন, “ইসলাম একটি ঘর, তওহীদ হচ্ছে তার ভিত্তি, নামাজ তার খুঁটি, আর জিহাদ হলো ছাদ।” (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমদ) একটি ঘরে খুঁটির কাজ কী ও ছাদের কাজ কী? ঘরের প্রধান যে উদ্দেশ্য রোদ বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়া, সেটা সম্ভব হয় ছাদের কারণে। আর ছাদকে উপরে ধরে রাখার জন্য দরকার হয় খুঁটি। যদি কোনো ঘরে ছাদ না থাকে তাহলে খুঁটির কোনো দরকার নেই। আবার যদি খুঁটি না থাকে তাহলে ছাদ দেওয়া অসম্ভব। রসুল (সা.) জেহাদকে ছাদের সঙ্গে তুলনা করে বোঝালেন ইসলামের মহাগুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জেহাদ। আর খুঁটির সাথে নামাজের তুলনা করে বোঝালেন- নামাজের উদ্দেশ্য হলো জেহাদকে সমুন্নত রাখা। তার থেকেও বড় কথা হলো তিনি বলেছেন ইসলাম নামক ঘরটির ভিত্তি হলো তওহীদ। আমাদের সেই ভিত্তিও নেই সেই ভিত্তি তৈরির সংগ্রাম জেহাদও নেই।

মানুষ সৃষ্টির সময় ফেরেশতারা আল্লাহর কাছে একটি শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তারা বলেছিলেন, মানুষ পৃথিবীতে ফাসাদ (অশান্তি, অবিচার) এবং সাফাকুদ্দিমা (রক্তপাত) করবে। এই অশান্তি ও রক্তপাত থেকে মানুষকে বাঁচানোর জন্যই আল্লাহ যুগে যুগে তাঁর জীবনব্যবস্থা বা ‘দীন’ পাঠিয়েছেন। এই দীনের নামই ইসলাম, যার আক্ষরিক অর্থ শান্তি।

ইসলামের মূল ভিত্তি হলো তওহীদ বা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব। তওহীদ মানে শুধু ব্যক্তিগত জীবনে আল্লাহকে বিশ্বাস করা নয়, বরং রাষ্ট্রীয়, অর্থনৈতিক, বিচারিক এবং সামাজিক জীবনেও একমাত্র আল্লাহর আইনকে মেনে নেওয়া। মানুষের তৈরি আইন দিয়ে সমাজ চালিয়ে ব্যক্তিগতভাবে নামাজ-রোজা করাটা মূলত আল্লাহর সার্বভৌমত্বের সাথে আপস করা। আজ আমরা ছাদ নির্মাণের উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে কেবল খুঁটি নিখুঁত করার পেছনে সারাজীবন ব্যয় করছি।

আল্লাহর রসুল (সা.) এর প্রকৃত ইসলাম কেমন ছিল?
রসুল (সা.) এর সময়ের ইসলাম ছিল একটি গতিশীল এবং বহির্মুখী ব্যবস্থা। সেই ইসলাম কোনোভাবেই স্থবির বা জড় পদার্থ ছিল না। মাত্র দশ বছরের রাষ্ট্র পরিচালনায় রসুল (সা.) আঠাত্তরটি সামরিক অভিযান ও যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। তার ওফাতের পর তার হাতে গড়া উম্মতে মোহাম্মদী জাতি তৎকালীন পৃথিবীর দুই পরাশক্তি রোমান এবং পারস্য সাম্রাজ্যকে সামরিকভাবে পরাজিত করে শান্তির পতাকা উড়িয়েছিল।

সেই সময়ের ইসলামে ধর্ম ও রাষ্ট্র আলাদা কোনো বিষয় ছিল না। রাষ্ট্রশক্তি ছাড়া ইসলাম যে অর্থহীন, তা সেই যুগের প্রতিটি মুসলিম জানতেন। মসজিদে নববী শুধু উপাসনালয় ছিল না; এটি ছিল একাধারে সংসদ ভবন, সামরিক সদর দপ্তর এবং সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে একদিকে যেমন নামাজ হতো, তেমনি রাষ্ট্রপরিচালনা, বিচার-আচারও হতো। যুদ্ধের পরিকল্পনা, সেনাপতি নিয়োগ, রাষ্ট্রদূত প্রেরণ ইত্যাদি কাজও এই মসজিদে নববীতেই হতো।

রসুল (সা.) ও তাঁর সাহাবিরা কেমন ইসলাম পালন করতেন?
রাসুল (সা.) এবং তাঁর সাহাবীদের জীবনের দিকে তাকালে আমাদের এই কথিত ‘ইসলাম’ লজ্জায় মুখ লুকাবে। সাহাবীদের কাছে ইসলাম পালন মানে কেবল হুজরায় বসে জিকির করা ছিল না। তারা কালেমা পড়ে মুমিন হওয়ার পর নিজেদের জীবন ও সম্পদকে পুরোপুরি আল্লাহর কাছে সোপর্দ করে দিয়ে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। তারা ছিলেন একদল দুর্ধর্ষ, মৃত্যুভয়হীন যোদ্ধা।

তারা নিজেদের স্বাভাবিক কাজ, পরিবার, ব্যবসা-বাণিজ্য আর আরাম-আয়েশ বিসর্জন দিয়ে দীন প্রতিষ্ঠার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তাবুক অভিযানের দিকে তাকালেই তা বোঝা যায়। প্রচণ্ড গরম, ফসল কাটার সময়, অথচ রোমান সাম্রাজ্যের মতো পরাশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ডাকে সাড়া দিয়ে তারা নিজেদের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছিলেন। তাদের কাছে অগ্রাধিকার বা প্রায়োরিটি একেবারে পরিষ্কার ছিল। তারা জানতেন, সমাজে সত্য দীন প্রতিষ্ঠা করার চেয়ে বড় কোনো ইবাদত নেই।

তারা মৃত্যুকে ভয় পেতেন না বরং শাহাদাতের জন্য উদগ্রীব থাকতেন। তাদের কাছে ধর্মকে কেবল আত্মার ঘষামাজা বা ব্যক্তিগত পবিত্রতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তাদের ধ্যানজ্ঞান ছিল একটাই- মানুষের বানানো সমস্ত ভুল ও শোষণের ব্যবস্থা ভেঙে দিয়ে সেখানে আল্লাহর তওহীদভিত্তিক জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। তারা কেবল নিজেরা জান্নাতে যাওয়ার চিন্তায় মশগুল ছিলেন না, পুরো মানবজাতিকে মানুষের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে সমাজ থেকে অন্যায়, যুলুম, বৈষম্য দূর করে শান্তি-সম্প্রতি ও ন্যায়-সুবিচারের সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল তাদের জীবনের মূল মিশন।

আজ সময় এসেছে আত্মজিজ্ঞাসার, আত্মসমালোচনার। আমরা কি আল্লাহকে শুধু ব্যক্তিগত উপসানার প্রভু হিসেবে মানব? নাকি জাতীয়, রাষ্ট্রীয় সামষ্টিক জীবনেও আল্লাহর হুকুম প্রতিষ্ঠা করে পূর্ণাঙ্গ ইসলাম মানব? সিদ্ধান্ত আমাদেরই নিতে হবে। আত্মপ্রবঞ্চনার ফাঁদ কেটে প্রকৃত ইসলামের দিকে ধাবিত হতে হবে। রসুল (সা.) ও তার সাহাবীরা যে ইসলামকে নিজেদের রক্ত আর ঘাম দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই সক্রিয়, লড়াকু আর জীবন্ত ইসলামের পথে পা বাড়াতে হবে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

সামাজিক মাধ্যমে ২১ লাখ অনুসারী, নির্বাচনে পেলেন মাত্র ৩৩ ভোট!

সামাজিক মাধ্যমে ২১ লাখ অনুসারী, নির্বাচনে পেলেন মাত্র ৩৩ ভোট!
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারী ২১ লাখের বেশি, অথচ নির্বাচনে ভোট পেয়েছেন মাত্র ৩৩টি! ভারতের রাজস্থানে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সরপঞ্চ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এমনই ফল পেয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ, জামায়াত নেতার চার পদে অব্যাহতি!

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ, জামায়াত নেতার চার পদে অব্যাহতি!
চট্টগ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত থাকার অভিযোগে জামায়াত নেতা মোহাম্মদ ইসমাইলকে সাংগঠনিক চারটি পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দলীয় তদন্তে অভিযোগের সত্যতা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

‘আওয়ামী লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই’: শফিকুর রহমান

‘আওয়ামী লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই’: শফিকুর রহমান
আওয়ামী লীগের নির্দোষ কর্মীরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তবে অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

ভারতে বিতর্কের মধ্যেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ প্রায় ১ কোটি নাম!

ভারতে বিতর্কের মধ্যেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ প্রায় ১ কোটি নাম!
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর খসড়া তালিকার তুলনায় ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি কমেছে। খসড়া তালিকা থেকে ১ কোটি ৭ লাখের বেশি…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের প্রতারণায় যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া: জাতিসংঘ

বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের প্রতারণায় যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া: জাতিসংঘ
বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২৯টি দেশের নাগরিকদের প্রতারণা ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে রুশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশন। উচ্চ…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

দেশেই আছেন রুমি, পাল্টা মামলায় চাইলেন আগাম জামিন

দেশেই আছেন রুমি, পাল্টা মামলায় চাইলেন আগাম জামিন
দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে দেশেই রয়েছেন টঙ্গীর মাদরাসায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আলোচিত শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মারধর, হত্যাচেষ্টা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    রাজধানী

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে জাপানি ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদার আহ্বান!

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে জাপানি ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদার আহ্বান!
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য গবেষণা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য এবং আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামোর উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান। জাপানের টোকিওতে…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

যুবদলের কর্মসূচিতে রাজধানীজুড়ে যানজট, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী!

যুবদলের কর্মসূচিতে রাজধানীজুড়ে যানজট, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী!
রাজধানীতে সকাল থেকে ধীরগতিতে চলেছে যানবাহন। দুপুরের দিকে যানজট তীব্র আকার ধারণ করায় বিভিন্ন সড়কে ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    রাজধানী

৩৯৬টি কবর খুঁড়ে বিদায়, অপূর্ণ রয়ে গেল হাফেজ শিকদারের ৪০০ ছোঁয়ার স্বপ্ন!

৩৯৬টি কবর খুঁড়ে বিদায়, অপূর্ণ রয়ে গেল হাফেজ শিকদারের ৪০০ ছোঁয়ার স্বপ্ন!
অন্যের শেষ ঠিকানা তৈরি করতে জীবনের দীর্ঘ সময় পার করেছেন পটুয়াখালীর কুয়াকাটার হাফেজ শিকদার। বিনা পারিশ্রমিকে নিজ হাতে খনন করেছেন ৩৯৬টি কবর। স্বপ্ন ছিল ৪০০টি…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

আইজিপির বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে, সরকারকে বিব্রত ও ভীত করবে: রিজভী

আইজিপির বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে, সরকারকে বিব্রত ও ভীত করবে: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সস্তা বাহবা ও কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) দেওয়া বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

ভোটের জন্য নয়, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে রাজনীতি করে বিএনপি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ভোটের জন্য নয়, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে রাজনীতি করে বিএনপি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বিএনপি শুধু ভোট নেওয়ার জন্য রাজনীতি করে না, বরং সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন এবং শ্রেণি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার পাশে…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হওয়ার পথে!

এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হওয়ার পথে!
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচনে তিনি একক প্রার্থী হওয়ায় প্রার্থিতা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!

জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!
জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশটির চিবা প্রিফেকচারের ইচিকাওয়া শহরে অবস্থিত নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

গলাচিপায় পটকা বিস্ফোরণে তরুণের বাঁ হাতের পাঁচ আঙুল বিচ্ছিন্ন!

গলাচিপায় পটকা বিস্ফোরণে তরুণের বাঁ হাতের পাঁচ আঙুল বিচ্ছিন্ন!
পটুয়াখালীর গলাচিপায় লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে পটকা ফোটাতে গিয়ে বিস্ফোরণে অমিত হাজারি (১৮) নামে এক তরুণের বাঁ হাতের পাঁচটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাঁর হাতের টিস্যু ও…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর