প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   গুরুত্বের নিরিখে দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম...

গুরুত্বের নিরিখে দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও হজ্ব

২২ মে ২০১৫ ১২:০২ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী:
আল্লাহর মানুষ সৃষ্টি এবং এবলিসকে জান্নাত থেকে বহিস্কৃত ও বিতাড়িত করার পর এবলিস আল্লাহকে যে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল (সুরা বাকারা-৩০) তাহলো সে মানবজাতিকে সেরাতুল মোস্তাকিম থেকে বিচ্যুত কোরবে। ফলে মানবজাতি অনিবার্যভাবে অন্যায়- অশান্তি, যুদ্ধ, রক্তপাতে পতিত হবে। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় সৃষ্টি মানুষকে যুগে যুগে হেদায়াহ পাঠানোর অঙ্গীকার কোরলেন যার ধারাবাহিকতায় তিনি সর্বশেষ পাঠিয়েছেন আমাদের প্রিয় রসুল, সর্বশ্রেষ্ঠ রসুল মোহম্মদকে (দ:)। তাঁর উপর দ্বায়িত্ব দিলেন সমস্ত পৃথিবীব্যাপী এই হেদায়াহ এবং হেদায়াহ ভিত্তিক দ্বীন প্রতিষ্ঠা কোরে সমস্ত পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার (সুরা তওবা-৩৩, সুরা ফাতাহ-২৮, সুরা আস সফ-৯)। এই কাজের নীতি হিসেবে আল্লাহ নির্দিষ্ট কোরে দিলেন সর্বাত্মক সংগ্রামকে। আল্লাহ সরাসরি আদেশ দিচ্ছেন, “সর্বাত্মক সংগ্রাম কর যতক্ষণ না অন্যায়, অশান্তি (পৃথিবী থেকে) নির্মূল হোয়ে সেখানে আল্লাহর দেওয়া দীন প্রতিষ্ঠিত হয়”(কোর’আন সুরা আনফাল-৩৯)। এই আদেশেরই প্রতিধ্বনি পাওয়া যায় রসুলাল্লাহর হাদীসেও। তিনি বলেন,“আমি আদিষ্ট হোয়েছি (আল্লাহর কাছে থেকে) পৃথিবীর মানুষের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে যে পর্যন্ত না তারা সাক্ষ্য দেয় যে আল্লাহ ছাড়া কোন হুকুমদাতা নেই এবং আমি মোহাম্মদ (দ:) আল্লাহর রসুল এবং সালাহ প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত দেয়।” [হাদীস-আবদুল্লাহ এবনে ওমর (রা:) থেকে বোখারী]। এরকম আরো শত শত কোরানের আয়াত এবং রসুলুল্লাহর হাদীস রোয়েছে যেগুলোকে বিশ্লেষণ কোরলে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে উম্মতে মোহাম্মদীর উপর আল্লাহর অর্পিত দায়িত্ব হোল ইসলামের এই শেষ সংস্করণকে সমস্ত পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করা। আর তা হতে হবে অবশ্যই দলগতভাবে জেহাদ ও রাষ্ট্রগতভাবে কেতাল দ্বারা। আর তাই এই দীনে সবচেয়ে বড় পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হোয়েছে এই জেহাদে যারা শহীদ হবে তাদের। যেহেতু ইসলাম একটি ভারসাম্যযুক্ত এবং নিখুঁত জীবনব্যবস্থা, কাজেই এটাকে প্রতিষ্ঠা করার প্রক্রিয়া জেহাদের জন্য যে চরিত্র দরকার তা অর্জনের ব্যবস্থা থাকাও বাধ্যতামূলক। এই চরিত্র অর্জনের প্রশিক্ষণগুলোই হোচ্ছে নামাজ, রোজা, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি। শারীরিক এবং আত্মীকভাবে যে প্রশিক্ষণগুলো নিলে মানুষ জেহাদে অপরাজেয়, মৃত্যু ভয়হীন, এবং মৃত্যুর জন্য আকুলভাবে পিপাসার্ত-দুর্ধর্ষ চরিত্র অর্জন কোরতে সক্ষম হবে সেই প্রশিক্ষণ হোল এই নামাজ, রোজা, হজ্ব ইত্যাদি। এগুলো উদ্দেশ্য নয়, উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যে চরিত্র দরকার তার প্রশিক্ষণ দেয় এগুলো। উদ্দেশ্য হোল জেহাদ যার ফলে পৃথিবীতে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠিত হবে। জেহাদই যদি না থাকে তাহলে নামাজ, রোজা, হজ্বের কোন মূল্য নেই। আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ছাড়া শুধু হজ্ব নয়, কোনো এবাদতই কবুল হবে না।

বর্তমানে হজ্বের মৌসুম। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ কোরে মোসলেম নামধারী এই জাতি হজ্বের উদ্দেশ্যে মক্কা মদিনায় যাচ্ছেন। তাদের কাউকে যদি বলা হয়, আপনি হজ্বে কেন যাচ্ছেন? তিনি নিঃসন্দেহে উত্তর দিবেন আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন তাই যাচ্ছি। আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন ঠিকই তবে তিনি তো বিনা কারণে কোন নির্দেশ দেন না। তিনি কেন এই নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি কি তাদের হজ্বের মুখাপেক্ষী? বরং আল্লাহ আমাদের নিজেদের স্বার্থেই নির্দেশ দিয়েছেন। হজ্ব সম্পর্কে আজকের এই জাতির আকীদা, আল্লাহ রসুলের হাতে গড়া জাতির আকীদার সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রকৃত উম্মতে মোহাম্মদীর যুগের একটি ঘটনা উল্লেখ কোরছি যেখানে এই জাতির আকীদার সাথে উম্মতে মোহাম্মদীর আকীদার আকাশ-পাতাল ফারাক প্রতীয়মান হয়।
পারসিক বাহিনীর সাথে যুদ্ধের সময় আল্লাহর তলোয়ার খালেদ (রা:) মোসলেম বাহিনীকে ফিরাদ থেকে হিরায় স্থানান্তরিত করার সময় হজ্বের সময় এসে গেলো। হজ্ব করার লোভ সামলাতে না পেরে খালেদ (রা:) অন্য একজন সেনাপতির হাতে কর্তৃত্ব দিয়ে বাহিনী রওয়ানা কোরে দিয়ে চুপে চুপে হজ্বে চলে গেলেন। হজ্বও তিনি কোরলেন এমন গুপ্তভাবে- যেন কেউ তাকে চিনতে না পারে। হজ্ব কোরেই খালেদ (রা:) এমন দ্রুত ফিরে এসে তার বাহিনীতে যোগ দিলেন, যে সেনাপতির উপর তিনি ভার দিয়ে গিয়েছিলেন তিনি ছাড়া আর কেউ টেরই পেলো না যে খালেদ (রা:) কয়েকদিনের জন্য তাদের সঙ্গেই ছিলেন না এবং মোসলেম বাহিনী তার গন্তব্যস্থান হিরায় পৌঁছবার আগেই খালেদ (রা:) তার বাহিনীর সাথে যোগ দিলেন। হিরায় পৌঁছবার কয়েক দিনের মধ্যেই খলিফা আবু বকরের (রা:) কাছ থেকে সেনাপতি খালেদ বিন ওলিদের (রা:) কাছে চিঠি এসে পৌঁছলো। তাতে খলিফা তার প্রিয় সেনাপতিকে জানালেন যে তিনি যে গোপনে হজ্ব কোরতে মক্কায় গিয়েছিলেন তা তিনি জানতে পেরেছেন এবং অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হোয়েছেন এবং তাকে সাবধান কোরে দিচ্ছেন যে খালেদ (রা:) যেন ভবিষ্যতে এমন কাজ আর না করেন।
এই ঐতিহাসিক ঘটনাটির প্রতি লক্ষ্য কোরুন। এতে দু’টি বিষয় ফুটে উঠেছে। প্রথমটি হোচ্ছে বেসামরিক, গোয়েন্দা বিভাগের (ঈরারষ ওহঃবষষরমবহপব) কর্ম-কুশলতা। সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের (গরষরঃধৎু ওহঃবষষরমবহপব) তো কথাই নেই। সেটা অপূর্ব দক্ষ না হোলে তো মোসলেম বাহিনীর অতুলনীয় বিজয়ই সম্ভব হোতনা, এই ঘটনায় বেসামরিক দিকটার কথা বোলছি। কেউ যেন না জানতে পারে যে খালেদ (রা:) ইরাক থেকে মক্কা গেছেন এ জন্য খালেদের এত সতর্কতা, যে সতর্কতার জন্য নিজের সৈন্যরা পর্য্যন্ত জানতে পারলো না যে খালেদ (রা:) তাদের মধ্যে নেই, তা সত্ত্বেও আবু বকরের (রা:) বেসামরিক গোয়েন্দা বিভাগের সতর্ক চক্ষুকে তিনি ফাঁকি দিতে পারলেন না এবং মক্কায় হজ্বে খালেদের উপস্থিতির সঙ্গে সঙ্গে মদীনায় খলিফা আবু বকরের (রা:) কাছে রিপোর্ট হোয়ে গেলো। দ্বিতীয় বিষয়টি এই যে, যখন আল্লাহর তলোয়ার খালেদ (রা:) এই গোপন হজ্বটি কোরেছিলেন তখন কোন যুদ্ধ চোলছিলো না, তিনি শুধু তার বাহিনীকে ফিরাদ থেকে হিরায় স্থানান্তর (গড়াব) কোরছিলেন। এর আগেই উপর্যুপরি কয়েকটি তীব্র যুদ্ধে (হুসেইদ, মুযাইয়াহ, সানীহ, যুমেইল ইত্যাদি) মোসলেম বাহিনী পারসিক বাহিনীর মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিয়েছিলো। ঠিক তখন তাদের দিক থেকে নতুন কোন আক্রমনের সম্ভাবনা ছিলো না। আর মোসলেম বাহিনীকে রওয়ানা কোরে দিয়ে তাদের গন্তব্যস্থানে হিরায় পৌঁছবার আগেই খালেদ (রা:) হজ্ব শেষ কোরে আবার বাহিনীর সঙ্গে মিলিত হোয়েছিলেন। কিন্তু এত সব কারণ থাকা সত্ত্বেও আবু বকর (রা:) খালেদকে (রা:) ছেড়ে দেন নি। তাকে ভর্ৎসনা (ঈড়হংড়ৎ) কোরলেন এবং ভবিষ্যতে যেন কখনও এরকম কাজ না করেন সেজন্য তাকে সাবধান কোরে দিলেন। খলিফার এই কাজের একটি মাত্র অর্থ হয় আর সেটা হলো- সংগ্রাম, জেহাদ, শুধু জেহাদ নয় জেহাদের কোন কিছুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, জড়িত থাকাও হজ্বের চেয়ে বড় কর্তব্য। নিজের অসুস্থতার সময় উম্মতে মোহাম্মদীর নামাজের এমামতি, নেতৃত্ব দেবার জন্য রসুলাল্লাহ (দ:) যাকে মনোনীত কোরেছিলেন সেই আবু বকর (রা:) ইসলাম কী, তার উদ্দেশ্য কি, তার প্রক্রিয়া কি তা কি শেখেন নি? হজ্ব ও সংগ্রামের মধ্যে কোনটার প্রাধান্য, গুরুত্ব (চৎরড়ৎরঃু) তা শেখেন নি? আজ এই জাতির অতি ধার্মিকদের মধ্যে শুধু নামাজ, রোজা, হজ্ব নয়, বহু নফল, ছোট-খাট অপ্রয়োজনীয় ধর্মকর্ম আছে- নেই শুধু জেহাদ, সংগ্রাম যেটা এই জাতির মূল লক্ষ্য, মূল আদর্শ। তা থেকে এই জাতি লক্ষ মাইল দূরে।
আবু বকরের (রা:) ইসলাম, সাহাবাদের ইসলাম আর বর্তমানের অতি মোসলেমদের ইসলাম দুইটি বিপরীতমুখী ইসলাম, দু’টি বিপরীতমুখী আকীদা। একটি মূল উদ্দেশ্যমুখী, অন্যটি মূল উদ্দেশ্যের বিপরীতমুখী, আর তাই একটি সহায় সম্বলহীন পাঁচ লাখের জাতি অর্ধেক পৃথিবীতে আল্লাহর দীন কায়েম কোরেছিলো, অন্যটি প্রায় একশ’ষাট কোটি হোয়েও, পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদের একটা বিরাট অংশের মালিক হোয়েও আল্লাহদ্রোহীদের দয়ার উপর, কৃপার উপর বেঁচে আছে, অজ্ঞানতার, কুশিক্ষার অন্ধকারে ঘৃণিত জীবন যাপন কোরছে। আকীদা এতখানি বিকৃত হোয়েছে যে আসল লক্ষ্যকে সম্পূর্ণভাবে ছেড়ে দিয়ে, লক্ষ্য অর্জনের প্রক্রিয়াকেই লক্ষ্য মনে কোরে, তাই নিয়ে মহা ব্যস্ত হোয়ে থেকে এই জাতি পরকালে আল্লাহর কাছে থেকে পুরস্কারের আশা কোরছে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

২৪ বছর পর ভাইরাল নায়ক মান্নার সেই বক্তব্য, ‘আমি কোনো অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করিনি’

২৪ বছর পর ভাইরাল নায়ক মান্নার সেই বক্তব্য, ‘আমি কোনো অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করিনি’
২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফায়ার’ সিনেমা নিয়ে ২৪ বছর পর আবারও আলোচনায় ঢাকাই সিনেমার প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্না। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে তার একটি পুরোনো ভিডিও, যেখানে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মেসির বিদায়ে বাংলাদেশের তারকাদের আবেগঘন পোস্ট!

মেসির বিদায়ে বাংলাদেশের তারকাদের আবেগঘন পোস্ট!
আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ফেলেছেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে বিদায়ী ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

বিশ্বকাপ ফাইনালে কী হয়েছিল? এবার মুখ খুললেন মেসি!

বিশ্বকাপ ফাইনালে কী হয়েছিল? এবার মুখ খুললেন মেসি!
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। বিদায়ী ম্যাচে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানোর পর আবেগঘন বক্তব্যে নিজের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের নানা অধ্যায় তুলে ধরেন…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নেতা বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’!

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নেতা বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’!
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয়…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-তৈরি পোশাকের বাজার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ!

ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-তৈরি পোশাকের বাজার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ!
ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, তৈরি পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানো…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ওসিকে হুমকি দেয়া সেই বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার

ওসিকে হুমকি দেয়া সেই বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) হুমকি দেওয়া এবং জুলাই বিপ্লবের এক শহীদের চাচাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, তৈরি হলো ভুয়া কাবিননামা!

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, তৈরি হলো ভুয়া কাবিননামা!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এক বিধবা নারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও টিপসই নেওয়ার পর তার নামে ভুয়া কাবিননামা তৈরির অভিযোগ…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল!

মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল!
ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হলসহ অন্তত ২০টি দোকান পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে আগুনের সূত্রপাতের পর তা দ্রুত আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য!

হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য!
সারা দেশে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এবার টিকাদান থেকে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে আগামী এক মাসে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে সংবিধানে আসছে নতুন বিধান!

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে সংবিধানে আসছে নতুন বিধান!
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশগ্রহণকারীদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দিতে যাচ্ছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সংবিধানের তফসিলে সুনির্দিষ্টভাবে জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত, দিল্লি-এনসিআরেও তীব্র কম্পন!

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত, দিল্লি-এনসিআরেও তীব্র কম্পন!
রাতের নীরবতা ভেঙে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ভারতের উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলা। মঙ্গলবার রাতে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের কম্পন দিল্লি-এনসিআরসহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকাতেও অনুভূত…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বিদায়ী ম্যাচে মেসির হাতে উঠল হলুদ-লাল কার্ড!

বিদায়ী ম্যাচে মেসির হাতে উঠল হলুদ-লাল কার্ড!
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচেও লিওনেল মেসিকে দেওয়া হলো হলুদ ও লাল কার্ড। তবে এগুলো কোনো শাস্তির কার্ড নয়; বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচ শেষে বিশেষ স্মারক…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

এক বাড়ির জন্য ৪১ লাখ টাকার সেতু!

এক বাড়ির জন্য ৪১ লাখ টাকার সেতু!
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি বাড়ির সামনে মাত্র ১১ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণে ৪১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৯ টাকা ব্যয় হয়েছে। সেতুটি নির্মাণের পর এর প্রয়োজনীয়তা, প্রকল্প…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

তুরস্ক গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান!

তুরস্ক গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান!
আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠেয় ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের প্রতিনিধি ফরিদা শহীদ

বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের প্রতিনিধি ফরিদা শহীদ
শিক্ষার অধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আগামী ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের শিক্ষার অধিকারবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদ। সরকারের আমন্ত্রণে এ সফরে তিনি ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়