প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ইরান যুদ্ধ: মুসলিম দেশগুলোর বাঁচার...

ইরান যুদ্ধ: মুসলিম দেশগুলোর বাঁচার উপায় কী?

২০ মার্চ ২০২৬ ০১:১৫ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

ইরানে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে বিস্ময়, ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঢেউ দেখা গেলেও বাস্তবতা হলো- এ ধরনের প্রতিক্রিয়া মূল সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিতে পুরোপুরিভাবে ব্যর্থ। ‘নিন্দা’, ‘মানববন্ধন’ কিংবা ‘বিবৃতি’ শক্তিধর রাষ্ট্রের নীতি বদলায় না বরং এসব প্রতীকী কার্যক্রম নির্দিষ্ট অবস্থানেই সীমাবদ্ধ থাকে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত এই হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি দীর্ঘদিন ধরে চলমান একটি ভূরাজনৈতিক কৌশলের ধারাবাহিক অংশ। চোখের সামনে যেখানে ফিলিস্তিনে দখলদারিত্ব, কাশ্মীরে দমন-পীড়ন, মিয়ানমারে জাতিগত নিধন চলছে; লিবিয়া, লেবানন ও আফগানিস্তানে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের নগ্ন সামরিক হস্তক্ষেপের ঘটনা ঘটছে- সেখানে ‘কে নিন্দা করল’ বা ‘কে প্রতিবাদ করল’ এটি কোনো জরুরী বিষয় নয়। এক্ষেত্রে আসল প্রশ্ন হচ্ছে, এই রুক্ষ বাস্তবতায় কার্যকর ও টেকসই সমাধানের পথ কোনটি?  

ইরানের ঘটনার প্রতিবাদে আমাদের দেশের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনেককেই যে মিটিং-মিছিল, পথসভা, র‌্যালী ও প্রতিরোধ কর্মসূচি করতে দেখা যাচ্ছে তা একদিকে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হলেও প্রকৃতভাবে প্রচলিত ধারার রাজনৈতিক একটি কৌশল। আমাদের দেশের বহু ধর্মীয় সংগঠন ও রাজনৈতিক দল বহু আগে থেকেই ইস্যুভিত্তিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাই তাদের কাছে এসব আন্তর্জাতিক ঘটনা প্রায়ই রাজনৈতিক পুঁজি হিসেবে কাজ করে। মূলত কর্মী ও সমর্থকদের সক্রিয় রাখার জন্য এ সকল ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনকে তারা পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করে। ফলে তাদের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচী দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু আদৌতে মূল সংকট নিরসনে এ সকল ‘স্টান্টবাজি’ কোনো উপকারে আসে না।

ইসরায়েল ও পশ্চিমা বিশ্বের নীতিনির্ধারকদের কাছে মুসলিম বিশ্বের গতিপ্রকৃতি খুব চেনা। কোনো নির্দিষ্ট স্থানে হামলা হলে গণবিক্ষোভ, উত্তপ্ত স্লোগান কিংবা প্রতীকী প্রতিবাদের যে জোয়ার তৈরি হয়, তার চূড়ান্ত পরিণতি তাদের কাছে ইতোমধ্যেই স্পষ্ট। তারা খুব ভালো করেই জানে যে, সাময়িক এই উত্তেজনা অচিরেই ম্লান হয়ে যাবে। আর এ কারণেই তারা পরবর্তী আগ্রসনের ক্ষেত্রে পিছপা হয় না। অথচ আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এ ক্ষেত্রে বরাবরই কৌশলী ও নিস্পৃহ ভূমিকা পালন করেন। তাদের কূটনৈতিক বক্তব্যের আড়ালে মূল সংকটের সমাধানটি সবসময়ই ধামাচাপা পড়ে থাকে। ফলস্বরূপ, মুসলিম উম্মাহর প্রতিক্রিয়া কেবল আবেগ আর মিছিলের গণ্ডিতেই ঘুরতে থাকে, কার্যকর কোনো পদক্ষেপ বা স্থায়ী সমাধানের দিকে তা এগোতে পারে না।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

মুসলিম উম্মাহকে যদি একটি অখণ্ড জাতিসত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে সে জাতির একটি সঠিক আদর্শ ও ভিত্তি থাকতে হবে। আর সে মূল ভিত্তি হচ্ছে তওহীদ- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ”- এক আল্লাহর হুকুম ছাড়া আমরা আর কারো হুকুম মানি না- অর্থাৎ, সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক একমাত্র আল্লাহ। পুরো মুসলিম বিশ্বকে এ মৌলিক ঐক্যের জায়গায় অবস্থান করার কথা থাকলেও বাস্তবে সেটা হয়নি। আমরা আজ শতাধিকভাগে বিভক্ত। শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব কিংবা মাযহাবী বিতর্কের অন্তহীন গোলকধাঁধায় আমরা আজ আমাদের সর্বস্ব হারাতে বসেছি। আমাদের বোধশক্তি এতটাই লোপ পেয়েছে যে, এই আত্মঘাতী অনৈক্য একটি জাতির জন্য কতটা দুর্ভাগ্যজনক, সেটাও আমারা বুঝতে পারছি না। আর যখন আমরা অভ্যন্তরীণ কলহ আর ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতে লিপ্ত রয়েছি তখন অন্যান্য জাতি তাদের ইচ্ছেমত আমাদের সাথে সব ধরনের অন্যায় করে যাচ্ছে এবং আমাদের সমূলে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আগ্রাসী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো জানে যে, আমরা একক কোনো শক্তি নই, বরং বিচ্ছিন্ন ও দুর্বল কতগুলো গোষ্ঠী মাত্র, তাই আমাদেরকে এক এক করে ধ্বংস করা খুবই সহজ কাজ। অথচ একটি ছোট্ট ভূখণ্ড আক্রমণ হওয়ার সাথে সাথেই মুসলমানদের উচিত ছিল সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এক ও অভিন্ন জাতিসত্ত্বায় রূপান্তরিত হওয়া। কিন্তু আফসোসের সাথে বলতে হয় সংখ্যায় এত বিশাল মুসলিম জাতির জনগণ ও নেতৃবৃন্দ আজ এ সহজ সত্যকে উপলব্ধি করতে পারছেনা। তবে আমাদের উপলব্ধিতে না আসলেও বহির্বিশ্বের কাছে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ আজও একটি একক সত্তা হিসেবেই বিবেচিত। সেখানে সুন্নি-শিয়া, হানাফি-হাম্বালি, জামায়াত-চরমোনাই, আহলে কোর’আন-আহলে হাদিস ইত্যাদি আলাদা আলাদা কোনো পরিচয় নেই। তাদের কাছে আমাদের একটাই পরিচয় আমরা মুসলমান আর তারা তাদের স্বার্থোদ্ধারের জন্য আমাদের সকলকেই তাদের ইচ্ছানুযায়ী পরিচালিত করছে।

অথচ মুসলমানরা যদি সত্যিকারভাবেই ঐক্যবদ্ধ থাকত, তবে ইসরায়েল বা অন্য কোনো পশ্চিমা শক্তির পক্ষে এত সহজে আগ্রাসন চালানো সম্ভব হতো না। অথচ আমরা দেখতে পাই একটি মুসলিম দেশকে ধ্বংস করার জন্য তারা আরেকটি মুসলিম দেশের সহায়তা নিচ্ছে। এক মুসলিম দেশ তার পার্শ্ববর্তি আরেকটি মুসলিম দেশকে সহায়তা না করে সে দেশকে ধ্বংস করার জন্য পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের নিজের দেশে ঘাঁটি গড়ার অনুমোদন দিয়ে রেখেছে। এ ধরনের আত্মঘাতি ঘটনা ইতোপূর্বে কোনো জাতি করেছে কিনা তা ইতিহাসেও নজিরবিহীন।

তাহলে এখন এ সংকটপূর্ণ অবস্থান থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? যদি সত্যিকার অর্থেই সমাধান করতে হয় তবে সর্বপ্রথম পুরো মুসলিম জাতিকে একটি শক্তিশালী ভিত্তির উপর ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আর সে শক্তিশালী ভিত্তি হচ্ছে তওহীদ- ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’- অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া আর কারো হুকুম বিধান মানি না। ভুললে চলবে না, আমাদের আল্লাহ এক, আমাদের রসুল এক, আমাদের কোর’আন এক- অতএব মুসলিম জাতিও হবে এক ও অভিন্ন। এ আদর্শিক ভিত্তি এখন মুসলমানদের গ্রহণ করতে হবে। মুসলিম উম্মাহর প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত কোর’আনে আল্লাহ প্রদত্ত জীবন বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করা। আজ ৫৭টি মুসলিম রাষ্ট্র যে ভৌগলিক জাতিরাষ্ট্রের পরিচয়ে বিভক্ত, সে বিভক্তিকে দূরে করে আমাদের এক মুসলিম জাতিসত্ত্বার কথা চিন্তা করে এক ও অভিন্ন জাতিতে পরিণত হতে হবে।

দ্বিতীয়ত, প্রকৃত মো’মেন হিসেবে ঈমানের সঠিক চেতনা ও আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম অর্থাৎ জেহাদের প্রকৃত রূপকে এ জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। আজ যেখানে ‘জেহাদ’ শব্দটিকে অপব্যাখ্যা দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে মিশিয়ে দেয়া হয় সে ভুল ব্যাখ্যাকে দূর করতে হবে। মুসলিম উম্মাহর সামনে জেহাদের প্রকৃত রূপ তুলে ধরতে হবে যাতে তারা বুঝতে পারে যে জেহাদ হচ্ছে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের জীবন ও সম্পদ দিয়ে আল্লাহ রাস্তায় সর্বাত্মক সংগ্রাম করা যার মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীতে শান্তি, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।

তৃতীয়ত, আমাদের এ জেহাদ করার জন্য সঠিক কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে। আল্লাহ তাঁর রসুলকে যে কর্মসূচী দিয়েছিলেন এ শেষ দীনকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমাদেরও সে একই কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে। কর্মসূচীর বিষয়ে রসুল (সা.) বলেছেন, “আল্লাহ আমাকে পাঁচটি কাজের আদেশ দিয়েছেন, আমি তোমাদেরকে সেই পাঁচটি কাজের আদেশ করছি। ইসলামকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করতে আল্লাহ যে নীতি রসুলকে দিয়েছেন সেই নীতির উপর ভিত্তি করা একটি পাঁচ দফা কর্মসূচি আল্লাহ তাঁর রসুলকে দান করলেন। এ পাঁচ দফা কর্মসূচি তিনি তাঁর উম্মাহর উপর অর্পণ করার সময় বলছেনÑ এ কর্মসূচি আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন, (আমি সারাজীবন এ কর্মসূচি অনুযায়ী সংগ্রাম করেছি) এখন এটা তোমাদের হাতে অর্পণ করে আমি চলে যাচ্ছি। সেগুলো হল: ঐক্যবদ্ধ হও, (নেতার আদেশ) শোন, (নেতার ঐ আদেশ) পালন কর, হিজরত কর এবং (এ দীনুল হক কে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার জন্য) আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম, জেহাদ কর।

যে ব্যক্তি (কর্মসূচির) এ ঐক্যবন্ধনী থেকে এক বিঘত পরিমাণও বহির্গত হল, সে নিশ্চয়ই তার গলা থেকে ইসলামের রজ্জু (বন্ধন) খুলে ফেলল- যদি না সে আবার ফিরে আসে (তওবা করে) এবং যে ব্যক্তি অজ্ঞানতার যুগের (কোনও কিছুর) দিকে আহ্বান করল, সে নিজেকে মুসলিম বলে বিশ্বাস করলেও, নামায পড়লেও এবং রোযা রাখলেও নিশ্চয়ই সে জাহান্নামের জ্বালানী পাথর হবে [আল হারিস আল আশয়ারি (রা.) থেকে আহমদ, তিরমিযি, বাব উল এমারাত, মেশকাত]।”

সবশেষে এ কর্মসূচী পালনের জন্য যোগ্য নেতা ও তাঁর নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাই মুসলিম উম্মাহকে একক নেতৃত্ব নিয়ে ভাবতে হবে। জনগণ যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে এবং মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দ যদি জাতিকে উত্তোরণের জন্য নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থকে ত্যাগ করতে না পারেন তাবে যতই উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক না কেন, এ জাতি বর্তমান সংকট থেকে বের হতে পারবে না। কাজেই এখন জনগণকে সিদ্ধান্তে আসতে হবে যে, তারা সত্যিকার অর্থেই পরিত্রাণের পথে এগোবে কিনা। যদি মুক্তির পথে হাঁটতে চায় তবে তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আল্লাহ প্রদত্ত দীনকে গ্রহণ করে এক নববিপ্লব সংঘটিত করা এখন সময়ের দাবী। সকল মুসলিম মন থেকে ইসলামের সঠিক আদর্শকে গ্রহণের মাধ্যমে এক নবজাগরণের সৃষ্টি করবে এবং সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে এক নেতার নেতৃত্বে একযোগে বিপ্লবে ঝাঁপিয়ে পড়বে। ্আর তখনই মুসলমানদের বর্তমান সংকট থেকে পরিত্রাণ সম্ভব।

আমরা, হেযবুত তওহীদ, জনগণের সামনে আজ সে বার্তা নিয়েই দাঁড়িয়ে আছি।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের এই করুণ পরিণতি কোনো নিয়তির নির্মম পরিহাস নয়, বরং তা আল্লাহর বিধান থেকে দূরে সরে যাওয়ারই অবশ্যম্ভাবী ফসল। আমরা নামের শেষে মুসলিম…
 ১৬ জুন ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার
চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন
চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের জন্য সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পসহ নতুন ও সংশোধিত পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়