প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   সাম্রাজ্যবাদীদের ইসলামবিদ্বেষ একপ্রকার অন্ধত্ব

সাম্রাজ্যবাদীদের ইসলামবিদ্বেষ একপ্রকার অন্ধত্ব

২৫ মার্চ ২০২৬ ০২:৫০ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মো. নিজাম উদ্দিন
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় হেযবুত তওহীদের এমামের ভিডিও বক্তব্যগুলো ভীষণ আলোড়ন তুলেছে। সেগুলো দেশের গণ্ডি পেরিয়ে যখন ইউরোপ আমেরিকার লোকজনের কাছে যাচ্ছে, তখন আমরা ভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখতে পাচ্ছি। কারণ পশ্চিমা দেশগুলোতে ইসলাম সম্পর্কে প্রচণ্ড ভয় কাজ করে। তারা ইসলামকে অত্যন্ত প্রতিহিংসাপরায়ণ, অসহিষ্ণু ও অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষী একটি ধর্ম বলে মনে করে। তারা অনেকে ইসলামি কন্টেন্ট একেবারেই দেখতে রাজি না, তাদের দেশে সেগুলো প্রচার হোক এটারও তারা ঘোর বিরোধী। কিছুদিন আগে ফেসবুকে হেযবুত তওহীদের একটি পোস্টে চধঁষ ঝুঁফধস নামের একজন মার্কিন নাগরিক মন্তব্য করেছেন, “Keep your disgusting religion where its welcome. Thats not America. You scum arent fooling us. -James Aaron Crofford নামের আরেকজন লিখেছেন, “This is a religion of hate for other religions!”

প্রশ্ন হচ্ছে, ইসলামের প্রতি তাদের এই ঘৃণা, বিদ্বেষের কারণ কী? ইসলামবিদ্বেষী মহলের অন্যতম প্রোপাগান্ডা হলো ইসলাম বিকশিত হয়েছিল তলোয়ারের জোরে, রক্তপাতের মধ্য দিয়ে। কেন এই রক্তপাত? তারা বলেন, এই রক্তপাত সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য, পরসম্পদ লুণ্ঠনের জন্য। কখনই নয়, এটি নিঃসন্দেহে সত্যের অপলাপ। যদি কেবল সাম্রাজ্য বিস্তার করাই ইসলামের উদ্দেশ্য হত, পরসম্পদ লুণ্ঠন করার জন্য ইসলামের জিহাদ-কিতালের বিধান হত, তাহলে ৭৮টি যুদ্ধ করার পরে আল্লাহর রসুল কুড়েঘরে ইন্তেকাল করতেন না, তিনি ইন্তেকাল করতেন সুরম্য অট্টালিকায়, আর ইন্তেকালের সময় প্রাসাদ ভর্তি সাজানো থাকত রাশি রাশি ধন-সম্পদ। অথচ আল্লাহর রসুল ইন্তেকালের সময় কী কী রেখে গেছেন সেই তালিকাটি দেখলে অবাক হতে হয়।

সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য যুদ্ধ করেছে চেঙ্গিস খান, হালাকু খান। তাদেরকে কেউ হৃদয়ে স্থান দেয়নি, তারা কোনো সোনালি ইতিহাসও রেখে যেতে পারেননি। মৃত্যুর সাথে সাথে তাদের প্রভাপ-প্রতিপত্তি লুপ্ত হয়ে গেছে। অন্যদিকে আল্লাহর রসুল বিগত ১৪০০ বছর ধরেই পৃথিবীর সবচাইতে প্রশংসিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। আজও তাঁর ১৬০ কোটি অনুসারী ‘নামধারী’ হালতে হলেও বিশ্বের বুকে টিকে আছে। বহু মানুষ রয়েছেন হয়ত ঠিকমত নামাজ পড়েন না, ধর্মকর্মে মনোযোগী নন, কিন্তু রসুলকে গালি দিলে সহ্য করতে পারেন না। এতটা অপার্থিব ভালোবাসা, অকৃত্রিম শ্রদ্ধা বোধহয় পৃথিবীর অন্য কাউকে করা হয় না। কোথা থেকে আসে এই শ্রদ্ধা, এই আবেগ? এমনি এমনিই তৈরি হয়ে গেছে? শুধুই পরকালের ভয়ে মানুষ রসুলকে শ্রদ্ধা করে? মোটেও নয়। এমন একটি আলোকময় আদর্শকে আল্লাহর রসুল (সা.) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যার ব্যাপ্তি দেহ থেকে আত্মা, ইহজগত থেকে পরজগত, অতীত থেকে ভবিষ্যত- সমস্তকেই আবৃত করে রেখেছে।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

Screenshot 1

মুসলিমদের একটি দল প্রবলভাবে হীনম্মন্যতায় আপ্লুত। ইসলামের জিহাদ-কিতাল নিয়ে তারা পড়েছেন মহাবিপদে। জিহাদ কিতালের কথা কোর’আন হাদিসে আছে, কাজেই অস্বীকার করা যাচ্ছে না, আবার যেভাবে বিষয়টি উপস্থাপিত হচ্ছে সেটাকে মেনে নেওয়াও যাচ্ছে না। ইসলামবিদ্বেষীরা যখন কোর’আন ও হাদিস থেকে জিহাদ-কিতাল সংক্রান্ত বর্ণনাগুলো সামনে হাজির করেন এবং সেগুলোর অপব্যাখ্যা দিয়ে ইসলামকে রক্তপাতের দায়ে অভিযুক্ত করেন এবং আল্লাহর রসুলকে যুদ্ধবাজ ও নির্মম ব্যক্তিত্ব (নাউজুবিল্লাহ) হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেন তখন এই হীনম্মন্যতায় আপ্লুত শ্রেণিটি করজোড়ে কাচুমাচু হয়ে এমনভাবে কৈফিয়ত প্রদান করেন যার দ্বারা প্রকারান্তরে ইসলামবিদ্বেষীদের অভিযোগগুলোকে স্বীকারই করে নেওয়া হয়। এমনটা হবার পেছনে পাশ্চাত্যের মিডিয়ার বহুমুখী প্রোপাগান্ডার দায় থাকলেও মূল কারণ কিন্তু সেটা নয়। মূল কারণটি হলো প্রকৃত ইসলামের আকীদা না জানা। জিহাদ ও কিতাল সম্পর্কে আকীদা না থাকার কারণে তারা বলিষ্ঠ কণ্ঠে কোনো অভিযোগেরই সদুত্তর দিতে পারেন না।

একটা অস্ত্র দিয়ে ডাকাতি করা যায়, আবার ওই অস্ত্র দিয়েই ডাকাত নির্মূল করা যায়। অস্ত্র দোষী নয়, দোষী সেই ব্যক্তি, যে অস্ত্রের অপব্যবহার করে। জিহাদ হচ্ছে অন্যায়, অবিচার, নির্যাতন, নিপীড়নের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সংগ্রামের নাম। এই সংগ্রামের চূড়ান্ত রূপকে বলা হয় কিতাল (সশস্ত্র যুদ্ধ)। জিহাদ ব্যক্তির, কিতাল রাষ্ট্রের। রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কিতাল হয়। মানবজাতির ইতিহাসে কোনোকালেই জিহাদ-কিতাল অবৈধ ছিল না, হওয়াটা যৌক্তিকও নয়। কারণ, অন্যায় থাকলে অন্যায়ের প্রতিবাদও থাকবে এটাই স্বাভাবিক। একমাত্র তখনই জিহাদ-কিতালকে আপনি অবৈধ বলতে পারবেন যখন পৃথিবীর এক ইঞ্চি মাটিতেও কোনো অন্যায়, অবিচার, যুলুম থাকবে না, পরিপূর্ণভাবে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে। সে সময় এখনও আসে নি। প্রতিটি রাষ্ট্রই সেনাবাহিনী প্রতিপালন করে সেই রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য, বহিঃশত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য। সেনাবাহিনীর পেছনে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে রাষ্ট্রগুলো। উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়, নতুন নতুন যুদ্ধসামগ্রী ও যুদ্ধযান ক্রয় করা হয়।

এই যে সেনাবাহিনীকে এত সুযোগ-সুবিধা ও মর্যাদা প্রদান করা হয়, এর একটাই কারণ- দেশের যে কোনো বিপদে রাষ্ট্রের এই বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নাগরিকগুলো জনগণের পাশে দাড়াবে, জনগণকে শত্রুর আঘাত থেকে রক্ষা করবে। যুদ্ধ করবে। মরবে ও মারবে। পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী গড়ে তোলাকে নিশ্চয় কেউ অন্যায় বলছেন না, কারণ একটা রাষ্ট্রের এটা সর্বকালের স্বীকৃত অধিকার। তাহলে রসুল (সা.) রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে যুদ্ধ/কিতাল করেছেন সেটা কেন সমালোচনার বিষয় হবে? ইসলামের জিহাদ-কিতাল নিয়ে কেন এত অপপ্রচার হবে? যুদ্ধ বৈধ, ডধৎ বৈধ, কিন্তু ‘কিতাল’ অবৈধ- এটা কেমন কথা? কিতাল, যুদ্ধ বা ডধৎ তো একই জিনিস। জিহাদ-কিতাল ইসলামিক টার্ম বিধায় এটা অবৈধ নয়, অবৈধ হচ্ছে এই শব্দগুলিকে ব্যবহার করে সন্ত্রাস সৃষ্টি করা। ওটা অন্যায়। ইসলাম অন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করা দূরের কথা, মানুষের ক্ষতি হয় এমন কাজ কিংবা কথা বলাকেও অন্যায় সাব্যস্ত করে।

পৃথিবীর সকল স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি আছে, প্রতিরক্ষানীতি আছে। ১৪০০ বছর আগে স্থাপিত মদীনা রাষ্ট্রেরও পররাষ্ট্রনীতি ছিল, প্রতিরক্ষানীতি ছিল। কোর’আনের যুদ্ধ-সংক্রান্ত আয়াতগুলোই ছিল মদীনা রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষানীতি। যুদ্ধের হুকুম, রক্তপাতের অনুমতি ও শত্রুহত্যার বৈধতা কেবল কোর’আনে নয়, সব সংবিধানেই আছে। হ্যাঁ, কেউ যদি কোর’আনের মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টির পাঁয়তারা করে তার সমালোচনা আমরা অবশ্যই করব। নিঃসন্দেহে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু এজন্য কোর’আনকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চাওয়া নির্বুদ্ধিতা ছাড়া কিছু নয়। ফাঁসিতে ঝুলানো হয় খুনিকে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তলকে নয়।

সুতরাং, যাবতীয় অপপ্রচার ও অপবাদের তীরকে ভয় না পেয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে বলার সময় এসেছে, ‘আল্লাহ হক্ব, রসুল হক্ব, কোর’আন হক্ব, ইসলাম হক্ব।’ আমরা যদি আল্লাহ-রসুলের প্রকৃত ইসলামকে উপলব্ধি করতে পারি এবং নিজেরা সেই ইসলামের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারি তাহলে নিঃসন্দেহে বলা যায়, ইসলাম আমাদের হীনম্মন্যতার কারণ হবে না, ইসলাম হবে আমাদের আদর্শিক শ্রেষ্ঠত্বের কারণ, ইসলাম আমাদের দুর্বলতা নয়, ইসলাম আমাদের শক্তি, আমাদের মর্যাদা, আমাদের গর্ব। ইনশা’আল্লাহ সমস্ত অপপ্রচারের কালো মেঘ কেটে গিয়ে প্রকৃত ইসলামের আদর্শ সূর্যের মত আলোকিত করবে সারা পৃথিবীকে। কেটে যাবে অন্যায় ও অসত্যের অন্ধকার। মূলত ইসলাম দিয়েই সমস্ত অন্যায়, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ, মাদক ইত্যাদি নির্মূল সম্ভব। শুধু দরকার বিকৃতির পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে থাকা সহজ-সরল অনাবিল প্রকৃত ইসলামটিকে তুলে এনে মানুষের সামনে উপস্থাপন করা।

[লেখক: সাধারণ সম্পাদক, হেযবুত তওহীদ
যোগাযোগ: ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৬২১৪৩৪২১৩]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন হয়। হঠাৎ হওয়া এই কম্পনের ফলে সাধারণ…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে…
 ২৫ মে ২০২৬    জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে,…
 ২৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামে পরিচিত আবু বকর সিদ্দিকের অন্ধকার জগতের নানা তথ্য সামনে এসেছে। ধর্মের লেবাস এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে তিনি গত কয়েক…
 ২৩ মে ২০২৬    অন্যান্য

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা
গত কয়েক দিন ধরে অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহের কারণে বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়েছিল।…
 ২৩ মে ২০২৬    জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী

রামিসার হত্যাকারীদের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি

রামিসার হত্যাকারীদের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি
মিরপুরের শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচার দ্রুত শেষ করে এক মাসের মধ্যেই সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভবিষ্যতে কেউ…
 ২৩ মে ২০২৬    জাতীয়

শ্রীপুরে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

শ্রীপুরে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে শাকিলা আক্তার নামের সাত মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তার স্বামী রাজু আহাম্মদকে জিজ্ঞাসাবাদের…
 ২৩ মে ২০২৬    ঢাকা

হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫০০ ছুঁই ছুঁই

হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫০০ ছুঁই ছুঁই
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে এই রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৪৯৯ জনে…
 ২২ মে ২০২৬    জাতীয়

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস
২০২৩ সালের পর এখন পর্যন্ত, গাজায় প্রায় ১ লক্ষ মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশাই শিশু ও নারী। আহত হয়েছে দেড় লাখের অধিক ফিলিস্তিনি। গাজার প্রায়…
 ২২ মে ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব বিইআরসির কারিগরি কমিটির

খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব বিইআরসির কারিগরি কমিটির
খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কেআইবি…
 ২১ মে ২০২৬    জাতীয়