প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   আরবীয় সংস্কৃতিকে ইসলাম মনে করা...

আরবীয় সংস্কৃতিকে ইসলাম মনে করা ইসলামের অন্যতম বিকৃতি

৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১১:৫০ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মুস্তাফিজ শিহাব:
বর্তমানে পৃথিবীতে যতগুলি ধর্ম প্রচলিত রয়েছে তাদের প্রতিটির মধ্যে সময়ের বিবর্তনে আর ইবলিসের প্ররোচনায় বিকৃতি এসেছে। ইসলামের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটে নি। এর ফলে এক কালের শ্রেষ্ঠ মুসলিম জাতি আর ইসলামের অনুসারী হয়েও নিকৃষ্টতম জাতিতে পরিণত হয়েছে। ইসলামের এইসব বিকৃতির হাত থেকে জাতিকে উদ্ধার করার জন্য আলেমদের বড় ভূমিকা থাকবে এমনটাই আশা করা স্বাভাবিক। কিন্তু বেশ কিছু বিষয় এ ক্ষেত্রে তাদের সামনে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আমাদের আলেম সাহেবদের বড় ব্যর্থতা হলো ইসলামকে বর্তমান যুগের উপযোগী হিসাবে উপস্থাপন করতে না পারা। তারা হাজার বছর আগের রচনা করা মাসলা মাসায়েল আর ফতোয়াগুলোকে দিয়ে আধুনিক দুনিয়া চালাতে চান। ইসলাম কে তারা সর্বাধুনিক বলেন মুখে কিন্তু কার্যক্ষেত্রে স্থান-কাল-পাত্রভেদে এর পরিবর্তনশীলতাকে অস্বীকার করেন এবং ক্ষিপ্ত হয়ে যান। ইসলামের প্রসঙ্গ উঠলেই তারা প্রাচীন ফিকাহ আর ফতোয়ার কেতাব নিয়ে বসেন। পাঁচশ বছর আগের খোতবা এখনো মসজিদে পড়ে শোনান। এসব ফতোয়ার বিপরীতে যুক্তি, বিবেকের দাবি দূরে থাক কোর’আনকে মানতেও অনেকে নারাজ। আকাশের যত তারা ফতোয়ার তত ধারা। সুতরাং ইসলাম তাদের কুক্ষিগত থাকতে বাধ্য, জনগণ কোনোদিন ইসলাম বুঝতে সক্ষম হোক এটা তারা হতে দেবেন না।
আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে রসুলাল্লাহর (সা.) উপর যে কেতাব নাজিল হয়েছিল সেই কেতাব কোর’আন হচ্ছে এমন কিছু মূলনীতির সংকলন যেগুলো শ্বাশ্বত ও চিরন্তন প্রাকৃতিক নিয়মের উপর প্রতিষ্ঠিত। যেমন কোর’আনে ঐক্যবদ্ধ থাকার কথা বলা হয়েছে। ঐক্য মানেই শক্তি, এ কথাটি লক্ষ বছর আগেও সত্য ছিল, এখনও সত্য। কোর’আনে দীনের মূলনীতিগুলো এমন যেগুলো কেয়ামত পর্যন্তই অপরিবর্তনীয়। পরিবর্তন করলে বিপর্যয় ঘটতে বাধ্য। কিন্তু রসুলাল্লাহ (সা.) সে সময়ের আরবদের জন্য উপযোগী করে, তাদের জীবনের সাথে মিলিয়ে ইসলাম শিক্ষা দিয়েছেন। আরবীয়রা আগে থেকে যে পোশাক পরত রসুল তাদেরকে ভিন্ন কোনো পোশাক পরিধানের নির্দেশ দেন নি। আবার অনারব কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তাকেও আরবীয় পোশাক পরতে বাধ্য করেন নি। কেননা ইসলামে পুরুষের পোশাকের নীতিমালা হচ্ছে সতর ঢাকা আর সেটা হচ্ছে নাভি থেকে হাঁটু অবধি। আপনি যে কোনো পোশাক দিয়ে যদি এটুকু আবৃত রাখেন ইসলাম তাতে কোনো বিধিনিষেধ দেয় না। রসুল নিজেও আরবের পোশাক ও খাদ্যে অভ্যস্ত ছিলেন। এ কথাগুলোই হাদিসে এসেছে।
এখন সমস্যা হচ্ছে আমাদের আলেম সাহেবরা সেই আরবীয় প্রেক্ষাপটকেই ইসলাম বানিয়ে নিয়েছেন। তাদের কাছে আরবী ইসলামের ভাষা, খেজুর খাওয়া সুন্নত, দাড়ি রাখা, আরবীয় পোশাক, চেক রুমাল, পাগড়ি পরা সুন্নত। তারা এটা বুঝতে নারাজ যে, আল্লাহর রসুল অন্য দেশে আসলে তিনি সে দেশের ভাষায়ই কথা বলতেন, সে দেশের খাদ্যই খেতেন। তারা সেই আরবীয় সংস্কৃতিগুলোকে ইসলাম মনে করে সেগুলোকে মুসলিমদের উপর চাপানোর জন্য মরিয়া। কেউ উত্তম মুসলিম হতে গেলে প্রথমেই তাকে দাড়ি, টুপি, লেবাস ইত্যাদির শর্ত পূরণ করতে হবে। শার্ট প্যান্ট টি শার্ট জিন্স তাই কোনো ক্রমেই ইসলামিক নয়। ১৪০০ বছরে মানুষের রুচি অভিরুচিতে বিবর্তন সাধিত হবে এটা খুব স্বাভাবিক ও সময়ের বৈশিষ্ট্য। এই পরিবর্তনকে অস্বীকার করে কোনো জীবনব্যবস্থাই টিকে থাকতে পারে না। এই দীর্ঘ সময়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা, প্রযুক্তি, বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতি ঘটেছে যার মূলে মুসলিম বিজ্ঞানীদেরও অনেক অবদান ছিল। এই যে বিবর্তিত সময় উপস্থিত হয়েছে এই গতিশীল যুগেও যুক্তি ও ভারসাম্যপূর্ণভাবে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বিচারিক ইত্যাদি যাবতীয় সমস্যার সমাধান যে ইসলাম করতে পারে, ইসলাম সারা দুনিয়াকে আরব বানাতে চায় না এইভাবে ইসলামটাকে উপস্থাপন করতে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। তারা এখনও সেই পুরনো যুগে যে সমাধানগুলো দিয়ে এ যুগের সমস্যাকে মোকাবেলা করতে উৎসুক। এক হাজার বছর আগের সামাজিক প্রেক্ষাপটে যে সমস্যার যে সমাধান ইমাম গাজ্জালী বা ইমাম আবু হানিফারা দিয়ে গেছেন সেই ওখান থেকে সরে আসাকে তারা ইসলাম ত্যাগ করার মতো গর্হিত অপরাধ জ্ঞান করেন। তারা এটা বুঝতে অক্ষম যে, আল্লাহর রসুলের হাতে গড়া উম্মতে মোহাম্মদীর পরবর্তী যুগের ফেরকা মাজহাবের আলেম ওলামাদের অতিবিশ্লেষণের ফসল হিসাবে যে জটিল, দুর্বোধ্য ইসলামটি দাঁড়িয়ে গেছে সেটা সেই যুগে হয়তো জোর করে চালানো গেছে, কিন্তু এই যুগে তা বিপরীত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে বাধ্য।
যুগের সাথে খাপ খাচ্ছে না বলে মানুষ তা গণহারে প্রত্যাখ্যান করছে তাই প্রয়োজন হয়ে পড়ছে জোর করার – অথচ দীনের মূল নীতির একটি হচ্ছে – দীনের মধ্যে কোনো জবরদস্তি নেই। তারা বলছেন নারীদের ঘরে থাকতে হবে, নারী নেতৃত্ব হারাম, ছেলেদের দাড়ি রাখতে হবে, আরবীয় লেবাস পরতে হবে, নাচ-গান-ছবি আঁকা, ভাস্কর্য তৈরি সব হারাম। কোর’আন এগুলোর একটাকেও প্রত্যক্ষভাবে হারাম করে নি, কিন্তু ফতোয়া দিয়ে সবই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমন বহু উদাহরণ দেওয়া যাবে।
তাদের হাতে থাকা কেতাবি ইসলামটা কতটুকু অন্ধ, তার গতিপ্রকৃতি কী – তার বাস্তব নিদর্শন কথিত জঙ্গিবাদীদের কার্যকলাপ, যা ইসলামভীতির সৃষ্টি করেছে। প্রকৃত ইসলাম তো অন্য জাতিগোষ্ঠীর দ্বারা এমন ঘৃণিত হয় নি? প্রকৃত ইসলাম যে এমন ছিল না, এ সরল কথাটি বোঝার জন্য যে মানবিক হৃদয় লাগে সেটার কবর তারা বহু বছর আগেই রচনা করেছেন। তাদের হৃদয়ে মোহর, চোখে পর্দা, কানে তালা।
বর্তমানে ইসলামের মধ্যে যে বহুবিধ বিকৃতি প্রবেশ করেছে আরবীয় সংস্কৃতিকে ইসলামের সাথে গুলিয়ে ফেলা তার একটি। ইসলামের যা কিছু মৌলিক নীতি তা কোর’আনে আছে, সেগুলো কোনো পরিবর্তন করা যাবে না। কিন্তু যে বিষয়গুলো একান্তই পারিপার্শ্বিকতার উপর নির্ভর করে সে বিষয়গুলোকে আঁকড়ে ধরে থাকাটা এক প্রকার অন্ধত্ব- এটা বুঝে ইসলামের মূলনীতিগুলোর অগ্রাধিকার দিতে হবে। যারা ইসলামকে আবারো এই যুগে জীবনব্যবস্থা হিসাবে দেখতে চান, যারা ইসলামের বিশেষজ্ঞ তাদের এটুকু বিবেচনা করতে হবে যে, ইসলাম সারা পৃথিবীকে আরব দেশ বানাতে আসে নি, মরুভূমির বিধান নদীমাতৃক বা বনাঞ্চলে চলবে না। ইসলাম এসেছে সর্বযুগের জন্য, সব পরিবেশের জন্য। এটা যদি আমরা না বুঝি, আকাশের মতো উদার ইসলামকে স্থান কাল পাত্রের ক্ষুদ্রতায় বন্দী করে রাখি তাহলে আমাদের এই কূপমণ্ডুক চিন্তাধারার দায় আল্লাহ-রসুলের উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং এতে ইসলামের গ্রহণযোগ্যতা আরো বিনষ্ট হবে, ইসলামের আরো বদনাম হবে।
(লেখক: সহকারী সহিত্য সম্পাদক, দৈনিক বজ্রশক্তি)

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির নিজস্ব…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন হয়। হঠাৎ হওয়া এই কম্পনের ফলে সাধারণ…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে…
 ২৫ মে ২০২৬    জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে,…
 ২৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামে পরিচিত আবু বকর সিদ্দিকের অন্ধকার জগতের নানা তথ্য সামনে এসেছে। ধর্মের লেবাস এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে তিনি গত কয়েক…
 ২৩ মে ২০২৬    অন্যান্য

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা
গত কয়েক দিন ধরে অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহের কারণে বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়েছিল।…
 ২৩ মে ২০২৬    জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী

রামিসার হত্যাকারীদের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি

রামিসার হত্যাকারীদের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি
মিরপুরের শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচার দ্রুত শেষ করে এক মাসের মধ্যেই সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভবিষ্যতে কেউ…
 ২৩ মে ২০২৬    জাতীয়