প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ধর্মহীন শিক্ষা-ব্যবস্থার উত্তরাধিকার

ধর্মহীন শিক্ষা-ব্যবস্থার উত্তরাধিকার

২২ জানুয়ারি ২০১৬ ০৩:০২ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক
রিয়াদুল হাসান

মানবজাতির ইতিহাসে ধর্মের অধ্যায়টি বিরাট। এ বিরাট অধ্যায়ের দিকে তাকানোর জন্য আমাদের সামনে এখন দুটো চশমা রয়েছে। একটি ধর্মহীন চশমা, আরেকটি ধর্মের চশমা। এ দুটো চশমায় আমাদের অতীত দুটি ভিন্ন প্রকৃতি নিয়ে ধরা পড়ে।
ধর্মহীন চশমা বলছে, এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এমনিতেই সৃষ্টি হয়েছে, এর কোনো স্রষ্টা নেই। সকল জীব ও জড়ও এমনি এমনিই সৃষ্টি হয়েছে। প্রাণীকুলের মধ্যে কেউ উন্নত, কেউ অনুন্নত যা নির্ণীত হয়েছে তাদের অভিযোজনের ক্ষমতার তারতম্য দ্বারা। মানুষ (খুব সম্ভবত) একটি বানরজাতীয় বিবর্তিত প্রাণী, যার আদিপিতা-পিতৃব্যরা গাছে থাকত, তাদের লেজ ছিল। খুলির আকৃতির পার্থক্য অনুযায়ী তারা নিগ্রয়েড, ককেশয়েড, মঙ্গলয়েড, অস্ট্রালয়েড ইত্যাদি শ্রেণিবিন্যাসে বিভক্ত।
আর ধর্মের চশমা বলছে, এই বিশ্বজগৎ নিজে থেকে সৃষ্টি হয় নি, এর একজন স্রষ্টা আছেন, যিনি নিরন্তর এটি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিপালন করছেন। তিনি বিশ্বজগতে এমন কিছু প্রাকৃতিক নিয়ম, ব্যবস্থা বা চক্র আরোপ করেছেন যার দ্বারা সকল বস্তু ও প্রাণির সৃষ্টি, পালন, বাস্তুসংস্থান, ধ্বংস ইত্যাদি সাধিত হয়। মানুষ স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ ও ব্যতিক্রমী এক সৃষ্টি যার উদ্ভব জান্নাতে, যার আদিপিতা আদম (আ.), আদিমাতা হাওয়া (আ.)। তাদের থেকেই আজকের সকল হিন্দু, সকল বৌদ্ধ, সকল মুসলিম, সকল খ্রিষ্টান, আর সকলেই।
একটি চশমা দিয়ে তাকালে দেখি নূহ (আ.), ইব্রাহীম (আ.), মুসা (আ.), ঈসা (আ.) ইত্যাদি বহু উজ্জ্বল নাম। অন্য চশমায় তাদেরকে দেখা যায় না, সেখানে আছে বস্তুবাদী দার্শনিক আর বিভিন্ন রাজবংশের নাম। একটি চশমা বলছে, মানব ইতিহাস নবী-রসুলদের মাধ্যমে মিথ্যার বিরুদ্ধে সত্যের সংগ্রামের ইতিহাস, ধর্মের দ্বারা মানবজাতির শান্তি পাওয়ার ইতিহাস। অন্য চশমাটি বলছে মানুষের অতীত অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল ধর্ম নামক কুসংস্কার ও বর্বরতা দ্বারা। বর্তমানে ধর্ম বিদায় নিয়েছে, মানুষ অন্ধত্ব থেকে মুক্তি পাচ্ছে।
বর্তমানে আমরা জাতি হিসাবে দ্বিধাগ্রস্ত, ধর্ম ও আধুনিকতা একে অপরের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে দণ্ডায়মান, দু নৌকায় পা দিয়ে আছি আমরা। পাশ্চাত্যের সংস্কৃতি উজ্জ্বল আকর্ষণ নিয়ে হাতছানি দিচ্ছে, ধর্ম ক্রমেই বিবর্ণ ও আকর্ষণহীন বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। কিন্তু ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্তের কণিকায় মিশে আছে যা বাদ দেওয়া সহজ নয়। তবে শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ধর্মের প্রতি সন্দেহ সৃষ্টির যে প্রচেষ্টা বিগত শতাব্দীগুলোতে চালানো হয়েছে তা খুবই সফল হয়েছে। উত্তর-ঔপনিবেশিক তথাকথিত আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় এই দ্বিধা ও সন্দেহ সৃষ্টির সচেতন প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়। উপরে যে দুটো চশমার কথা বললাম, বর্তমান বিশ্বের জনসংখ্যা, বিশেষ করে মুসলিম নামধারীরা এ দুটো চশমা দিয়েই নিজেদের ইতিহাসকে দেখতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলছে। এর প্রভাব পড়ছে তাদের ব্যক্তি থেকে জাতীয় জীবনের সর্বত্র।
এ শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মকে রাখা হয়েছে নামে মাত্র। এস.এস.সি পর্যন্ত ধর্মের যেটুকু রাখা হয়েছে সেটুকুর উদ্দেশ্য নৈতিকতার শিক্ষা প্রদান। কারণ এটা অস্বীকার করার মত অবস্থা এখনও সৃষ্টি হয় নি যে, সকল ভদ্রতা, শিষ্টাচার, সত্যনিষ্ঠা ধর্মেরই অবদান। ধর্ম বইতে বলা হচ্ছে সমস্ত কিছুর মালিক স্রষ্টা, অথচ অন্য সকল বইয়ে ‘আল্লাহ’ শব্দটিও খুঁজে পাওয়া মুশকিল, এমনভাবে স্রষ্টার অস্তিত্বতে অস্বীকার করা হয়েছে। আর ধর্মকে সবচেয়ে গুরুত্বহীন বিষয়ে পরিণত করা হয়েছে। যে ধর্ম সেখানে শেখানো হচ্ছে সেটাও মানুষের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই আলোচনা করে, সামষ্টিক জীবন কীভাবে চলবে তা শেখানোর জন্য আছে অন্যান্য বিষয়সমূহ। এটা হচ্ছে মানবজাতিকে ধর্মবিমুখ করে তোলার একটি সুদূরপ্রসারী প্রক্রিয়া। কিন্তু পাশ্চাত্যে নানা কারণে এ প্রক্রিয়া কিছুটা সফল হলেও প্রাচ্যে এটি কয়েক শতাব্দী পরও খাপ খাচ্ছে না। বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে গেলে একটু গভীরে যেতে হবে।
‘ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ’ দর্শনটি উনিশ শতকে যুক্তরাজ্য থেকে প্রথমত উদ্ভূত হয়েছে। ১৮৪৬ সালে জর্জ জ্যাকব হোলিওক (George Jacob Holyoake) নামক এক ব্যক্তি সেকুলারিজম শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। Oxford Dictionary-তে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ (Secularism)-এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, Belief that religion should not be involved in the organization of society, education, etc.  অর্থাৎ সমাজ কাঠামোতে ধর্মকে সম্পৃক্ত করা যাবে না এমন বিশ্বাস পোষণ করাই ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ। এ মতবাদের অনুসারী (Secular) স¤পর্কে বলা হয়েছে, Not connected with spiritual or religious matter যিনি আধ্যাত্মিক বিষয় বা ধর্মীয় বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মূলত অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষদিকে শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে যুক্তি ও মুক্তবুদ্ধির চর্চার নামে Enlightenment Movement-এর ফসল হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ এর উদ্ভব হয়েছে। মুক্তবুদ্ধির আন্দোলনের মাধ্যমে এর অনুসারীরা মহান সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে মানবসভ্যতার ইতিহাসে সম্পূর্ণ নতুন দর্শন আমদানি করলেন যে, রাষ্ট্র ও সমাজের সাথে ধর্মের কোনো স¤পর্ক নেই; ধর্ম শুধু ব্যক্তিগত বিশ্বাস বা অন্তরের ব্যাপার; অর্থনীতি, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও শিক্ষা প্রভৃতি থেকে ধর্মকে দূরে রাখতে হবে। তাদের মূল বক্তব্য ছিল, যুক্তি (logic)-ই জীবন পরিচালনার ভিত্তি হবে। এ ক্ষেত্রে আল্লাহপ্রদত্ত নির্দেশনার (divine guidance) কোনো প্রয়োজন নেই। ইউরোপে এই আন্দোলনের সফলতার ফলে ধর্মহীন যে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠল, তাতে মানুষ নিতান্তই স্বার্থপর হয়ে গেল, ভোগবাদী হয়ে পড়ল, পূর্বপুরুষ ও ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ কমে গেল। সর্বোপরি নীতিবোধের লোপ ও নৈতিকতার অবক্ষয়ই এর চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে প্রকাশ পেল।
মূলত নৈতিক মূল্যবোধের জাগরণ ব্যতীত একটি কল্যাণকর মানবসমাজ কল্পনা করা যায় না। আর নৈতিক শিক্ষার মূল বিষয়টি ধর্মীয় শিক্ষা থেকে উৎসারিত। মানবসমাজে বিরাজিত সকল নৈতিকতার মূল ভিত্তি হলো, অতিপ্রাকৃতিক শক্তি তথা সৃষ্টিকর্তার ওপর বিশ্বাস। এ বিশ্বাসই ব্যক্তিমানুষকে তাঁর আদেশ ও নিয়ম অনুসরণ করতে অনুপ্রাণিত করে, পৃথিবীতে ও পরলোকে কু-কর্মের শাস্তি সম্পর্কে অবহিত করে এবং ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হতে উৎসাহ দেয়। স্রষ্টায় বিশ্বাসের কারণেই ব্যক্তি সবচেয়ে গোপন ও নিরাপদ জায়গাতেও শত প্রলোভন সত্ত্বেও অনৈতিক কোনো কাজে জড়িত হতে পারে না। কিন্তু এ বিশ্বাসের বীজ যার হৃদয়ে বপিত হয় নি তার কাছে নৈতিকতা অর্থহীন মনে হয়। ধর্মীয় শিক্ষা ব্যতীত নৈতিক শিক্ষা ভঙ্গুর ও বিক্ষিপ্ত। এমন কি এগুলোর আদি উৎসও বিভিন্ন ধর্ম। ধর্মীয় শিক্ষার বাইরে যে নৈতিক শিক্ষার কথা বলা হয় তাতে ব্যক্তি নিজের বিবেকের কাছে তার দায়বদ্ধতার কারণে নীতি মেনে চলে। ফলে ব্যক্তি যেকোনো দুর্বল মুহূর্তে প্রলোভনে পড়ে কিংবা মানবিক দুর্বলতার কারণে তার নৈতিক গণ্ডির বাইরে চলে যেতে পারে। সে তো পরকালীন শাস্তির ভয়ে নীতি মানছে না, তাই একবার ভাঙলে আবার তা গড়ে তোলার শক্তিশালী অনুপ্রেরণা পায় না। সে ভাবে যে, নশ্বর এই পৃথিবীতে ভোগ-বিলাস ও আরাম-আয়েশের মধ্য দিয়ে জীবন কেটে গেলেই হলো।
সুতরাং ধর্মকে কাজে লাগিয়েই সামষ্টিক মানুষের চারিত্রিক কাঠামোকে সুদৃঢ় করা সম্ভব, অন্যভাবে নয়। তাই শিশুকাল থেকেই এ চরিত্রগঠনের প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে হবে। আমরা জানি যে, ব্যক্তির মানসিক গঠনের উপযুক্ত সময় তার শৈশব ও কৈশোর। এ সময় শিশুকে যেভাবে শিক্ষা দেয়া হবে তার গন্তব্যও সেদিকেই হবে। আমরা সবাই চাই, আমাদের শিশুরা জ্ঞানে-গুণে, যোগ্যতা-দক্ষতায় অনন্য হোক এবং তাদের সেই জ্ঞান ও দক্ষতা কল্যাণকর কাজে ব্যবহৃত হোক। অথচ তাদেরকে আমরা শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে সকল নৈতিকতার উৎস ধর্ম থেকে দূরে সরিয়ে রাখার শিক্ষাই দিয়ে থাকি। আমরা কি দেখছি না যে, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণেই আজ জাতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি, চরিত্র বিকিয়ে টাকার মালিক হওয়ার প্রতিযোগিতা, মিথ্যা আর জালিয়াতির ছড়াছড়ি। সুতরাং বেঁচে থাকার জন্য যেমন মানুষের খাদ্যের প্রয়োজন, তেমনি সেই মানুষগুলোকে মনুষ্যত্বসম্পন্ন করে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন প্রকৃত ধর্মের শিক্ষা। বিকৃত ধর্ম সমাজকে আরো দূষিত করবে। প্রকৃত ধর্মের শিক্ষা যেমন পরিবার ও সমাজের পক্ষ থেকে দিতে হবে তেমনি দিতে হবে রাষ্ট্রের উদ্যোগের মাধ্যমে। রাষ্ট্রই শিক্ষাব্যবস্থার সিলেবাস ও কারিকুলাম প্রণয়ন করে। আর সকল পরিবারের পক্ষে সমভাবে জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি নির্দিষ্ট চারিত্রিক কাঠামোয় তৈরি করা সম্ভব নয়। পরিবারের অজ্ঞতা বা অসচেতনতার কারণে যেন শিশু সচ্চরিত্রের অধিকারী হওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, সে জন্য সমগ্র জাতিকে এ ভার নিতে হবে। নীতিহীন, চরিত্রহীন মানুষ একটি দানব ছাড়া আর কিছু নয়, বিশেষ করে যখন সে কোনো ধ্বংসাত্মক শক্তির অধিকারী হয়ে যায়। এটা উপলব্ধি করে পারমাণবিক বোমা আবিষ্কারের পর The Philosophy of the Modern Education গ্রন্থে অধ্যাপক বার্বাস বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ওপর জোর দিয়ে বলেছেন, “বাধ্যতামূলকভাবে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার অনুশীলন না করলে মানবসভ্যতাকে রক্ষা করা সম্ভব হবে না। কারণ, মানুষ ধ্বংসের উপকরণ অনেক বেশি জোগাড় করে ফেলেছে।”

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত শক্তির প্রতিফলন : আনসার মহাপরিচালক

দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত শক্তির প্রতিফলন : আনসার মহাপরিচালক
শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বশীল ও সমন্বিত…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জান্নাতের টিকিট বিক্রি করি না, পথ দেখিয়ে দিই: শফিকুর রহমান

জান্নাতের টিকিট বিক্রি করি না, পথ দেখিয়ে দিই: শফিকুর রহমান
‘জান্নাতের টিকিট বিক্রি’র অভিযোগ নাকচ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তাঁরা মানুষকে জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দেন। মঙ্গলবার…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

আওয়ামী লীগকে ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল’ বললেন স্পিকার!

আওয়ামী লীগকে ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল’ বললেন স্পিকার!
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। তাঁর অভিযোগ,…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

পিসিটিতে ঘণ্টায় ৭২ মুভ, নতুন রেকর্ড আরএসজিটি বাংলাদেশের!

পিসিটিতে ঘণ্টায় ৭২ মুভ, নতুন রেকর্ড আরএসজিটি বাংলাদেশের!
পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) জাহাজ পরিচালনায় নতুন উৎপাদনশীলতার রেকর্ড গড়েছে আরএসজিটি বাংলাদেশ। সিএমএ সিজিএমের জাহাজ এমভি আমুরো পরিচালনার সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭২ মুভ ও ১২২…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

মোদিকে ‘ভারতের সবচেয়ে বড় কাপুরুষ’ বললেন অভিজিৎ দীপকে!

মোদিকে ‘ভারতের সবচেয়ে বড় কাপুরুষ’ বললেন অভিজিৎ দীপকে!
পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পাওয়ার একদিন পরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সোমবার (১৯ অক্টোবর)…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ডিসেম্বরে প্রথম ইউএনও সম্মেলন, ডিসি সম্মেলন জানুয়ারিতে!

ডিসেম্বরে প্রথম ইউএনও সম্মেলন, ডিসি সম্মেলন জানুয়ারিতে!
প্রথমবারের মতো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নিয়ে সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ডিসেম্বর মাসে এ সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কৃষক কার্ডে জানা যাবে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না: প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডে জানা যাবে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না: প্রধানমন্ত্রী
দেশের ৪০ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এই কার্ডের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে কৃষকেরা জানতে পারবেন, পরদিন…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

গলাচিপায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নদীতে ইলিশ শিকারের মহোৎসব!

গলাচিপায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নদীতে ইলিশ শিকারের মহোৎসব!
রাতের অন্ধকারে নদীতে জাল ফেলা হচ্ছে। আবার দিনের আলোতেও কোথাও নৌকা নিয়ে চলছে ইলিশ শিকার, কোথাও নির্দিষ্ট ক্রেতার ফোন পেয়ে ব্যাগে ভরে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

উলিপুরে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা, ৭ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক গ্রেফতার

উলিপুরে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা, ৭ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক গ্রেফতার
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বাচ্চু মিয়া (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার তার চাচাতো নাতি রাব্বিকে (২২) সঙ্গে নিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও দলীয় সভায় যোগ দিতে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী!

পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও দলীয় সভায় যোগ দিতে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী!
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

‘সৌদি জেল থেকে ১৫ দিন আগেও ফোন করেছিল সুইটি’!

‘সৌদি জেল থেকে ১৫ দিন আগেও ফোন করেছিল সুইটি’!
প্রায় চার বছর আগে জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের সুইটি আক্তার। সেখানে যাওয়ার পর প্রথম পাঁচ মাস নিয়মিত বাড়িতে টাকা পাঠালেও পরে…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কালিয়াকৈরে পিকআপ ও নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে গরু ব্যবসায়ী নিহত, আহত ৩

কালিয়াকৈরে পিকআপ ও নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে গরু ব্যবসায়ী নিহত, আহত ৩
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চা বাগান এলাকায় পিকআপ ও নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।আজ…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

৭২ ঘণ্টায় দুবার ঢাকায় ফিফা সভাপতি, বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে কী ভাবছেন তিনি?

৭২ ঘণ্টায় দুবার ঢাকায় ফিফা সভাপতি, বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে কী ভাবছেন তিনি?
মাত্র ৭২ ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার ঢাকায় এসেছেন আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের (ফিফা) সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটান সফর শেষে দোহাগামী ফ্লাইট ধরতে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঢাকায় যাত্রাবিরতি…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

হুথিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য!

হুথিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য!
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে সৌদি আরবকে সুরক্ষা দিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবের…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি: জামায়াত আমির

জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি: জামায়াত আমির
জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মানুষ লুটপাট, চাঁদাবাজি ও অন্যায়-অবিচার প্রতিষ্ঠার জন্য রক্ত দেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা.…
 ২০ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত