প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   আসুন সিস্টেমটাকেই পাল্টাই (পর্ব ০৩)

আসুন সিস্টেমটাকেই পাল্টাই (পর্ব ০৩)

৬ জানুয়ারি ২০১৯ ০৮:৫৭ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

আবু ফাহাদ

(২য় পর্বের পর) সুদভিত্তিক পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ফলে আজ মানুষের সাথে মানুষের, এক রাষ্ট্রের সঙ্গে আরেক রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বৈষম্য আকাশ পাতাল। কিছু মানুষ রাস্তার পাশে খোলা আকাশের নিচে জীবনযাপন করে, ডাস্টবিনে কুকুরের সঙ্গে খাবার নিয়ে কাড়াকাড়ি করে, আবার কিছু মানুষ পাহাড় পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়ে অকল্পনীয় ভোগ বিলাসে জীবন অতিবাহিত করে। এদিকে অর্থনৈতিক অবিচারের বিরুদ্ধে সারা দুনিয়াব্যাপী চলছে দাঙ্গা, বিক্ষোভ, সহিংসতা। এই হচ্ছে এক নজরে বর্তমান বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থার চিত্র। পক্ষান্তরে আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার ফলে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগের আরব সমাজে এমন অর্থনৈতিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল যে, অর্থনৈতিক দিক থেকে প্রতিটি মানুষ স্বচ্ছল হয়ে গিয়েছিল। এই স্বচ্ছলতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, মানুষ যাকাত ও সদকা দেওয়ার জন্য টাকা পয়সা নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতো কিন্তু সেই টাকা গ্রহণ করার মতো লোক পাওয়া যেত না। শহরে নগরে লোক না পেয়ে মানুষ মরুভূমির অভ্যন্তরে যাকাত দেওয়ার জন্য ঘুরে বেড়াতো। এটি ইতিহাস। মানবরচিত কোনো জীবনব্যবস্থাই এর একটি ভগ্নাংশও মানবজাতিকে উপহার দিতে পারে নি। সুতরাং বর্তমান মানুষের দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য যত প্রকল্পই হাতে নেওয়া হোক যতদিন সুদভিত্তিক পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু থাকবে ততদিন কেউ এই দারিদ্র্য এবং অর্থনীতিক অবিচার দূর করতে পারবে না।
মানুষ জন্তু-জানোয়ারের মতো কেবল দেহসর্বস্ব, ভোগসর্বস্ব প্রাণী নয়। তার ভিতরে আছে আল্লাহর রূহ, আল্লাহর আত্মা, এজন্যই মানুষ সর্বশ্রেষ্ঠ জীব। যখন আল্লাহর ইসলাম অর্ধ-পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত ছিল, সমাজের প্রতিটি মানুষ আল্লাহকে ভয় পেত। ওয়াদারক্ষা, সত্যবাদিতা, আমানতদারি, পরোপকার, মেহমানদারি, উদারতা, ত্যাগ, দানশীলতা ইত্যাদি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে মানুষের চরিত্র পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। এটা হয়েছিল আল্লাহর দেওয়া সিস্টেমের কারণে। কেননা আল্লাহর সিস্টেম কেবল মানবসমাজের বাহিরের দিকগুলি (অর্থনীতি, দ-বিধি, প্রশাসন ইত্যাদি) নিয়েই কাজ করে না, এটি মানুষের চরিত্রকেও গড়ে তোলে আল্লাহর গুণাবলীর আলোকে। ফলে প্রতিটি মানুষ হয়ে যায় সত্যের প্রতিমূর্তি। খাদ্যে ভেজাল দিতে তাদের আত্মা কাঁপতো, অন্যের সম্পদে হাত দিতে প্রভুর ভয়ে তটস্থ থাকতো।
পক্ষান্তরে মানবসৃষ্ট আল্লাহহীন জীবনব্যবস্থাগুলো মানুষের কেবল বাহ্যিক দিকগুলো নিয়ে কাজ করে। ফলে মানুষ হয়ে যায় আত্মাহীন জানোয়ার। সে পশুর মতই কেবল আহার-বিহার-সম্ভোগে লিপ্ত থাকে, আরও বেশি অর্থ উপার্জন এবং আরও বেশী ভোগ করাকেই মানবজন্মের উদ্দেশ্য, স্বার্থকতা ও পরম প্রাপ্তি বলে মনে করে। এই সিস্টেমগুলি মানুষের সকল সদগুণাবলীকে অসদগুণাবলী দ্বারা প্রতিস্থাপন করে। প্রকৃতপক্ষে মানবসৃষ্ট সিস্টেমগুলিতে নৈতিকতার কোনোরূপ শিক্ষা নেই, তাই স্বভাবতই এটি মানুষকে নৈতিকতা বিবর্জিত করে ফেলে। সাধারণ মানুষের কথা বাদ দিলাম, যারা ধর্মগুরু তাদের নৈতিক অধঃপতন জাতির জন্য চূড়ান্ত অশনি সঙ্কেত। যে খ্রিস্টানরা সামরিক শক্তিবলে দুনিয়া দখল করে এখন মানবজাতিকে ‘সভ্য’ করার ঠিকাদারি গ্রহণ করেছে, সেই খ্রিস্টানদের ধর্মগুরুদের নৈতিক অধঃপতনের চিত্র দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যেতে হয়। যে অভিযোগটি খ্রিস্টানদের উচ্চমার্গের ধর্মনেতা যথা কার্ডিনাল, বিশপদের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে উত্থাপিত হয়ে থাকে তা হলো শিশুদের উপর যৌন নিপীড়ন (Child Molestation) ও সমকামিতা। যারা বিশ্বের কিছুমাত্র খবরও রাখেন তাদের কাছে এ সংবাদ অতি পরিচিত। অন্যান্য প্রধান ধর্মগুলির যাজক, পুরোহিত সম্প্রদায়ও এ জাতীয় অপরাধ থেকে মুক্ত নন। তবে সবচেয়ে ঘৃণ্য অবস্থা এই মুসলিম বলে পরিচিত জনসংখ্যার আলেমদের। নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য ক্ষমতাসীন অথবা ক্ষমতাসীনের বিরোধী শক্তির সন্তুষ্টি বিধানের জন্য তারা মুহূর্তে মুহূর্তে ধর্মীয় সিদ্ধান্ত বা ফতোয়া পরিবর্তন করেন। ধর্মকে বিক্রি করে টাকা উপার্জন করেন, অথচ ধর্মব্যবসা সকল ধর্মেই নিষিদ্ধ। টাকার জন্য হালালকে হারাম- হারামকে হালাল করতে এইসব ধর্মজীবী আলেম ওলামাদের এক মুহূর্তও দেরি হয় না। আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠিত হলে আবার আত্মাহীন বস্তুবাদী মানুষগুলির মধ্যে নৈতিকতার বোধ সঞ্চারিত হবে, কেউ নিজের স্বার্থোদ্ধারের জন্য অন্যের বিন্দুমাত্রও ক্ষতি করবে না।
¯্রষ্টা প্রাকৃতিক নিয়মে ঠিক করেছেন যে, ঐক্য অনৈক্যের উপরে জয়ী হবে। দশজন ঐক্যবদ্ধ লোক একশত জন ঐক্যহীন লোকের তুলনায় শক্তিশালী হবে, তাদের উপরে বিজয়ী হবে। তাই প্রকৃত ইসলামের যারা অনুসারী তারা নিজ জাতির ঐক্য রক্ষাকে সর্বপ্রথম কর্তব্য বলে মনে করবে। ঐক্য নষ্ট হয় এমন কথা বা কাজ তাদের কারো দ্বারা হবে না। কারণ মহানবী (দ:) বলেছেন, ঐক্য নষ্ট করা কুফর অর্থাৎ ঐক্য নষ্টকারী উম্মাহ্ থেকেই বহিষ্কার। কারো পেছনে কেউ গিবত করবে না, কেউ ভুল করলে তার সামনে তাকে (সংশোধনের জন্য) বলা হবে।
অথচ গত কয়েক শতাব্দী ধরে এই জাতি কেবলমাত্র বিভক্তই নয়, নিজেরা নিজেরা দাঙ্গা হাঙ্গামায় লিপ্ত রয়েছে। এই কাজ করে তারা ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত তো হয়েছেই, পুরো জাতিটিকে অন্য জাতির গোলামে পরিণত করেছে। কারণ ঐ প্রাকৃতিক নিয়ম-United we stand, divided we fall. সেই গোলামী আজও চলছে। আজ এই জাতির যাবতীয় অনগ্রসরতার, পশ্চাদপদতার, হীনম্মন্যতার, দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ এই অনৈক্য। এককালে যারা সমগ্র পৃথিবীতে একক সামরিক পরাশক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্বের আসন, শিক্ষকের আসন অধিকার করেছিল সেই মুসলিম জাতিটি আজ দুনিয়ার অন্যান্য পরাশক্তিগুলির করুণার পাত্র। আল্লাহর দেওয়া দ্বীন প্রাকৃতিক আর প্রাকৃতিক নিয়মগুলির কোনো পরিবর্তন হয় না। তাই আজও যদি এই জাতিকে হারানো গৌরব ফিরে পেতে হয়, তাদেরকে সেই প্রাকৃতিক নিয়মটিই কাজে লাগাতে হবে। তাদের প্রথম কাজ হচ্ছে, ‘আল্লাহর হুকুম ছাড়া আর কারও হুকুম মানবো না’ এই কথার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়া।
বর্তমানের মানবরচিত প্রতিটি সিস্টেমেই জাতির ঐক্যের সকল পথ একটা একটা করে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যেমন গণতান্ত্রিক অধিকাংশ দেশেই সরকারী দল-বিরোধী দল পরস্পর যুদ্ধংদেহী অবস্থানে থাকে। কোনো বিষয়েই তারা একমত হন না। একে অপরের চরিত্রহনন ও মু-ুপাতকেই একমাত্র দায়িত্ব বলে মনে করেন। গণতন্ত্র আছে বহুরকম, সমাজতন্ত্রও আছে অনেক প্রকারের। প্রতিটি মতবাদের সমর্থনে আছে বহুসংখ্যক রাজনৈতিক দল। এই সব দলের মধ্যেও থাকে নেতৃত্বের কোন্দল নিয়ে সৃষ্টি হওয়া উপদল। ধর্মকে ব্যবহার করে যারা প্রচলিত সিস্টেমের রাজনীতি করে তাদের অবস্থা তো আরও ভয়াবহ। জাতীয় পর্যায়ে দলগুলির হানাহানি সঞ্চারিত হয় গ্রামাঞ্চলে, ফলে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে শহরে যেমন ছড়িয়ে পড়ে দাঙ্গা তেমন অতি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে গ্রামে গ্রামে শুরু হয় দাঙ্গা, সংঘর্ষ। এটা বর্তমান রাজনৈতিক দলাদলির একটা ফল মাত্র। সুতরাং চলমান সিস্টেমে বিভক্তি, দ্বন্দ্ব একটি আবশ্যিক বিষয়। কিন্তু ইসলামে জাতি ছিল ইস্পাতের মতো কঠিন ঐক্যবদ্ধ। সমগ্র জাতি ছিল একটি জাতি, তাদের নেতা (এমাম) ছিলেন একজন, দ্বীন (জীবনব্যবস্থা) ছিল একটি- আল্লাহর দেওয়া সত্যদীন। একটি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য সর্বপ্রথম যে জিনিসটি প্রয়োজন তা হলো জাতির একজন অবিসংবাদিত নেতা থাকবেন যিনি আল্লাহর প্রতিটি হুকুম বাস্তবায়নে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, অনড়। সেই নেতার আদেশ জাতি বিনা প্রশ্নে, বিনা দ্বিধায় পালন করবে। তখন প্রাকৃতিকভাবেই সে জাতি শক্তিশালী হবে এবং সর্বত্র বিরাজ করবে শান্তি। (চলবে…)

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির নিজস্ব…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন হয়। হঠাৎ হওয়া এই কম্পনের ফলে সাধারণ…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে…
 ২৫ মে ২০২৬    জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে,…
 ২৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামে পরিচিত আবু বকর সিদ্দিকের অন্ধকার জগতের নানা তথ্য সামনে এসেছে। ধর্মের লেবাস এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে তিনি গত কয়েক…
 ২৩ মে ২০২৬    অন্যান্য

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা
গত কয়েক দিন ধরে অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহের কারণে বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়েছিল।…
 ২৩ মে ২০২৬    জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী

রামিসার হত্যাকারীদের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি

রামিসার হত্যাকারীদের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি
মিরপুরের শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচার দ্রুত শেষ করে এক মাসের মধ্যেই সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভবিষ্যতে কেউ…
 ২৩ মে ২০২৬    জাতীয়