প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   সে যুগে মাদ্রাসা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের...

সে যুগে মাদ্রাসা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুরূপ

১৩ মে ২০২৪ ১১:২৭ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বর্তমানে মাদ্রাসা বলতে আমরা ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বুঝে থাকি। ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থার নীতি মান্য করে ধর্ম এখন আমাদের জীবনের একটি ব্যক্তিগত পালনীয় বিষয়। রাষ্ট্রের পরিচালনা পদ্ধতিতে ধর্মের কোনো বিধি-বিধান বা নৈতিকতার প্রভাব থাকা কাম্য নয়। আমরা মুসলমানেরা ব্রিটিশদের পদানত হওয়ার আগে রাষ্ট্রীয় জীবন অনেকাংশে ইসলামের নীতি-আদর্শ দ্বারাই পরিচালিত হত। তখন ধর্ম কেবল ব্যক্তিগত বিষয় ছিল না, ধর্মের আইন-কানুন, অর্থনীতি, দণ্ডবিধি, দর্শন ইত্যাদি রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহৃত হত। তাই সে সময় মাদ্রাসাগুলোতে কেবল ইসলামের জাতীয়-রাষ্ট্রীয় বিষয়গুলো শিক্ষা দেওয়া হত। শিক্ষার্থীরা ইসলামের আইনশাস্ত্রের (ফিকাহ) জ্ঞান লাভ করে আদালতে সেই জ্ঞানকে প্রয়োগ করতে পারতেন। ঠিক এখন যেভাবে আমাদের শিক্ষার্থীরা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রিটিশদের তৈরি আইন ও দণ্ডবিধি অধ্যয়ন করে উকিল, ব্যরিস্টার, জজ-ম্যাজিস্ট্রেট তৈরি হয়। পার্থক্য হল, আগে পড়ানো হত ইসলামের আইন, এখন পড়ানো হয় ব্রিটিশের আইন।

মাদ্রাসা শব্দটির অর্থ কিন্তু ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়। মাদ্রাসা শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ ‘র্দাসুন’ থেকে যার অর্থ ‘পাঠ’। সুতরাং মাদ্রাসা অর্থ পাঠশালা। প্রায় ১,০০০ বছর ধরে তদানীন্তন অর্ধ-পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত মুসলিম বিশ্বে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে অন্তত ৬০টি প্রধান শিক্ষাকেন্দ্র ছিল। এগুলোর মধ্যে প্রাচ্যে বাগদাদ এবং পশ্চিমে কর্ডোবা ছিল সবচেয়ে প্রসিদ্ধ। এই শহরগুলোতে যে শিক্ষাকেন্দ্রগুলো ছিল সেগুলোকে মাদ্রাসাই বলা হত। আব্বাসী খলিফা আল মুনতানসির বিল্লাহ (শাসনকাল ১২২৬-১২৪২) বাগদাদে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন যার নাম ‘আল-মাদ্রাসা আল-মুনতানসিরিয়া’। এই মাদ্রাসাটির কারুকার্যময় ভবন ও চত্ত্বর এত যুদ্ধ হামলার মাঝেও ইসলামের স্বর্ণযুগের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

অষ্টম শতাব্দী থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত মুসলিম বিশ্বের শাসকশ্রেণি, আমির-উমরাহ, উজির-নাজির, প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ তাদের সন্তানদের শিক্ষার জন্য সুপরিচিত পণ্ডিতদের গৃহশিক্ষক হিসাবে নিয়োগ করতেন। এই গৃহ শিক্ষকগণ ছাত্রদের মূলত আরবি, সাহিত্য, ধর্ম, গণিত এবং দর্শন শেখাতেন। আর সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল মসজিদ কেন্দ্রিক মাদ্রাসা। এই মাদ্রাসাগুলোতে প্রধানত ফিকাহ বা ইসলামের আইনশাস্ত্র (Islamic jurisprudence) অধ্যয়ন করা হতো। পাশাপাশি ধর্মতত্ত্ব, চিকিৎসা ও গণিতের মতো বিষয়গুলো নিয়েও সেখানে শিক্ষাদান ও গবেষণা করা হতো। মাদ্রাসা কমপ্লেক্সগুলো সাধারণত একটি মসজিদ, বোর্ডিং এবং একটি গ্রন্থাগার নিয়ে গঠিত হত। রাষ্ট্র অথবা অবস্থাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতায় এসব মাদ্রাসার নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ, অধ্যাপকদের বেতন, ছাত্রদের উপবৃত্তি ইত্যাদি ব্যয় বহন করা হতো। তবে এই মাদ্রাসাগুলোতে আধুনিক কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মত মানসম্মত পাঠ্যক্রম বা সনদ প্রদানের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার অভাব ছিল।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

তবে মরক্কোতে ৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে ফাতিমা আল ফিহরি নামে একজন বিদুষী নারী নিজের অর্থে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমানে জামিয়াত-আল-কারাউইন (University of al-Qarawiyyin) নামে পরিচিত। জামিয়া শব্দের অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়। এই মাদ্রাসা থেকে শিক্ষার্থীদেরকে চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ জ্ঞানের অন্যান্য শাখায় ডিগ্রি বা সনদ প্রদান করা হতো। এই সনদকে বলা হত ‘ইজাযাহ’। হরিণের চামড়া দিয়ে তৈরি পার্চমেন্টে এই প্রশংসাপত্র লিখা হত। শহরের একজন বড় চিকিৎসক এবং প্রধান বিচারপতির (কাজিউল কোজ্জাত) হাত দিয়ে এই সনদ শিক্ষার্থীদেরকে প্রদান করা হতো। বিশ্বের প্রাচীনতম ডিগ্রি প্রদানকারী বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গিনেস বুক অফ রেকর্ডসে ও ইউনেস্কোর রেকর্ডে এর নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে।

অষ্টম শতাব্দিতে নির্মিত ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সাড়া জাগানো ও প্রভাবশালী জ্ঞানচর্চাকেন্দ্র বায়তুল হিকমা (House of wisdom)। অনুবাদকেন্দ্র হিসেবে এর যাত্রা শুরু হলেও ক্রমেই তা গবেষণাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মানমন্দিরে পরিণত হয়েছিল। আব্বাসীয় খলিফা হারুন-অর-রশিদ (শাসনকাল ৭৮৬-৮০৯ খ্রিষ্টাব্দ) তাঁর রাজধানী বাগদাদে এটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁর পুত্র খলিফা আল-মামুন ৮৩০ খ্রিষ্টাব্দে সেটির পূর্ণতা দান করেন। সিরিয়ান খ্রিষ্টান হুনায়ন ইবনে ইসহাককে বায়তুল হিকমার মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বিভিন্ন ধর্মের, বিভিন্ন জাতির পণ্ডিতদের সম্মেলন ঘটেছিল এই প্রতিষ্ঠানে। এ প্রতিষ্ঠানটি গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসাবিজ্ঞান, আলকেমি, প্রাণীবিদ্যা, ভূগোল ও মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞানচর্চার অপ্রতিদ্বন্দ্বী স্থান হয়ে উঠে। ভারতীয়, গ্রীক ও পারসিয়ান রচনা ব্যবহার করে পণ্ডিতরা বৈশ্বিক জ্ঞানের বিরাট ভাণ্ডার অর্জন করেন এবং এর মাধ্যমে তাদের নিজেদের আবিষ্কারের দিকে এগিয়ে যান। নবম শতকের মধ্যভাগে বাইতুল হিকমাহ ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ গ্রন্থভাণ্ডার। মোঙ্গলদের বাগদাদ অবরোধের সময় শহরের পতন হলে দীর্ঘ ৫০০ বছরের বেশি সময় ধরে জ্ঞানবিজ্ঞানের সোনালি ধারা বজায়ের আলোকবর্তিকা বায়তুল হিকমাহও ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। কথিত রয়েছে, হত্যাকাণ্ড চলার সময় যদিও পারস্য মনীষী নাসিরুদ্দিন তুসি ৪০ হাজার গ্রন্থ অনত্র সরিয়ে নেন, তবু এত বিপুল পরিমাণ বই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় যে বইয়ের কালিতে আব্বাসীয় প্রাসাদসংলগ্ন টাইগ্রিস নদীর পানি কালো হয়ে যায়।

অষ্টাদশ শতাব্দি থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত মুসলিম সভ্যতার স্বর্ণযুগ ধরা হয়। এ সময় মুসলিম বিজ্ঞানীরা বিশ্বসভ্যতাকে উপহার দিয়েছে অগণিত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। ভূগোলবিদ, দার্শনিক, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ আল খাওয়ারিজমি (Algorism), পদার্থবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, রসায়নবিদ, ভূগোলবিদ, হাফিজ, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ, কবি, ইসলামী চিন্তাবিদ ও মনোবিজ্ঞানী ইবনে সিনা (Avicenna), জ্যোতির্বিদ, সংগীতজ্ঞ, পদার্থবিজ্ঞানী, চিকিৎসক, উদ্ভিদবিজ্ঞানী, কবি ও দার্শনিক ইবনে বাজ্জাহ (আবসঢ়ধপব), জ্যোতির্বিদ আল ফারগানি (Alfraganus), পৃথিবীর প্রথম মানচিত্র অংকনকারী আল ইদ্রিসি (Dreses), কোর’আন, হাদিস, ফিকাহ, ইতিহাস, দর্শন, ভাষাতত্ত্ব, রাজনীতি, গণিতশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা প্রভৃতি বিষয়ের বিশারদ আল কিন্দি (Alkindus), জ্যোতির্বিদ আল বাত্তানি, পদার্থবিদ, রসায়নবিদ, দার্শনিক ও চিকিৎসাবিজ্ঞানী আল রাজিসহ অগণিত বিশ্ববরেণ্য শিক্ষক মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন মাদ্রাসায় গবেষণা ও শিক্ষকতা করেছেন। তাঁদের লেখা অমূল্য গ্রন্থাবলী সব মাদ্রাসাগুলোতে কপি করে পড়ানো হতো। যেমন ইবনে সিনা তাঁর সমগ্র জীবনে ৪৫০টি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন যার মধ্যে ১৫০টি দর্শনশাস্ত্র বিষয়ক এবং ৪০টি চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক রচনাসহ মোট ২৪০টি গ্রন্থ বর্তমানে টিকে রয়েছে। তাঁর লেখা কানুন ফিত তীব (The Canon of Medicine) বহু শতাব্দী ধরে ইউরেশিয়া জুড়ে মেডিক্যাল কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তক হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।

অগণিত মুসলিম শিক্ষাবিদ, দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, কবি-সাহিত্যিকদের মাধ্যমে মুসলিম সভ্যতা তখন জ্ঞানের আকাশে সূর্যের মত প্রভা বিস্তার করছিল। তাঁদের নীরব অনুপ্রেরণাই পশ্চিমা দেশগুলোকে ক্রুসেড-পরবর্তী যুগে শিক্ষা ও জ্ঞানের জগতে রেনেসাঁ সৃষ্টিতে সক্ষম করেছিল। সেই জ্ঞানকেন্দ্রগুলোর নামও ছিল মাদ্রাসা, আজকেও আমাদের পাড়ায় পাড়ায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অগণিত মাদ্রাসা। সেই মাদ্রাসার সাথে আজকের মাদ্রাসার আসমান জমিন তফাৎ। আজকের মাদ্রাসাগুলোতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা ও গবেষণা নেই। কারণ তাদের কাছে মাসলা-মাসায়েলের জ্ঞানই হচ্ছে আসল জ্ঞান (ইলম), এর বাইরে কোনো প্রকার জ্ঞানচর্চাকে তারা দুনিয়াবি জ্ঞান বলে তাচ্ছিল্য করেন। তাই মক্তব থেকে শুরু করে দাওরা পাশ করা পর্যন্ত তারা কেবল ওজুর মাস’আলা, হায়েজ নেফাসের মাস’আলা, রোজা ভঙ্গের মাস’আলাই শিখতে থাকেন। ফতোয়া জ্ঞানের বাইরে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। তাই এসব মাদ্রাসা থেকে পাস করে কেউ জ্যোতির্বিদ, ভূগোলবিদ, রসায়নবিদ, পদার্থবিদ হয় না। তাদের ধর্মীয় জ্ঞানকে পুঁজি করে উপার্জন করা অর্থাৎ ধর্মব্যবসা ছাড়া আর কোনো উপায়ে জীবিকা হাসিলের যোগ্যতা তৈরি হয় না। প্রতিবছর হাজার হাজার নতুন ‘আলেম’ এসব মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে বেকারত্বের হতাশায় ভুগছেন অথবা ধনীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন নতুন আরেকটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে দেওয়ার জন্য।

মুসলিম সভ্যতার সোনালী যুগে যে মাদ্রাসাগুলো সমগ্র বিশ্বে জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছে, সেই মাদ্রাসা আজ আর নেই। মুসলিম জাতির গবেষণালব্ধ জ্ঞান বহিঃশত্রুর আক্রমণে অধিকাংশই লুপ্ত হয়ে গেছে, আর কিছু অংশ পাশ্চাত্যে হস্তান্তরিত হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব সেইসব গবেষণাকে আরো অগ্রসর করে গড়ে তুলেছে বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর বিরাট এক বস্তুবাদী সভ্যতার ইমারত। মুসলিম বিশ্ব তাদের সামনে পদানত, হীনম্মন্যতায় আপ্লুত, লাঞ্ছিত, পরাজিত, রক্তাক্ত। লক্ষ লক্ষ মসজিদ আছে, মাদ্রাসা আছে। কিন্তু গৌরব করার মত কিছুই অবশিষ্ট নেই। গৌরব যা আছে সবই অতীত, আর সেই অতীত সম্পর্কেও রয়েছে এই জাতির সীমাহীন অজ্ঞতা। যদি এ জাতিকে আবার জাগতে হয়, তাহলে নিজেদের ইতিহাসের সঠিক পর্যালোচনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার বিকল্প নেই।

[লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট; যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৭১১৫৭১৫৮১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা এলাকা থেকে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল মাতুব্বরকে গ্রেফতার করেছে মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)…
 ১৫ আগস্ট ২০২৬    ঢাকা

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের
​ঢাকা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কর্তৃক হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার অন্যায্য ও অগণতান্ত্রিক দাবির তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান…
 ১০ আগস্ট ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক