প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য কিন্তু… ঐক্যবদ্ধ...

জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য কিন্তু… ঐক্যবদ্ধ করবে কে?

৭ জুন ২০২৫ ০৫:৫৬ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

আদিবা ইসলাম:
১৮০০ সালের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানের মতো এত শক্তিশালী ও বিস্তৃত ছিল না। তখন দেশটি মাত্র ১৩টি অঙ্গরাজ্য নিয়ে গঠিত ছিল, যা মূলত পূর্ব উপকূলে সীমাবদ্ধ ছিল। আজকের কানাডার অংশ ‘ব্রিটিশ কলম্বিয়া’র সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল না; এটি ছিল ব্রিটিশ উপনিবেশ। ১৭৭৬ সালের আগে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ উপনিবেশ হিসেবে পরিচালিত হতো এবং বিশ্ব রাজনীতিতে এর তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ছিল না। স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশটির জাতীয় নেতারা একত্রিত ও শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের উদ্যোগ নেন। ধাপে ধাপে বিভিন্ন অঞ্চল যুক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ১৮৭৭ সালের মধ্যে অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৮টি। পরবর্তীতে ১৯৫৯ সালে আলাস্কা (যা ১৮৬৭ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা হয়েছিল) এবং হাওয়াই যুক্ত হয়ে মোট অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫০টি। এই ৫০টি অঙ্গরাজ্য একত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক দিক থেকে শক্তিশালী করে তোলে। দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, জাতীয় সম্পদ এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র একসময় বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি, সুপার পাওয়ার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সম্মিলিত শক্তি কার্যকরভাবে প্রয়োগ করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা মিত্রপক্ষ, বিশেষ করে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের পক্ষে সমর্থন দিয়ে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এর ফলে জার্মানি পরাজিত হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বমঞ্চে একটি প্রধান শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা ফেলে জাপানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করে। এই সাফল্যের পেছনে ছিল তাদের সুসংগঠিত ঐক্য, পরিকল্পনা ও জাতীয় ঐক্যের শক্তি।

ব্রিটেন একসময় বিশাল সাম্রাজ্য শাসন করত। ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও আয়ারল্যান্ড একত্রে গঠিত হয়েছিল ‘যুক্তরাজ্য’ বা ইউনাইটেড কিংডম (United Kingdom)। এই ঐক্যই তাদের ক্ষমতার মূল ছিল। একসময় এই শক্তিশালী সাম্রাজ্য বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করত। একইভাবে, বিশ্বের অনেক শক্তিশালী রাষ্ট্রের নামেই ঐক্যের ধারণা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। যেমন, United States of America (USA)- এখানে ‘United’ অর্থাৎ ‘ঐক্যবদ্ধ’। একইভাবে Union of Soviet Socialist Republics (USSR)-এ ‘Union’ শব্দটিও ঐক্যের প্রতীক। তেমনি United Kingdom (টক) নামেও ‘United’ শব্দটি রয়েছে। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এই তিনটি রাষ্ট্রের নামেই ‘টহরঃবফ’ বা সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, যা বোঝায়- একাধিক অঞ্চল বা রাষ্ট্র একত্রিত হয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করেছে।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

সুতরাং এটা প্রমাণিত সত্য যে, যারা ঐক্যবদ্ধ হবে তারাই শক্তিশালী হয়ে উঠবে। এটি একটি প্রাকৃতিক নিয়ম। ঐক্য সবসময় অনৈক্যের উপর বিজয়ী। এই সত্যটিই আল্লাহ তাঁর কিতাবে বলে দিয়েছেন এবং মো’মেনদের বলেছেন, “তোমরা সবাই আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করো এবং বিভক্ত হইও না (সুরা ইমরান ১০৩)।”   ঐক্যের শক্তির সবচেয়ে বড় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ইসলাম। ইসলামের আগমনের পূর্বে আরবরা নানা গোত্রে বিভক্ত ছিল এবং হানাহানিতে লিপ্ত ছিল। রসুলাল্লাহ (সা.) তাদের ঐক্যবদ্ধ করে একটি উম্মাহ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। এই ঐক্যই আরবদের উন্নতি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকা শক্তি ছিল। কোর’আনে ঐক্যকে ‘সীসাগলা প্রাচীরের মতো’ দৃঢ় বলে উল্লেখ করা হয়েছে (সুরা সফ ৪) এবং যারা ঐক্য নষ্ট করে, তাদের নিন্দা করা হয়েছে।

সুতরাং ইতিহাস, ধর্ম ও বাস্তবতার দৃষ্টিকোণ থেকে বারবার প্রমাণিত হয়েছে, ঐক্যই হচ্ছে প্রকৃত শক্তি। অনৈক্য সর্বদা দুর্বলতা ও পতনের কারণ। ইতিহাসে এমন অনেক উদাহরণ আছে যেখানে ঐক্যের মাধ্যমে একটি জাতি বিজয় অর্জন করেছে।

ঐক্যের এই চেতনাই আমরা দেখতে পাই আরবের জাহেলিয়াত যুগের সমাজে, যেখানে রসুলাল্লাহ (সা.) বিভক্ত ও সংঘাতপূর্ণ গোত্রসমূহকে একত্র করে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে তোলেন। এই ঐক্যই ইসলামের অগ্রগতির মূল শক্তি ছিল। এজন্যই আল্লাহ তা’আলা মো’মেনদের জন্য দৈনিক পাঁচবার একজন ইমামের নেতৃত্বে একত্রিত হয়ে মসজিদে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রেখেছেন। এটি জাতির ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল থাকার একটি প্রশিক্ষণ। সপ্তাহে একদিন জুমার নামাজের ব্যবস্থা রেখেছেন। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে জাতির সবাই একত্রিত হবে। বছরে একবার হজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসলমানরা কাবা ঘরে জমায়েত হবে। যেখানে ভাষা, জাতি, অঞ্চলভেদে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আল্লাহ এই প্রক্রিয়াগুলো রেখেছেন। এর পাশাপাশি কিছু প্রতীকীও রাখা হয়েছে যেগুলো মুসলমানদের জাতীয় ঐক্য বুঝায়। যেমন: কাবা ঘর। এটি মুসলমানদের জন্য ঐক্যের প্রতীক। আল্লাহ বলেন, “আর স্মরণ করো, আমি কাবা ঘরকে মানুষের জন্য পুনঃপুন আগমনের স্থান ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল করেছিলাম।” (সুরা বাকারা ২১৫)।

আজ প্রায় দুইশো কোটি মুসলমান, পঞ্চান্নটিরও বেশি রাষ্ট্র এবং বিশাল প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পদের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও তারা নির্যাতিত, নিপীড়িত ও দুর্বল। মুসলিম সম্প্রদায় আজ প্রায় আট কোটি উদ্বাস্তু নিয়ে যুদ্ধ ও দাঙ্গার শিকার। ফিলিস্তিনে চলছে ইতিহাসের এক নির্মম গণহত্যা। এসবের মূল কারণ তাদের অনৈক্য। ঐক্যের অভাবে মুসলমানরা আজ পরাধীনতা ও শোষণের শিকার। এখন মুসলমানদের জন্য জাতীয় নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু প্রশ্ন হল- এই বিশাল জাতিকে ঐক্যের ছায়ায় কে নিয়ে আসবে? কে হবে ঐক্যের নেতা? এটাই আজ সময়ের সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন। [যোগাযোগ: ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৬২১৪৩৪২১৩, ০১৭৮৩৫৯৮২২২]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের এই করুণ পরিণতি কোনো নিয়তির নির্মম পরিহাস নয়, বরং তা আল্লাহর বিধান থেকে দূরে সরে যাওয়ারই অবশ্যম্ভাবী ফসল। আমরা নামের শেষে মুসলিম…
 ১৬ জুন ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার
চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন
চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের জন্য সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পসহ নতুন ও সংশোধিত পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়