প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ইতিহাসের উপেক্ষিত অধ্যায়; মহানবীর সহিষ্ণুতা...

ইতিহাসের উপেক্ষিত অধ্যায়; মহানবীর সহিষ্ণুতা ও আমাদের শিক্ষা

৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০১:১৭ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

৬২৮ খ্রিস্টাব্দের জিলকদ মাস। আরবে তখন মোহাম্মদ (সা.) ও তাঁর অনুসারীদের নিয়ে ব্যাপক হুলুস্থুল চলছে। ইতোমধ্যেই বদর, ওহুদ, খন্দক ইত্যাদি বড় বড় যুদ্ধ হয়ে গেছে। যুদ্ধে রসুলাল্লাহর পক্ষের বহু সাহাবি যেমন প্রাণ দিয়েছেন তওহীদ প্রতিষ্ঠার জন্য, তেমনি রসুলাল্লাহর শত্রুপক্ষের মোশরেকরাও প্রাণ দিয়েছে তওহীদের প্রদ্বীপকে নিভিয়ে ফেলার জন্য। দু’টো শিবিরেই তখন জ্বলছে যুদ্ধের আগুন। স্বজন হারানোর আর্তনাদ তখন মক্কার শহুরে অলি-গলিতে যেমন শোনা যায়, তেমন শোনা যায় মদীনার গ্রামীণ পথে- প্রান্তরেও। দু’পক্ষেই দানা বাঁধে আগ্রাসী ক্ষোভ, জিদ। এমনই এক পরিবেশে যুদ্ধের তীক্ত প্রেক্ষাপটে মদীনার মো’মেনদের সঙ্গে মক্কার মোশরেকদের সমঝোতায় পৌঁছনোর একটা ক্ষীণ সম্ভাবনা উদয় হলো। উভয়পক্ষের মধ্যে আন্তরিক আলাপ-আলোচনা চলতে লাগলো। মক্কার পক্ষ থেকে এই সমঝোতা-সংলাপে নেতৃত্ব দিলেন সোহাইল ইবনে আমর এবং মদীনার পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দিলেন স্বয়ং রসুলাল্লাহ (সা.)। আলোচনা শেষে যখন সন্ধিপত্র লেখা শুরু হলো- সেই লেখার দায়িত্ব পড়ল আলী (রা.) এর কাঁধে।

আলী (রা.) আল্লাহর নামে সন্ধিপত্র লেখা শুরু করলেন। আল্লাহর নামে কোনো কিছু শুরু করাতে আরবের মোশরেকদের আপত্তি ছিল না, কারণ তারা নিজেরাও কোনো কাজ শুরুর আগে আল্লাহর নাম নিত। কিন্তু আলী (রা.) যখন সন্ধিপত্রে মুসলিমপক্ষের নেতা হিসেবে মোহাম্মদ (সা.) এর নাম লিখলেন এবং সেই নামের আগে “রসুলাল্লাহ” শব্দটি যোগ করলেন, মোশরেকরা তখন আপত্তি করে বসল। তারা বলল, আমরা যদি মোহাম্মদ (সা.) কে “রসুলাল্লাহ” বলে বিশ্বাসই করতাম তাহলে তো আর এতকিছুর দরকার পড়ত না।

রসুলাল্লাহর সামনেই সবকিছু ঘটছিল। তিনি কিন্তু পারতেন নিজ দাবির পক্ষে অটল থাকতে। বলতে পারতেন- “হে মক্কার মোশরেকরা! তোমরা কী বিশ্বাস করো বা না করো তাতে আমার কিছুই আসে যায় না। আমি রসুলাল্লাহ- এটাই সত্য। আমার নামের সঙ্গে রসুলাল্লাহ শব্দ ছিল, আছে, থাকবে।” সত্যি বলতে এটাই ছিল সকল সাহাবির প্রাণের কথা। তাদের নেতার নাম লেখা হবে, অথচ সেখানে রসুলাল্লাহ শব্দটি থাকবে না তা তাদের চিন্তার অতীত। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে আল্লাহর রসুল মোশরেকদের দাবিই মেনে নিলেন। আলী (রা.) কে নির্দেশ দিলেন সন্ধিপত্র থেকে “রসুলাল্লাহ” শব্দটা বাদ দিতে।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

Screenshot 1

আলী (রা.) এমনিতেই মক্কার সঙ্গে সন্ধিতে রাজি ছিলেন না। মক্কার মোশরেকরা এ পর্যন্ত যা যা করেছে তার কিছুই তিনি ভুলতে পারেননি। তাদের জবাব তিনি দিতে চেয়েছিলেন রণাঙ্গনে। উপরন্তু যখন তাকে বলা হলো মক্কার মোশরেকদের দাবি মেনে নিয়ে “রসুলাল্লাহ” শব্দটা বাদ দিতে, তিনি আর সহ্য করতে পারলেন না। বললেন- “এ কাজ আমার পক্ষে করা সম্ভব নয়, আপনি অন্য কাউকে বলুন হে রসুলাল্লাহ। আমি নিজ হাতে কখনই আপনার নাম থেকে রসুলাল্লাহ শব্দ কাটতে পারব না।” রসুলাল্লাহ (সা.) আলীর (রা.) সেন্টিমেন্ট বুঝলেন। আবার বাস্তবতাও বুঝলেন। তারপর বললেন- ঠিক আছে, তোমাকে কাটতে হবে না, আমাকে দেখিয়ে দাও কোথায় রসুলাল্লাহ শব্দটা লেখা আছে, আমি নিজেই কেটে দিচ্ছি। এই বলে আল্লাহর রসুল নিজেই চুক্তিপত্র থেকে শব্দটি কেটে ফেললেন।

পাঠক, যে শব্দটিকে প্রতিষ্ঠার জন্য এত সংগ্রাম, এত চেষ্টা চলছে, সেই সত্য কথাটাও আল্লাহর রসুল নিজের হাতে কেটে দিলেন কেন? অন্য কোনো কারণ নেই, এই ছাড়টা আল্লাহর রসুল দিলেন যুদ্ধকে এড়ানোর জন্য, রক্তপাতকে এড়ানোর জন্য। বিরোধী মতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য, শত্রুতা এড়ানোর জন্য আল্লাহর রসুল কতটা আন্তরিক ছিলেন তার ঐতিহাসিক সাক্ষী হয়ে আছে হুদাইবিয়ার এই সন্ধি। বলা বাহুল্য, রসুলাল্লাহর জীবনের এই একটি সিদ্ধান্তই আমরা ইতিহাসে পাই, যার সঙ্গে সাহাবিরা সর্বসম্মতভাবে একমত হতে পারেননি। এমনকি উমর (রা.) এর মতো সাহাবি, যিনি ছিলেন রসুলাল্লাহর ঘণিষ্ঠ সহচর, সার্বক্ষণিক সঙ্গী, তিনি সরাসরি নিজের অমতের কথা রসুলকে জানিয়েছিলেন। সবাই এই সন্ধিকে মো’মেনদের জন্য অবমাননাকর বলে মনে করেছিলেন। কারণ সন্ধির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রসুলাল্লাহ এত বেশি ছাড় দিয়েছিলেন যেন মনে হচ্ছিল যে কোনো মূল্যে তিনি চাচ্ছেন মক্কার মোশরেকদের সঙ্গে যুদ্ধ এড়াতে এবং আরবে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে। এসময় আল্লাহ পবিত্র কোর’আনের আয়াত নাজেল করে ঘোষণা করেছিলেন- এই সন্ধি মো’মেনদের জন্য অবমাননাকর তো নয়-ই, বরং স্পষ্ট বিজয়। সেটা কীভাবে তা পরবর্তী ইতিহাস বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায়। সে আলোচনায় আজকে যাচ্ছি না।

ঐতিহাসিক হুদাইবিয়ার সন্ধি বিরাট এক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হয়ে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। এই তাৎপর্য শুধু ৬২৮ খ্রিস্টাব্দের আরবের জন্যই নয়, বর্তমান সময়েও সমানভাবে অনুভূত হয়। আজকের যুগে বরং আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। এই ঘটনার শিক্ষা আমাদের সবাইকেই ধারণ করা উচিত। বিশেষত দু’টো শ্রেণির জন্য এই শিক্ষা বেশি জরুরি।

১. ইসলামবিদ্বেষী গোষ্ঠী- যারা ইসলামকে ভিন্নমতের প্রতি ও ভিন্নবিশ্বাসের প্রতি আগ্রাসী চরিত্রের আদর্শ বলে প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে থাকে।

২. ধর্মান্ধ গোষ্ঠী- যারা ভিন্নমত ও ভিন্নবিশ্বাসের প্রতি সামান্য ছাড় দিতেও নারাজ। যারা মনে করে পৃথিবীতে শুধু তাদের মতো করে যারা চিন্তা করে ও বিশ্বাস করে তাদেরই বসবাসের অধিকার আছে, অন্য কারো অধিকার নেই। অন্য ধর্মাবলম্বীদের বিরুদ্ধে শত্রুতা করেই তারা ক্ষান্ত নয়, নিজ ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেও বিশ্বাসের একটু হেরফের হলেই তারা চরম অসহিষ্ণুতার পরিচয় দেয় এবং হামলা চালিয়ে নির্দোষ মানুষদের হত্যা করতে কার্পণ্য করে না।

এই দুই গোষ্ঠীর জন্য ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ফুটে আছে হুদাইবিয়ার সন্ধির শিক্ষা। আল্লাহ এমনি এমনি বিশ্বনবীকে মানবজাতির উত্তম আদর্শ বলেননি। তিনি ছিলেন এমন একজন মহামানব, যার জীবনের প্রতিটি ধাপেই রয়েছে আমাদের জন্য উত্তম শিক্ষা। তিনি সারা জীবন আদর্শের প্রশ্নে আপস না করে সংগ্রাম করে গেছেন এবং মানুষকে শিখিয়েছেন কীভাবে সত্যকে প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালাতে হয়। আবার তিনি ভিন্নমত ও ভিন্নবিশ্বাসের সঙ্গে অহেতুক শত্রুতা না করে তাদেরকেও কীভাবে কাছে টানা যায়, কীভাবে ভালো সম্পর্ক রক্ষা করা যায় সেই রাস্তাও দেখিয়ে গেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের অন্ধ চোখ নবী-জীবনীর পুরোটা দেখতে পায় না। আমাদের দৃষ্টিতে তার আকাশের মত বিশাল জীবনের একটি দুইটি খণ্ডচিত্র মাত্র ধরা পড়ে এবং সেটুকু দিয়েই আমরা বিশ্বনবীকে পরিমাপ করার চেষ্টা করি। একশ গ্রাম বাটকারা দিয়ে এভারেস্ট পর্বতের ওজন পরিমাপের সে কী প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা আমাদের!

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ইরান চুক্তি রোববারই স্বাক্ষর হবে দাবি ট্রাম্পের , নাকচ আইআরজিসির

ইরান চুক্তি রোববারই স্বাক্ষর হবে দাবি ট্রাম্পের , নাকচ আইআরজিসির
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচিত শান্তিচুক্তি রোববার (১৪ জুন) স্বাক্ষরিত হবে। তবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, সমঝোতা এখনো…
 ১৪ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, গুরুতর আহত ১ শিশু

আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, গুরুতর আহত ১ শিশু
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে মা ও মেয়ের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় পাঁচ বছরের এক শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন…
 ১৪ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

দুষ্টের দমনে সাংবাদিকদের কলমকে তরবারির মতো ব্যবহারের আহ্বান

দুষ্টের দমনে সাংবাদিকদের কলমকে তরবারির মতো ব্যবহারের আহ্বান
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক সাংবাদিকদের সমাজ পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সমাজ…
 ১২ জুন ২০২৬    ঢাকা

গাইবান্ধায় পানের হাট দখল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, এলাকায় উত্তেজনা

গাইবান্ধায় পানের হাট দখল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, এলাকায় উত্তেজনা
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পানের হাট দখল ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণও হয় বলে জানিয়েছেন…
 ১১ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

শ্রীপুরে পল্লী বিদ্যুতের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, অবরুদ্ধ কর্মকর্তাদের উদ্ধার করল পুলিশ

শ্রীপুরে পল্লী বিদ্যুতের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, অবরুদ্ধ কর্মকর্তাদের উদ্ধার করল পুলিশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে এমসি বাজার এলাকায় এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা ও লাইনম্যানদের ওপর হামলা, মারধর এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ…
 ১১ জুন ২০২৬    ঢাকা

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত, আহত ৩

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত, আহত ৩
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় পণ্যবাহী ট্রাকের চাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত তিনজন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে উপজেলার শ্রীরামদী…
 ১১ জুন ২০২৬    ঢাকা

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ
নদীবেষ্টিত জেলা বরিশালের চারদিক দিয়ে বয়ে চলেছে কীর্তনখোলা, পদ্মা ও মেঘনাসহ অসংখ্য নদী। এসব নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতি বছর বদলে যাচ্ছে জেলার মানচিত্র। মাইলের পর…
 ১০ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু…
 ১০ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়