প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ধর্ম এখন নাম্বার ওয়ান ইস্যু

ধর্ম এখন নাম্বার ওয়ান ইস্যু

৩০ মার্চ ২০১৯ ০১:২৮ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মুস্তাফিজ শিহাব

বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা স্পষ্ট দেখতে পারি যে বর্তমানে ধর্ম নাম্বার ওয়ান ইস্যু। বিশ্ব রাজনীতি ও সামজিক প্রেক্ষাপট উভয় দিক থেকে ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা হেযবুত তওহীদ আন্দোলন দীর্ঘদিন থেকে এ কথাটিই বলে আসছি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথাই চিন্তা করি। সেখানে ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদী গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত কিন্তু সেখানেও ধর্ম দিয়ে ফায়দা হাসিল করা হচ্ছে। এই কিছুদিন আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলে, জনগণকে উসকে দিয়ে, ক্ষমতায় আসলেন। ক্ষমতায় আসার জন্য ব্যবহার করা হলো ধর্মকে। আসুন তাকাই ইউরোপের দিকে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, বেলজিয়াম, স্পেন ইত্যাদি দেশগুলোতে ধর্মের, বিশেষ করে ইসলামের, বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। সেখানে তারা খ্রিষ্টান নীতিকে কাজে লাগাচ্ছে। জনমনে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ভয় সৃষ্টি করছে। অনেকেই বলছেন আগামী নির্বাচনে ফ্রান্স ও জার্মানীসহ আরো কয়েকটি দেশে ধর্মভিত্তিক দলগুলি ক্ষমতায় আসতে পারে।
পার্শ্ববর্তী ভারতের দিকে তাকালেও বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়। একশ বছরের পুরাতন ধর্ম নিরপেক্ষবাদী ‘কংগ্রেস’কে তুলার মতো উড়িয়ে দিয়ে ক্ষমতায় আসলো ধর্মভিত্তিক দল ‘ভারতীয় জনতা পাটি’। এখানেও ধর্মকে ব্যবহার করেই রাজনীতি করা হচ্ছে। পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের দিকে তাকাই, সেখানে তারা দাবি করলো মিয়ানমারে শুধু বৌদ্ধরাই থাকতে পারবে। সেখানে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ করে মুসলমানদের কোনো জায়গা নেই। সে কারণে দশ লক্ষ মুসলমানকে জোর করে বের করে দেয়া হলো। মধ্যপ্রাচ্যে শিয়া ও সুন্নিদের দ্বন্দ্ব আজ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে এসে ঠেকেছে। ধর্মকে মূল কারণ হিসেবে নিয়ে, ধর্মকে ইস্যু করে পুরো বিশ্বে ভয়ানক তা-ব চলছে, চলছে ভয়ংকর মর্মান্তিক যুদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ আমরা আফগান যুদ্ধের কথাই ধরতে পারি।
কমিউনিস্ট রাশিয়ার ইতিহাস দেখুন। যে রাশিয়ান কমিউনিস্টরা ধর্মকে নির্বাসিত করেছিল সেই তারাই এখন পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ মসজিদ, একসাথে দশ হাজার লোক নামাজ পড়তে পারবেন, নির্মাণ করছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন নিজে ঐ মসজিদ উদ্বোধন করেছেন। এর কারণ কী? এর কারণ একটিই রাজনৈতিক স্বার্থ। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো আকৃষ্ট হবে এবং হয়েছেও। সৌদি বাদশাহ বিশাল বহর নিয়ে রাশিয়া সফরে গিয়েছেন, অস্ত্র কিনেছে এবং অস্ত্রচুক্তিও করেছে। স্বাধীনতার পর থেকে ধর্মকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশে অনেক কিছু হয়েছে যা সম্পর্কে আপনারা জানেন। সরকারগুলিকে উৎখাত করার জন্য ধর্মকেই এক নাম্বার ইস্যু হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সরকারকে নাস্তিক, ধর্মদ্রোহী ফতোয়া দিয়ে জনমনে উস্কানি সৃষ্টি আমাদের দেশে নতুন কিছু নয়।
ধর্মকে কেন্দ্র করে. ধর্মকে উসিলা করে রাজনীতির পাশাপাশি জঙ্গিবাদী কর্মকা-ও করা হচ্ছে। যারা জঙ্গীবাদের দিকে পা বাড়চ্ছে তাদেরকে ধর্মীয় অপব্যাখ্যার মাধ্যমেই সে পথে নেয়া হচ্ছে। কোর’আন, হাদিসের অপব্যাখ্যার মাধ্যমে তাদের দিয়ে জেহাদের নাম করে সন্ত্রাসী কর্মকা- করানো হচ্ছে। এই জঙ্গিবাদী কর্মকা-ের জন্য দোষ হচ্ছে ধর্মের, দোষ হচ্ছে ইসলামের। বলা হচ্ছে ইসলাম ধর্ম খারাপ, ইসলাম ধর্ম সন্ত্রাস শিখায়, মুসলমান জঙ্গী, সন্ত্রাসী, অসভ্য, কূপম-ুক। ধর্মকে আজ সবাই নিশানা করেছে, ব্যবহার করছে হাতিয়ার হিসাবে।
তাহলে এখন কী করবেন? ধর্মকে বাদ দিয়ে দিবেন? পারবেন না। মানুষের মনে ধর্ম বিশ্বাসের দাপট অনেক। ইতিহাস থেকে পর্যালোচনা করলে দেখি যুগে যুগে ধর্মের নিয়ম-কানুন, অনুশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে পরিচালিত করা হয়েছে। কিন্তু খ্রিষ্টান ধর্মের ভারসাম্যহীনতার ফলে সমাজে ও রাষ্ট্রে গোলযোগ শুরু হয়। ঈসা (আ.) প্রেরিত হয়েছিলেন ধর্মের আত্মিক দিক নিয়ে যা শুধু মাত্র বনী-ইসরাইলের জন্য কারণ মুসার শরীয়তের আত্মিক দিকটিকে তৎকালীন ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণী বিকৃত করে ফেলেছিলো। ঈসা (আ.) তাঁর আনীত বানীকে ইহুদিদের বাইরে প্রচার করার ব্যাপারে বার বার নিষেধ করেছিলেন কিন্তু তিনি চলে যাবার পর পল নামক এক ব্যক্তি তাঁর অনুসারী হিসবে নিজেকে দাবি করে এবং সে ঈসা (আ.) এর অবাধ্য হয়ে তাঁর বানীকে ইউরোপে নিয়ে যায় এবং প্রচার করতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় ৩০০ বছর পর স¤্রাট কন্সট্যান্টাইনের আমলে খ্রিষ্ট ধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। কিন্তু ঈসা (আ.) এর আনীত ব্যবস্থায় শুধু ব্যক্তিগত আত্মিক উন্নতীর বিষয়গুলি ছিল, সেখানে কোন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও দ-বিধি ছিল না এর ফলে জনগণের মধ্যে এক ধরনের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়। ধর্মকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গ্রহণ করা ফলে ধর্মগুরুদের প্রভাব জনগণের উপর তীব্রভাবে পড়ে। এরই প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে ধর্মগুরু অর্থাৎ পোপদের সাথে শাসকদের বিতর্কের সৃষ্টি হয় যার রেষ ধরে ইউরোপে অনেক বছর পর্যন্ত গৃহযুদ্ধ চলতে থাকে। একদিকে শাসকের শাসন অন্যদিকে ধর্মগুরুদের ধর্মের আদলে সৃষ্ট ভীতি উভয়ের ফলে জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে যায় এবং তারা এই অবস্থা থেকে বের হবার পথ খুঁজতে থাকে। ফলস্বরূপ ধর্মকে বাদ দেয়ার চিন্তা আসলেও তা কার্যত সম্ভব হয় না এবং ধর্মকে শুধু ব্যক্তিগত জীবনে সীমাবদ্ধ করা হয়। জাতীয় জীবনকে পরিচালিত করার জন্য সৃষ্টি করা হয় আইন-কানুন, দ-বিধি যাতে ধর্মের কোন প্রভাব থাকবে না। জন্ম হয় ধর্ম নিরপেক্ষতার।
এরাই পরবর্তীতে গোটা দুনিয়ায় তাদের এই মতাদর্শ প্রচার করে। এরা যেখানে যেখানে যায় সেখানেই তারা এই ধর্মনিরপেক্ষতাকে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। ভারতবর্ষে যখন ব্রিটিশরা নিজেদের পতাকা গাড়তে সমর্থ হলো তখন তারা এখানেও একই কাজ করলো। ধর্মকে তারা ব্যক্তিজীবনে নির্বসিত করলো। “তোমরা যত খুশি নামাজ পড়ো, যত খুশি পুজা, উপাসনা করো, যত খুশি মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডায় যাও কোন আপত্তি নেই শুধু রাষ্ট্রীয়জীবনে আমাদের হুকুম মেনে নিতে হবে। আমাদের তৈরি তন্ত্র-মন্ত্র দিয়ে দেশ চালাতে হবে।”- এই ছিল ব্রিটিশদের তথা দাজ্জালীয় সভ্যতার অনুসারীদের কথা। এরই ধারাবাহিকতায় মানুষ যাতে কোনভাবেই ধর্মের দিকে পুনরায় যেতে না পারে, ধর্মকে মানুষের মন ও মগজ থেকে চিরতরে বিতারিত করার জন্য তারা ব্যাপক আকারে প্রপাগান্ডা শুরু করল। তারা নবী রসুল ও অবতারদের কথাকে মিথ্যে গাল-গল্প বলে প্রমাণের চেষ্টা শুরু করল। তারা মানুষের সামনে ধর্মকে আফিম হিসেবে তুলে ধরল। এছাড়াও তারা নবী রসুলদের মধ্যযুগের চতুর প্রকৃতির লোক হিসেবে আখ্যা দিল যারা মানুষকে পরিচালিত করার জন্য, তাদের ভয় প্রদর্শনের জন্য আল্লাহ, ঈশ্বর, ভগবান ইত্যাদি কাল্পনিক চরিত্র সৃষ্টি করেছেন। তাদের মতে পরকাল বলে কিছু নেই, জান্নাত-জাহান্নাম বলে কিছু নেই; ইহকালই সব।
কিন্তু তাদের এ সকল চেষ্টাই বৃথা। মানুষের মন ও মগজ থেকে চিরতরে ধর্মকে নির্বসিত করা কখনই সম্ভব ছিলো না এবং সম্ভব নয়ও। কারণ মানুষের মধ্যে আল্লাহর রূহ বিদ্যমান (সুরা হিজর ২৯)। আল্লাহ মানুষকে অন্য সকল সৃষ্টির মতো ‘কুন’ শব্দ দিয়ে সৃষ্টি করেন নি। তিনি আদমকে তথা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন নিজ হাতে। এ মানুষকে সৃষ্টি করার পিছনে আল্লাহর উদ্দেশ্য রয়েছে। এই মানুষ আল্লাহ খলিফা, আল্লাহর প্রতিনিধি। মানুষের অসাধারণ চিন্তাশক্তি রয়েছে, রয়েছে সুন্দরত অবয়ব। মানুষের হৃদয় রয়েছে, সে উপলব্ধি করে। নিরবে, নিভৃতে বিপদে পড়লে মানুষ সেই মহান ¯্রষ্টা সেই মহান প্রভু কে স্মরণ করে। তাই ধর্মকে বাদও দেয়া যাবে না অবজ্ঞাও করা যাবে না। ধর্মীয় অনুভূতি সবার মাঝেই বিদ্যমান। এর ফলেই যখনই তারা কোন অবজ্ঞার দৃষ্টান্ত দেখে বা তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে তখন তারা আগ্নেয়গিরির অগ্নুতপাতের মতো ফেটে পড়ে। ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী তাদের ঈমানকে হাইজ্যাক করে জাতি বিনাশী কর্মকা-ে লিপ্ত করে। তখন সরকারকে বাধ্য হয়ে দমন নীতি ব্যবহার করতে হয়। সরকার আবার সেই ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারাই জনগণকে নিয়ন্ত্রিত করতে চান, তাদের দিয়ে ওয়াজ, মাহফিল করানোর ব্যবস্থা করেন কিন্তু জনগণ সেটা নিবে না কারণ জনগণ এখন তাদের রূপ চিনতে শুরু করেছে।
তাহলে বর্তমান এই ধর্ম সংকট থেকে মুক্তির উপায় কী? আমরা হেযবুত তওহীদ আপনাদের সামনে মুক্তির উপায় তুলে ধরছি। পূর্বেও বলে এসেছি ধর্মবিশ্বাসকে অবজ্ঞা করার কোনো রাস্তা নেই। তাহলে মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে, ঈমানী চেতনাকে জাতির কল্যাণে, মানবতার কল্যাণে কাজে লাগতে হবে। আল্লাহ যে ধর্ম শেষ রসুলের মাধ্যমে প্রেরণ করেছেন সেই প্রকৃত ধর্ম মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। বর্তমানে আমারা যে ধর্মগুলি দেখছি সেগুলো বহুপূর্বেই বিকৃত হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে যে ইসলাম রয়েছে সে ইসলাম আল্লাহ রসুলের প্রকৃত ইসলাম নয়। এ ইসলামের অনুসারীরা আজ হাজার হাজার ভাগে বিভক্ত। এদের একেকজনের একেক আদর্শ। এদের একদল গান শুনাকে হারাম মনে করে, আরেকদল ছবি তোলাকে হারাম মনে করে, নারীদের অংশগ্রহণকে বাঁকা চোখে দেখে। কিন্তু আল্লাহ এগুলোর কোনটিকেই হারাম করেননি, হারাম করেছেন অশ্লীলতাকে। নারীদের ব্যাপারে এদের দৃষ্টিভঙ্গি সংকীর্ণ। ইসলামের ব্যাপারে পরিস্কার আকিদা না থাকার ফলে এদের দিয়ে রাষ্ট্র চলবে না। সেই প্রকৃত ইসলাম আজ কোথাও নেই যে ইসলাম মানুষের সুকুমার বৃত্তিকে স্বীকৃতি দেয়, যে ইসলাম মানুষের শিল্প সাহিত্যের স্বীকৃতি দেয়, যে ইসলামকে যুক্তিবোধকে উদ্বুদ্ধ করে, নারী ও পুরুষের সকলকাজে সমানভবে অংশগ্রহণকে স্বীকৃতি দেয়, উৎসাহিত করে, যে ইসলাম মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে, মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করে। আল্লাহ তাঁর অশেষ কৃপায় আমাদের সামনে সেই ইসলামের প্রকৃত রূপ তুলে ধরেছেন। আমরা সেই প্রকৃত রূপ আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।
অনেকেই হয়তো আমাদের সম্পর্কে জানেন না, অনেকেই হয়তো বলতে পারেন আমরা আল্লামা, মুফতি বা শায়েখ নই, গতানুগতিক ধারায় যারা ইসলামের কথা বলে তারা মাদ্রাসা শিক্ষিত কিন্তু আমরা মাদ্রাসা শিক্ষিত নই। কিন্তু তাদের উদ্দেশ্যে বলবো আপনারা অপেক্ষা করুন। একটি আন্দোলনকে বুঝার জন্য দীর্ঘ ২৩ বছর যথেষ্ঠ। আমরা মানুষকে মানবতার কল্যাণে কাজ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করছি, আমরা মানুষের সামনে সঠিক ইসলাম নিয়ে দাঁড়িয়েছি এবং আমরাই পারবো বর্তমানের সংকট থেকে জাতিকে উদ্ধার করতে। ধর্ম ও রাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যে অবিশ্বাস, দ্ব্ন্দ্ব, সংঘাত ইত্যাদি দূর করে জনগণ কিভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের জীবন ও সম্পদ উৎসর্গ করার জন্য প্রস্তুত হবে সেই আদর্শ আমাদের কাছে রয়েছে। আমরা সেই আদর্শই আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। যাচাই করুন এবং সিদ্ধান্ত নিন। সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এখনই।

(লেখক- কলামিস্ট, facebook/ glasnikmira13)

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!
আগামীকাল রোববার বাংলাদেশে আসতে পারেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটানের রাজধানী থিম্পু সফরে যাওয়ার পথে স্বল্প সময়ের জন্য ঢাকায় ট্রানজিট নেওয়ার…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীভল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে ভাতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায়…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় একটি ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর আনুমানিক বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ইলেকট্রনিক্স পণ্য পরিবেশক সমিতি বাংলাদেশ তথা ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইপিডিএবি)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটির পথচলায় এক…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপির সদ্যঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলটির একাংশের নেতাকর্মীরা। কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পুটিমারী এলাকায় স্থানীয় এক জেলের জালে ৯০ কেজি ওজনের একটি বিশালাকার বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) মাছটির ছবি…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী এলাকায় ডিসি সড়কে মালবোঝাই ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আকস্মিক পরিদর্শনে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায় সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে। এ সময় কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
মোঃ শফিকুল ইসলামকালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধিগাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরস্থইবনে সিনা  ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড  এর হারবাল শাখায় শনিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওষুধের মেশিন ও গোডাউনে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে তিন শিশুও। শুক্রবার রাতে নুডলস খাওয়ার পর ঘুমাতে যান পরিবারের সদস্যরা।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় ভেঙে পড়েছেন আশিকুল ইসলাম। আনন্দঘন ভ্রমণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!
মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি পরকম্পন বা আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর দেশটির…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক