প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ধর্মব্যবসা থেকে মুক্তির পথসন্ধান

ধর্মব্যবসা থেকে মুক্তির পথসন্ধান

১৭ জুলাই ২০১৭ ১১:১৮ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান:
বর্তমানে গোটা মুসলিম বলে পরিচিত জনগোষ্ঠী আল্লাহ কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি অনৈতিক কাজে লিপ্ত আছে। কেউ ধর্মব্যবসা করে খাচ্ছেন, কেউ তাকে দিচ্ছেন, কেউ মৌন থেকে সম্মতি দিয়ে যাচ্ছেন। এভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সবাই এই অবৈধ কাজের সাথে জড়িয়ে আছেন। প্রশ্ন হচ্ছে কীভাবে আমরা এই অন্যায় থেকে আমাদের সমাজকে মুক্ত করতে পারব?
শত শত বছর থেকে যখন একটি সিস্টেম, ব্যবস্থা কোনো জনগোষ্ঠীর মধ্যে দাঁড়িয়ে যায় তখন এর সাথে বহু প্রতিষ্ঠান, বহু মানুষের জীবন ও কর্মসংস্থান জড়িয়ে যায়। তখন হুট করেই সেই ব্যবস্থাটি থেকে বেরিয়ে আসা খুব সহজ বিষয় হয় না। তবু একটি জাতিবিধ্বংসী অন্যায় চিহ্নিত হওয়ার পরও চিরকাল চলতে পারে না। একে বন্ধ করার জন্য সর্বাত্মক সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ধর্মব্যবসার করাল থাবা থেকে জাতিকে মুক্ত করার জন্য আমাদের দুটো বিষয় করণীয়।
প্রথমত, প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা প্রচার ব্যতিত এই সংকট থেকে জাতি মুক্তি পাবে না। তাই ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি দলিল প্রমাণ ও যুক্তি সহকারে মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য সেগুলো পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে। শত শত বছর ধরে এই মহাসত্যকে আড়াল করে মানুষকে অজ্ঞ বানিয়ে ধর্মব্যবসা টিকিয়ে রাখা হয়েছে। এখন সেই লুকানো সত্যকে সহস্রধারায় মানুষের দৃষ্টির সামনে মেলে ধরতে হবে। মানুষ সৃষ্টিগতভাবে যুক্তিশীল প্রাণী। তাই কোনো যৌক্তিক সত্যকে সে গ্রহণ না করে পারবে না। সাধারণ মানুষ যখন ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে সচেতন হবে তখন তাদের এই মানসিক ঐক্যই তাদের সমাজে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করবে। যে সমাজের প্রতিটি মানুষ ধর্মব্যবসাকে ঘৃণা করে সেই সমাজে কখনই ধর্মব্যবসা টিকে থাকতে পারবে না। অন্ধকার দূর করার একমাত্র পথ হচ্ছে আলোর আবির্ভাব ঘটানো। ধর্মব্যবসা সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষই জানে না। তাদের সামনে সত্যের আলোকবর্তিকা যখন প্রজ্জলিত করা হবে তখন তাদের অজ্ঞানতার অন্ধকার কেটে যাবে। ধর্মব্যবসা নির্মূল হলেই ধর্মান্ধতা, ধর্মের অপব্যবহার, কুসংস্কার, জঙ্গিবাদ সমস্তকিছু নির্মূল হবে। কারণ এটাই ধর্মের নামে প্রচলিত যাবতীয় বিকৃতির উৎসমূল।
ইতোমধ্যে জাতি জঙ্গিবাদের মত ভয়াবহ সঙ্কটে আক্রান্ত হয়ে গেছে যে সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসা এত সোজা নয়। একটি ঘটনা হাজারো ঘটনার জন্ম দেয়, একটি যুদ্ধ বহু যুদ্ধের পটভূমি তৈরি করে। প্রথম অন্যায়ের পরে পরবর্তী অন্যায়গুলো সংঘটনের ন্যায্যতা পেয়ে যায়। কাজেই জঙ্গিবাদ থেকে বেরিয়ে আসা এত সহজ নয়, কেননা জঙ্গিবাদের পক্ষে অনেক যুক্তি দাঁড়িয়ে গেছে যা আপাতঃদৃষ্টিতে ন্যায়সঙ্গত বলে প্রতীয়মাণ হচ্ছে। এরই মধ্যে গুজব, হুজুগ, উন্মাদনা সৃষ্টি করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বিভিন্ন দাবি আদায়ের নামে অসার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী। সাম্রাজ্যবাদীরা ওঁৎ পেতে আছে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য যেমনটা হয়েছিল সিরিয়া, ইরাক, মিশর ইত্যাদি দেশে। সুযোগ পেলেই তারা হামলে পড়বে। এই মুহূর্তে জাতিকে একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেটা হলো ধর্ম আর ধর্মের নামে প্রচলিত অধর্মকে আলাদা করে সেই অধর্মকে পরিত্যাগ করতে হবে। ধর্মবিশ্বাসী প্রতিটি মানুষকে একটি কথার মধ্যে দাঁড়াতে হবে যে কোন ফকিহ, কোন মুফতি, কোন মৌলভি, কোন পীর সাহেব, কোন বুজুর্গ কী বলল সেটা আমরা দেখব না। আমরা দেখব আল্লাহ কী বলেছেন আর তার প্রেক্ষিতে রসুলাল্লাহ কী করেছেন। এর বাইরে আর কিছু আমরা মানবো না। এতে ধর্মকে অপব্যবহার করে স্বার্থ হাসিলকারীরা কে বেকার হয়ে গেল, কে কোন স্বার্থ থেকে বঞ্চিত হলো এটা আমাদের দেখার বিষয় না। কারণ রোগী যখন জীবন-মৃত্যু সংকটে পড়ে তখন অস্ত্রোপচার ছাড়া গতি থাকে না, করুণা দেখিয়ে লাভ হয় না। সেভাবে ধর্মব্যবসাকে আমাদের সমস্ত জাতি মিলে একত্রে বয়কট করতে হবে। যদি তা না করা হয়, যদি হারাম জেনেও ধর্মব্যবসায়ীদেরকে টাকা দিয়েই যাওয়া হয় তাহলে কোনোদিন ধর্মব্যবসা বন্ধ হবে না, ধর্মের নামে এই হারাম কাজ জারি থাকবে। ধর্মব্যবসায়ীরা খাবে কী এই প্রশ্নের উত্তর পূর্বে একবার দিয়ে এসেছি। আবারও সংক্ষেপে বলছি, সমাজের মানুষ যদি চায় তাহলে অল্প কিছু লোকের উপার্জনের জন্য একটি বৈধ পন্থা বের করে দেওয়া কঠিন কাজ নয়।
দ্বিতীয় যে কাজটি করতে হবে তা হলো, ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাতে হবে। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা জাতিকে কোনোদিন রক্ষা করবে না, সঠিক পথ দেখাবে না। বরং জাতিকে ধ্বংসের অতল গহ্বরে নিয়ে যাবে। সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় দীন সম্পর্কে প্রায় কিছুই শিক্ষা দেওয়া হয় না। বরং সুদভিত্তিক অংক, ব্রিটিশ রাজা- রানির ইতিহাস, ভ‚গোল, বিজ্ঞান, গণিত, পাশ্চাত্যের ধর্মহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা, পাশ্চাত্য বস্তুবাদী দর্শন ইত্যাদি শিক্ষার পাশাপাশি ধর্ম সম্পর্কে, বিশেষ করে ইসলাম সম্পর্কে একটা বিদ্বেষভাব শিক্ষার্থীদের মনে প্রবেশ করানো হয়েছে। ওখান থেকে লক্ষ লক্ষ কথিত আধুনিক শিক্ষিত লোক বের হচ্ছেন যারা চরম আত্মকেন্দ্রিক ও স্বার্থপর। নিজেদের বৈষয়িক উন্নতি ছাড়া আর কিছুই তারা ভাবেন না। আবার মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাও আমাদেরকে সমান বস্তুবাদ শেখাচ্ছে। সেখান থেকে পাশ করে বেরিয়ে আসা লোকেরা জনগণকে পরকালের পেছনে ছুটিয়ে দেন কিন্তু নিজেরা ছুটতে থাকেন বস্তুর পেছনে, অর্থের পেছনে। এ ক্ষেত্রে হালাল-হারাম, নীতি-দুর্নীতির কোনো তোয়াক্কা তারা করেন না। উভয় শিক্ষাব্যবস্থাই স্বার্থপর পয়দা করে এবং বিভক্তির শিক্ষা দেয়। বছর বছর দেশের হাজার হাজার মাদ্রাসা থেকে লক্ষ লক্ষ ছাত্র শিক্ষিত হয়ে বের হচ্ছে। তাদের অধিকাংশের সামনে জীবিকা অর্জনের দ্বিতীয় কোনো পথ নেই। এটা বাস্তবতা যে তাদেরকে বাধ্য হয়েই এই হারাম রোজগারের পথে পা বাড়াতে হচ্ছে। ধীরে ধীরে এটা আমাদের সামাজিক বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে এবং ব্রিটিশরা এটাই চেয়েছিল। এখন ধর্মব্যবসার উপর বহু লোকের জীবন জীবিকা নির্ভর করছে। কাজেই শিক্ষাটা একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস।
সমাজের শিক্ষিত সচেতন শ্রেণিটি বলে থাকেন, মাদ্রাসা শিক্ষার মান অনেক নিম্ন। সেখান থেকে যারা বের হন তারা কূপমণ্ডূক, আধুনিক দুনিয়া সম্পর্কে হাস্যকর রকমের অজ্ঞ। কিন্তু এই অজ্ঞতার ও অযোগ্যতার পেছনে দায়ী যে শিক্ষাব্যবস্থা সেটাকে সচল রেখে এই অভিযোগ করা কতটুকু ন্যায়সঙ্গত। রাষ্ট্রের শিক্ষানীতিই কি এই অযোগ্য, কূপমণ্ডূক, জাতীয় স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর জনগোষ্ঠীকে তৈরি করছে না?
অথচ এই শিক্ষাব্যবস্থার একটা আমূল পরিবর্তন কোনো সরকার করতে সাহস করে না। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তারা কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে না যার একটি মাত্র কারণ, ভোট হারানোর শঙ্কা। সরকারে যারা থাকেন তারা মনে করেন, শিক্ষাব্যবস্থায় হাত দিলে তাদের উপর নাস্তিকতা, ধর্মবিদ্বেষের লেবেল লাগিয়ে দিয়ে ধর্মব্যবসায়ীরা জনগণকে প্রভাবিত করে তাদের গদি উল্টিয়ে দিবে। এই ভয়ে তারা শিক্ষাব্যবস্থাকে কোনোরকম জোড়াতালি দিয়ে সরকারি করার মেয়াদ পার করে দেন। এভাবেই যুগ যুগ ধরে ধর্মব্যবসায়ীর পরিমাণ জ্যামিতিক হারে বেড়ে চলেছে। এই বছর দুই লাখ তো সামনে বছর চার লাখ। এদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য স্বভাবতই নতুন নতুন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ছে। প্রতি বছর বাড়ছে মাদ্রাসার স্বার্থরক্ষায় মিছিলকারী ছাত্র-শিক্ষকদের সংখ্যা। জোরালো হচ্ছে ধর্মব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের হুঙ্কার। মাদ্রাসা শিক্ষা অর্থনীতির বিচারে একটি অনুৎপাদনশীল খাত। এই ধারায় শিক্ষিত মানুষগুলো সমাজের বোঝা হয়ে থাকেন বিধায় আজীবন হীনম্মন্যতায় ভোগেন। এই সুস্থ সবল মানুষগুলো যদি বিদেশে গিয়ে রোজগার করতেন তাহলে দেশেরও উপকার হতো।
আমাদের এই ধর্মব্যবসায়ী তৈরি শিক্ষাব্যবস্থা পরিহার করতে হবে কিন্তু ধর্মের শিক্ষা পরিহার করা চলবে না। বরং সবাইকে ধর্মের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রকৃত ইসলামের প্রভাবেই মুসলিম জাতি একদিন জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, প্রযুক্তিতে পৃথিবীর সকল জাতির শিক্ষকে পরিণত হয়েছিল। তারা কেবল মাসলা-মাসায়েল শিক্ষা করে বসে থাকেন নি। তাই আমাদেরকে এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে যেখানে প্রতিটি ছাত্র যেমন পার্থিব প্রয়োজনের বিষয়গুলো সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করবে, তেমনি তারা ন্যায়-অন্যায়, সত্য-মিথ্যার পার্থক্য সম্পর্কে জানবে। তারা হবে মিথ্যার বিরুদ্ধে, অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার, প্রতিবাদী সত্যের সৈনিক। তারা স্বার্থপর না হয়ে পরোপকারী হবে, দেশের জন্য, মানুষের জন্য নিজেদের জীবন-সম্পদকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় নিয়ে তারা বড় হয়ে উঠবে। তারা নিজেরা বিশৃঙ্খলা করবে না, জাতির মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করবে না- কাউকে করতেও দেবে না। তখন জাতি একটি মজবুত ভিত্তির উপর দাঁড়াবে। ধর্মব্যবসা বন্ধ হয়ে গেলে ধর্মের আসল রূপের উদ্ভাসন হবে। আগাছাপূর্ণ জমিতে ফসল হয় না।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!
আগামীকাল রোববার বাংলাদেশে আসতে পারেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটানের রাজধানী থিম্পু সফরে যাওয়ার পথে স্বল্প সময়ের জন্য ঢাকায় ট্রানজিট নেওয়ার…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীভল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে ভাতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায়…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় একটি ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর আনুমানিক বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ইলেকট্রনিক্স পণ্য পরিবেশক সমিতি বাংলাদেশ তথা ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইপিডিএবি)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটির পথচলায় এক…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপির সদ্যঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলটির একাংশের নেতাকর্মীরা। কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পুটিমারী এলাকায় স্থানীয় এক জেলের জালে ৯০ কেজি ওজনের একটি বিশালাকার বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) মাছটির ছবি…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী এলাকায় ডিসি সড়কে মালবোঝাই ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আকস্মিক পরিদর্শনে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায় সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে। এ সময় কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
মোঃ শফিকুল ইসলামকালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধিগাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরস্থইবনে সিনা  ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড  এর হারবাল শাখায় শনিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওষুধের মেশিন ও গোডাউনে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে তিন শিশুও। শুক্রবার রাতে নুডলস খাওয়ার পর ঘুমাতে যান পরিবারের সদস্যরা।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় ভেঙে পড়েছেন আশিকুল ইসলাম। আনন্দঘন ভ্রমণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!
মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি পরকম্পন বা আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর দেশটির…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক