প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মধ্যপ্রাচ্যে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব: মুসলিম জাতিকে...

মধ্যপ্রাচ্যে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব: মুসলিম জাতিকে সকল অনৈক্যের অবসান ঘটাতে হবে

১৬ জানুয়ারি ২০১৬ ১২:২৮ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

চৌদ্দশ’ বছর আগে আল্লাহর রসুল যখন পৃথিবীতে এসেছিলেন, তখন আরবজাতি ছিল বহু গোত্রে বিভক্ত। তাদের মধ্যে অনৈক্য এতটাই প্রকট ছিল যে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোত্রে গোত্রে লেগে যেত ভয়াবহ যুদ্ধ। এক গোত্রের সাথে আরেক গোত্রের বিবাদ সৃষ্টি হলে তা জিঁইয়ে থাকত যুগের পর যুগ, এমনকি প্রজন্মের পর প্রজন্ম। এই বিবাদ-বিভক্তি তাদেরকে তৎকালীন বিশ্বের সম্ভবত সবচেয়ে দরিদ্র, উপেক্ষিত ও অবহেলিত জাতিতে পরিণত করেছিল। তখনকার সভ্য জাতিগুলোর কাছে তারা বর্বর মরুবাসী বলেই পরিচিত ছিল। সর্বদা অন্তর্দ্বন্দ্ব-সংঘাতে লিপ্ত সেই জাতিকেই আল্লাহর রসুল এমন ইস্পাতকঠিন ঐক্যবদ্ধ জাতিতে পরিণত করলেন যাদের পরবর্তী কীর্তি ইতিহাস হয়ে আছে। তৎকালীন পৃথিবীর দুই পরাশক্তি পারস্য ও রোমান সাম্রাজ্য তাদের দাপটের সামনে তুলোর ন্যায় উড়ে গেল। মানবজাতির ইতিহাসে রচিত হলো এক নতুন অধ্যায়। আল্লাহর রসুলের ওফাতের পর তাঁর নিজ হাতে গড়া, তাঁরই আদর্শে উজ্জীবিত ঐ জাতি দুই যুগেরও কম সময়ের মধ্যে অর্ধপৃথিবীতে শান্তির পতাকা উড়ালেন। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অবিচার, জুলুম, অপরাধকে প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তার এক অভাবনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। একটি জাতির এই আমূল পরিবর্তনের পশ্চাতে অনেকে অনেক কারণ খুঁজে পেতে পারেন। তবে বর্বর এই মরুবাসীদের পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় ঐক্যের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মূলত ঐক্যহীন কোনো জাতির পক্ষে বিরাট কোনো কাজ করা সম্ভব নয়। এটা প্রাকৃতিক যে ঐক্য চিরকালই অনৈক্যের উপর বিজয়ী হবে। আর ইসলামকে আল্লাহ বলেছেন ‘প্রাকৃতিক জীবনব্যবস্থা’। সুতরাং ইসলাম যে এককালে পৃথিবীময় বিজয়ী হয়েছিল তার পেছনেও প্রাকৃতিক কারণগুলো উপলব্ধি করতে হবে। এই ঐক্যকে আল্লাহর রসুল এতটাই গুরুত্ব দিয়েছেন যে, ঐক্য ভঙ্গের কোনো কারণ দেখতে পেলে তাঁর মতো মহামানবও রাগে, ক্ষোভে লাল হয়ে যেতেন। তিনি অনৈক্য সৃষ্টিকারীকে কাফের বলে অভিহিত করেছেন।
ইতিহাস বলে, মুসলিম উম্মাহ যতদিন ঐক্যবদ্ধ ছিল ততদিন পৃথিবীতে তারাই সবচেয়ে প্রভাবশালী জাতি, এককথায় পরাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল। পরবর্তীতে যখনই ঐক্য বিনষ্ট হতে লাগল, আল্লাহর রসুলের বক্তব্য মোতাবেক জাতি কুফরে নিমজ্জিত হতে থাকল। ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকেও লা’নত আসতে শুরু করল। যে মুসলিম জাতির একজন নেতার অধীনে একজাতি, একপ্রাণ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে যাওয়ার কথা, তারাই যখন পরবর্তী নেতাদের আকীদার বিকৃতি, ক্ষমতার লোভ আর অদূরদর্শীতা, ধর্মের পণ্ডিত সেজে বসে থাকা আলেমশ্রেণির পরস্পরবিরোধী ফতোয়ার দ্বারা দলে দলে বিভক্ত হয়ে পড়ল, অসংখ্য মাজহাব, ফেরকা, তরিকায় আলাদা হয়ে গেল, তখন আল্লাহ ও তাঁর রসুলের সাবধানবাণী অনুযায়ী পৃথিবীতে তারা তাদের নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব্ও হারিয়ে ফেলল। মূলত জাতি হিসেবে তারা তখন আর মুমিনই রইল না। কোর’আনের বহু আয়াত ও আল্লাহর রসুলের বহু সহীহ হাদিস প্রমাণ করে, ঐক্যহীন, বিভক্ত, নিজেদের মধ্যে কোন্দলরত জাতি কখনো মুমিন হতে পারে না। একসময় ইউরোপের বিভিন্ন দেশ দ্বারা আক্রান্ত হয়ে মুসলিম বলে পরিচিত জাতি-গোষ্ঠীগুলো যখন একে একে পরাজিত হয়ে ইউরোপের তৈরি শাসনব্যবস্থা মেনে নিল তখন তাদের মুসলিম পরিচয়টিও তাৎপর্যহীন হয়ে পড়ে। আজকের মুসলিমরা স্বীকার করুক আর নাই করুক, প্রকৃতপক্ষে জাতি হিসেবে তারা না মুসলিম, না মুমিন। উম্মতে মুহম্মদী হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। কারণ, যে উম্মাহ তথা জাতিকে আল্লাহর রসুল গড়ে গিয়েছিলেন নিজেদের সর্বস্ব কোরবানি করার বিনিময়ে হলেও সমস্ত পৃথিবীর অন্যায়, অবিচার দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য, আজকে নিজেরাই অগণিত অন্যায়ে নিমজ্জিত এই জাতিটিই সেই উম্মতে মুহম্মদী, এটা নির্বোধ ব্যতীত কেউ দাবি করতে পারে না।
আজ পৃথিবীব্যাপী, প্রধানত মধ্যপ্রাচ্যে শিয়া-সুন্নি যে দ্বন্দ্ব তা মুসলিম নামধারী জাতির ঐক্যের ওই অবক্ষয়েরই চূড়ান্ত পরিণতি। আজ নিজেদের মুসলিম বলে মনে প্রাণে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও সৌদি আরব ও ইরানের নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে নানামুখী তৎপরতায় ব্যস্ত। অতীতে আমরা মধ্যপ্রাচ্যে বহুবার এই শিয়া-সুন্নি বিভাজনকে কেন্দ্র করে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত প্রত্যক্ষ করেছি। বর্তমানে সিরিয়াযুদ্ধ, আইএস সংকটের মূলেও রয়েছে এই দ্বন্দ্ব। আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া হামলাসহ বিভিন্ন সময় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থরক্ষায় সবচেয়ে বড় মদদদাতার পরিচয় দিয়ে এসেছে মুসলিম বিশ্বের মোড়লখ্যাত সৌদি আরব। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টায় ইরানও বরাবরই যেকোনো সিদ্ধান্তে সৌদি আরবের বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে। তাদের মধ্যেও এক আল্লাহ, এক রসুল ও এক কোর’আনের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো প্রচেষ্টাই দেখা যায়নি। আজ সিরিয়ায় যে সংকট চলছে তাতে কোটি কোটি মুসলিম মানবেতর জীবনযাপন করছে, লাখ লাখ সিরীয় সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে। কোথাও আশ্রয় না পেয়ে সীমান্তে তাবু গেড়ে প্রচণ্ড শীতে দুর্বিষহ সময় পার করছে। এই ঘোর সংকটকালেও মধ্যপ্রাচ্যের এই প্রভাবশালী দেশ দুটিকে দেখা যায় শিয়া-সুন্নি ইস্যুতে রাজনীতি করতে। একপক্ষ আমেরিকার দালাল, আরেকপক্ষ রাশিয়ার চাটুকার সেজে বসে আছে। অথচ কেবল মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোই যদি ঐক্যবদ্ধ হতো তবে সেই অঞ্চলের যাবতীয় সমস্যার সমাধান তারা নিজেরাই করতে পারত। সেখানকার বিভিন্ন দেশে গত কয়েক দশক ধরে যে মানবিক অবক্ষয় চলছে তার অবসান ঘটতে পারতো তাদের হাতেই। শুধু তাই নয়, ভূ-গর্ভস্ত তেল যা আজকের সভ্যতার প্রধান ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে তার বলতে গেলে একমাত্র মালিক এই মধ্যপ্রাচ্য। এই সম্পদের জোরে খুব সহজেই পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী অঞ্চল বলে প্রতিষ্ঠা পেত। কিন্তু তাদের চিন্তা-ভাবনার ক্ষুদ্রতা, তাদের কর্মকাণ্ড তাদেরকে দিনে দিনে অধিক ঐক্যহীন করছে। আর ফলশ্র“তিতে ওই অঞ্চলটিও অধিকতর সমস্যায় জর্জরিত হচ্ছে।
সৌদি আরবে একজন শীর্ষস্থানীয় শিয়া নেতাকে সন্ত্রাস বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগ এনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ফুঁসে ওঠেছে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে, এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ইরানিরা গত রবিবার নিজ দেশে সৌদি দূতাবাসে হামলা চালায়। এর পরদিনই সৌদি আরব ও আরো তিনটি সৌদিপন্থী বলে পরিচিত দেশ ইরানের সাথে কুটনীতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। সৌদি আরব দেশটিতে ইরানিরা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে অভিযোগ এনে রিয়াদ থেকে ইরানি দূতাবাসে কার্যরত সকলকে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেছে এবং তেহরান থেকেও নিজ দেশের কূটনীতিকদের ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে। ইরান সৌদি আরবের অভিযোগকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, সৌদি আরবের এই ঘোষণায় শিয়া নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনা ধামাচাপা পড়বে না। এর আগে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়তাল্লাহ খামেনি বলেছেন, সৌদি আরবকে তার এই কৃতকর্মের ‘খোদায়ি শাস্তি’ পেতে হবে।
মুসলিম জাতি যখন আজ পদে পদে অপমানিত, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে মুসলিমরা যখন অবহেলিত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত, তাদের গায়ে যখন ‘সন্ত্রাসী’ সিল এটে দেওয়া হয়েছে, তাদের যুবক তরুণরা যখন পথহারা হয়ে জঙ্গিবাদের মতো বিকৃত আদর্শের শিকার, তাদের একেকটি ভূ-খণ্ড যখন পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের কোপানলে পুড়ে ছাই, তাদের কামান আর গোলায় মুসলিম যুবকদের বুক যখন জর্জরিত, তখন এই শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব নিজেদের ভাগ্যের সাথে এক চরম পরিহাস ছাড়া আর কি হতে পারে? আজ যেখানে পৃথিবীময় বিরাজিত অন্যায় ও অশান্তিকে দূর করার জন্য মুসলিম জাতির দিকে দিকে ঐক্যের আহ্বান ছড়িয়ে দেওয়ার সময় তখন এই জাতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তারকারী দেশগুলো উন্মত্তের ন্যায় একে অপরের বিরুদ্ধে অবতীর্ণ। তাদের এই মূর্খতা, তাদের এই চিন্তার ক্ষুদ্রতা, স্বার্থপরতা নিশ্চিতভাবে তাদের নিশ্চিত ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে। গত কয়েক দশক ধরে আমরা মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল দেখে আসছি। এই মধ্যপ্রাচ্যকে সাম্রাজ্যবাদীরা তাদের খেলার মাঠ বানিয়ে নিয়েছে। তাদের সভ্যতার অপরিহার্য উপাদান তেলের খোঁজে ও তাদের সবচেয়ে বড় ব্যবসা ‘অস্ত্রব্যবসা’কে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে তারা বারবার এই মধ্যপ্রাচ্যকে টার্গেট করেছে। কিন্তু এটা আল্লাহর লা’নতের ফল হতে পারে যে, সেখানকার মুসলিমরা তাদের বরাবরই সাম্রাজ্যবাদীদের টোপ গিলেছে।
আমাদের এদেশের শতকরা প্রায় নব্বই ভাগ মানুষও নিজেদের মুসলিম বলে বিশ্বাস করি। অথচ আমরাও অনৈক্যে নিপতিত। আমরা একসাথে নামাজ পড়ি, কোরবানি দেই, মসজিদে গিয়ে ইবাদত বন্দেগি করি। তখন আমরা সবাই মুসলিম। অথচ সেখান থেকে বের হয়ে আমরা হয়ে যাই ভিন্ন দল, মত ও পথের অনুসারী। আমরা নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় অপর ভাইয়ের জীবন ও সম্পদের সর্বনাশ করতেও পিছপা হই না। আমাদের মধ্যেও সেই জাহেলিয়াতের যুগের অনৈক্য, বিবাদ, বিশৃঙ্খলা, সংঘাত, সংঘর্ষ, অন্যায়, অশান্তি চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে। এই হানাহানির সুযোগে আমাদের দেশকে নিয়ে শুরু হয়েছে এক গভীর ষড়যন্ত্র। আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বই আজ প্রশ্নের সম্মুখীন। সময় এসেছে আমাদের এই সংকটকে, পাশাপাশি পুরো বিশ্বের সংকটকে উপলব্ধি করার। আজ এদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পেরিয়ে গ্রামে গ্রামে, ঘরে ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে ঐক্যের ডাক। দল-মত নির্বিশেষ সকল স্বার্থচিন্তার ঊর্ধ্বে উঠে ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা তথা মানবতা, ন্যায়, সত্য, হকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ছড়িযে পড়ছে দিকে দিকে। এই জাতির প্রতিটি সদস্যের উচিত সেটি আহ্বান কতটা সঙ্গত, কতটা সময়ের দাবি তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা। আমরা বিশ্বাস করি, জাতি যদি আবার ঐক্যবদ্ধ হতে পারে, তবে এই ১৬ কোটি মানুষের ৩২ কোটি হাত মিলে হবে এক অপরাজেয় শক্তি। এই জাতির ভাগ্যকে নিয়ে নোংরা খেলা করবে তেমন কোনো শক্তিই পৃথিবীতে থাকবে না যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারি। কেবল মুসলিম জাতি নয়, পুরো মানবজাতিকে আমরাই পারি ঐক্যসূত্রে গাঁথতে। ইস্পাতকঠিন ঐক্য আমাদের পরিণত করে দিতে পারে পৃথিবীর পরাশক্তিতে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!

রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো!
আগামীকাল রোববার বাংলাদেশে আসতে পারেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ভুটানের রাজধানী থিম্পু সফরে যাওয়ার পথে স্বল্প সময়ের জন্য ঢাকায় ট্রানজিট নেওয়ার…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন

শ্রীল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীভল্লভপুর ঘোষপাড়া শ্রীশ্রী কালী মন্দির পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন। পরিদর্শনকালে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে ভাতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায়…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা
বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ

সাদুল্লাপুরে ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় একটি ব্রিজের নিচের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারীর আনুমানিক বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ইপিডিএবি -এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
ইলেকট্রনিক্স পণ্য পরিবেশক সমিতি বাংলাদেশ তথা ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইপিডিএবি)-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটির পথচলায় এক…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

ফুলবাড়ীতে বিএনপির সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বিএনপির সদ্যঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলটির একাংশের নেতাকর্মীরা। কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে জেলের জালে ৯০ কেজির বাঘাইড় মাছ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পুটিমারী এলাকায় স্থানীয় এক জেলের জালে ৯০ কেজি ওজনের একটি বিশালাকার বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) মাছটির ছবি…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

রৌমারীতে ট্রাক ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী এলাকায় ডিসি সড়কে মালবোঝাই ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বরখাস্ত চিকিৎসক!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আকস্মিক পরিদর্শনে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখা যায় সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে। এ সময় কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশও…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন

কালিয়াকৈর ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
মোঃ শফিকুল ইসলামকালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধিগাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরস্থইবনে সিনা  ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড  এর হারবাল শাখায় শনিবার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ওষুধের মেশিন ও গোডাউনে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!

নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, রয়েছে ৩ শিশুও!
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে তিন শিশুও। শুক্রবার রাতে নুডলস খাওয়ার পর ঘুমাতে যান পরিবারের সদস্যরা।…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জাহাজ চলাচলে কঠোর হুঁশিয়ারি!
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সাম্প্রতিক সময়ে এই নৌপথে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, স্ত্রীসহ পরিবারের ৬ সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় আশিকুল!
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রীসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারানোর শঙ্কায় ভেঙে পড়েছেন আশিকুল ইসলাম। আনন্দঘন ভ্রমণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!

পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬ আফটারশক, উপকূলে উদ্বেগ!
মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ৭৪৬টি পরকম্পন বা আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবরের ভূমিকম্পের পর দেশটির…
 ১৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক