প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মুসলিম বিশ্বের পরাজয়ের ছয় কারণ

মুসলিম বিশ্বের পরাজয়ের ছয় কারণ

১৭ এপ্রিল ২০২৪ ১২:৩৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

এ কথা বলার অপেক্ষা  রাখে না- মুসলিম বিশ্ব আজ আক্রান্ত। প্যালেস্টাইন থেকে মিয়ানমার, ইরাক থেকে আফগানিস্তান, সিরিয়া থেকে লিবিয়া, সবখানেই মুসলিমরা আজ নির্যাতনের শিকার। মুসলিম বিশ্ব মানেই যেন লণ্ডভণ্ড ঘরবাড়ি, অসহায় শিশু, ক্ষুধার্ত মুখ, উদ্বাস্তু জীবন, বাঁচার জন্য আকুতি, অপমান আর লাঞ্ছনা।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, একদা যেই জাতিটি শিক্ষায় , সভ্যতায়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে, আবিষ্কারে, অর্থনৈতিক স¶মতায়, সামরিক শক্তিতে বিশ্বের সেরা জাতি ছিল, সেই জাতির আজ এই শোচনীয় পরিণতির কারণ কী? আসুন ব্যাখ্যা করা যাক।
জাতি নেই
মুসলিম জাতি একদা ছিল লৌহকঠিন ঐক্যবদ্ধ জাতি। রসুল (সা.) ও তাঁর সাহাবীদের অকল্পনীয় কুরবানি ও সংগ্রামের মাধ্যমে আটলান্টিকের তীর থেকে চীন সীমান্ত, উত্তরে উরাল পর্বতমালা থেকে দক্ষিণে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত বিশাল এই জনগোষ্ঠী ছিল ঐক্যের বলে বলিয়ান। কিন্তু সেই জাতি আর নেই। এখন আমরা মুসলিম বলে যে জনগোষ্ঠী দেখতে পাই, তাদের মধ্যে ঐক্যের লেশমাত্রও নেই। এরা সংখ্যায় ১৮০ কোটি হলেও তাদের জাতীয় পরিচয় আর মুসলিম নেই। তারা এখন ৫৭টার মতো ভৌগোলিক রাষ্ট্রে আলাদা আলাদা জাতীয় পরিচয়ে বিভক্ত। প্রত্যেকটা মুসলিম দেশের আছে আলাদা আলাদা সংবিধান, আলাদা সরকার, আলাদা আইন। যার যার দেশের স্বার্থই তাদের কাছে মুখ্য। প্রতিবেশী দেশের মুসলমানরা ধ্বংস হলেও তাদের কোনো বিকার নেই। তবে শুধু ভৌগোলিক জাতিরাষ্ট্রই নয়, এছাড়াও ধর্মীয়ভাবে তারা শিয়া, সুন্নি, হানাফি, হাম্বলি ইত্যাদি শত শত মাজহাবে, ফেরকায় বিভক্ত এবং আধ্যাত্মিকভাবেও বিভক্ত বিভিন্ন তরিকায়। এছাড়াও মানুষের তৈরি বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করার ফলে রাজনৈতিকভাবেও তারা বিভিন্ন দলে-উপদলে বিভক্ত। এই অনৈক্য আজ মুসলিম বিশ্বকে এতটাই দুর্বল করে রেখেছে যে, সংখ্যায়, আয়তনে, প্রাকৃতিক সম্পদে শক্তিশালী হবার পরও তারা সর্বত্র লাঞ্ছিত, অবহেলিত ও নির্যাতিত হচ্ছে। তাদের দেশগুলো অন্যায়ভাবে ধ্বংস করে ফেললেও তারা কোথাও বিচার পাচ্ছে না।
নেতা নেই
এই উম্মাহর পরাজয়ের দ্বিতীয় কারণ হলো তাদের কোনো অবিসংবাদিত নেতা নেই। মুসলিম উম্মাহ কখনও নেতাহীন থাকতে পারে না। বিশ্বনবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণ কখনও নেতাহীন ছিলেন না। যখন মহানবী (সা.) আরব উপদ্বীপে আল্লাহর হুকুম প্রতিষ্ঠা করে ইন্তেকাল করলেন, তখন সঙ্গে সঙ্গে সাহাবীগণ তাদের জাতির নেতা বা ইমাম হিসেবে আবু বকর (রা.) কে গ্রহণ করে নিয়েছিলেন। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য খলিফাগণ জাতির কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাহাবীরা কখনও কল্পনাও করতে পারতেন না যে, তাদের কোনো কেন্দ্রীয় নেতা থাকবে না। কিন্তু আজ মুসলিম জাতির কোনো কেন্দ্রীয় নেতা বা ইমাম বা আমিরুল মু’মিনিন নেই। ফলে অভিভাবকহীন এই জনগোষ্ঠীকে যে যেভাবে পারছে, আঘাত করছে। আর এই জনগোষ্ঠীও উদ্ভ্রান্তের মতো একেকজন একেকদিকে ছুটছে। কখনওবা নিজেরাই নিজেদের সঙ্গে মারামারিতে লিপ্ত হচ্ছে।
আকিদা নেই
মুসলমানদের পরাজয়ের অন্যতম বড় কারণ ইসলামের আকিদা ভুলে যাওয়া। এই জাতি ভুলে গেছে তাদেরকে কেন একটি ঐক্যবদ্ধ, সুশৃঙ্খল, সংগ্রামী জাতি হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সা.) এর আগমন হয়েছিল সারা বিশ্বের মানুষকে ন্যায়ের প¶ে ঐক্যবদ্ধ করে মহাজাতিতে পরিণত করার জন্য। তিনি ও তাঁর সাহাবীদের উদ্দেশ্য ছিল এমন পৃথিবী বিনির্মাণ করা যেখানে থাকবে না যুদ্ধ-সংঘাত, থাকবে না গায়ের রঙের ভিত্তিতে বা ভাষার ভিত্তিতে বা অঞ্চলভেদে মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ। কিন্তু সেই আকিদা এখন হারিয়ে গেছে। বর্তমানে মুসলিম উম্মাহর সামনে সামষ্টিক কোনো ল¶্য উদ্দেশ্য (আকিদা) নেই। দুনিয়া ইবলিশের হাতে ছেড়ে দিয়ে মুসলমানরা এখন পরকালের মুক্তির আশায় নামাজ রোজা, হজ্ব ইত্যাদি আনুষ্ঠানিকতা পালন করে চলেছে।
জেহাদ নেই
রসুল (সা.) এর আগমনের উদ্দেশ্য ছিল সমস্ত পৃথিবীতে আল্লাহর দেওয়া সত্যদীন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পৃথিবী থেকে অন্যায় অবিচার যুদ্ধ রক্তপাত নির্মূল করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। (ফাতাহ ২৮, সফ ৯, তওবা ৩৩) এই মিশন বাস্তবায়নের জন্য রসুল (সা.) মাত্র দশ বছরের মধ্যে ৭৮টা যুদ্ধ করেছিলেন। তিনি জানতেন এতবড় মিশন একজন মানুষের এক জীবনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তাই তিনি একটি সামরিক জাতি গড়ে তুলেছিলেন, যারা তাদের নেতা মোহাম্মদ (সা.) এর সঙ্গে থেকে প্রতিটা যুদ্ধে অংশ নিয়ে বুঝেছিলেন কীভাবে সংগ্রাম করতে হবে। নেতার ইন্তেকালের সঙ্গে সঙ্গে সেই জাতিটি আরবভূমি থেকে বহির্বিশ্বে বেরিয়ে পড়েছিলেন তওহীদের পতাকা নিয়ে। সেই সাহাবা-আজমাইনদের সংগ্রামের ফলে অর্ধপৃথিবীতে আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠা হয়। মানুষ দরজা খুলে ঘুমানোর মতো নিরাপদ সমাজ পায়। কিন্তু রসুল (সা.) এর ইন্তেকালের ৬০/৭০ বছর পর, সাহাবীদের যুগের পরবর্তী যুগে জাতি তাদের জীবনের উদ্দেশ্য ভুলে যায়। বাকি পৃথিবীতে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাদ দিয়ে, অস্ত্র ছেড়ে তসবিহ নিয়ে একদল খানকায় ঢুকে সুফি-দরবেশ হবার সাধনা শুরু করে, আরেকদল খাতা-কলম নিয়ে আল্লাহর কিতাব ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের কাজে লেগে পড়ে। ফলে একদিকে সুফি দরবেশ তৈরি হতে থাকে, আরেকদিকে মুফতি, মাওলানা, মুহাদ্দিস, মুফাসসির তৈরি হতে থাকে, কিন্তু মুজাহিদ তৈরি হবার পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। জেহাদ ছেড়ে দেওয়ার সেই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের ফল আজ মুসলিম জাতি ভোগ করছে শত্রুর কাছে পরাজিত হয়ে ও গোলামী করে। আল্লাহ বলেছিলেন- যদি তোমরা অভিযানে বের না হও তাহলে তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিব এবং তোমাদের স্থলে অন্য জাতিকে স্থলাভিষিক্ত করব। (তওবা: ৩৯) আজ মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন আল্লাহর এই হুঁশিয়ারির বাস্তবায়ন হয়েছে কিনা?
তওহীদ নাই
মুসলিমরা যদি একটা দেহ হয়ে থাকে, তাহলে সেই দেহের প্রাণ হলো তওহীদ। তওহীদ হলো আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে হুকুমদাতা, বিধানদাতা হিসেবে না মানা। ১৪০০ বছর আগে রসুল (সা.) ও তাঁর সাহাবীদের সংগ্রামের মাধ্যমে যে উম্মাহ গড়ে উঠেছিল সেই উম্মাহ জীবনের সর্বাঙ্গনে আল্লাহর দেওয়া বিধানে পরিচালিত হতো। কিন্তু বর্তমানে মুসলিমরা তাদের জাতীয় জীবন থেকে আল্লাহর দেওয়া বিধান বাদ দিয়ে পশ্চিমা বস্তুবাদী সভ্যতার দেওয়া বিধান শিরোধার্য করে নিয়েছে। অর্থাৎ জাতীয় জীবনে আল্লাহকে তারা হুকুমদাতা হিসেবে মানছে না। আল্লাহর সঙ্গে শিরক করছে। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে নামাজ রোজা ইত্যাদি চালিয়ে যাচ্ছে। সহজ ভাষায় বললে- এই উম্মাহ এখন ব্যক্তিগত জীবনে ইলাহ মানছে আল্লাহকে, কিন্তু জাতীয় জীবনে ইলাহ মানছে মানুষকে। এভাবেই কার্যত শিরক ও কুফরে ডুবে আছে অধিকাংশ মুসলিমরাই। ফলে আল্লাহর সাহায্য থেকে তারা হচ্ছে বঞ্চিত। কারণ আল্লাহ সব অপরাধের ¶মা করেন, কিন্তু শিরক ¶মা করেন না।
কর্মসূচি নেই
মুসলিম বিশ্বের অধঃপতনের আরেক কারণ আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি হারিয়ে ফেলা। আল্লাহর রসুল এক হাদিসে বলেন- “আল্লাহ আমাকে পাঁচটি কাজের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, আমি তোমাদেরকে সেই পাঁচটি কাজের দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছি। সেগুলো হলো- ঐক্যবদ্ধ হও, নেতার আদেশ শোনো, নেতার আদেশ মানো, হেযরত করো, জেহাদ করো।” আল্লাহর রসুল আরও বলেন- যে বা যারা এই ঐক্যবন্ধনী থেকে এক বিঘত দূরে সরে যাবে তাদের গলা থেকে ইসলামের রশি খুলে যাবে। যারা এই কর্মসূচির বাইরে অন্য কোনো কর্মসূচির দিকে ডাকবে- তারা জাহান্নামের জ্বালানিপাথর হবে, যদিও তারা নামাজ পড়ে, রোজা রাখে ও নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করে।” [আল হারিস আল আশয়ারী (রা.) থেকে আহমদ, তিরমিযি, বাব উল এমারাত, মেশকাত]
পাঠক, আল্লাহ ও রসুলের দেওয়া সেই পাঁচ দফা কর্মসূচি আজ কোথায়? কোথায় মুসলিমদের ঐক্য? কোথায় নেতার আদেশ শোনা ও মানা? যেখানে নেতাই নাই সেখানে আদেশ শোনা ও মানার প্রশ্ন আসে কি? কোথায় হেযরত? কোথায় জেহাদ? এক কথায় জবাব- আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি এই জাতি বহু আগেই বাদ দিয়েছে। মুসলিমরা এখন পশ্চিমা সভ্যতার তৈরি বিভিন্ন কর্মসূচি অনুযায়ী তাদের জীবন পরিচালনা করছে। এমনকি তথাকথিত ইসলামী দলগুলোও তাদের নিজ নিজ দলীয় কর্মসূচি নিজেরাই বানিয়ে নিয়েছে। অথচ, আল্লাহর রসুল বলেছিলেন- আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি থেকে এক বিঘত দূরে সরে গেলেও গলা থেকে ইসলামের রশি খুলে যাবে।
এত¶ণে আমরা নিশ্চয়ই বুঝে গেছি, মুসলিমদের বিশ্বজোড়া অধঃপতন ও পরাজয়ের অন্তর্নিহিত কারণগুলো কী কী। কখনও কি ভেবে দেখেছেন- আজ যদি সারা বিশ্বের ১৮০ কোটি মুসলমান একজন নেতার অধীনে তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ থাকত এবং আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি মোতাবেক পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবতীর্ণ হতো, তাহলে তাদের সামনে কোনো অত্যাচারী শক্তি এক সেকেন্ডের জন্যও দাঁড়িয়ে থাকতে পারত কি? পারত না। মুসলিমদের উপর কেউ নগ্ন অত্যাচার করতে পারত না এবং বিচারের জন্য মুসলিমদেরকে বেইজিং মস্কো নিউইয়র্কে গিয়ে ধরনা দিতে হতো না, বরং মুসলিমরাই হতো পৃথিবীর শান্তি ও নিরাপত্তার রক্ষক। তাদের মাধ্যমে মানবজাতি পেত সত্যিকারের মানবাধিকার ও স্বাধীনতা। আল্লাহ যেন মুসলিম উম্মাহকে পুনরায় সঠিক পথের দিশা প্রদান করেন।
[লেখক: গবেষক ও প্রাবন্ধিক
যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৭১১৫৭১৫৮১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের এই করুণ পরিণতি কোনো নিয়তির নির্মম পরিহাস নয়, বরং তা আল্লাহর বিধান থেকে দূরে সরে যাওয়ারই অবশ্যম্ভাবী ফসল। আমরা নামের শেষে মুসলিম…
 ১৬ জুন ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার
চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন
চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের জন্য সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পসহ নতুন ও সংশোধিত পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়