প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   স্বাধীনতার সুফল আসছে না যে...

স্বাধীনতার সুফল আসছে না যে কারণে

২৬ মার্চ ২০২৩ ০৭:৩১ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

দেখতে দেখতে স্বাধীনতার ৫০টি বছর পেরিয়ে গেল। একটি জাতির জন্য ৫০ বছর অনেক বিরাট সময়। বিশেষ করে এই জ্ঞান বিজ্ঞান প্রগতির যুগে যেখানে আগে যে পথ পাড়ি দিতে ছয়মাস সময় লাগত সেই পথ এখন আধ ঘণ্টায় পাড়ি দেওয়া যায়। চিঠির মাধ্যমে মনের ভাব আদান প্রদান করতে ছয়মাস লাগত সেখানে চোখের পলকে যোগাযোগ করা যাচ্ছে। অর্থাৎ সময় অনেক সংক্ষিপ্ত। কাজেই এ যুগে এসে একটি জাতির জন্য ৫০ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। এখন সময় হয়েছে আমাদের অতীত ইতিহাসকে মূল্যায়ন করার, কী লক্ষ্য ছিল আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের, কীসের আশায় লক্ষ লক্ষ বাঙালিদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল, এত আবেগ অনুভূতি যে স্বাধীনতাকে ঘিরে তার কতটুকু অর্জিত হলো, যে অবিচার অনাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, সেই অবিচার অনাচার আজও রয়ে গেছে কিনা, মুক্তির জন্য যে যুদ্ধ সেটা মানুষকে কতটুকু মুক্তি দিল, কী প্রতিবন্ধকতা আমাদের শান্তির অন্তরায় ছিল, সেই স্বাধীনতা কতটুকু সফল হলো, সেই মূল্যায়ন করার জন্য যথেষ্ট সময় আমরা পাড়ি দিয়েছি, এখন সেই মূল্যায়ন করতেই হবে।

সুলতানী যুগ

দীর্ঘদিন থেকে পাল বংশ, সেন বংশের রাজারা এ অঞ্চলে রাজত্ব করতেন। কোনো কোনো রাজার ব্যক্তিগত উদ্যমের কারণে কোনো কোনো নির্দিষ্ট এলাকা হয়তো উন্নতি করেছিল। কিন্তু অধিকাংশ এলাকায় মানুষ ছিল নিষ্পেষিত। কারণ রাজারা ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষকে নিপীড়ন করছিলেন আর ভোগবিলাসের জন্য চালাচ্ছিলেন শোষণ। নিপীড়িত জনতার পক্ষে সম্ভব ছিল না ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার। এদিকে আরবে আল্লাহর রসুলের আবির্ভাব হয়। তিনি সেখানে ঐশী পথনির্দেশ প্রাপ্ত হয়ে সূচনা করেন এক দুর্বার জাগরণ, রেনেসাঁর। মানব ইতিহাসের পটভূমিতে নতুন একটি মহাশক্তির আবির্ভাব হলো, যার নাম উম্মতে মোহাম্মদী। আটলান্টিকের তীর থেকে মরোক্কা পর্যন্ত সেই জাতিটি অনাবিল শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রগতির ঝড় সৃষ্টি করল। সেই ঢেউ আমাদের ভূখণ্ডেও আছড়ে পড়ল। যদিও ততদিনে ইসলামের প্রকৃত আদর্শ অনেকাংশেই বিকৃত হয়ে গিয়েছিল। আমাদের এখানে তুর্কি, ইরান, আফগানিস্তান থেকে ইসলামের চেতনার মশাল নিয়ে আগমন করলেন বহু বীর সেনানী। তারা অত্যাচারী রাজবংশগুলোর হাত থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্তি দিলেন, মানুষও তাদেরকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আলিঙ্গন করে নিল। তারা মুক্তি, সাম্য ও ন্যায়ের বাণী নিয়ে এসেছিলেন। তাদের সোনালী শাসনামলে টাকায় আটমন চাল, গোলাভরা ধান, গোয়ালভরা গরু ইত্যাদি কথা আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। কিন্তু যেহেতু তারা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষার থেকে অনেকটাই বিচ্যুত ছিলেন, তাই রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, হিংসা বিদ্বেষ, ক্ষমতার লোভ ইত্যাদি বহুবিধ কারণে নিজেদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি হলো। এরই মধ্যে মোঘলদের আক্রমণে বাংলায় সুলতানী আমলের সমাপ্তি ঘটল।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

Screenshot 1

টাঙ্গাইলের জমিদার পন্নী পরিবারের পূর্বপুরুষ তাজ খান পন্নী, সুলেমান খান পন্নী, বায়েজিদ খান পন্নী ও দাউদ খান পন্নী এই বাংলা বিহার উড়িষ্যা, উত্তর প্রদেশ তথা গৌড় জনপদকে শাসন করতেন। দিল্লির বাদশাহ আকবর ইসলাম ত্যাগ করে দীনে এলাহী নামক নতুন ধর্মমত চালু করায় দাউদ খান পন্নী সেই প্রতাপান্বিত মোঘল বাদশাহকে বাৎসরিক কর দিতে অস্বীকার করেন এবং নিজের নামে মুদ্রা ও খোতবা প্রদানের ঘোষণা দেন। এভাবে তিনি এই বৃহত্তর বঙ্গকে স্বাধীন জনপদ হিসাবে ঘোষণা করেন এবং এ অঞ্চলের সকল রাজা ও জমিদারকে ঐক্যবদ্ধ করেন।

মোঘল শাসন

সম্রাট আকবর বঙ্গের স্বাধীন সুলতান দাউদ খান পন্নীর বিরুদ্ধে সেনাভিযান প্রেরণ করেন। রাজমহল নামক স্থানে প্রচণ্ড রক্তক্ষীয় যুদ্ধ হয়, তাতে মোঘল বাহিনী বিজয়ী হয় এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেন সুলতান দাউদ খান পন্নীসহ বহু বীর বাঙালি, পাঠান সৈন্য। এরপর থেকে বাংলা দিল্লির সুবেদারদের দ্বারা পরিচালিত হতে থাকে। এদিকে ভারতবর্ষে কালো থাবা বিস্তার করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী। ছলে বলে কৌশলে যেখানে যেভাবে দরকার তারা মোঘল শাসকদেরকে পরাভূত করে ধীরে ধীরে পুরো ভারতকে নিজেদের উপনিবেশে পরিণত করে। তখন তারা ভারতবর্ষের যাবতীয় সম্পদকে শোষণ করে নিয়ে ব্রিটেনে জমা করতে থাকে। ভারতের হিন্দু আর মুসলিমদেরকে শাসন করার সুবিধার্থে ডিভাইড অ্যান্ড রুল নীতি নিয়ে তারা এই দুই জাতির মধ্যে শত্রুতার মনোভাব সৃষ্টি করল। তারা নিজেদের দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও দণ্ডবিধি এদেশের উপর চাপিয়ে দিল। তাদের শোষণ আর শাসনের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষ বিদ্রোহ করল বার বার। এই বিদ্রোহকে প্রশমিত করার জন্য ব্রিটিশরা কংগ্রেস আর মুসলিম লীগ নামে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল তৈরি করে দিল। পর পর দুটো বিশ্বযুদ্ধে সমাপ্ত হলো ঔপনিবেশিক যুগ। দুশো বছরে বহু প্রাণ, বহু রক্ত দিল মানুষ, বহু চাবুক পেটা আর জুতোর লাথি খেল। তারপর এক সময় লাহোর প্রস্তাবের দাবি মোতাবেক হিন্দু আর মুসলমানের জন্য দুটো আলাদা ভূখণ্ড নির্দিষ্ট করা হলো – ভারত ও পাকিস্তান।

পাকিস্তান আমল

কথা ছিল পাকিস্তান শাষিত হবে ইসলামের নীতি মোতাবেক। কিন্তু কার্যত দেখা গেল পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানের সাথে সেই উপনিবেশ যুগের বর্বর শাসনপ্রথাই চালাতে লাগল। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ব্যাপক রূপ নিল। ভারত থেকে লক্ষ লক্ষ মুসলমানদের তাড়িয়ে দেওয়া হলো, বাংলাদেশ থেকেও লক্ষ লক্ষ হিন্দুকে পূর্বপুরুষের ভিটামাটি থেকে উৎখাত করা হলো। ইংরেজরা ভারতবাসীর মাতৃভাষার অধিকারে হস্তক্ষেপ করে নি, কিন্তু পাকিস্তান সরকার উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা বলে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করল। বাঙালি আবারো রক্ত দিল, ভাষার অধিকারের জন্য। অভাব, দারিদ্র, কষ্ট দূর হলো না, কারণ এখন বিলেতের বদলে পশ্চিম পাকিস্তানে দেশের সম্পদ পাচার হতে লাগল। ইসলাম দেবে বলে তারা নাম রেখেছিল ইসলামিক প্রজাতন্ত্র কিন্তু মানুষ ইসলামের সেই সুবিচার, ন্যায়বিচার, ভ্রাতৃত্বের ছিটেফোটাও পায় নি। পেয়েছে ধর্মের নামে রাজনীতি আর প্রতারণা। অভিজাত কয়েকটি বুর্জোয়া পরিবারের হাতে ক্ষমতা আর অর্থের ছড়ি কুক্ষিগত হলো। শাসক শ্রেণি মানুষের মনের ভাষা বোঝার চেষ্টা করে নি। এরপর এলো একে একে ছয় দফা, উনসত্তরের গণ-আন্দোলন, আগরতলা ষড়যন্ত্র। সবশেষে বাঙালি জাতি এমন একজন নেতাকে খুঁজে পেল যার প্রতি তারা তাদের অকুণ্ঠ সমর্থন উজাড় করে দিল। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরও পাকিস্তান সরকার তাঁকে ক্ষমতা হস্তান্তর করল না। উল্টো তারা ২৫ মার্চ কালো রাতে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গণহত্যা চালালো, বঙ্গবন্ধুকে বন্দী করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হলো। তারপর নয় মাস বাংলার স্বাধীনচেতা কৃষক, শ্রমিক, মজুর, তাঁতি, কামার, মাঝি, ছাত্র, শিক্ষক সবাই অস্ত্র হাতে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করল। আমরা পেলাম একটি স্বাধীন দেশের মানচিত্র।

স্বাধীন বাংলাদেশে বিভক্তির রাজনীতি

যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে গত ৫০ বছর আমাদের এই জনগোষ্ঠীকে রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ও ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণি একদিনের জন্যও ঐক্যবদ্ধ থাকতে দেয় নি। ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণিটি একদিকে নানা ফেরকা মাজহাব আর অপরাজনীতি করে গেছে আর অপরদিকে পাশ্চাত্য থেকে ধার করা বিভিন্ন দাসত্বের মতবাদের উপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে সারাবছর হামলা-পাল্টা হামলা, ভোটাভুটি নিয়ে রক্তারক্তি, হরতাল, অবরোধ চালিয়ে গেছে। ফলে স্বাধীনতার সুফল আমরা ভোগ করতে পারি নি, শান্তি আসে নি। সরকারগুলো বস্তুগত উন্নতির চেষ্টা করেছে, বিরোধীরা সরকাকে শিক্ষা দিতে গিয়ে প্রতিবাদের নামে জাতির সম্পদ ধ্বংস করেছে। এই আধুনিক গতিশীলতার যুগে একটি জাতিকে পৃথিবীর বুকে সম্মানজনক আসন লাভ করতে ৫০ বছর কম সময় নয়। কিন্তু আজও আমরা দারির্দ্যের সাথেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি, হাজার হাজার ডলার বৈদেশিক ঋণের বোঝা এ জাতির মাথার উপরে। দেশ স্বাধীন হওয়ার সময় এ দেশের জনসংখ্যা ছিল সাড়ে সাত কোটি, কিন্তু এখন আমরা সংখ্যায় ১৬ কোটি যাদের বিরাট একটি অংশ তরুণ, উদ্যমী, কর্মক্ষম এবং পরিশ্রমী। আমাদের মাটি অত্যন্ত উর্বর। আমাদের রয়েছে বিপুল পরিমাণ খনিজ সম্পদ, রয়েছে নদী, সমুদ্রসীমা যা উন্নয়নের বড় নিয়ামক।

সব মিলিয়ে আমরা যদি নিজেরা স্বার্থ, ক্ষমতা, রাজনীতি আর ধর্ম নিয়ে হানাহানি না করে যাবতীয় সুস্পষ্ট অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ শক্তিশালী একটি জাতিসত্তা গড়ে তুলতে পারতাম তাহলে এতদিন আমরা অর্থনৈতিক, সামরিক, শিক্ষা, প্রযুক্তি, কৃষি এক কথা সর্বদিক থেকে পরাশক্তিতে পরিণত হতে পারতাম। সেখানে আমরা এখনও মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার জন্য কতই না চেষ্টা করছি। যাহোক, সময় ফুরিয়ে যায় নি। এখনও আমরা চাইলে অন্তর্কলহ ত্যাগ করে ঐক্যবদ্ধ হতে পারি, তাহলে চলমান বৈশ্বিক সংকট ও আঞ্চলিক সংকট থেকে নিজেদের দেশ ও জাতিকে নিরাপদ রাখতে পারব। নয়তো ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান ইত্যাদি দেশগুলো যেভাবে ধীরে ধীরে সাম্রাজ্যবাদীদের ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পড়ে ধ্বংস হয়ে গেছে আমাদেরকেও হয়তো তেমন পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে।

এদিকে যেভাবে সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তিগুলো জঙ্গিবাদী ইস্যু সৃষ্টি করে একে পৃষ্ঠপোষণ ও প্রণোদনা দিয়ে একটার পর একটা মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ধ্বংস করে দিচ্ছে, মানুষের ঈমানকে ভুলখাতে প্রবাহিত করে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আর সংঘাতের জন্ম দিচ্ছে এমতাবস্থায় যদি মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ এ অঞ্চলের মানুষকে ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা দ্বারা ঐক্যবদ্ধ করা না যায় তবে এই ভয়াবহ সংকট মোকাবেলা করা সহজ হবে না। সুতরাং এখন আমাদের ইস্পাতকঠিন ঐক্যবদ্ধ জাতিসত্ত্বা গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই আমাদের স্বাধীনতা সার্থক হবে, আমরা বিশ্বের বুকে একটি উন্নত শক্তিশালী জাতি হিসাবে বুক ফুলিয়ে দাঁড়াতে পারব।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ
নদীবেষ্টিত জেলা বরিশালের চারদিক দিয়ে বয়ে চলেছে কীর্তনখোলা, পদ্মা ও মেঘনাসহ অসংখ্য নদী। এসব নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতি বছর বদলে যাচ্ছে জেলার মানচিত্র। মাইলের পর…
 ১০ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু…
 ১০ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির নিজস্ব…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন হয়। হঠাৎ হওয়া এই কম্পনের ফলে সাধারণ…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে…
 ২৫ মে ২০২৬    জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে,…
 ২৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামে পরিচিত আবু বকর সিদ্দিকের অন্ধকার জগতের নানা তথ্য সামনে এসেছে। ধর্মের লেবাস এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে তিনি গত কয়েক…
 ২৩ মে ২০২৬    অন্যান্য