প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   সকল বন্ধ দুয়ার ভাঙলেন শেষ...

সকল বন্ধ দুয়ার ভাঙলেন শেষ রসুল (সা.)

১৯ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৫৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ – এর লেখা থেকে:
ধনের বৈষম্য, বর্ণের বৈষম্য যুগ-যুগান্তর হতে মানবসমাজের বিপুল অংশে বিভেদের অলঙ্ঘ্য প্রাচীর তুলে রেখেছিল; শক্তিময় মানুষ তার সহযোগী মানুষের সামনে স্বয়ং বিধাতার নামে গভীর মন্দ্রে ঘোষণা করে এসেছে, পা হতে তোদের জন্ম, আমাদের পায়ের সেবা করাতেই তোদের স্বার্থকতা। দুর্বল মানুষ তা বিশ্বাস করেছে, বংশানুক্রমে তারা বড়দের জুতা-জল আর জ্বালানি কাঠ বয়ে জীবন কাটিয়েছে। মহানবী এসে উদাত্ত কণ্ঠে ঘোষণা করলেন‌-নাই-নাই, মানুষে মানুষে ভেদাভেদ নাই। ধলা-কালা, ধনী-গরীব, এদেশী-ওদেশী মানুষ হিসাবে এরা সবাই এক। সকলেই আদিম পিতা আদমের বংশধর। এক বাপের ঘরে ছেলে-মেয়েরা যেমন সমান, আদিম পিতা আদমের বংশধরেরাও তেমনি সমান। এ মহাসাম্যের বাণী শুনে সেদিন দিকে দিকে দুনিয়ার মজলুম দল উল্লাসে মেতে উঠেছিল, তাদের মর্মে অনুচ্চারিত ভাষায় গুঞ্জন উঠেছিল:
‘এল ধরায় ধরা দিতে সেই সে নবী
ব্যথিত মানবের ধ্যানের ছবি।’
সে বার্তা শুনে মরুর বাতাস বুুঝি সেদিন উতলা হয়ে উঠেছিল, আরব সাগরের তরঙ্গ শিখরে শিখরে বুঝি সেদিন ঝলক দিয়েছিল আনন্দের বিজলী, খেজুর গাছেরা বুঝি সেদিন তাদের পাতার হাত দুলিয়ে মর্মর ভাষায় বলেছিল-
স্বাগতম!
ইয়া রহমতুললিল আলামিন,
স্বাগতম!
প্রকৃতির অত্যাচার, সংস্কারের অত্যাচার, অনুষ্ঠানের অত্যাচারের হাত থেকে ইসলাম ব্যথিত মানুষের মুক্তি ঘোষণা করেছে। চন্দ্র, সূর্য, নদী, সমুদ্র, পাহাড়-পর্বত, অরণ্য, মরুভ‚মি যুগে যুগে- মানুষের কাছে পূজা প্রণতি আদায় করেছে। মহানবী ঘোষণা করলেন, ওরা কেউই মানুষের কাছে পূজা পাওয়ার অধিকারী তো নয়ই, বরং মানুষের খেদমতের জন্যই ওদের জন্ম। আজ বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে দাঁড়িয়ে এ কথা শোনা আমাদের পক্ষে সহজ হয়ে দাঁড়িয়েছে; কিন্তু তখনকার যুগে এ ছিল এক বিশ্ববিপ্লবের আগমন পথের ত‚র্যধ্বনি। এ যেন কোন মিশরের ফেরাউনের দরবারে দাড়িয়ে বলা যে, ‘হে প্রতাপান্বিত সম্রাট! তুমি আর পিরামিড পারের ঐ অর্ধনগ্ন পাথরবাহী কাফ্রী গোলাম মানুষের অধিকারে তোমরা সমান।’ মহানবীর আবির্ভাবের আগে দুনিয়াময় সংস্কারের অত্যাচার ছিল। মহানবী সে অবুঝ সংস্কারজাত অত্যাচারের সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন। তাঁর একমাত্র পুত্র ইব্রাহিমের যে-দিন মৃত্যু হয়, সেদিন আরবের আকাশে পূর্ণসূর্যগ্রহণ। দিন-দুপুরে আকাশে কয়েকটি তারাও দেখা দিল। আরবের সাধারণ মানুষেরা ভয় পেয়ে গেল। তাদের কয়েকজন দলবেঁধে মহানবীর কাছে গিয়ে বলল,“মুহাম্মদ, তুমি যে সত্য নবী আমরা আজ বুঝতে পেলাম, নইলে তোমার ছেলের মৃত্যুর জন্য এমন অদ্ভূত গ্রহণ হবে কেন?” তখন মহানবীর মস্তকের উপর দুশমনের হাজারো তলোয়ার আঘাতের জন্য উদ্যত, একটু বললেই উপস্থিত লোকগুলো ইসলামে ইমান এনে তাঁর ঝাণ্ডার তলে হুঙ্কার ছেড়ে দাঁড়ায়। কিন্তু তাঁর হৃদয়-ফলকে কোন প্রলোভনের ছায়াপাত হলো না। তিনি প্রশান্ত কণ্ঠে বললেন, “চাঁদ-সুরুজের গ্রহণ সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ব্যাপার। কোন মানুষের জন্ম-মৃত্যুর সঙ্গে ওর কোন সম্বন্ধ নাই। তোমরা নির্ভয়ে ঘরে ফিরে যাও।”
যুগে যুগে মানুষ ভেবেছে, এ জগতে আসাই পাপ। তাদের শিশুরা পাপের কলঙ্ক লেখা ললাটে নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে। মহানবী ঘোষণা করলেন, “দুনিয়ার সমস্ত শিশু নিষ্পাপ অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে, তাদের মধ্যে কতকে যে পরবর্তী সময়ে নষ্ট হয়, তা পারিপার্শ্বিক অবস্থায় দৌরাত্মে।” জ্ঞান মানব জীবনের শ্রেষ্ঠতম সম্পদ। এ সম্পদের দুয়ার সর্বকালের সর্বসাধারণের জন্য মুক্ত রাখে নাই। তারা প্রভাবশালী কতিপয়ের মধ্যে জ্ঞানানুশীলন সীমাবদ্ধ রেখেছে। যাতে জনসাধারণ জ্ঞানানুশীলনের ধারে- কাছে না যেতে পারে, সেজন্যই বই-পুস্তক লিখিত হত দুর্বোধ্য হরফে ও সাধারণের অবোধ্য ভাষায়। তাঁরা বই লিখে গর্ব করে বলতেন-
কহে কবি কালিদাস হেঁয়ালীরই ছন্দ,
মূর্খ বুঝিবে কি পণ্ডিত লাগে ধন্দ।
মহানবী এসে যুগ যুগ বঞ্চিত জনগণের সামনে জ্ঞানের দুয়ার অবারিত খুলে দিলেন। নর-নারী সবার জন্য বিদ্যার্জন হল অপরিহার্য কর্তব্য। কেবল তাই নয়, জ্ঞান সংগ্রহের ব্যাপারে জাতিগত, ধর্মগত, বর্ণগত সমস্ত বাধা-বিঘ্নে অলঙ্ঘ্য প্রাচীর তিনি ধূলিসাৎ করে দিয়ে ঘোষণা করলেন: জ্ঞান তোমাদের হারানো মানিক, যেখানে পাও সেখান থেকে কুড়িয়ে নাও। চীন আরবের প্রতিবেশী দেশ নয়। সে দেশের বাসিন্দাদের সঙ্গে আরবের লোকের ভাষায়, আহারে, ধর্মে , সমাজে সভ্যতার কোন দিক দিয়েই মিল ছিল না। তবু রছুলুল্লা বললেন জ্ঞানের সন্ধানে দরকার হলে অমন দেশেও যাও।
জ্ঞানের বিকাশ সাধনের জন্য গবেষণাকে তিনি যে বিপুল মর্যাদা দিয়েছেন দুনিয়ার আর কোন লোক তা দিয়েছেন বলে তো মনে পড়ে না। তিনি বলেছেন, ‘এজতেহাদ’ (গবেষণা) কর; এজতেহাদে যে ব্যক্তি সফলকাম হবে তাঁর দ্বিগুণ ছওয়াব, যে ব্যক্তি বিফল হবে সেও পাবে একগুণ ছওয়াব। অতীতকালে বহুক্ষেত্রে মানুষ জ্ঞান ও ধর্মের আলোচনাকে বিশেষ বিশেষ ভাষার দুর্ভেদ্য দুর্গে আবদ্ধ করে রাখত। গ্রীসের বাসিন্দারা ভাবত, তাদের মাতৃভাষা ছাড়া দুনিয়ার বাকি সমস্ত ভাষাই বর্বদের কলরব। হিন্দুরা ভাবত সংস্কৃত দেবভাষা, বাকি সব স্বভাবতই হচ্ছে স্বচ্ছ ভাষা। ইহুদীরা হিব্রু ভাষাকে ঐ চোখেই দেখত। মহানবী যখন ইসলাম প্রচার শুরু করেন, তখন আরবের উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ ভাগে সুসংবদ্ধ শিক্ষিত ইহুদী ও খৃষ্টান সমাজ ছিল। তাদের সাংস্কৃতিক ভাষা ছিল হিব্রু। রছুলুল্লাহর শক্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তাঁর কাছে প্রতিবেশী আমীর-ওমরাদের পত্র আসতে শুরু করে। এসব পত্র হিব্রু ভাষায় লিখিত থাকত। তাঁর সাহাবীদের মধ্যে হিব্রু জানা লোক বেশি না থাকায় তিনি জায়েদ-বিন-ছাবেতকে হিব্রু ভাষা শিখতে আদেশ দেন। তৎকালীন রীতি মোতাবেক ধর্মের নতুন কোন বাণী এলে তা হিব্রু ভাষায় আসবে এই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু মহানবীর প্রচারিত ধর্মের বাণী এল আরবী ভাষায়। কেন সনাতন প্রথা ভঙ্গ করে নতুন ভাষায় বাণী এল, তার কারণ কোরান মাজীদে দর্শান হয়েছে, ‘ইন্না আনজালনাহু কোরআনান আরাবিয়্যাল্লায়াল্লাকুম তাকেলুন’ -আমরা আরবী ভাষায় কোরান নাজেল করেছি এই জন্য যাতে তোমরা বুঝতে পার (সূরা ইউছুফ দ্বিতীয় আয়াত)। এমনিভাবে সনাতন ভাষার দুর্লঙ্ঘ্য প্রাচীর মহানবী ধূলিসাৎ করে দিলেন। অবোধ্য ভাষা হলেও শাস্ত্র কেবল আওড়ালেই নাজাত মিলে এই ভ্রান্ত বিশ্বাসের উপর জয়লাভ করল এই নবনীতি; যে ভাষাতেই হোক শাস্ত্র বচন বুঝে চলাই শ্রেয়। এই মুক্ত উদার নীতিই ইরানী কবিবে উদ্বুদ্ধ করেছিল বলতে:
ছোখন কাজ্ বহর এ হক গুয়ী চে এবরানী
চে ছুরিয়ানী,
মকান কাজ বহর-এ হক জুয়ী চে জাবল্কা
চে জাবলছা?
মানুষ ক্ষুধার তাড়নায় স্মরণাতীতকাল থেকে যে নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম চালিয়ে এসেছে, সে সংগ্রামের পরই সে সাধনা করে এসেছে ধর্মের জন্য। ধর্মকে সে মনে করেছে বুকের ধন, চোখের মণি, মাথার মুকুট। কিন্তু এ ধর্ম চর্চার ক্ষেত্রেও মানুষ চিরদিন সম-অধিকার ভোগ করে আসে নাই। সমাজের উপর যারা প্রভুত্ব করেছে, তারা অবনত জনগণের পক্ষে শাস্ত্রপাঠ নিষিদ্ধ করেছে, উপাসনা মন্দিরের দুয়ার তাদের সামনে রুদ্ধ করে দিয়েছে, বড়দের মারফত ছাড়া বিধাতার দরবারে যাওয়ার পথে অলঙ্ঘ্য তুলে রেখেছে। মহানবী এসে শাস্ত্র পাঠের দুয়ার, ধর্ম-মন্দিরের দুয়ার, আল্লার দরবারে দুয়ার ছোট-বড়, ধলা-কালা, প্রাচ্য-পাশ্চাত্য নির্বিশেষে সকলের সামনে খুলে দিলেন। ধর্মানুশীলনে যুগ যুগ বঞ্চিত মানুষ অবশেষে তাদের ধ্যানের ছবি খুঁজে পেল। আজ মহানবীর স্মৃতির কথা আলোচনা করতে গিয়ে আপন অকর্মণ্যতার গ্লানিতে চিত্ততল বারংবার বিষাক্ত হয়ে উঠছে। একদিন যার প্রাণময়ী আদর্শ প্রেরণায় আরবের বালিরাশি আগুনের অগণ্য ফুলকির মত জ্বলে উঠেছিল, আজ আমাদের জীবনে সে আদর্শের আবেদন কোথায়? স্মরণাতীতকাল হতে মরুচর আরব বাবলা-খেজুরের ছায়াতলে নিস্পন্দ ঘুমিয়ে কাল কাটিয়ে দিচ্ছিল। মহানবীর বাণীর পরশে-তারা ঘুম ঝেড়ে জেগে উঠল। ঝাঁপিয়ে পড়ল সাধনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বৃত হল তারা জগৎগুরুর আসনে। শিক্ষা, সভ্যতা, সংস্কৃতির ফুলে ফলে তৎকালীন জগত মর্ত্যরে নন্দনে পরিণত হল।
আমাদের জবানে আজও সে বাণী আছে; কিন্তু আমাদের জীবনে সে বাণীর প্রভাব কোথায়? সমস্ত ইন্দো-পাকিস্তানের এলাকায় গত দেড়শ বছরের মধ্যে আমরা কয়জন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিদ্বানের জন্ম দিয়েছি? এই বাংলাদেশে প্রতিবেশী রাজ্যের তুলনায় বাংলা সাহিত্যের জন্য আমরা কি করছি? ভাগ্যিস, আমাদের শরম নাই। নইলে, ওর ভারে নত মাথা নিয়ে রাস্তায় বের হলে আমরা গরুর গাড়ীর চাকার তলে পড়ে মরতাম। এই যে মহানবী সনাতন ভাষার দেয়াল ভেঙ্গে দিয়ে আরবের মাতৃভাষায় ওহী নাযিলের পথ করে দিলেন, সে আদর্শের অনুসরণে আমরা এ দেশে কতদূর চলেছি? ইসলামের অভ্যুদয়ের অনেক শ’ বছর পর ইউরোপের বিভিন্ন জাতি তাদের নিজ নিজ ভাষায় বাইবেলের তরজমা ও তফছীর করে নিয়েছে। কিন্তু আমরা কি করেছি?
জুমা-ঈদের খোতবাগুলি পাকিস্তানীরা উর্দুতে করে নিয়েছে। সে খোতবার ভাষা তারা বোঝে, সে খোতবা থেকে প্রেরণা লাভ করে। আমরা আরবী উর্দু খোতবা শুনতে গিয়ে মসজিদে-ময়দানে ঝিমাই; মিলাদ মাহফিলে গিয়ে বিদেশী ভাষায় ওয়াজের আমেজে হাই তুলি, যুবকেরা সাধ্যপক্ষে সে মাহফিলের দিকে পা বাড়ায় না। যারা যায় তাদের অনেকে কিছুক্ষণ পর চুপি চুপি চলে যায়। আমরা সময়ে অসময়ে তরুণদের কারো কারো পানে চেয়ে মন্তব্য করি; হতভাগারা কমিউনিস্ট হতে চলেছে। কিন্তু তাদের ইসলামিস্ট হওয়ার পথ যদি রুদ্ধ হয়ে যায় তবে ‘ইস্ট’ তাদের হতেই হবে।
সুতরাং যে পথে মহানবী মানুষকে ডেকেছিলেন সেই জ্ঞানোজ্জ্বল সুন্দর পথেই এদের ডাকতে হবে। কিন্তু সে ডাক দেওয়ার ফুরসত আমাদের কোথায়? আর তার জন্য আমরা আদর্শগত অধিকারই-বা অর্জন করেছি কতখানি? যে পথে তাদের ডাকবো সে পথে আমরা নিজেরা বিচরণ করেছি কতদূর? ইকবালের একটি পুরানো বাণীর অনুধ্বনি করে আমাদের আত্ম-জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছা হয়:
‘তোম সৈয়দভী-হোঃ মীর্জাভী-হো, আফগানভী-হো,
তোম সবহি কুছহো-বাতায়ো, মুছলমানভী-হো?’
[সংগ্রহ ও সম্পাদনা: আবু ফাহাদ, সহযোগী সাহিত্য সম্পাদক, দৈনিক বজ্রশক্তি]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর