প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   সকল বন্ধ দুয়ার ভাঙলেন শেষ...

সকল বন্ধ দুয়ার ভাঙলেন শেষ রসুল (সা.)

১৯ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:৫৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ – এর লেখা থেকে:
ধনের বৈষম্য, বর্ণের বৈষম্য যুগ-যুগান্তর হতে মানবসমাজের বিপুল অংশে বিভেদের অলঙ্ঘ্য প্রাচীর তুলে রেখেছিল; শক্তিময় মানুষ তার সহযোগী মানুষের সামনে স্বয়ং বিধাতার নামে গভীর মন্দ্রে ঘোষণা করে এসেছে, পা হতে তোদের জন্ম, আমাদের পায়ের সেবা করাতেই তোদের স্বার্থকতা। দুর্বল মানুষ তা বিশ্বাস করেছে, বংশানুক্রমে তারা বড়দের জুতা-জল আর জ্বালানি কাঠ বয়ে জীবন কাটিয়েছে। মহানবী এসে উদাত্ত কণ্ঠে ঘোষণা করলেন‌-নাই-নাই, মানুষে মানুষে ভেদাভেদ নাই। ধলা-কালা, ধনী-গরীব, এদেশী-ওদেশী মানুষ হিসাবে এরা সবাই এক। সকলেই আদিম পিতা আদমের বংশধর। এক বাপের ঘরে ছেলে-মেয়েরা যেমন সমান, আদিম পিতা আদমের বংশধরেরাও তেমনি সমান। এ মহাসাম্যের বাণী শুনে সেদিন দিকে দিকে দুনিয়ার মজলুম দল উল্লাসে মেতে উঠেছিল, তাদের মর্মে অনুচ্চারিত ভাষায় গুঞ্জন উঠেছিল:
‘এল ধরায় ধরা দিতে সেই সে নবী
ব্যথিত মানবের ধ্যানের ছবি।’
সে বার্তা শুনে মরুর বাতাস বুুঝি সেদিন উতলা হয়ে উঠেছিল, আরব সাগরের তরঙ্গ শিখরে শিখরে বুঝি সেদিন ঝলক দিয়েছিল আনন্দের বিজলী, খেজুর গাছেরা বুঝি সেদিন তাদের পাতার হাত দুলিয়ে মর্মর ভাষায় বলেছিল-
স্বাগতম!
ইয়া রহমতুললিল আলামিন,
স্বাগতম!
প্রকৃতির অত্যাচার, সংস্কারের অত্যাচার, অনুষ্ঠানের অত্যাচারের হাত থেকে ইসলাম ব্যথিত মানুষের মুক্তি ঘোষণা করেছে। চন্দ্র, সূর্য, নদী, সমুদ্র, পাহাড়-পর্বত, অরণ্য, মরুভ‚মি যুগে যুগে- মানুষের কাছে পূজা প্রণতি আদায় করেছে। মহানবী ঘোষণা করলেন, ওরা কেউই মানুষের কাছে পূজা পাওয়ার অধিকারী তো নয়ই, বরং মানুষের খেদমতের জন্যই ওদের জন্ম। আজ বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে দাঁড়িয়ে এ কথা শোনা আমাদের পক্ষে সহজ হয়ে দাঁড়িয়েছে; কিন্তু তখনকার যুগে এ ছিল এক বিশ্ববিপ্লবের আগমন পথের ত‚র্যধ্বনি। এ যেন কোন মিশরের ফেরাউনের দরবারে দাড়িয়ে বলা যে, ‘হে প্রতাপান্বিত সম্রাট! তুমি আর পিরামিড পারের ঐ অর্ধনগ্ন পাথরবাহী কাফ্রী গোলাম মানুষের অধিকারে তোমরা সমান।’ মহানবীর আবির্ভাবের আগে দুনিয়াময় সংস্কারের অত্যাচার ছিল। মহানবী সে অবুঝ সংস্কারজাত অত্যাচারের সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন। তাঁর একমাত্র পুত্র ইব্রাহিমের যে-দিন মৃত্যু হয়, সেদিন আরবের আকাশে পূর্ণসূর্যগ্রহণ। দিন-দুপুরে আকাশে কয়েকটি তারাও দেখা দিল। আরবের সাধারণ মানুষেরা ভয় পেয়ে গেল। তাদের কয়েকজন দলবেঁধে মহানবীর কাছে গিয়ে বলল,“মুহাম্মদ, তুমি যে সত্য নবী আমরা আজ বুঝতে পেলাম, নইলে তোমার ছেলের মৃত্যুর জন্য এমন অদ্ভূত গ্রহণ হবে কেন?” তখন মহানবীর মস্তকের উপর দুশমনের হাজারো তলোয়ার আঘাতের জন্য উদ্যত, একটু বললেই উপস্থিত লোকগুলো ইসলামে ইমান এনে তাঁর ঝাণ্ডার তলে হুঙ্কার ছেড়ে দাঁড়ায়। কিন্তু তাঁর হৃদয়-ফলকে কোন প্রলোভনের ছায়াপাত হলো না। তিনি প্রশান্ত কণ্ঠে বললেন, “চাঁদ-সুরুজের গ্রহণ সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ব্যাপার। কোন মানুষের জন্ম-মৃত্যুর সঙ্গে ওর কোন সম্বন্ধ নাই। তোমরা নির্ভয়ে ঘরে ফিরে যাও।”
যুগে যুগে মানুষ ভেবেছে, এ জগতে আসাই পাপ। তাদের শিশুরা পাপের কলঙ্ক লেখা ললাটে নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে। মহানবী ঘোষণা করলেন, “দুনিয়ার সমস্ত শিশু নিষ্পাপ অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে, তাদের মধ্যে কতকে যে পরবর্তী সময়ে নষ্ট হয়, তা পারিপার্শ্বিক অবস্থায় দৌরাত্মে।” জ্ঞান মানব জীবনের শ্রেষ্ঠতম সম্পদ। এ সম্পদের দুয়ার সর্বকালের সর্বসাধারণের জন্য মুক্ত রাখে নাই। তারা প্রভাবশালী কতিপয়ের মধ্যে জ্ঞানানুশীলন সীমাবদ্ধ রেখেছে। যাতে জনসাধারণ জ্ঞানানুশীলনের ধারে- কাছে না যেতে পারে, সেজন্যই বই-পুস্তক লিখিত হত দুর্বোধ্য হরফে ও সাধারণের অবোধ্য ভাষায়। তাঁরা বই লিখে গর্ব করে বলতেন-
কহে কবি কালিদাস হেঁয়ালীরই ছন্দ,
মূর্খ বুঝিবে কি পণ্ডিত লাগে ধন্দ।
মহানবী এসে যুগ যুগ বঞ্চিত জনগণের সামনে জ্ঞানের দুয়ার অবারিত খুলে দিলেন। নর-নারী সবার জন্য বিদ্যার্জন হল অপরিহার্য কর্তব্য। কেবল তাই নয়, জ্ঞান সংগ্রহের ব্যাপারে জাতিগত, ধর্মগত, বর্ণগত সমস্ত বাধা-বিঘ্নে অলঙ্ঘ্য প্রাচীর তিনি ধূলিসাৎ করে দিয়ে ঘোষণা করলেন: জ্ঞান তোমাদের হারানো মানিক, যেখানে পাও সেখান থেকে কুড়িয়ে নাও। চীন আরবের প্রতিবেশী দেশ নয়। সে দেশের বাসিন্দাদের সঙ্গে আরবের লোকের ভাষায়, আহারে, ধর্মে , সমাজে সভ্যতার কোন দিক দিয়েই মিল ছিল না। তবু রছুলুল্লা বললেন জ্ঞানের সন্ধানে দরকার হলে অমন দেশেও যাও।
জ্ঞানের বিকাশ সাধনের জন্য গবেষণাকে তিনি যে বিপুল মর্যাদা দিয়েছেন দুনিয়ার আর কোন লোক তা দিয়েছেন বলে তো মনে পড়ে না। তিনি বলেছেন, ‘এজতেহাদ’ (গবেষণা) কর; এজতেহাদে যে ব্যক্তি সফলকাম হবে তাঁর দ্বিগুণ ছওয়াব, যে ব্যক্তি বিফল হবে সেও পাবে একগুণ ছওয়াব। অতীতকালে বহুক্ষেত্রে মানুষ জ্ঞান ও ধর্মের আলোচনাকে বিশেষ বিশেষ ভাষার দুর্ভেদ্য দুর্গে আবদ্ধ করে রাখত। গ্রীসের বাসিন্দারা ভাবত, তাদের মাতৃভাষা ছাড়া দুনিয়ার বাকি সমস্ত ভাষাই বর্বদের কলরব। হিন্দুরা ভাবত সংস্কৃত দেবভাষা, বাকি সব স্বভাবতই হচ্ছে স্বচ্ছ ভাষা। ইহুদীরা হিব্রু ভাষাকে ঐ চোখেই দেখত। মহানবী যখন ইসলাম প্রচার শুরু করেন, তখন আরবের উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ ভাগে সুসংবদ্ধ শিক্ষিত ইহুদী ও খৃষ্টান সমাজ ছিল। তাদের সাংস্কৃতিক ভাষা ছিল হিব্রু। রছুলুল্লাহর শক্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তাঁর কাছে প্রতিবেশী আমীর-ওমরাদের পত্র আসতে শুরু করে। এসব পত্র হিব্রু ভাষায় লিখিত থাকত। তাঁর সাহাবীদের মধ্যে হিব্রু জানা লোক বেশি না থাকায় তিনি জায়েদ-বিন-ছাবেতকে হিব্রু ভাষা শিখতে আদেশ দেন। তৎকালীন রীতি মোতাবেক ধর্মের নতুন কোন বাণী এলে তা হিব্রু ভাষায় আসবে এই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু মহানবীর প্রচারিত ধর্মের বাণী এল আরবী ভাষায়। কেন সনাতন প্রথা ভঙ্গ করে নতুন ভাষায় বাণী এল, তার কারণ কোরান মাজীদে দর্শান হয়েছে, ‘ইন্না আনজালনাহু কোরআনান আরাবিয়্যাল্লায়াল্লাকুম তাকেলুন’ -আমরা আরবী ভাষায় কোরান নাজেল করেছি এই জন্য যাতে তোমরা বুঝতে পার (সূরা ইউছুফ দ্বিতীয় আয়াত)। এমনিভাবে সনাতন ভাষার দুর্লঙ্ঘ্য প্রাচীর মহানবী ধূলিসাৎ করে দিলেন। অবোধ্য ভাষা হলেও শাস্ত্র কেবল আওড়ালেই নাজাত মিলে এই ভ্রান্ত বিশ্বাসের উপর জয়লাভ করল এই নবনীতি; যে ভাষাতেই হোক শাস্ত্র বচন বুঝে চলাই শ্রেয়। এই মুক্ত উদার নীতিই ইরানী কবিবে উদ্বুদ্ধ করেছিল বলতে:
ছোখন কাজ্ বহর এ হক গুয়ী চে এবরানী
চে ছুরিয়ানী,
মকান কাজ বহর-এ হক জুয়ী চে জাবল্কা
চে জাবলছা?
মানুষ ক্ষুধার তাড়নায় স্মরণাতীতকাল থেকে যে নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম চালিয়ে এসেছে, সে সংগ্রামের পরই সে সাধনা করে এসেছে ধর্মের জন্য। ধর্মকে সে মনে করেছে বুকের ধন, চোখের মণি, মাথার মুকুট। কিন্তু এ ধর্ম চর্চার ক্ষেত্রেও মানুষ চিরদিন সম-অধিকার ভোগ করে আসে নাই। সমাজের উপর যারা প্রভুত্ব করেছে, তারা অবনত জনগণের পক্ষে শাস্ত্রপাঠ নিষিদ্ধ করেছে, উপাসনা মন্দিরের দুয়ার তাদের সামনে রুদ্ধ করে দিয়েছে, বড়দের মারফত ছাড়া বিধাতার দরবারে যাওয়ার পথে অলঙ্ঘ্য তুলে রেখেছে। মহানবী এসে শাস্ত্র পাঠের দুয়ার, ধর্ম-মন্দিরের দুয়ার, আল্লার দরবারে দুয়ার ছোট-বড়, ধলা-কালা, প্রাচ্য-পাশ্চাত্য নির্বিশেষে সকলের সামনে খুলে দিলেন। ধর্মানুশীলনে যুগ যুগ বঞ্চিত মানুষ অবশেষে তাদের ধ্যানের ছবি খুঁজে পেল। আজ মহানবীর স্মৃতির কথা আলোচনা করতে গিয়ে আপন অকর্মণ্যতার গ্লানিতে চিত্ততল বারংবার বিষাক্ত হয়ে উঠছে। একদিন যার প্রাণময়ী আদর্শ প্রেরণায় আরবের বালিরাশি আগুনের অগণ্য ফুলকির মত জ্বলে উঠেছিল, আজ আমাদের জীবনে সে আদর্শের আবেদন কোথায়? স্মরণাতীতকাল হতে মরুচর আরব বাবলা-খেজুরের ছায়াতলে নিস্পন্দ ঘুমিয়ে কাল কাটিয়ে দিচ্ছিল। মহানবীর বাণীর পরশে-তারা ঘুম ঝেড়ে জেগে উঠল। ঝাঁপিয়ে পড়ল সাধনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বৃত হল তারা জগৎগুরুর আসনে। শিক্ষা, সভ্যতা, সংস্কৃতির ফুলে ফলে তৎকালীন জগত মর্ত্যরে নন্দনে পরিণত হল।
আমাদের জবানে আজও সে বাণী আছে; কিন্তু আমাদের জীবনে সে বাণীর প্রভাব কোথায়? সমস্ত ইন্দো-পাকিস্তানের এলাকায় গত দেড়শ বছরের মধ্যে আমরা কয়জন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিদ্বানের জন্ম দিয়েছি? এই বাংলাদেশে প্রতিবেশী রাজ্যের তুলনায় বাংলা সাহিত্যের জন্য আমরা কি করছি? ভাগ্যিস, আমাদের শরম নাই। নইলে, ওর ভারে নত মাথা নিয়ে রাস্তায় বের হলে আমরা গরুর গাড়ীর চাকার তলে পড়ে মরতাম। এই যে মহানবী সনাতন ভাষার দেয়াল ভেঙ্গে দিয়ে আরবের মাতৃভাষায় ওহী নাযিলের পথ করে দিলেন, সে আদর্শের অনুসরণে আমরা এ দেশে কতদূর চলেছি? ইসলামের অভ্যুদয়ের অনেক শ’ বছর পর ইউরোপের বিভিন্ন জাতি তাদের নিজ নিজ ভাষায় বাইবেলের তরজমা ও তফছীর করে নিয়েছে। কিন্তু আমরা কি করেছি?
জুমা-ঈদের খোতবাগুলি পাকিস্তানীরা উর্দুতে করে নিয়েছে। সে খোতবার ভাষা তারা বোঝে, সে খোতবা থেকে প্রেরণা লাভ করে। আমরা আরবী উর্দু খোতবা শুনতে গিয়ে মসজিদে-ময়দানে ঝিমাই; মিলাদ মাহফিলে গিয়ে বিদেশী ভাষায় ওয়াজের আমেজে হাই তুলি, যুবকেরা সাধ্যপক্ষে সে মাহফিলের দিকে পা বাড়ায় না। যারা যায় তাদের অনেকে কিছুক্ষণ পর চুপি চুপি চলে যায়। আমরা সময়ে অসময়ে তরুণদের কারো কারো পানে চেয়ে মন্তব্য করি; হতভাগারা কমিউনিস্ট হতে চলেছে। কিন্তু তাদের ইসলামিস্ট হওয়ার পথ যদি রুদ্ধ হয়ে যায় তবে ‘ইস্ট’ তাদের হতেই হবে।
সুতরাং যে পথে মহানবী মানুষকে ডেকেছিলেন সেই জ্ঞানোজ্জ্বল সুন্দর পথেই এদের ডাকতে হবে। কিন্তু সে ডাক দেওয়ার ফুরসত আমাদের কোথায়? আর তার জন্য আমরা আদর্শগত অধিকারই-বা অর্জন করেছি কতখানি? যে পথে তাদের ডাকবো সে পথে আমরা নিজেরা বিচরণ করেছি কতদূর? ইকবালের একটি পুরানো বাণীর অনুধ্বনি করে আমাদের আত্ম-জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছা হয়:
‘তোম সৈয়দভী-হোঃ মীর্জাভী-হো, আফগানভী-হো,
তোম সবহি কুছহো-বাতায়ো, মুছলমানভী-হো?’
[সংগ্রহ ও সম্পাদনা: আবু ফাহাদ, সহযোগী সাহিত্য সম্পাদক, দৈনিক বজ্রশক্তি]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ
নদীবেষ্টিত জেলা বরিশালের চারদিক দিয়ে বয়ে চলেছে কীর্তনখোলা, পদ্মা ও মেঘনাসহ অসংখ্য নদী। এসব নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতি বছর বদলে যাচ্ছে জেলার মানচিত্র। মাইলের পর…
 ১০ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু…
 ১০ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির নিজস্ব…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন হয়। হঠাৎ হওয়া এই কম্পনের ফলে সাধারণ…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে…
 ২৫ মে ২০২৬    জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে,…
 ২৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামে পরিচিত আবু বকর সিদ্দিকের অন্ধকার জগতের নানা তথ্য সামনে এসেছে। ধর্মের লেবাস এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে তিনি গত কয়েক…
 ২৩ মে ২০২৬    অন্যান্য