প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ধর্মজীবী আলেম পুরোহিত শ্রেণির জন্মরহস্য

ধর্মজীবী আলেম পুরোহিত শ্রেণির জন্মরহস্য

১৯ জুন ২০১৫ ০৫:৫৫ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ রাকীব আল হাসান:

মানুষের ইতিহাস সত্য-মিথ্যা, ন্যায়-অন্যায়ের চিরন্তন দ্বন্দ্বের ইতিহাস। এই দ্বন্দ্বে কখনও কখনও সত্য জয়ী হোয়েছে আবার কখনোও হয়েছে বিপর্যস্থ। সকল সত্যের উৎস হোচ্ছেন মহান আল্লাহ, তাঁর পক্ষ থেকেই মানুষ যুগে যুগে সত্য লাভ কোরেছে। আদম (আ:) থেকে শুরু কোরে আখেরী নবী মোহাম্মদ (দ:) পর্যন্ত পৃথিবীর প্রতিটি জনপদে, প্রতিটি সমাজে আল্লাহ সত্যদীনসহ তাঁর নবী, রসুল, অবতার প্রেরণ কোরেছেন। তাদের মাধ্যমেই সত্য এসেছে, সত্য জয়ী হোয়েছে। সত্যের রূপ হোচ্ছে শান্তি, ন্যায়, সুবিচার, আর মিথ্যার রূপ হোচ্ছে ঠিক তার বিপরীত, অশান্তি, অন্যায়, অবিচার। তাই সত্যের অবর্তমানেই অশান্তির বিস্তার ঘটে। প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই সত্যের ধারক নবীদের অন্তর্ধানের পর তাঁদের জাতির মধ্যে জন্ম নেয় একটি স্বার্থান্বেষী পুরোহিত শ্রেণি। তাদের হাতে পড়ে ধর্ম হোয়েছে বিকৃত, এতে প্রবেশ কোরেছে অসত্য। ধর্মকে পুঁজি কোরে ব্যবসায় অবতীর্ণ হোয়েছে তারা, এটা সর্বযুগের ইতিহাস।
সত্য-মিথ্যার এই পর্যায়ক্রমিক পালাবদলে আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে পৃথিবী অন্যায়-অত্যাচার, খুন খারাবি, রক্তপাত, জুলুম নির্যাতন, চুরি ডাকাতি, অভাব দারিদ্র্য ইত্যাদিতে পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছিলো। পৃথিবীর সেই ক্রান্তিলগ্নে মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ আবির্ভূত হোলেন বিশ্বনবী রহমাতাল্লিল আলামিন। তিনি এসে মানবজাতিকে সেই সত্য জীবনব্যবস্থার সন্ধান দিলেন। তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম কোরে, কঠোর সংগ্রাম কোরে পরস্পর দ্বন্দ্ব সংঘাতে লিপ্ত, কুসংস্কারাচ্ছন্ন, চরম দরিদ্র আরবজাতিকে এমন একটি জীবনব্যবস্থার মধ্যে আনলেন যে জীবনব্যবস্থা সমাজটিকে অভাবনীয় শান্তি আর সুবিচারে পূর্ণ কোরে দিল। প্রত্যেকটি মানুষ যেন, হোয়ে গেল এক পরিবার।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে সেই উম্মতে মোহাম্মদী কিভাবে সেই রাস্তা থেকে বিচ্যুত হোল?
রসুলাল্লাহ তাঁর উম্মাহর উপর দিয়ে গেলেন বাকি পৃথিবীতে সত্যদীন প্রতিষ্ঠার ভার। তাঁর উম্মাহও নিজেদেরকে উৎসর্গ কোরলেন মানবতার কল্যাণে। তারা পার্থিব কোন বিনিময়ের আশা না কোরে কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দুনিয়াময় ছড়িয়ে পড়লেন। সংগ্রাম কোরে, অক্লান্ত পরিশ্রম কোরে, স্ত্রী-পুত্র, বাড়ি-ঘর সহায় সম্পত্তি সবকিছু কোরবান কোরে তারা অর্ধ পৃথিবীতে সেই শান্তি সুবিচার প্রতিষ্ঠা কোরলেন। এরপর ঘোটল এক মহা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। জাতি ভুলে গেল কেন তাদেরকে সৃষ্টি করা হোয়েছে। অর্ধেক পৃথিবীর সম্পদ হাতে পেয়ে এ জাতির নেতারা ভোগবাদী রাজা-বাদশাহদের মতই পার্থিব ভোগবিলাসে লিপ্ত হোয়ে পোড়ল এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ত্যাগ কোরল। এবারও ব্যতিক্রমহীনভাবে আবির্ভূত হোল একদল সুবিধাবাদী আলেম শ্রেণি। দীনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম মাসলা মাসায়েলের চুলচেরা বিশ্লেষণ কোরে জাতিকে তারা হাজারো মাজহাব, ফেরকায় বিভক্ত কোরে ছিন্নভিন্ন কোরে ফেললো। ঐক্য না থাকলে সংগ্রাম করাও সম্ভব নয়। সুতরাং জাতি দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাদ দিয়ে নিজেরা নিজেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার কাড়াকাড়ি নিয়ে ষড়যন্ত্র, যুদ্ধ ও রক্তপাতে লিপ্ত হোয়ে গেল।
জাতির নেতৃত্ব যখন সংগ্রাম ত্যাগ কোরল তখন আব্বাসীয়, উমাইয়া, ফাতেমীয় ইত্যাদি নামের শাসকরা নিজেদের এই অন্যায় কাজের ন্যায্যতা প্রমাণের জন্য ইসলামের বিধি বিধান সম্পর্কে সেই জ্ঞানী লোকদেরকে ঠিক কোরল। এই জ্ঞানীদের নতুন কাজ হোল শাসকের সকল অন্যায় কাজের ধর্মীয় ব্যাখ্যা দাঁড় কোরিয়ে সেগুলিকে জায়েজ করা, তাদের পক্ষে ওয়াজ, খোতবা দিয়ে জনসমর্থন যুগিয়ে যাওয়া, প্রয়োজনে রসুলাল্লাহর নামে জাল হাদিস তৈরি করা। বিনিময়ে শাসকদের পক্ষ থেকে তারা লাভ কোরতে লাগল ক্ষমতার ভাগ, বিপুল সম্মান, ভোগবিলাসের যাবতীয় উপকরণ এবং নিরাপদ নিশ্চিত জীবন।
এই জ্ঞানীরাই হোল ইসলামের ইতিহাসের প্রথম ধর্মজীবী আলেম। এভাবেই ধীরে ধীরে জাতির মধ্যে জন্ম নিলো পৃথক একটি আলেম শ্রেণি যাদের কাছে বাঁধা পোড়ল দীনের সকল কর্মকাণ্ড। তাদের হাতে পড়ে দীন বিকৃত হোতে শুরু কোরল। একটি শব্দের বহু রকমের মানে করে ইসলামের মূল প্রেরণা থেকে তারা জাতিকে দূরে নিয়ে গেলো।
পূর্ববর্তী দীনগুলিতেও ঠিক এভাবেই এই পুরোহিত শ্রেণির উদ্ভব হোয়েছিল, যারা পার্থিব স্বার্থে দীনকে বিকৃত কোরে ফেলেছিল। তাই কোন কালেই, কোন ধর্মেই , ধর্মীয় কাজকে জীবিকার মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করা তথা ধর্মব্যবসা বৈধ ছিলো না। এবার দেখা যাক কোর’আন ছাড়া অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে পুরোহিত শ্রেণির ব্যাপারে কি বলা আছে?
সনাতন ধর্মের প্রাচীন গ্রন্থ মনুসংহিতার একাদশ অধ্যায়ে উল্লেখিত আছে:
ন যজ্ঞার্থং ধনং শূদ্রাদ্ বিপ্রো ভিক্ষেত কর্হিচিৎ।
যজমানো হি ভিক্ষিত্বা চাণ্ডালং প্রেত্য জায়তে।।২৪।।
অনুবাদ: যজ্ঞের জন্য শূদ্রের নিকট ধন ভিক্ষা করা ব্রাহ্মণের কখনও কর্তব্য নয়। কারণ যজ্ঞ করতে মৃত্যুর পর প্রবৃত্ত হ’য়ে ঐভাবে অর্থ ভিক্ষা করলে চণ্ডাল হ’য়ে জন্মাতে হয়।
যজ্ঞার্থমথং ভিক্ষিত্বা যো ন সর্বং প্রয”্ছতি।
স যাতি ভাসতাং বিপ্রঃ কাকতাং বা শতং সমাঃ।।২৫।।
অনুবাদ: যে ব্রাহ্মণ যজ্ঞের জন্য অর্থ ভিক্ষা করে তার সমস্তটা ঐ কাজে ব্যয় করে না, সে শত বৎসর শকুনি অথবা কাক হ’য়ে থাকে।
বর্তমানে খ্রিস্টানদের চার্চে যেমন ফাদার বা প্যাস্টর খেতাবধারী পুরোহিত থাকে যারা মানুষের পাপমুক্তির জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা কোরে দেয়, এই মধ্যস্থতাকারী শ্রেণির কোন উল্লেখই বাইবেলে নেই। বরং ঈসা (আ:) ইহুদি রাব্বাই সাদ্দুসাই ফরিশিদের ধর্মবাণিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ছিলেন। তিনি ইহুদি আলেমদের উদ্দেশ্যে বোলেছিলেন,

“Woe to you, teachers of the law and Pharisees, you hypocrites! You are like whitewashed tombs, which look beautiful on the outside but on the inside are full of the bones of the dead and everything unclean. 28 In the same way, on the outside you appear to people as righteous but on the inside you are full of hypocrisy and wickedness. (Matt 23:27-28)

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

“হে রাব্বাই ও ফারিশিগণ! হে মোনাফেকরা! আফসোস তোমাদের জন্য! কারণ তোমরা চুনকাম করা কবরের মতো; বাইরে থেকে দেখতে সুন্দর বটে, কিন্তু ভিতরে মরা মানুষের হাড় ও সর্বপ্রকার নাপাকি ভরা। তদ্রƒপ তোমরাও বাইরে লোকদের কাছে নিজেদেরকে ধর্মপ্রাণ বোলে দেখিয়ে থাকো, কিন্তু ভিতরে তোমরা অধর্ম আর মোনাফেকিতে পরিপূর্ণ”। (ম্যাথু ২৩: ২৭-২৮)
এছাড়াও
১। নূহ (আ:) এর ঘোষণা: হে আমার সম্প্রদায়! এর পরিবর্তে আমি তোমাদের নিকট ধন সম্পদ চাই না। আমার পারিশ্রমিক আল্লাহর নিকট। [সুরা হুদ-২৯, সুরা শুআরা – ১০৯, সুরা ইউনুস – ৭২]
২। হুদের (আ:) ঘোষণা: হে আমার সম্প্রদায়! আমি এর পরিবর্তে তোমাদের নিকট কোনো মজুরি চাই না। আমার পারিশ্রমিক তাঁরই নিকট যিনি আমাকে সৃষ্টি কোরেছেন। তোমরা কি তবুও বুঝতে চেষ্টা কোরবে না? [হুদ-৫১, সুরা শুআরা – ১২৭]
৩। সালেহ (আ:) এর ঘোষণা: আমি তোমাদের নিকট এর জন্য কোনো পারিশ্রমিক চাই না। আমার মজুরি জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট রোয়েছে। [শুয়ারা-১৪৫]
৪। লুতের (আ:) ঘোষণা: এর জন্য আমি কোনো মজুরি চাইনা। আমার মজুরি জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট রোয়েছে। [শুয়ারা-১৬৪]
৫। শোয়েবের (আ:) ঘোষণা: আমি এর জন্য তোমাদের নিকট কোনো মূল্য চাই না। আমার মজুরি জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট রয়েছে। [শুয়ারা-১৮০]
৬। মোহাম্মদ (দ:) এর প্রতি আল্লাহর হুকুম:
ক. এবং তুমি তাদের নিকট কোনো মজুরি দাবি কোর না। এই বাণী তো বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ মাত্র। [ইউসুফ – ১০৪]
খ. বল! আমি এর জন্য তোমাদের নিকট কোনো পারিশ্রমিক চাই না। এবং যারা মিথ্যা দাবি করে আমি তাদের দলভুক্ত নই। [সাদ – ৮৬]
গ. তাদেরকেই (নবীদেরকেই) আল্লাহ সৎপথে পরিচালিত কোরেছেন। সুতরাং তুমি তাদের পথ অনুসরণ করো; বলো! এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোনো মজুরি চাই না। [আনআম – ৯০]
ঘ. বলো! আমি এর বিনিময়ে তোমাদের কাছ থেকে প্রেম-ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ব্যবহার ব্যতীত অন্য কোনো মজুরি চাই না। [শুরা – ২৩]
এমন আরও বহু আয়াত এবং রসুলাল্লাহর হাদিস উল্লেখ করা যায় যা থেকে প্রমাণিত হয়, দীনের কোনো কাজ কোরে নবী-রসুলগণ যেমন পারিশ্রমিক গ্রহণ কোরতেন না, তেমনি তাঁদের উম্মাহর জন্যেও পারিশ্রমিক গ্রহণ করা বৈধ নয়।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

পাটগ্রাম বাজারে যানজট নিরসনে প্রশাসনের অভিযান

পাটগ্রাম বাজারে যানজট নিরসনে প্রশাসনের অভিযান
পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি:পাটগ্রাম বাজারের যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ। রোববার (১ নভেম্বর) পাটগ্রাম বাজারে এ…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

১২ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারলেন না কলেজের একমাত্র শিক্ষার্থীকে!

১২ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারলেন না কলেজের একমাত্র শিক্ষার্থীকে!
রংপুরের পীরগাছায় ১২ জন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি কলেজের একমাত্র শিক্ষার্থী। কান্দির হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার মানবিক বিভাগে অংশ…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

ক্যানসারের খবরেই বদলে যায় সিদ্ধান্ত, ১৫ মিনিটেরও কম সময়ে বিয়ে করেন হিনা খান!

ক্যানসারের খবরেই বদলে যায় সিদ্ধান্ত, ১৫ মিনিটেরও কম সময়ে বিয়ে করেন হিনা খান!
দীর্ঘ ১৩-১৪ বছরের প্রেমের সম্পর্ক। অথচ বিয়ে নিয়ে কখনোই তেমন পরিকল্পনা ছিল না বলিউড অভিনেত্রী হিনা খান ও তার দীর্ঘদিনের প্রেমিক রকি জয়সওয়ালের। কিন্তু তৃতীয়…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

বাবাকে হারিয়ে থেমেছিল পড়াশোনা, ৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস শেফালীর!

বাবাকে হারিয়ে থেমেছিল পড়াশোনা, ৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস শেফালীর!
ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়ে সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিতে হয়েছিল। অভাবের কারণে মাঝপথেই থেমে যায় পড়াশোনা। এরপর বিয়ে, সংসার ও সন্তান লালন-পালন করতে গিয়ে নিজের স্বপ্নকে দূরে…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ

কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ
কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের জন্য মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতেআবারও মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

অভাবের সংসারে লড়াই, পুরো উপজেলায় একমাত্র জিপিএ–৫ পেলেন যমজ দুই বোন!

অভাবের সংসারে লড়াই, পুরো উপজেলায় একমাত্র জিপিএ–৫ পেলেন যমজ দুই বোন!
বাবার স্থায়ী কাজ নেই, সংসারে অভাব-অনটন, পড়াশোনার খরচ জোগাতেও ছিল নানা সংগ্রাম। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজেদের স্বপ্ন থেকে পিছিয়ে যায়নি কুড়িগ্রামের রাজারহাটের যমজ দুই বোন…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে এসআইয়ের ওপর শ্রমিকদের হামলা, মারধরের পর মোটরসাইকেলে আগুন

আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে এসআইয়ের ওপর শ্রমিকদের হামলা, মারধরের পর মোটরসাইকেলে আগুন
গাজীপুর সংবাদদাতা: শ্রমিকদের অতর্কিত হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন পুলিশ সদস্য এসআই শাখাওয়াত ইমতিয়াজ। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। রোববার (১…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

খালেদা জিয়া যে পত্রিকা জনসভায় তুলে ধরেছিলেন, তা ছিঁড়লেন রাশেদ: নাসীরুদ্দীন

খালেদা জিয়া যে পত্রিকা জনসভায় তুলে ধরেছিলেন, তা ছিঁড়লেন রাশেদ: নাসীরুদ্দীন
২০১১ সালে বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জনসভায় যে ‘আমার দেশ’ পত্রিকার খবর তুলে ধরেছিলেন, সেই পত্রিকার কপি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান ছিঁড়েছেন বলে…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

শ্রমিক অসন্তোষে শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর বাতিল, জরুরি বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী!

শ্রমিক অসন্তোষে শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর বাতিল, জরুরি বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী!
পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ ও বিভিন্ন কারখানায় চলমান অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর বাতিল…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

হাইকোর্টে জামিন পেলেন জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান!

হাইকোর্টে জামিন পেলেন জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান!
বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে করা মামলায় জামিন পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

শ্রমিক বিক্ষোভে বন্ধ তিন মেট্রোরেল স্টেশন চালু, স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল!

শ্রমিক বিক্ষোভে বন্ধ তিন মেট্রোরেল স্টেশন চালু, স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল!
রাজধানীর মিরপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের ঘটনায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা তিনটি মেট্রোরেল স্টেশন পুনরায় চালু করা হয়েছে। এর ফলে মেট্রোরেলের পুরো নেটওয়ার্ক এখন সচল রয়েছে…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    রাজধানী

সন্ধ্যার পর অকারণে বাইরে ঘুরলে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের হুঁশিয়ারি ডিআইজির!

সন্ধ্যার পর অকারণে বাইরে ঘুরলে শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের হুঁশিয়ারি ডিআইজির!
কক্সবাজারে সন্ধ্যার পর বিনা কারণে বাইরে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের আটক ও গ্রেপ্তার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি)…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

‘আতঙ্কিত হবেন না’, গোলাম পরওয়ারকে ই-রিকশার নিবন্ধন নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর বার্তা!

‘আতঙ্কিত হবেন না’, গোলাম পরওয়ারকে ই-রিকশার নিবন্ধন নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর বার্তা!
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নামে থাকা ৭০০ ই-রিকশার মধ্যে পাঁচটির নিবন্ধন বৈধভাবে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

খুতবায় শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় মসজিদের দায়িত্ব হারালেন খতিব!

খুতবায় শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় মসজিদের দায়িত্ব হারালেন খতিব!
জুমার খুতবায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলার অভিযোগে ময়মনসিংহের নান্দাইলের একটি মসজিদের খতিব মাওলানা মোজাহিদুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মসজিদ কমিটির এ…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    ময়মনসিংহ

সৌরবিদ্যুতে আগামী গ্রীষ্মে কিছুটা কমবে লোডশেডিং, আশাবাদী বিদ্যুৎমন্ত্রী!

সৌরবিদ্যুতে আগামী গ্রীষ্মে কিছুটা কমবে লোডশেডিং, আশাবাদী বিদ্যুৎমন্ত্রী!
আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়িয়ে কিছুটা হলেও লোডশেডিং কমানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি জানিয়েছেন, সৌরবিদ্যুতের প্রসারে…
 ১ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়