প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   লক্ষ্যভ্রষ্ট উম্মতে মোহাম্মদী

লক্ষ্যভ্রষ্ট উম্মতে মোহাম্মদী

২৩ নভেম্বর ২০২২ ০৪:১৩ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

ইলা ইয়াছমিন:
যেকোন সৃষ্টির প্রারম্ভে একটি বিরাট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকে। লক্ষ্যহীন প্রতিটি সৃষ্টি বা আবিষ্কার বৃথা। মহান আল্লাহও উদ্দেশ্য ছাড়া একটি ধূলিকণাও সৃষ্টি করেননি। স্রষ্টার তৈরি প্রতিটি সৃষ্টির মহৎ কোন লক্ষ্য থাকে। যেমন স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষকে তাঁর খলিফা বা প্রতিনিধি হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। যেন পৃথিবীতে তাঁরা মানব রচিত অন্যসব জীবনবিধান প্রত্যাখান করে আল্লাহর দেয়া হুকুমবিধান দিয়ে তাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালনা করতে পার। তবেই তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। আল্লাহ পৃথিবীতে যে শেষ জীবনব্যবস্থা দিয়ে রাসুলুল্লাহকে (সা.) পাঠিয়েছেন সেটার লক্ষ্যও ছিল সমগ্র পৃথিবীতের ইবলিসের বিধান অকার্যকর করে আল্লাহর হুকুম, বিধান, আইন-কানুন প্রতিষ্ঠা ও প্রয়োগ।
পৃথিবীতে উদ্যেশ্যহীন বা আকিদাহীন কোন কিছুই নেই। উদ্দেশ্য যদি ভুল হয়, তাহলে কোন কিছুরই দাম থাকে না। হোক সেটা নগণ্য বিষয় ও মহা গুরুত্বপূর্ণ বস্তু। মনে করুন, দশজন লোক একটা উদ্দেশ্য নিয়ে রওনা হলো। অর্ধেক পথ গিয়ে যদি দশজনের উদ্দেশ্য ভুলিয়ে দেওয়া যায় তাহলে কি হবে? একেকজন একেকদিকে চলে যাবে । শেষ গন্তব্যস্থলে কেউই পৌঁছাতে পারবে না। এই উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানার নামই হলো আকিদা বা সম্যক ধারণা। এজন্য  ইসলামে প্রায় সকল আলেমগণ একমত আকিদা ভুল হলে ঈমানের কোন দাম নেই, ঈমান ছাড়া আমলেরও কোন মূল্য নেই। এটা যেমন একটি বস্তু হতে পারে বা বিষয়ও হতে পারে।
ঠিক যেমন আজ যদি কোনো কমিউনিস্টকে প্রশ্ন করা যায় যে, তোমরা পৃথিবীময় যে এত সংগ্রাম করছো, বহু কোরবানী করে সমাজতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছ, কেন করছো? ঐ কমিউনিস্ট অবশ্যই জবাব দিবে, পৃথিবীতে যে সুদভিত্তিক পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু আছে সেটার পরিণাম যেহেতু অর্থনৈতিক অবিচার, শোষণ, অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট কাজেই সেটাকে ভেঙ্গে কমিউনিজম চালু করলে সম্পদের সুষ্ঠু বন্টন হবে ফলে মানুষ মৌলিক অধিকার ফিরে পাবে, খেয়ে-পরে বাঁচবে। মানুষের অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে মুক্তির জন্য পৃথিবীময় কমিউনিস্টরা নিজেদের সব কিছু উৎসর্গ করে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই।
একই কারণে, বিপুল সংগ্রামের মাধ্যমে মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণের জন্যও উম্মতে মোহাম্মদীরাও পার্থিব সবকিছু ত্যাগ করে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু কমিউনিস্টদের সাথে ইসলামের বিরাট তফাৎ রয়েছে। প্রথমত এটি শুধুমাত্র একটি দিকের নিশ্চয়তা দেয় তাহলো ‘অর্থনীতি’ এবং কমিউনিস্টরা যে ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে সংগ্রাম করে তা  সম্পূর্ণটাই মানুষের তৈরি ব্যবস্থা যা প্রতিষ্ঠা করলে পরিপূর্ণ শান্তি আসবে না। এর প্রমাণ ইতিহাস। কমিউনিজমের পতন হয়ে গেছে প্রায় দুই যুগ হলো।
কিন্তু বিশ্বনবী (সা.) যে জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছিলেন এবং তাঁর সাহাবারা (রা.) রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নিজেদের বলিদান দিয়েছেন সেটা ছিল স্বয়ং আল্লাহর তৈরি ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা। যা শুধু অর্থনৈতিক সঙ্কট নয় বরং মানবজীবনের ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, আধ্যাত্মিক সকল সঙ্কট দূর করতে সক্ষম। আল্লাহর দেওয়া জীবন ব্যবস্থা দেহ আত্মার সংমিশ্রণ। আল্লাহ বলেন, “এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে একটি মধ্যপন্থী বা ভারসাম্যযুক্ত জাতি হিসেবে সৃষ্টি করেছি (সূরা বাকারা: ১৪৩)। এই ভারসাম্যযুক্ত জীবনব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠা করে মানবজাতির সকল অঙ্গণে শান্তি, ইসলাম আনয়ন করাই হচ্ছে উম্মতে মোহাম্মদীর একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। যেটা আলোচনার শুরুতেই বলেছিলাম।
রসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর একজীবনে সর্বাত্মক ও বহুমুখী সংগ্রামের মাধ্যমে সমগ্র আরব উপদ্বীপে এই শেষ জীবনবিধান কায়েম ও কার্যকর করলেন। কিন্তু ইসলাম আগমণের উদ্দেশ্য ছিল সমগ্র পৃথিবীময় আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা। একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এত বিশাল কাজ কোনো মানুষের এক জীবনে সমাপ্ত করা অসম্ভব। তাই তিনি প্রকৃতিগতভাবেই এমন একটি উম্মাহ গঠন করলেন যাদের লক্ষ্যস্থির করে দিলেন সমগ্র দুনিয়ায় দীনুল ইসলামের পতাকা ওড়ানো। এই উম্মাহর নাম দিলেন উম্মতে মোহাম্মদী।  
আজকে সারা পৃথিবীতে ১৬০ কোটি মুসলিম দাবীদ্বার যারা আছেন তারা নিজেদের উম্মতে মোহাম্মদী বলেও বিশ্বাস করেন; কিন্তু তারা জানেন না উম্মতে মোহাম্মদী হিসেবে তাদের কি দায়িত্ব। কেন উম্মতে মোহাম্মদীকে সৃষ্টি করা হয়েছিল? তাদের বিশ্বাস নামায, রোজা, হজ¦, যাকাতের মধ্যেই ইসলামের সীমাবদ্ধতা। তারা ভুলে গেছেন তাদের উত্থান হয়েছিল পৃথিবীময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করার জন্য। সেটা পালন না করে এই জাতি সর্বময় পশ্চিমা বস্তুবাদী সভ্যতা অর্থাৎ দাজ্জালের দেওয়া বিভিন্ন মতবাদ, জীবনব্যবস্থা গ্রহণ করে নিয়েছে। গণতন্ত্র, সাম্যবাদ, একনায়কতন্ত্র ইত্যাদি মানার পাশাপাশি তারা নামায, রোজাও পালন করছে। যেটা স্পষ্টত শেরক এবং যে গোনাহের কোন ক্ষমা নেই।
হাশরের দিন আল্লাহর রসুল (সা.) সবার আগে হাউসে কাউসারে পানি পান করতে যাবেন। তখন একদল মানুষ আসবে যারা হাউসে কাউসারের পানি পান করতে চাইবে। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তাদের মধ্যকার এক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিবন্ধকতার কারণ জানতে চাইবেন- মালায়েকরা বলবে, “আপনি জানেন না, হে আল্লাহর রসুল (সা.) আপনার পর এই উম্মতেরা কি কি সংযোজন-বিয়োজন করেছে। এই কথা শুনে বিশ্বনবী (সা.) বলবেন, “দূর হও! দূর হও! যারা আমার পর দীনে বে’দাত করেছো”। 
রসুলের (সা.) মাধ্যমে আল্লাহ যে জীবনব্যবস্থা মানবজাতিকে পাঠিয়েছেন তা পরিপূর্ণ ও নিখুঁত। তাতে কোন কিছু নতুন সংযোজন বা বিয়োজন করাই ছিল বে’দাত। এই বে’দাতকে মহানবী (সা.) শেরক বলেছেন, যা আল্লাহ কখনোই ক্ষমা করবেন না। কারণ, এটা করা মানে আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করা এবং প্রকারান্তরে এটা স্বীকার করা যে আল্লাহর দীন পূর্ণ নয়। এই জাতি আল্লাহর দীনের মধ্যে শুধু যে সংযোজন-বিয়োজন করেছে তা নয় বরং দীনের সর্বপ্রধান অর্থাৎ জাতীয় ভাগটিকে বর্জন করে সেখানে পাশ্চাত্যের তৈরি ব্যবস্থা, তন্ত্র-মন্ত্র গ্রহণ ও প্রয়োগ করেছে। আর ধর্ম পালনের জন্য রসুলের (সা.) একান্ত ব্যক্তিগত সুন্নাহগুলো পালন করছে এবং এসব করছে পুরো নিষ্ঠার সাথে যেন মৃত্যুর সাথে সাথে তাদের জান্নাতে দাখিল করা হবে। যারা প্রকৃত লক্ষ্য ত্যাগ করে নিজেদের উম্মতে মোহাম্মদী বলে মনে করে আত্মপ্রবঞ্চনায় ডুবে আছে তারা উভয় জগতেই ব্যর্থ। যা দুনিয়ার জীবনে ভোগ করছে সেটাই পরকালে অপেক্ষা করছে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার জাফরপুর রেলস্টেশন একসময় ছিল আশপাশের গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও জীবিকার অন্যতম কেন্দ্র। ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীদের ভিড়, স্টেশন ঘিরে হোটেল ও দোকানপাটের ব্যস্ততা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
গাজীপুর সংবাদদাতা:সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার দেশ-এর শ্রীপুর প্রতিনিধি এস এম…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
গাইবান্ধা পৌর এলাকার সবুজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৪…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কমিটির নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক দলগুলো মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগীয়…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কুড়িগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এসআরবি ১৩

কুড়িগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এসআরবি ১৩
কুড়িগ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব যথাযথভাবে উদযাপন করতে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ১৩। আজ…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

নীলফামারীতে হেযবুত তওহীদের নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নীলফামারীতে হেযবুত তওহীদের নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নীলফামারীতে হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে জেলা নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় এই সম্মেলন…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে একই উপজেলার দুই প্রান্তের দুটি বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এর আগে সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুনকে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!
গাজীপুর প্রতিনিধি:  গাজীপুরের শ্রীপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত
জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনাকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার সঙ্গে তুলনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন,…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলে ছয় দিনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া সাত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার খবর সামনে এসেছে। দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার পর দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়েছে তার। তবে গ্রিন…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করা এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ৩৮ জেলার ১১১ জন সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জাপানি বিনিয়োগকারীরা। এ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হলে দ্রুত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ চার সহ-সভাপতি। ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় বাংলাদেশের ফুটবলের…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা