প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   রসুলাল্লাহর প্রকৃত সুন্নাহ আজ পরিত্যক্ত

রসুলাল্লাহর প্রকৃত সুন্নাহ আজ পরিত্যক্ত

১৫ জুন ২০২৩ ০৫:১৫ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

সুন্নাহ একটি আরবি শব্দ যার আভিধানিক অর্থ রীতি, নিয়ম, পথ, পন্থা, পদ্ধতি, আদেশ ইত্যাদি। সুরা ফাতাহর ২৩ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, “সুন্নাতাল্লাহ উল্লাহতি ক্বাদ খালাত্ মিন্ ক্বাবলু ওয়া লানতাজিদা লেস্ সুন্নাতেল্লাহে তাবদিলা” অর্থ এটাই আলস্নাহর রীতি, যা পূর্ব থেকে চালু আছে। তুমি আলস্নাহর রীতিতে কোন পরিবর্তন পাবে না”। এই আয়াতে আল্লাহ তাঁর নিজের ক্ষেত্রে সুন্নাহ শব্দটি ব্যবহার করেছেন, যার বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে, “আলস্নাহর রীতি”। ইংরেজী অনুবাদ করা হয়েছে “Way of Allâh” অর্থ আলস্নাহর রীতি। আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলী ও মারমাডিউক পিকথল সুন্নাহ শব্দের অনুবাদ করেছেন “the practice (Approved) of Allah”  অর্থ আল্লাহ রীতি, চর্চা, কর্ম ইত্যাদি।

রসুলের সুন্নাহ কি?

আদম (আ.) থেকে শুরু করে শেষ নবী মোহাম্মদ (দ.) পর্যন্ত আল্লাহর যতো নবী রসুল (আ.) মানবজাতির পথ প্রদর্শনের জন্য পাঠিয়েছেন তাদের প্রত্যেককেই যে মূল-মন্ত্র দিয়ে পাঠিয়েছেন তা হচ্ছে তওহীদ, আলস্নাহর সার্বভৌমত্ব। স্থান, কাল ও পাত্রের বিভিন্নতার কারণে দীনের অর্থাৎ জীবনব্যবস্থার আইন-কানুন, দন্ডবিধি, এবাদতের পদ্ধতি ইত্যাদি বিভিন্ন হয়েছে কিন্তু ভিত্তি, মূলমন্ত্র একচুলও বদলায় নি। এই সার্বভৌমত্বের, তওহীদেরই অপর নাম সেরাতুল মুত্মকীম, দীনুল-কাইয়্যেমা, চিরন্তন, শাশ্বত, সনাতন জীবন পথ। প্রেরিত প্রত্যেক নবী-রসুলকে আল্লাহ এই দায়িত্ব দিয়েছেন তারা যেন তাদের নিজ নিজ জাতিকে এই তওহীদের অর্থাৎ আল্লাহ সার্বভৌমত্বের অধীনে নিয়ে আসেন। নবী-রসুলদের আগমনের এই ধারাবাহিকতায় আল্লাহ যাঁকে শেষ নবী হিসেবে পাঠালেন তিনিই হচ্ছেন আমাদের নেতা মোহাম্মদ (দ.) বিন্ আবদাল্লাহ। পূর্ববর্তী সমস্ত নবী রসুলদের সঙ্গে-তাঁর পার্থক্য হলো এই যে, পূর্ববর্তী নবীদের দায়িত্ব সীমিত ছিল তাঁদের যার যার জাতি, গোষ্ঠি, গোত্রের মধ্যে আর এর উপর আল্লাহ ভার দিলেন সমগ্র পৃথিবীর মানুষকে এই তওহীদের ছত্রছায়ায় নিয়ে আসার। আলস্নাহ বললেন আমি আমার রসুলকে সঠিক পথ প্রর্দশন (হেদায়াহ) এবং সত্য দীন (দীনুল হক) দিয়ে প্রেরণ করলাম এই জন্যে যে তিনি যেন একে (এই হেদায়াহ ও জীবনব্যবস্থাকে) পৃথিবীর অন্যান্য সমস্ত জীবনব্যবস্থার উপর বিজয়ী করেন (কোর’আন-সুরা আল্ ফাতাহ- ২৮, সুরা আত তওবা- ৩৩ ও সুরা আস সফ- ৯) । অর্থাৎ আল্লাহ তাঁর শেষ রসুলকে দায়িত্ব দিলেন এই দীনুল হককে সমস্ত পৃথিবীর ওপর বিজয়ী ও প্রতিষ্ঠা করার। অর্থাৎ পৃথিবীতে, মানব জাতির মধ্যে আল্লাহ রসুলকে প্রেরণের উদ্দেশ্য একটি নয়, দুইটি। একটি রসুলের মাধ্যমে হেদায়াহ, পথ প্রদর্শনসহ দীন পাঠানো, দ্বিতীয়টি সেই হেদায়াহ ও দীনকে সমগ্র মানব জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। কারণ সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায় (যদিও এই সাধারণ জ্ঞানটাই বর্তমান ‘মুসলিম’ দুনিয়ায় নেই) সে দীন, জীবনব্যবস্থা যদি মানুষের জীবনে কার্যকরই না হয় তবে তা রসুলের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠানো অর্থহীন। একটি সংবিধান সেটি যতো সুন্দর, যতো নিখুঁতই হোক না কেন, সেটা একটি জনসমষ্টি বা জাতির ওপর প্রয়োগ ও কার্যকর না করা হলে যেমন সেটা অর্থহীন, তেমনি তওহীদের ওপর ভিত্তি করা দীনুল ইসলাম, দীনুল হকের সংবিধান কোর’আনকে মানব জীবনের সর্বস্তরে, সর্ব অঙ্গনে প্রয়োগ ও কার্যকর না করতে পারলে তা অর্থহীন।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

এখন প্রশ্ন হলো, এই দীন, জীবন-ব্যবস্থাকে সমস্ত পৃথিবীর উপর প্রতিষ্ঠা করার মত বিরাট, বিশাল কাজে সাফল্য অর্জন করার প্রক্রিয়া কী হবে? আল্লাহ তাঁকে এই কাজ করার সুন্নাহ অর্থাৎ নীতি ও কর্মসূচিও দান করলেন। আল্লাহ জানেন এত বিরাট, বড় কাজে বাধাও অবশ্যই আসবে বিরাট হয়ে। ঐ কঠিন বাধা অতিক্রম করে আল্লাহ দীনকে সমস্ত পৃথিবীময় প্রতিষ্ঠার নীতি ও প্রক্রিয়া কি হবে? মানুষকে বুঝিয়ে? বক্ততৃতা, ওয়াজ করে? বই পুস্তক লিখে? যুক্তি তর্ক করে? এই জীবনব্যবস্থার শ্রেষ্ঠত্ব, মাহাত্য বর্ণনা করে? প্রচার, তবলিগ করে? মিটিং, মিছিল করে? শেস্নাগান দিয়ে, নির্বাচন করে? এই প্রশ্নের জবাব আলস্নাহর রসুল নিজেই দিয়ে গেছেন। তিনি বলেছেন- আমি আদিষ্ট হয়েছি মানব জাতির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সংগ্রাম চালিয়ে যেতে যে পর্যন্ত না সমস্ত মানুষ আল্লাহকে একমাত্র হুকুমদাতা এবং আমাকে তাঁর রসুল বলে মেনে নেয় (হাদিস- আবদালস্নাহ বিন ওমর (রা.) থেকে- বোখারি, মেশকাত)। অর্থাৎ ঐ সব কোন প্রক্রিয়া (তরিকা) নয়, ইসলামকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করতে হবে সংগ্রামের মাধ্যমে। আল্লাহর কোর’আনে শত শতবার সংগ্রামের উল্লেখ, আদেশ ও তাগিদ, ছোট বড় সমস্ত গোনাহের ক্ষমা, যোদ্ধাদের সরাসরি জান্নাতে প্রবেশ করানোর প্রতিশ্রম্নতি, শহীদদের মৃত না বলার সম্মান ও রসুলের মাত্র ৯ বছরের মধ্যে ১০৭টি যুদ্ধ থেকেই আর সন্দেহের কোন অবকাশই থাকে না যে সর্বজ্ঞানী আল্লাহ তাঁর দীনকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার জন্যে সর্বাত্মক সংগ্রামকেই নীতি হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

সমস্ত পৃথিবীতে এই শেষ জীবন বিধান প্রতিষ্ঠা করার মত এত বড় বিশাল কাজ এক জীবনে করা সম্ভব নয়। এজন্য তিনি একটি জাতি গঠন করলেন, যে জাতিটির নাম উম্মতে মোহাম্মদী। বিশ্বনবী (দ.) তার নবীজীবনের তেইশ বছরে তাঁর আসহাবদের নিয়ে সমস্ত আরব উপদ্বীপে এই শেষ জীবন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করলেন অর্থাৎ ইসলামের শেষ সংস্করণ সমস্ত মানবজাতির একটি অংশে কার্যকর হলো। কিন্তু রসুলের দায়িত্ব তো সমস্ত পৃথিবী, সমগ্র মানব জাতি। যতদিন সমস্ত পৃথিবীর সমগ্র মানব জাতির ওপর এই শেষ জীবনবিধান সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠা না হবে ততদিন মানুষ আজকের মতই যুদ্ধবিগ্রহ, অশান্তি, অবিচারের মধ্যে ডুবে থাকবে- শান্তি, ইসলাম আসবে না। ফলে বিশ্বনবীর আগমনের উদ্দেশ্যই অপূর্ণ থেকে যাবে যা অসম্ভব। সুতরাং সমস্ত দুনিয়াতে এই সত্য দীন প্রতিষ্ঠা হবেই হবে। রসুলাল্লাহর উপর আল্লাহ দেওয়া দায়িত্ব পূর্ণ হবেই হবেই ইনশা’আল্লাহ। এখানে একটা বিষয় খুব সাবধানের সাথে খেয়াল রাখতে হবে- একটা হল দীন, জীবন-ব্যবস্থা আর অপরটা হলো সেই জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা (কার্যকর) করা। নবী করীম (দ.) বিদায় হজ্বের ভাষণে তাঁর আসহাবদের নিকট আল্লাহকে সাক্ষী রেখে জানতে চেয়েছেন তাঁর উপর যে কোর’আন অর্থাৎ জীবন-ব্যবস্থা নাযেল হলো তা তিনি পূর্ণভাবে পৌঁছে দিয়েছেন কিনা। উপস্থিত সকল আসহাব সমস্বরে উত্তর দিলেন, হ্যাঁ আল্লাহ সাক্ষী, আপনি পৌঁছে দিয়েছেন। তাহলে আমরা পরিষ্কার বুঝলাম রসুলের উপর দুইটি দায়িত্ব ছিল একটি আল্লঅহর দেওয়া জীবন-বিধান মানব জাতিকে পৌঁছে দেওয়া (যেটা তিনি সম্পূর্ণ করেছেন), অন্যটি হলো সেই জীবন-বিধান মানুষের সামগ্রিক জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। বিদায় হজে রসুল দীন, জীবন-বিধান নাযেল পূর্ণ হওয়ার কথা বলেছেন, কিন্তু দ্বিতীয় যে দায়িত্ব অর্থাৎ সমস্ত পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা (কায়েম) তখনও হয় নাই। রসুলের জীবদ্দশায় শুধুমাত্র আরব উপদ্বীপে এই পূর্ণ দীন, জীবন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, রসুল চলে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই বাকি দুনিয়ায় এই দীন প্রতিষ্ঠার ভার পড়ল তাঁর উম্মাহর উপর। তাঁর সৃষ্ট জাতি কিন্তু ভুলে গেল না যে তাদের নেতার ওপর আল্লাহর দেয়া দায়িত্ব হচ্ছে সমস্ত পৃথিবীতে এই দীন প্রতিষ্ঠা করা। তাই ইতিহাসে দেখি বিশ্বনবী (দ.) ওফাতের সঙ্গে সঙ্গে তার উম্মাহ পৃথিবীর সমস্ত কিছু কোরবান করে তাদের মাতৃভূমি আরব থেকে বের হয়ে পড়েছিলেন। ঐ সদ্য প্রসূত জাতি, যার নারী-পুরম্নষ, বৃদ্ধ-শিশু মিলিয়ে পাঁচ লাখও সংখ্যায় হবে না, টাকা নাই, পয়সা নাই, প্রাকৃতিক সম্পদ নাই, কিছুই নাই, প্রায় নিরস্ত্র, তবুও তাদের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য তাদের রসুলের শিক্ষা, রসুলের দেওয়া দায়িত্ব পূর্ণ করার জন্য দেশ থেকে বের হয়ে যেয়ে তদানিšত্মন পৃথিবীর দুই বৃহৎ শক্তি- যাদের আমরা বলি পরাশক্তি (Super Power) তাদের অপরিমীত সম্পদ, অসংখ্য লোকবল, উন্নত প্রযুক্তি এবং বিরাট সুসজ্জিত, সুশিক্ষিত সামরিক বাহিনীগুলির সামনে যেয়ে দাঁড়াল।

সামরিক দৃষ্টিকোণে এটা ছিল এক আত্মহত্যার মত। যে মুজাহিদরা আরব থেকে বেরে হয়ে ঐ বিশ্ব শক্তিগুলির সামনে দাঁড়িয়ে তাদের নবীর সুন্নাহ অনুযায়ী যে তিনটি শর্ত দিয়েছিলেন সেটা যে শুধু তাদের আত্মহত্যা তা-ই নয়, রসুলের ঐ নতুন জাতিটিরও আত্মহত্যা। কারণ যদি তারা ঐ অসম যুদ্ধে হেরে যেতেন তবে তাদের ঐ দুঃসাহসের শান্তি দিতে ঐ বিশ্বশক্তি দু’টো আরবের ভেতরে ঢুকে ঐ নতুন রাষ্ট্রটাকে ধ্বংস করে দিতে পারতো এবং তাহলে আজ ইসলাম বলে কোন দীন থাকতো না এবং মুসলিম বলে কোন জাতিও থাকতো না। কিন্তু ইতিহাস হলো, ঐ বিশ্ব শক্তি দু’টি উম্মতে মোহাম্মদীর তিন শর্তের মধ্যে শেষ শর্তটিই বেছে নিয়েছিল এবং নিজেরা টুকরো টুকরো হয়ে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। উম্মতে মোহাম্মদীর হাতে মাত্র ৬০/৭০ বছরের মধ্যে পশ্চিমে মরক্কোতে, আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূল থেকে পুর্বে চীনের সীমান্ত আর উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর থেকে দক্ষিণে ভারত মহাসাগর পর্যšত্ম বিরাট এলাকায় এই শেষ জীবন-ব্যবস্থা আলস্নাহর দেওয়া সত্য দীন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব এ মহা বিজয় কি করে সম্ভব হলো তা এক বিরাট প্রশ্ন। এর উত্তর হলো, যেহেতু ঐ উম্মাহ, জাতি আল্লাহর শেষ নবীর (দ.) রেখে যাওয়া কাজ পূর্ণ করতে জীবনের সব কিছু ত্যাগ করে বের হয়ে পড়েছিলেন কাজেই আল্লাহর স্বয়ং ঐ উম্মাহর সঙ্গে থেকে তাদের সাহায্য করেছিলেন, আর আল্লাহ যাদের সাহায্যকারী, অভিভাবক হন তাদের পরাজিত করে কোন শক্তি? ঐ উম্মাহও জানতেন আলস্নাহ যে কারণে পৃথিবীতে তার নবীদের বিশেষ করে তার শেষ নবীকে (দ.) পাঠিয়েছিলেন- অর্থাৎ সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পৃথিবীতে আল্লাহর দেয়া দীন প্রতিষ্ঠা, তাই করতে তারা অগ্রসর হয়েছেন কাজেই তাদের সাহায্য করতে আল্লাহর ওয়াদাবদ্ধ (সুরা বাকারা ২৫৬)।

সংক্ষেপে বললে বলতে হয় রাসুলাল্লাহ (দ.) আসহাবরা (রা.) অর্থাৎ উম্মতে মোহাম্মদী হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করেছিলেন যে, তাদের অস্তিত্বের অর্থই হলো তাদের নেতা বিশ্বনবী মোহাম্মদের (দ.) সুন্নাহ অনুসরণ করা, অর্থাৎ তিনি জীবনভর যে কাজটি করেছেন সেই কাজ চালিয়ে যাওয়া। সে কাজটি হচ্ছে, যেহেতু তিনি (দ.) সমস্ত পৃথিবীর জন্য প্রেরিত হয়েছেন কাজেই পৃথিবীময় এই শেষ ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রাম করা। সে সংগ্রাম মানুষকে বুঝিয়ে, কথা বলে, লিখে এবং সশস্ত্রভাবে, সর্বতোভাবে। মহানবীর (দ.) জীবিতকালে তারা তাদের পার্থিব যা কিছু ছিল সব দিয়ে এবং শেষে প্রাণটুকু দিয়ে তাকে তার দায়িত্ব পুরণে সাহায্য করেছেন, তার প্রতি কাজে প্রতি প্রচেষ্টায় তার সাথে থেকে তাকে আপ্রাণ সাহায্য করেছেন। তার প্রতিটি সুখ-দুঃখের তারা অংশীদার হয়েছেন। তারপর যখন তিনি তাদের মাঝ থেকে চলে গেলেন তখন তারা তাদের নেতার কাজে যেন কোন বিরতি না হয় সেজন্য সেই সংগ্রাম পূর্ণভাবে চালু রাখলেন। সেই কাজের বিরাটত্ব, সংকট, বিপদ তাদের এক মুহূর্তের জন্য দ্বিধাগ্রস্থ করতে পারলো না। কারণ তারা তাদের নেতার (দ.) পবিত্র মুখে শুনেছিলেন, যে আমার সুন্নাহ ত্যাগ করবে সে আমাদের কেউ নয় (হাদিস)। তারা বুঝেছিলেন ‘তাঁর (দ.) বা তাদের কেউ নয়’ অর্থ উম্মতে মোহাম্মদীই নয় এবং তাঁর প্রকৃত সুন্নাহ হলো পৃথিবীতে এই জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের এই করুণ পরিণতি কোনো নিয়তির নির্মম পরিহাস নয়, বরং তা আল্লাহর বিধান থেকে দূরে সরে যাওয়ারই অবশ্যম্ভাবী ফসল। আমরা নামের শেষে মুসলিম…
 ১৬ জুন ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার
চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন
চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের জন্য সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পসহ নতুন ও সংশোধিত পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়