প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   রসুলাল্লাহর প্রকৃত সুন্নাহ আজ পরিত্যক্ত

রসুলাল্লাহর প্রকৃত সুন্নাহ আজ পরিত্যক্ত

১৫ জুন ২০২৩ ০৫:১৫ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

সুন্নাহ একটি আরবি শব্দ যার আভিধানিক অর্থ রীতি, নিয়ম, পথ, পন্থা, পদ্ধতি, আদেশ ইত্যাদি। সুরা ফাতাহর ২৩ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, “সুন্নাতাল্লাহ উল্লাহতি ক্বাদ খালাত্ মিন্ ক্বাবলু ওয়া লানতাজিদা লেস্ সুন্নাতেল্লাহে তাবদিলা” অর্থ এটাই আলস্নাহর রীতি, যা পূর্ব থেকে চালু আছে। তুমি আলস্নাহর রীতিতে কোন পরিবর্তন পাবে না”। এই আয়াতে আল্লাহ তাঁর নিজের ক্ষেত্রে সুন্নাহ শব্দটি ব্যবহার করেছেন, যার বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে, “আলস্নাহর রীতি”। ইংরেজী অনুবাদ করা হয়েছে “Way of Allâh” অর্থ আলস্নাহর রীতি। আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলী ও মারমাডিউক পিকথল সুন্নাহ শব্দের অনুবাদ করেছেন “the practice (Approved) of Allah”  অর্থ আল্লাহ রীতি, চর্চা, কর্ম ইত্যাদি।

রসুলের সুন্নাহ কি?

আদম (আ.) থেকে শুরু করে শেষ নবী মোহাম্মদ (দ.) পর্যন্ত আল্লাহর যতো নবী রসুল (আ.) মানবজাতির পথ প্রদর্শনের জন্য পাঠিয়েছেন তাদের প্রত্যেককেই যে মূল-মন্ত্র দিয়ে পাঠিয়েছেন তা হচ্ছে তওহীদ, আলস্নাহর সার্বভৌমত্ব। স্থান, কাল ও পাত্রের বিভিন্নতার কারণে দীনের অর্থাৎ জীবনব্যবস্থার আইন-কানুন, দন্ডবিধি, এবাদতের পদ্ধতি ইত্যাদি বিভিন্ন হয়েছে কিন্তু ভিত্তি, মূলমন্ত্র একচুলও বদলায় নি। এই সার্বভৌমত্বের, তওহীদেরই অপর নাম সেরাতুল মুত্মকীম, দীনুল-কাইয়্যেমা, চিরন্তন, শাশ্বত, সনাতন জীবন পথ। প্রেরিত প্রত্যেক নবী-রসুলকে আল্লাহ এই দায়িত্ব দিয়েছেন তারা যেন তাদের নিজ নিজ জাতিকে এই তওহীদের অর্থাৎ আল্লাহ সার্বভৌমত্বের অধীনে নিয়ে আসেন। নবী-রসুলদের আগমনের এই ধারাবাহিকতায় আল্লাহ যাঁকে শেষ নবী হিসেবে পাঠালেন তিনিই হচ্ছেন আমাদের নেতা মোহাম্মদ (দ.) বিন্ আবদাল্লাহ। পূর্ববর্তী সমস্ত নবী রসুলদের সঙ্গে-তাঁর পার্থক্য হলো এই যে, পূর্ববর্তী নবীদের দায়িত্ব সীমিত ছিল তাঁদের যার যার জাতি, গোষ্ঠি, গোত্রের মধ্যে আর এর উপর আল্লাহ ভার দিলেন সমগ্র পৃথিবীর মানুষকে এই তওহীদের ছত্রছায়ায় নিয়ে আসার। আলস্নাহ বললেন আমি আমার রসুলকে সঠিক পথ প্রর্দশন (হেদায়াহ) এবং সত্য দীন (দীনুল হক) দিয়ে প্রেরণ করলাম এই জন্যে যে তিনি যেন একে (এই হেদায়াহ ও জীবনব্যবস্থাকে) পৃথিবীর অন্যান্য সমস্ত জীবনব্যবস্থার উপর বিজয়ী করেন (কোর’আন-সুরা আল্ ফাতাহ- ২৮, সুরা আত তওবা- ৩৩ ও সুরা আস সফ- ৯) । অর্থাৎ আল্লাহ তাঁর শেষ রসুলকে দায়িত্ব দিলেন এই দীনুল হককে সমস্ত পৃথিবীর ওপর বিজয়ী ও প্রতিষ্ঠা করার। অর্থাৎ পৃথিবীতে, মানব জাতির মধ্যে আল্লাহ রসুলকে প্রেরণের উদ্দেশ্য একটি নয়, দুইটি। একটি রসুলের মাধ্যমে হেদায়াহ, পথ প্রদর্শনসহ দীন পাঠানো, দ্বিতীয়টি সেই হেদায়াহ ও দীনকে সমগ্র মানব জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। কারণ সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায় (যদিও এই সাধারণ জ্ঞানটাই বর্তমান ‘মুসলিম’ দুনিয়ায় নেই) সে দীন, জীবনব্যবস্থা যদি মানুষের জীবনে কার্যকরই না হয় তবে তা রসুলের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠানো অর্থহীন। একটি সংবিধান সেটি যতো সুন্দর, যতো নিখুঁতই হোক না কেন, সেটা একটি জনসমষ্টি বা জাতির ওপর প্রয়োগ ও কার্যকর না করা হলে যেমন সেটা অর্থহীন, তেমনি তওহীদের ওপর ভিত্তি করা দীনুল ইসলাম, দীনুল হকের সংবিধান কোর’আনকে মানব জীবনের সর্বস্তরে, সর্ব অঙ্গনে প্রয়োগ ও কার্যকর না করতে পারলে তা অর্থহীন।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

Screenshot 1

এখন প্রশ্ন হলো, এই দীন, জীবন-ব্যবস্থাকে সমস্ত পৃথিবীর উপর প্রতিষ্ঠা করার মত বিরাট, বিশাল কাজে সাফল্য অর্জন করার প্রক্রিয়া কী হবে? আল্লাহ তাঁকে এই কাজ করার সুন্নাহ অর্থাৎ নীতি ও কর্মসূচিও দান করলেন। আল্লাহ জানেন এত বিরাট, বড় কাজে বাধাও অবশ্যই আসবে বিরাট হয়ে। ঐ কঠিন বাধা অতিক্রম করে আল্লাহ দীনকে সমস্ত পৃথিবীময় প্রতিষ্ঠার নীতি ও প্রক্রিয়া কি হবে? মানুষকে বুঝিয়ে? বক্ততৃতা, ওয়াজ করে? বই পুস্তক লিখে? যুক্তি তর্ক করে? এই জীবনব্যবস্থার শ্রেষ্ঠত্ব, মাহাত্য বর্ণনা করে? প্রচার, তবলিগ করে? মিটিং, মিছিল করে? শেস্নাগান দিয়ে, নির্বাচন করে? এই প্রশ্নের জবাব আলস্নাহর রসুল নিজেই দিয়ে গেছেন। তিনি বলেছেন- আমি আদিষ্ট হয়েছি মানব জাতির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সংগ্রাম চালিয়ে যেতে যে পর্যন্ত না সমস্ত মানুষ আল্লাহকে একমাত্র হুকুমদাতা এবং আমাকে তাঁর রসুল বলে মেনে নেয় (হাদিস- আবদালস্নাহ বিন ওমর (রা.) থেকে- বোখারি, মেশকাত)। অর্থাৎ ঐ সব কোন প্রক্রিয়া (তরিকা) নয়, ইসলামকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করতে হবে সংগ্রামের মাধ্যমে। আল্লাহর কোর’আনে শত শতবার সংগ্রামের উল্লেখ, আদেশ ও তাগিদ, ছোট বড় সমস্ত গোনাহের ক্ষমা, যোদ্ধাদের সরাসরি জান্নাতে প্রবেশ করানোর প্রতিশ্রম্নতি, শহীদদের মৃত না বলার সম্মান ও রসুলের মাত্র ৯ বছরের মধ্যে ১০৭টি যুদ্ধ থেকেই আর সন্দেহের কোন অবকাশই থাকে না যে সর্বজ্ঞানী আল্লাহ তাঁর দীনকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার জন্যে সর্বাত্মক সংগ্রামকেই নীতি হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

সমস্ত পৃথিবীতে এই শেষ জীবন বিধান প্রতিষ্ঠা করার মত এত বড় বিশাল কাজ এক জীবনে করা সম্ভব নয়। এজন্য তিনি একটি জাতি গঠন করলেন, যে জাতিটির নাম উম্মতে মোহাম্মদী। বিশ্বনবী (দ.) তার নবীজীবনের তেইশ বছরে তাঁর আসহাবদের নিয়ে সমস্ত আরব উপদ্বীপে এই শেষ জীবন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করলেন অর্থাৎ ইসলামের শেষ সংস্করণ সমস্ত মানবজাতির একটি অংশে কার্যকর হলো। কিন্তু রসুলের দায়িত্ব তো সমস্ত পৃথিবী, সমগ্র মানব জাতি। যতদিন সমস্ত পৃথিবীর সমগ্র মানব জাতির ওপর এই শেষ জীবনবিধান সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠা না হবে ততদিন মানুষ আজকের মতই যুদ্ধবিগ্রহ, অশান্তি, অবিচারের মধ্যে ডুবে থাকবে- শান্তি, ইসলাম আসবে না। ফলে বিশ্বনবীর আগমনের উদ্দেশ্যই অপূর্ণ থেকে যাবে যা অসম্ভব। সুতরাং সমস্ত দুনিয়াতে এই সত্য দীন প্রতিষ্ঠা হবেই হবে। রসুলাল্লাহর উপর আল্লাহ দেওয়া দায়িত্ব পূর্ণ হবেই হবেই ইনশা’আল্লাহ। এখানে একটা বিষয় খুব সাবধানের সাথে খেয়াল রাখতে হবে- একটা হল দীন, জীবন-ব্যবস্থা আর অপরটা হলো সেই জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা (কার্যকর) করা। নবী করীম (দ.) বিদায় হজ্বের ভাষণে তাঁর আসহাবদের নিকট আল্লাহকে সাক্ষী রেখে জানতে চেয়েছেন তাঁর উপর যে কোর’আন অর্থাৎ জীবন-ব্যবস্থা নাযেল হলো তা তিনি পূর্ণভাবে পৌঁছে দিয়েছেন কিনা। উপস্থিত সকল আসহাব সমস্বরে উত্তর দিলেন, হ্যাঁ আল্লাহ সাক্ষী, আপনি পৌঁছে দিয়েছেন। তাহলে আমরা পরিষ্কার বুঝলাম রসুলের উপর দুইটি দায়িত্ব ছিল একটি আল্লঅহর দেওয়া জীবন-বিধান মানব জাতিকে পৌঁছে দেওয়া (যেটা তিনি সম্পূর্ণ করেছেন), অন্যটি হলো সেই জীবন-বিধান মানুষের সামগ্রিক জীবনে প্রতিষ্ঠা করা। বিদায় হজে রসুল দীন, জীবন-বিধান নাযেল পূর্ণ হওয়ার কথা বলেছেন, কিন্তু দ্বিতীয় যে দায়িত্ব অর্থাৎ সমস্ত পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা (কায়েম) তখনও হয় নাই। রসুলের জীবদ্দশায় শুধুমাত্র আরব উপদ্বীপে এই পূর্ণ দীন, জীবন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, রসুল চলে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই বাকি দুনিয়ায় এই দীন প্রতিষ্ঠার ভার পড়ল তাঁর উম্মাহর উপর। তাঁর সৃষ্ট জাতি কিন্তু ভুলে গেল না যে তাদের নেতার ওপর আল্লাহর দেয়া দায়িত্ব হচ্ছে সমস্ত পৃথিবীতে এই দীন প্রতিষ্ঠা করা। তাই ইতিহাসে দেখি বিশ্বনবী (দ.) ওফাতের সঙ্গে সঙ্গে তার উম্মাহ পৃথিবীর সমস্ত কিছু কোরবান করে তাদের মাতৃভূমি আরব থেকে বের হয়ে পড়েছিলেন। ঐ সদ্য প্রসূত জাতি, যার নারী-পুরম্নষ, বৃদ্ধ-শিশু মিলিয়ে পাঁচ লাখও সংখ্যায় হবে না, টাকা নাই, পয়সা নাই, প্রাকৃতিক সম্পদ নাই, কিছুই নাই, প্রায় নিরস্ত্র, তবুও তাদের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য তাদের রসুলের শিক্ষা, রসুলের দেওয়া দায়িত্ব পূর্ণ করার জন্য দেশ থেকে বের হয়ে যেয়ে তদানিšত্মন পৃথিবীর দুই বৃহৎ শক্তি- যাদের আমরা বলি পরাশক্তি (Super Power) তাদের অপরিমীত সম্পদ, অসংখ্য লোকবল, উন্নত প্রযুক্তি এবং বিরাট সুসজ্জিত, সুশিক্ষিত সামরিক বাহিনীগুলির সামনে যেয়ে দাঁড়াল।

সামরিক দৃষ্টিকোণে এটা ছিল এক আত্মহত্যার মত। যে মুজাহিদরা আরব থেকে বেরে হয়ে ঐ বিশ্ব শক্তিগুলির সামনে দাঁড়িয়ে তাদের নবীর সুন্নাহ অনুযায়ী যে তিনটি শর্ত দিয়েছিলেন সেটা যে শুধু তাদের আত্মহত্যা তা-ই নয়, রসুলের ঐ নতুন জাতিটিরও আত্মহত্যা। কারণ যদি তারা ঐ অসম যুদ্ধে হেরে যেতেন তবে তাদের ঐ দুঃসাহসের শান্তি দিতে ঐ বিশ্বশক্তি দু’টো আরবের ভেতরে ঢুকে ঐ নতুন রাষ্ট্রটাকে ধ্বংস করে দিতে পারতো এবং তাহলে আজ ইসলাম বলে কোন দীন থাকতো না এবং মুসলিম বলে কোন জাতিও থাকতো না। কিন্তু ইতিহাস হলো, ঐ বিশ্ব শক্তি দু’টি উম্মতে মোহাম্মদীর তিন শর্তের মধ্যে শেষ শর্তটিই বেছে নিয়েছিল এবং নিজেরা টুকরো টুকরো হয়ে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। উম্মতে মোহাম্মদীর হাতে মাত্র ৬০/৭০ বছরের মধ্যে পশ্চিমে মরক্কোতে, আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূল থেকে পুর্বে চীনের সীমান্ত আর উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর থেকে দক্ষিণে ভারত মহাসাগর পর্যšত্ম বিরাট এলাকায় এই শেষ জীবন-ব্যবস্থা আলস্নাহর দেওয়া সত্য দীন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব এ মহা বিজয় কি করে সম্ভব হলো তা এক বিরাট প্রশ্ন। এর উত্তর হলো, যেহেতু ঐ উম্মাহ, জাতি আল্লাহর শেষ নবীর (দ.) রেখে যাওয়া কাজ পূর্ণ করতে জীবনের সব কিছু ত্যাগ করে বের হয়ে পড়েছিলেন কাজেই আল্লাহর স্বয়ং ঐ উম্মাহর সঙ্গে থেকে তাদের সাহায্য করেছিলেন, আর আল্লাহ যাদের সাহায্যকারী, অভিভাবক হন তাদের পরাজিত করে কোন শক্তি? ঐ উম্মাহও জানতেন আলস্নাহ যে কারণে পৃথিবীতে তার নবীদের বিশেষ করে তার শেষ নবীকে (দ.) পাঠিয়েছিলেন- অর্থাৎ সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পৃথিবীতে আল্লাহর দেয়া দীন প্রতিষ্ঠা, তাই করতে তারা অগ্রসর হয়েছেন কাজেই তাদের সাহায্য করতে আল্লাহর ওয়াদাবদ্ধ (সুরা বাকারা ২৫৬)।

সংক্ষেপে বললে বলতে হয় রাসুলাল্লাহ (দ.) আসহাবরা (রা.) অর্থাৎ উম্মতে মোহাম্মদী হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করেছিলেন যে, তাদের অস্তিত্বের অর্থই হলো তাদের নেতা বিশ্বনবী মোহাম্মদের (দ.) সুন্নাহ অনুসরণ করা, অর্থাৎ তিনি জীবনভর যে কাজটি করেছেন সেই কাজ চালিয়ে যাওয়া। সে কাজটি হচ্ছে, যেহেতু তিনি (দ.) সমস্ত পৃথিবীর জন্য প্রেরিত হয়েছেন কাজেই পৃথিবীময় এই শেষ ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রাম করা। সে সংগ্রাম মানুষকে বুঝিয়ে, কথা বলে, লিখে এবং সশস্ত্রভাবে, সর্বতোভাবে। মহানবীর (দ.) জীবিতকালে তারা তাদের পার্থিব যা কিছু ছিল সব দিয়ে এবং শেষে প্রাণটুকু দিয়ে তাকে তার দায়িত্ব পুরণে সাহায্য করেছেন, তার প্রতি কাজে প্রতি প্রচেষ্টায় তার সাথে থেকে তাকে আপ্রাণ সাহায্য করেছেন। তার প্রতিটি সুখ-দুঃখের তারা অংশীদার হয়েছেন। তারপর যখন তিনি তাদের মাঝ থেকে চলে গেলেন তখন তারা তাদের নেতার কাজে যেন কোন বিরতি না হয় সেজন্য সেই সংগ্রাম পূর্ণভাবে চালু রাখলেন। সেই কাজের বিরাটত্ব, সংকট, বিপদ তাদের এক মুহূর্তের জন্য দ্বিধাগ্রস্থ করতে পারলো না। কারণ তারা তাদের নেতার (দ.) পবিত্র মুখে শুনেছিলেন, যে আমার সুন্নাহ ত্যাগ করবে সে আমাদের কেউ নয় (হাদিস)। তারা বুঝেছিলেন ‘তাঁর (দ.) বা তাদের কেউ নয়’ অর্থ উম্মতে মোহাম্মদীই নয় এবং তাঁর প্রকৃত সুন্নাহ হলো পৃথিবীতে এই জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ
নদীবেষ্টিত জেলা বরিশালের চারদিক দিয়ে বয়ে চলেছে কীর্তনখোলা, পদ্মা ও মেঘনাসহ অসংখ্য নদী। এসব নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতি বছর বদলে যাচ্ছে জেলার মানচিত্র। মাইলের পর…
 ১০ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু…
 ১০ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির নিজস্ব…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন হয়। হঠাৎ হওয়া এই কম্পনের ফলে সাধারণ…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে…
 ২৫ মে ২০২৬    জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে,…
 ২৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামে পরিচিত আবু বকর সিদ্দিকের অন্ধকার জগতের নানা তথ্য সামনে এসেছে। ধর্মের লেবাস এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে তিনি গত কয়েক…
 ২৩ মে ২০২৬    অন্যান্য