জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে যাত্রীবাহী রেলের সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ইঞ্জিন ও যাত্রীবাহী ক্যারেজ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম।
আজ সোমবার (১০ জুন) বিকেলে সংসদের বাজেট অধিবেশনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদে সভাপতিত্ব করেন।
তিনি বলেন, এরইমধ্যে ভারত থেকে ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ সংগ্রহের জন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া ২৬০টি ব্রডগেজ প্যাসেঞ্জার ক্যারজ, ৪৫৪টি মিটার গেজ প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ, ৪৬টি ব্রডগেজ রেল ইঞ্জিন এবং ৫০টি মিটার গেজ রেল ইঞ্জিন সংগ্রহের জন্য প্রকল্প গ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে।
ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এমপি আলী আজমের অপর এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, দেশের আপামর জনসাধারণকে স্বল্প খরচে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবহন সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেলপথ মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে দেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনয়নের নির্দেশনা দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলাকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনার জন্য ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা সমুদ্র বন্দর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের লক্ষ্যে ‘বিশদ নকশা প্রণয়ন ও দরপত্র দলিল প্রস্তুতসহ ভাঙ্গা জংশন (ফরিদপুর) থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা’ প্রকল্পের মাধ্যমে অ্যালাইনমেন্ট নিম্নোক্তভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

















