প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মুসলিম উম্মাহর দুর্গতি দূর করতে...

মুসলিম উম্মাহর দুর্গতি দূর করতে পারে প্রকৃত ইসলাম

১৩ মে ২০২৪ ১১:২২ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম:
মুসলিম জাতির গত এক শতাব্দির ইতিহাস যেন এক বিভীষিকা। যুদ্ধ, রক্তপাত, হত্যা, গুম, ধর্ষণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, উৎখাত, উচ্ছেদ অভিযান, গণহত্যা যেন মুসলমানদের ভাগ্যের লিখন। একেকটা মুসলিমপ্রধান দেশ যেন একেকটা কসাইখানা। এসব যুদ্ধভূমিতে শিশুদের ঘুম ভাঙে বোমার শব্দে কিংবা বুলেটে বুক ঝাঁঝরা হওয়া স্বজনের আর্তচিৎকারে। সাম্রাজ্যবাদীরা সম্মিলিতভাবে মুসলমানদের জাতিগতভাবে নির্মূল করতে উঠেপড়ে লেগেছে। কেবল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিগত ৭৭ বছরে মুসলমান নিধনযজ্ঞের পরিসংখ্যান দেখলে যেকোনো সুস্থ মানুষের গা শিউরে উঠবে। (সূত্র: উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য)

  • ১৯৪৮-২০০৮ সালের আরব ও ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত হয়- ৮৮ হাজার মুসলমান
  • ১৯৪৭ সালে শুরু হওয়া কাশ্মির যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৭৯-৮৯ সালের আফগানিস্তান যুদ্ধে নিহত হয়- ২০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮০-৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধে নিহত হয়- ২০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮৩-২০০৫ সালের সুদানের গৃহযুদ্ধে নিহত হয়- ৪০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮৮-২০০১ সালের আফগানিস্তান গৃহযুদ্ধে নিহত হয়- ১০ লক্ষ মুসলমান
  • ১৯৮৮-২০০৪ সালের সোমালিয়া গৃহযুদ্ধে নিহত- সাড়ে ৫ লক্ষ মুসলমান
  • ১৯৯২-১৯৯৫ সালের বসনিয়া যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৯৪ সালের রুয়ান্ডা গৃহযুদ্ধে প্রায় নিহত হয়- ১৫ লক্ষ মুসলমান 
  • ২০০১-২১ সাল পর্যন্ত চলা আমেরিকা-আফগান যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ ৭৬ হাজার মুসলমান 
  • ২০১২ সাল থেকে চলা সিরিয়া গৃহযুদ্ধে নিহত- ৬ লক্ষ মুসলমান 
  • ২০০৩ থেকে চলমান ইরাক যুদ্ধে নিহত- ১০ লক্ষ মুসলমান
  • ২০১৬-১৭ সালে মায়ানমার গৃহযুদ্ধে হত্যা করা হয়- ৫০ হাজার মুসলমান এবং দশ লাখ মুসলমানকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়। 
  • ২০২৩ সালে শুরু হওয়া হামাস ইসরায়েল যুদ্ধে এখন পর্যন্ত নিহত- ৩৫ হাজার মুসলমান

এ তো গেল কেবল গত কয়েক দশকের মুসলিম গণহত্যার একটি পরিসংখ্যান। আমরা যদি, আরো পেছনে যাই সেখানেও দেখব মুসলিম গণহত্যার রক্তাক্ত ইতিহাস। ১০০০ খ্রিষ্টাব্দে মুসলমানদের উপর প্রথম আক্রমণ ও গণহত্যা চালায় ক্রুসেডাররা। এ হামলায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ১৭ লক্ষ মুসলমানকে। এরপর দ্বিতীয় আক্রমণে হালাকু খান বাগদাদে হামলা চালিয়ে পুরো নগরীকে মৃত্যুপুরীতে রূপ দেয়। হালাকু খানের বাহিনী প্রায় ২০ লক্ষ মুসলমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করে তাদের মাথা দিয়ে পিরামিড বানায়। অল্প সময়ের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক মানুষকে হত্যা করে যে পুরো নগরী রক্তের নদীতে পরিণত হয়। একই কায়দায় গণহত্যা চালায় চেঙ্গিস খান, তৈমুর লং। এর কিছুকাল পরে মুসলমান জাতিটির উপর সর্বশেষ আক্রমণ করে ইউরোপীয় প্রভুরা। ১৬ শতকের শেষদিকে ইউরোপীয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খ্রিষ্টান জাতি কর্তৃক আক্রমণ, গণহত্যা, লুণ্ঠন অতঃপর দুইশো’ বছরের দাসত্ব মুসলমান জাতিকে মুক, অন্ধ ও বধির করে দেয়। সেই থেকে আর মুসলমানরা মাথা তুলতে পারে নি। তারা অন্য জাতিগুলোর কাছে ফুটবলের মতো লাথি খেয়ে তাদের অনুগ্রহ, অনুকম্পা নিয়েই বেঁচে আছে। যে যেভাবে পারছে মুসলমানদের উপর চেপে বসছে, তাদের উপর অন্যায়-অত্যাচার, জুলুম করছে, শোষণ করে ফায়দা লুটে নিচ্ছে। যখন স্বার্থ ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন অবরোধ, নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে তাদের ভূখণ্ড কেড়ে নিয়ে উদ্বাস্তু শিবিরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় এগারো কোটি মুসলমান উদ্বাস্তু। তাদের নিজেদের দেশ থেকে বাস্তুচ্যুত। তাদের না আছে কোন আবাসস্থল, না আছে কোন বেঁচে থাকার অধিকার। তাদের দেখার কেউ নেই। তখন সাম্রাজ্যবাদীদের প্রতিষ্ঠা করা বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন আসে ত্রাণের সামগ্রী নিয়ে। তাদের দয়া-অনুকম্পা ছাড়া উদ্বাস্তু মুসলমানদের আহারও জোটে না।

প্রশ্ন হচ্ছে, মুসলমানদের এই শোচনীয় পরিণতির কারণ কী? যে মুসলমানরা ছিল দুনিয়াতে সেরা জাতি, অর্ধ পৃথিবীর শাসক, যারা কিনা একদা পৃথিবীর দুই সুপার পাওয়ার রোম ও পারস্যকে পরাজিত করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল, যাদের শক্তি, শৌর্য, বীরত্বের কাছে মাথা নত করেছিল অর্ধেক দুনিয়া, মাত্র কয়েক দশকের মধ্যে জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সামরিক শক্তি, শিক্ষা-দীক্ষার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল যে জাতি তারা আজ কেন অন্য জাতির দাসত্বের শেকলে বন্দি? কেন তারা নিজেদের শক্তি, গৌরব, মর্যাদা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে? এর কারণ, যে মহান আদর্শবলে আল্লাহর রসুল (সা.) তাঁর উম্মাহ গঠন করেছিলেন, যে তওহীদ-কালেমা ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের উপর পুরো জাতিকে এক উম্মাহতে পরিণত করেছিলেন সেই লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থেকে তারা সরে গিয়েছে। দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার যে মহান দায়িত্ব রসুলাল্লাহর (সা.) তাঁর উম্মাহর উপর অর্পণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব বাদ দেওয়ার অনিবার্য ফলস্বরূপ মুসলমানরা আজ দুর্বল, শক্তিহীন হয়ে অন্য জাতির দাস বা গোলামে পরিণত হয়েছে। মুসলমানদের এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য অনেকেই অনেক উপায় বলছে। কেউ বলছে মুসলিমদের প্রচুর শিক্ষিত হতে হবে, কেউ বলছে তাদের ঈমান দুর্বল হয়ে গেছে, আরো বেশি নামাজ পড়তে হবে, কেউ বলছে মাতৃভাষায় কোর’আন পড়তে হবে। মাহফিলে এস্তেমায় মুসলিমদের কল্যাণকামনায় দোয়ার বন্যা বইয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কোনকিছুই মুসলমানদের ভাগ্য ফেরাতে পারছে না। এখন মুসলমানদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটতে পারে কেবল একটি উপায়ে তা হলো, যদি তারা আবারও একমাত্র আল্লাহর তওহীদের উপর ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়। তবেই মুসলমানদের এই শোচনীয় অবস্থার পরিবর্তন হবে এবং তারা তাদের হারানো গৌরব ও মর্যাদা ফিরে পাবে।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

Screenshot 1

আল্লাহর রসুল যখন আরবে ইসলাম প্রচার শুরু করলেন তখন পৃথিবীর সবচেয়ে পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী ছিল আরবরা। রোমান ও পারস্যের শাসকরা আরবদেরকে দেখত অবহেলার চোখে। সেই আরবদের মধ্যে যখন ইসলামের আবির্ভাব ঘটল, ইতিহাসের মোড় ঘুরে গেল। রসুলাল্লাহ এসে আরবের ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন গোত্রগুলোকে একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচির উপর ঐক্যবদ্ধ করলেন। অবহেলিত আরবসন্তানরা জেগে উঠল নতুন প্রাণের উল্লাসে! তাদের মাঝে এমন যুগান্তকারী সভ্যতার উন্মেষ ঘটল যার সম্মুখে সমসাময়িক সকল আদর্শ, সকল মতবাদ আবেদন হারিয়ে বর্ণহীন হয়ে গেল। পি কে হিট্টির ভাষায়, ‘সম্ভাবনাহীন উপাদান বা শূন্য’ থেকে জন্ম হলো বিরাট এক বটবৃক্ষের। সেই বৃক্ষের ছায়াতলে আসলো অর্ধ দুনিয়া। জ্ঞানে-বিজ্ঞানে-সভ্যতায় তারা এমন স্বর্ণযুগ প্রতিষ্ঠা করল যে বাকি বিশ্ব বিস্ময়ে হতবাক হয়ে চেয়ে থাকত মুসলমানদের দিকে।

কিন্তু এরপর ঘটে গেল মহা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। যে মহান আদর্শের উপর ঐক্যবদ্ধ করে দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তিনি তাঁর উম্মাহর উপর অর্পণ করে চলে গেলেন উম্মাহ সেই দায়িত্ব ভুলে গেল। দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাদ দিয়ে, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ভুলে জাতির শাসক শ্রেণিটি অন্যান্য রাজা-বাদশাহদের মতো ভোগ বিলাসিতায় ডুবে গেল। জাতির অন্য আরেকটি শ্রেণি দীনের ছোট-খাটো বিষয় নিয়ে চুলচেরা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে, দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করে হাজার হাজার ফেরকা, তরিকা, মতবাদে বিভক্ত হয়ে গেল। অন্য শ্রেণিটি দীন প্রতিষ্ঠার কাজকে বাদ দিয়ে আত্মার বিরুদ্ধে জেহাদকে বড় জেহাদ মনে করে আত্মার ঘষামাজা চালিয়ে যেতে লাগল। এভাবে জাতির একেকটি অংশ একেকভাবে দীন নিয়ে চর্চা করে তাদের নেতার অর্পিত দায়িত্ব ভুলে গিয়ে, লক্ষভ্রষ্ট ও পথহারা হয়ে গেল। আকিদা ও লক্ষ্য হারানোর অনিবার্য ফলস্বরূপ তারা আজ অন্য জাতির কাছে পরাজিত, লাঞ্ছিত, নিপীড়িত।    

এমতাবস্থায় আমরা হেযবুত তওহীদ আবারও মানুষের কাছে ইসলামের সেই হারিয়ে যাওয়া প্রকৃত রূপটি তুলে ধরছি। মানবজীবনে বিরাজিত যাবতীয় অন্যায় অশান্তি রক্তপাত নির্মূল করে শান্তিময় পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য যে জীবনবিধান আল্লাহ তাঁর শেষ নবীর মাধ্যমে নাজিল করেছিলেন, সেই জীবনবিধান সর্বাত্মক সংগ্রামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করার জন্য হেযবুত তওহীদ মানুষকে আহ্বান করছে।

[লেখক: এমাম, হেযবুত তওহীদ; ফোন: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৭১১৫৭১৫৮১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

দুষ্টের দমনে সাংবাদিকদের কলমকে তরবারির মতো ব্যবহারের আহ্বান

দুষ্টের দমনে সাংবাদিকদের কলমকে তরবারির মতো ব্যবহারের আহ্বান
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক সাংবাদিকদের সমাজ পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সমাজ…
 ১২ জুন ২০২৬    ঢাকা

গাইবান্ধায় পানের হাট দখল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, এলাকায় উত্তেজনা

গাইবান্ধায় পানের হাট দখল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, এলাকায় উত্তেজনা
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পানের হাট দখল ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণও হয় বলে জানিয়েছেন…
 ১১ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

শ্রীপুরে পল্লী বিদ্যুতের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, অবরুদ্ধ কর্মকর্তাদের উদ্ধার করল পুলিশ

শ্রীপুরে পল্লী বিদ্যুতের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, অবরুদ্ধ কর্মকর্তাদের উদ্ধার করল পুলিশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে এমসি বাজার এলাকায় এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা ও লাইনম্যানদের ওপর হামলা, মারধর এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ…
 ১১ জুন ২০২৬    ঢাকা

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত, আহত ৩

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত, আহত ৩
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় পণ্যবাহী ট্রাকের চাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত তিনজন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে উপজেলার শ্রীরামদী…
 ১১ জুন ২০২৬    ঢাকা

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ
নদীবেষ্টিত জেলা বরিশালের চারদিক দিয়ে বয়ে চলেছে কীর্তনখোলা, পদ্মা ও মেঘনাসহ অসংখ্য নদী। এসব নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতি বছর বদলে যাচ্ছে জেলার মানচিত্র। মাইলের পর…
 ১০ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু…
 ১০ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়