প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মুসলিম উম্মাহর দুর্গতি দূর করতে...

মুসলিম উম্মাহর দুর্গতি দূর করতে পারে প্রকৃত ইসলাম

১৩ মে ২০২৪ ১১:২২ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম:
মুসলিম জাতির গত এক শতাব্দির ইতিহাস যেন এক বিভীষিকা। যুদ্ধ, রক্তপাত, হত্যা, গুম, ধর্ষণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, উৎখাত, উচ্ছেদ অভিযান, গণহত্যা যেন মুসলমানদের ভাগ্যের লিখন। একেকটা মুসলিমপ্রধান দেশ যেন একেকটা কসাইখানা। এসব যুদ্ধভূমিতে শিশুদের ঘুম ভাঙে বোমার শব্দে কিংবা বুলেটে বুক ঝাঁঝরা হওয়া স্বজনের আর্তচিৎকারে। সাম্রাজ্যবাদীরা সম্মিলিতভাবে মুসলমানদের জাতিগতভাবে নির্মূল করতে উঠেপড়ে লেগেছে। কেবল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিগত ৭৭ বছরে মুসলমান নিধনযজ্ঞের পরিসংখ্যান দেখলে যেকোনো সুস্থ মানুষের গা শিউরে উঠবে। (সূত্র: উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য)

  • ১৯৪৮-২০০৮ সালের আরব ও ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত হয়- ৮৮ হাজার মুসলমান
  • ১৯৪৭ সালে শুরু হওয়া কাশ্মির যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৭৯-৮৯ সালের আফগানিস্তান যুদ্ধে নিহত হয়- ২০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮০-৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধে নিহত হয়- ২০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮৩-২০০৫ সালের সুদানের গৃহযুদ্ধে নিহত হয়- ৪০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮৮-২০০১ সালের আফগানিস্তান গৃহযুদ্ধে নিহত হয়- ১০ লক্ষ মুসলমান
  • ১৯৮৮-২০০৪ সালের সোমালিয়া গৃহযুদ্ধে নিহত- সাড়ে ৫ লক্ষ মুসলমান
  • ১৯৯২-১৯৯৫ সালের বসনিয়া যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৯৪ সালের রুয়ান্ডা গৃহযুদ্ধে প্রায় নিহত হয়- ১৫ লক্ষ মুসলমান 
  • ২০০১-২১ সাল পর্যন্ত চলা আমেরিকা-আফগান যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ ৭৬ হাজার মুসলমান 
  • ২০১২ সাল থেকে চলা সিরিয়া গৃহযুদ্ধে নিহত- ৬ লক্ষ মুসলমান 
  • ২০০৩ থেকে চলমান ইরাক যুদ্ধে নিহত- ১০ লক্ষ মুসলমান
  • ২০১৬-১৭ সালে মায়ানমার গৃহযুদ্ধে হত্যা করা হয়- ৫০ হাজার মুসলমান এবং দশ লাখ মুসলমানকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়। 
  • ২০২৩ সালে শুরু হওয়া হামাস ইসরায়েল যুদ্ধে এখন পর্যন্ত নিহত- ৩৫ হাজার মুসলমান

এ তো গেল কেবল গত কয়েক দশকের মুসলিম গণহত্যার একটি পরিসংখ্যান। আমরা যদি, আরো পেছনে যাই সেখানেও দেখব মুসলিম গণহত্যার রক্তাক্ত ইতিহাস। ১০০০ খ্রিষ্টাব্দে মুসলমানদের উপর প্রথম আক্রমণ ও গণহত্যা চালায় ক্রুসেডাররা। এ হামলায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ১৭ লক্ষ মুসলমানকে। এরপর দ্বিতীয় আক্রমণে হালাকু খান বাগদাদে হামলা চালিয়ে পুরো নগরীকে মৃত্যুপুরীতে রূপ দেয়। হালাকু খানের বাহিনী প্রায় ২০ লক্ষ মুসলমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করে তাদের মাথা দিয়ে পিরামিড বানায়। অল্প সময়ের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক মানুষকে হত্যা করে যে পুরো নগরী রক্তের নদীতে পরিণত হয়। একই কায়দায় গণহত্যা চালায় চেঙ্গিস খান, তৈমুর লং। এর কিছুকাল পরে মুসলমান জাতিটির উপর সর্বশেষ আক্রমণ করে ইউরোপীয় প্রভুরা। ১৬ শতকের শেষদিকে ইউরোপীয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খ্রিষ্টান জাতি কর্তৃক আক্রমণ, গণহত্যা, লুণ্ঠন অতঃপর দুইশো’ বছরের দাসত্ব মুসলমান জাতিকে মুক, অন্ধ ও বধির করে দেয়। সেই থেকে আর মুসলমানরা মাথা তুলতে পারে নি। তারা অন্য জাতিগুলোর কাছে ফুটবলের মতো লাথি খেয়ে তাদের অনুগ্রহ, অনুকম্পা নিয়েই বেঁচে আছে। যে যেভাবে পারছে মুসলমানদের উপর চেপে বসছে, তাদের উপর অন্যায়-অত্যাচার, জুলুম করছে, শোষণ করে ফায়দা লুটে নিচ্ছে। যখন স্বার্থ ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন অবরোধ, নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে তাদের ভূখণ্ড কেড়ে নিয়ে উদ্বাস্তু শিবিরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় এগারো কোটি মুসলমান উদ্বাস্তু। তাদের নিজেদের দেশ থেকে বাস্তুচ্যুত। তাদের না আছে কোন আবাসস্থল, না আছে কোন বেঁচে থাকার অধিকার। তাদের দেখার কেউ নেই। তখন সাম্রাজ্যবাদীদের প্রতিষ্ঠা করা বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন আসে ত্রাণের সামগ্রী নিয়ে। তাদের দয়া-অনুকম্পা ছাড়া উদ্বাস্তু মুসলমানদের আহারও জোটে না।

প্রশ্ন হচ্ছে, মুসলমানদের এই শোচনীয় পরিণতির কারণ কী? যে মুসলমানরা ছিল দুনিয়াতে সেরা জাতি, অর্ধ পৃথিবীর শাসক, যারা কিনা একদা পৃথিবীর দুই সুপার পাওয়ার রোম ও পারস্যকে পরাজিত করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল, যাদের শক্তি, শৌর্য, বীরত্বের কাছে মাথা নত করেছিল অর্ধেক দুনিয়া, মাত্র কয়েক দশকের মধ্যে জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সামরিক শক্তি, শিক্ষা-দীক্ষার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল যে জাতি তারা আজ কেন অন্য জাতির দাসত্বের শেকলে বন্দি? কেন তারা নিজেদের শক্তি, গৌরব, মর্যাদা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে? এর কারণ, যে মহান আদর্শবলে আল্লাহর রসুল (সা.) তাঁর উম্মাহ গঠন করেছিলেন, যে তওহীদ-কালেমা ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের উপর পুরো জাতিকে এক উম্মাহতে পরিণত করেছিলেন সেই লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থেকে তারা সরে গিয়েছে। দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার যে মহান দায়িত্ব রসুলাল্লাহর (সা.) তাঁর উম্মাহর উপর অর্পণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব বাদ দেওয়ার অনিবার্য ফলস্বরূপ মুসলমানরা আজ দুর্বল, শক্তিহীন হয়ে অন্য জাতির দাস বা গোলামে পরিণত হয়েছে। মুসলমানদের এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য অনেকেই অনেক উপায় বলছে। কেউ বলছে মুসলিমদের প্রচুর শিক্ষিত হতে হবে, কেউ বলছে তাদের ঈমান দুর্বল হয়ে গেছে, আরো বেশি নামাজ পড়তে হবে, কেউ বলছে মাতৃভাষায় কোর’আন পড়তে হবে। মাহফিলে এস্তেমায় মুসলিমদের কল্যাণকামনায় দোয়ার বন্যা বইয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কোনকিছুই মুসলমানদের ভাগ্য ফেরাতে পারছে না। এখন মুসলমানদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটতে পারে কেবল একটি উপায়ে তা হলো, যদি তারা আবারও একমাত্র আল্লাহর তওহীদের উপর ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়। তবেই মুসলমানদের এই শোচনীয় অবস্থার পরিবর্তন হবে এবং তারা তাদের হারানো গৌরব ও মর্যাদা ফিরে পাবে।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

আল্লাহর রসুল যখন আরবে ইসলাম প্রচার শুরু করলেন তখন পৃথিবীর সবচেয়ে পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী ছিল আরবরা। রোমান ও পারস্যের শাসকরা আরবদেরকে দেখত অবহেলার চোখে। সেই আরবদের মধ্যে যখন ইসলামের আবির্ভাব ঘটল, ইতিহাসের মোড় ঘুরে গেল। রসুলাল্লাহ এসে আরবের ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন গোত্রগুলোকে একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচির উপর ঐক্যবদ্ধ করলেন। অবহেলিত আরবসন্তানরা জেগে উঠল নতুন প্রাণের উল্লাসে! তাদের মাঝে এমন যুগান্তকারী সভ্যতার উন্মেষ ঘটল যার সম্মুখে সমসাময়িক সকল আদর্শ, সকল মতবাদ আবেদন হারিয়ে বর্ণহীন হয়ে গেল। পি কে হিট্টির ভাষায়, ‘সম্ভাবনাহীন উপাদান বা শূন্য’ থেকে জন্ম হলো বিরাট এক বটবৃক্ষের। সেই বৃক্ষের ছায়াতলে আসলো অর্ধ দুনিয়া। জ্ঞানে-বিজ্ঞানে-সভ্যতায় তারা এমন স্বর্ণযুগ প্রতিষ্ঠা করল যে বাকি বিশ্ব বিস্ময়ে হতবাক হয়ে চেয়ে থাকত মুসলমানদের দিকে।

কিন্তু এরপর ঘটে গেল মহা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। যে মহান আদর্শের উপর ঐক্যবদ্ধ করে দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তিনি তাঁর উম্মাহর উপর অর্পণ করে চলে গেলেন উম্মাহ সেই দায়িত্ব ভুলে গেল। দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাদ দিয়ে, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ভুলে জাতির শাসক শ্রেণিটি অন্যান্য রাজা-বাদশাহদের মতো ভোগ বিলাসিতায় ডুবে গেল। জাতির অন্য আরেকটি শ্রেণি দীনের ছোট-খাটো বিষয় নিয়ে চুলচেরা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে, দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করে হাজার হাজার ফেরকা, তরিকা, মতবাদে বিভক্ত হয়ে গেল। অন্য শ্রেণিটি দীন প্রতিষ্ঠার কাজকে বাদ দিয়ে আত্মার বিরুদ্ধে জেহাদকে বড় জেহাদ মনে করে আত্মার ঘষামাজা চালিয়ে যেতে লাগল। এভাবে জাতির একেকটি অংশ একেকভাবে দীন নিয়ে চর্চা করে তাদের নেতার অর্পিত দায়িত্ব ভুলে গিয়ে, লক্ষভ্রষ্ট ও পথহারা হয়ে গেল। আকিদা ও লক্ষ্য হারানোর অনিবার্য ফলস্বরূপ তারা আজ অন্য জাতির কাছে পরাজিত, লাঞ্ছিত, নিপীড়িত।    

এমতাবস্থায় আমরা হেযবুত তওহীদ আবারও মানুষের কাছে ইসলামের সেই হারিয়ে যাওয়া প্রকৃত রূপটি তুলে ধরছি। মানবজীবনে বিরাজিত যাবতীয় অন্যায় অশান্তি রক্তপাত নির্মূল করে শান্তিময় পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য যে জীবনবিধান আল্লাহ তাঁর শেষ নবীর মাধ্যমে নাজিল করেছিলেন, সেই জীবনবিধান সর্বাত্মক সংগ্রামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করার জন্য হেযবুত তওহীদ মানুষকে আহ্বান করছে।

[লেখক: এমাম, হেযবুত তওহীদ; ফোন: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৭১১৫৭১৫৮১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর