প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মুসলিম উম্মাহর দুর্গতি দূর করতে...

মুসলিম উম্মাহর দুর্গতি দূর করতে পারে প্রকৃত ইসলাম

১৩ মে ২০২৪ ১১:২২ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম:
মুসলিম জাতির গত এক শতাব্দির ইতিহাস যেন এক বিভীষিকা। যুদ্ধ, রক্তপাত, হত্যা, গুম, ধর্ষণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, উৎখাত, উচ্ছেদ অভিযান, গণহত্যা যেন মুসলমানদের ভাগ্যের লিখন। একেকটা মুসলিমপ্রধান দেশ যেন একেকটা কসাইখানা। এসব যুদ্ধভূমিতে শিশুদের ঘুম ভাঙে বোমার শব্দে কিংবা বুলেটে বুক ঝাঁঝরা হওয়া স্বজনের আর্তচিৎকারে। সাম্রাজ্যবাদীরা সম্মিলিতভাবে মুসলমানদের জাতিগতভাবে নির্মূল করতে উঠেপড়ে লেগেছে। কেবল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিগত ৭৭ বছরে মুসলমান নিধনযজ্ঞের পরিসংখ্যান দেখলে যেকোনো সুস্থ মানুষের গা শিউরে উঠবে। (সূত্র: উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য)

  • ১৯৪৮-২০০৮ সালের আরব ও ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত হয়- ৮৮ হাজার মুসলমান
  • ১৯৪৭ সালে শুরু হওয়া কাশ্মির যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৭৯-৮৯ সালের আফগানিস্তান যুদ্ধে নিহত হয়- ২০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮০-৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধে নিহত হয়- ২০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮৩-২০০৫ সালের সুদানের গৃহযুদ্ধে নিহত হয়- ৪০ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৮৮-২০০১ সালের আফগানিস্তান গৃহযুদ্ধে নিহত হয়- ১০ লক্ষ মুসলমান
  • ১৯৮৮-২০০৪ সালের সোমালিয়া গৃহযুদ্ধে নিহত- সাড়ে ৫ লক্ষ মুসলমান
  • ১৯৯২-১৯৯৫ সালের বসনিয়া যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ মুসলমান 
  • ১৯৯৪ সালের রুয়ান্ডা গৃহযুদ্ধে প্রায় নিহত হয়- ১৫ লক্ষ মুসলমান 
  • ২০০১-২১ সাল পর্যন্ত চলা আমেরিকা-আফগান যুদ্ধে নিহত হয়- ১ লক্ষ ৭৬ হাজার মুসলমান 
  • ২০১২ সাল থেকে চলা সিরিয়া গৃহযুদ্ধে নিহত- ৬ লক্ষ মুসলমান 
  • ২০০৩ থেকে চলমান ইরাক যুদ্ধে নিহত- ১০ লক্ষ মুসলমান
  • ২০১৬-১৭ সালে মায়ানমার গৃহযুদ্ধে হত্যা করা হয়- ৫০ হাজার মুসলমান এবং দশ লাখ মুসলমানকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়। 
  • ২০২৩ সালে শুরু হওয়া হামাস ইসরায়েল যুদ্ধে এখন পর্যন্ত নিহত- ৩৫ হাজার মুসলমান

এ তো গেল কেবল গত কয়েক দশকের মুসলিম গণহত্যার একটি পরিসংখ্যান। আমরা যদি, আরো পেছনে যাই সেখানেও দেখব মুসলিম গণহত্যার রক্তাক্ত ইতিহাস। ১০০০ খ্রিষ্টাব্দে মুসলমানদের উপর প্রথম আক্রমণ ও গণহত্যা চালায় ক্রুসেডাররা। এ হামলায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ১৭ লক্ষ মুসলমানকে। এরপর দ্বিতীয় আক্রমণে হালাকু খান বাগদাদে হামলা চালিয়ে পুরো নগরীকে মৃত্যুপুরীতে রূপ দেয়। হালাকু খানের বাহিনী প্রায় ২০ লক্ষ মুসলমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করে তাদের মাথা দিয়ে পিরামিড বানায়। অল্প সময়ের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক মানুষকে হত্যা করে যে পুরো নগরী রক্তের নদীতে পরিণত হয়। একই কায়দায় গণহত্যা চালায় চেঙ্গিস খান, তৈমুর লং। এর কিছুকাল পরে মুসলমান জাতিটির উপর সর্বশেষ আক্রমণ করে ইউরোপীয় প্রভুরা। ১৬ শতকের শেষদিকে ইউরোপীয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খ্রিষ্টান জাতি কর্তৃক আক্রমণ, গণহত্যা, লুণ্ঠন অতঃপর দুইশো’ বছরের দাসত্ব মুসলমান জাতিকে মুক, অন্ধ ও বধির করে দেয়। সেই থেকে আর মুসলমানরা মাথা তুলতে পারে নি। তারা অন্য জাতিগুলোর কাছে ফুটবলের মতো লাথি খেয়ে তাদের অনুগ্রহ, অনুকম্পা নিয়েই বেঁচে আছে। যে যেভাবে পারছে মুসলমানদের উপর চেপে বসছে, তাদের উপর অন্যায়-অত্যাচার, জুলুম করছে, শোষণ করে ফায়দা লুটে নিচ্ছে। যখন স্বার্থ ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন অবরোধ, নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে তাদের ভূখণ্ড কেড়ে নিয়ে উদ্বাস্তু শিবিরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় এগারো কোটি মুসলমান উদ্বাস্তু। তাদের নিজেদের দেশ থেকে বাস্তুচ্যুত। তাদের না আছে কোন আবাসস্থল, না আছে কোন বেঁচে থাকার অধিকার। তাদের দেখার কেউ নেই। তখন সাম্রাজ্যবাদীদের প্রতিষ্ঠা করা বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন আসে ত্রাণের সামগ্রী নিয়ে। তাদের দয়া-অনুকম্পা ছাড়া উদ্বাস্তু মুসলমানদের আহারও জোটে না।

প্রশ্ন হচ্ছে, মুসলমানদের এই শোচনীয় পরিণতির কারণ কী? যে মুসলমানরা ছিল দুনিয়াতে সেরা জাতি, অর্ধ পৃথিবীর শাসক, যারা কিনা একদা পৃথিবীর দুই সুপার পাওয়ার রোম ও পারস্যকে পরাজিত করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল, যাদের শক্তি, শৌর্য, বীরত্বের কাছে মাথা নত করেছিল অর্ধেক দুনিয়া, মাত্র কয়েক দশকের মধ্যে জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সামরিক শক্তি, শিক্ষা-দীক্ষার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল যে জাতি তারা আজ কেন অন্য জাতির দাসত্বের শেকলে বন্দি? কেন তারা নিজেদের শক্তি, গৌরব, মর্যাদা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে? এর কারণ, যে মহান আদর্শবলে আল্লাহর রসুল (সা.) তাঁর উম্মাহ গঠন করেছিলেন, যে তওহীদ-কালেমা ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের উপর পুরো জাতিকে এক উম্মাহতে পরিণত করেছিলেন সেই লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থেকে তারা সরে গিয়েছে। দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার যে মহান দায়িত্ব রসুলাল্লাহর (সা.) তাঁর উম্মাহর উপর অর্পণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব বাদ দেওয়ার অনিবার্য ফলস্বরূপ মুসলমানরা আজ দুর্বল, শক্তিহীন হয়ে অন্য জাতির দাস বা গোলামে পরিণত হয়েছে। মুসলমানদের এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য অনেকেই অনেক উপায় বলছে। কেউ বলছে মুসলিমদের প্রচুর শিক্ষিত হতে হবে, কেউ বলছে তাদের ঈমান দুর্বল হয়ে গেছে, আরো বেশি নামাজ পড়তে হবে, কেউ বলছে মাতৃভাষায় কোর’আন পড়তে হবে। মাহফিলে এস্তেমায় মুসলিমদের কল্যাণকামনায় দোয়ার বন্যা বইয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কোনকিছুই মুসলমানদের ভাগ্য ফেরাতে পারছে না। এখন মুসলমানদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটতে পারে কেবল একটি উপায়ে তা হলো, যদি তারা আবারও একমাত্র আল্লাহর তওহীদের উপর ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়। তবেই মুসলমানদের এই শোচনীয় অবস্থার পরিবর্তন হবে এবং তারা তাদের হারানো গৌরব ও মর্যাদা ফিরে পাবে।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

আল্লাহর রসুল যখন আরবে ইসলাম প্রচার শুরু করলেন তখন পৃথিবীর সবচেয়ে পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী ছিল আরবরা। রোমান ও পারস্যের শাসকরা আরবদেরকে দেখত অবহেলার চোখে। সেই আরবদের মধ্যে যখন ইসলামের আবির্ভাব ঘটল, ইতিহাসের মোড় ঘুরে গেল। রসুলাল্লাহ এসে আরবের ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন গোত্রগুলোকে একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচির উপর ঐক্যবদ্ধ করলেন। অবহেলিত আরবসন্তানরা জেগে উঠল নতুন প্রাণের উল্লাসে! তাদের মাঝে এমন যুগান্তকারী সভ্যতার উন্মেষ ঘটল যার সম্মুখে সমসাময়িক সকল আদর্শ, সকল মতবাদ আবেদন হারিয়ে বর্ণহীন হয়ে গেল। পি কে হিট্টির ভাষায়, ‘সম্ভাবনাহীন উপাদান বা শূন্য’ থেকে জন্ম হলো বিরাট এক বটবৃক্ষের। সেই বৃক্ষের ছায়াতলে আসলো অর্ধ দুনিয়া। জ্ঞানে-বিজ্ঞানে-সভ্যতায় তারা এমন স্বর্ণযুগ প্রতিষ্ঠা করল যে বাকি বিশ্ব বিস্ময়ে হতবাক হয়ে চেয়ে থাকত মুসলমানদের দিকে।

কিন্তু এরপর ঘটে গেল মহা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। যে মহান আদর্শের উপর ঐক্যবদ্ধ করে দুনিয়াময় আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তিনি তাঁর উম্মাহর উপর অর্পণ করে চলে গেলেন উম্মাহ সেই দায়িত্ব ভুলে গেল। দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাদ দিয়ে, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ভুলে জাতির শাসক শ্রেণিটি অন্যান্য রাজা-বাদশাহদের মতো ভোগ বিলাসিতায় ডুবে গেল। জাতির অন্য আরেকটি শ্রেণি দীনের ছোট-খাটো বিষয় নিয়ে চুলচেরা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে, দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করে হাজার হাজার ফেরকা, তরিকা, মতবাদে বিভক্ত হয়ে গেল। অন্য শ্রেণিটি দীন প্রতিষ্ঠার কাজকে বাদ দিয়ে আত্মার বিরুদ্ধে জেহাদকে বড় জেহাদ মনে করে আত্মার ঘষামাজা চালিয়ে যেতে লাগল। এভাবে জাতির একেকটি অংশ একেকভাবে দীন নিয়ে চর্চা করে তাদের নেতার অর্পিত দায়িত্ব ভুলে গিয়ে, লক্ষভ্রষ্ট ও পথহারা হয়ে গেল। আকিদা ও লক্ষ্য হারানোর অনিবার্য ফলস্বরূপ তারা আজ অন্য জাতির কাছে পরাজিত, লাঞ্ছিত, নিপীড়িত।    

এমতাবস্থায় আমরা হেযবুত তওহীদ আবারও মানুষের কাছে ইসলামের সেই হারিয়ে যাওয়া প্রকৃত রূপটি তুলে ধরছি। মানবজীবনে বিরাজিত যাবতীয় অন্যায় অশান্তি রক্তপাত নির্মূল করে শান্তিময় পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য যে জীবনবিধান আল্লাহ তাঁর শেষ নবীর মাধ্যমে নাজিল করেছিলেন, সেই জীবনবিধান সর্বাত্মক সংগ্রামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করার জন্য হেযবুত তওহীদ মানুষকে আহ্বান করছে।

[লেখক: এমাম, হেযবুত তওহীদ; ফোন: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৭১১৫৭১৫৮১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

চলচ্চিত্রে এসে কি আমরা পাপ করেছি? ক্ষুব্ধ ওমর সানী, মামলা করার হুঁশিয়ারি!

চলচ্চিত্রে এসে কি আমরা পাপ করেছি?  ক্ষুব্ধ ওমর সানী, মামলা করার হুঁশিয়ারি!
স্ত্রী মৌসুমী ও ছেলে ফারদিনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানী। পরিবার নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে!

ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে!
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। বুধবার (১৪ অক্টোবর)…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

দুই হাত নেই, পা দিয়ে লেখেন, গড়েছেন বিদ্যালয়—প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পেলেন সুখবর!

দুই হাত নেই, পা দিয়ে লেখেন, গড়েছেন বিদ্যালয়—প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পেলেন সুখবর!
জন্ম থেকেই দুই হাত নেই মো. আলতাফ হোসেনের। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি তাঁর অদম্য ইচ্ছাশক্তি। পা দিয়ে লিখে পড়াশোনা শেষ করার পর নিজের সঞ্চয়…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

তাহিরপুরে বাগলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

তাহিরপুরে বাগলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাগলী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবক সমাবেশ এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    সারাদেশ

কাউনিয়ায় ৭৫টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, থাকছে চার স্তরের নিরাপত্তা

কাউনিয়ায় ৭৫টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, থাকছে চার স্তরের নিরাপত্তা
কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি:সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় চলছে উৎসবের আমেজ। পূজামণ্ডপগুলোতে প্রতিমা তৈরি এবং রংতুলির আঁচড়ে দেবী দুর্গাসহ…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

কুড়িগ্রামে মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে মা নিহত, বাবা গুরুতর আহত

কুড়িগ্রামে মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে মা নিহত, বাবা গুরুতর আহত
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের পলাশবাড়ী এলাকায় মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে পারুল বেগম নামের এক মায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী সরদার…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

সংবিধান সংশোধন কমিটিকে কোনো পরামর্শ দেবে না জামায়াত: গোলাম পরওয়ার

সংবিধান সংশোধন কমিটিকে কোনো পরামর্শ দেবে না জামায়াত: গোলাম পরওয়ার
সংবিধান সংশোধনের জন্য সরকার যে প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছে, তার সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ কারণে সংবিধান সংশোধন কমিটিকে দলটি কোনো পরামর্শ দেবে না…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

কাউনিয়ায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান

কাউনিয়ায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান
কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি:শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান। আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে তিনি উপজেলার বিভিন্ন…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে অপকর্ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে অপকর্ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে কেউ কোনো ধরনের নিয়ম লঙ্ঘন বা অপকর্ম করার চেষ্টা করলে তা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিহত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

লংমার্চে বিদ্যুৎ উৎপাদন হলে সবার আগে করত বিএনপি: চিফ হুইপ!

লংমার্চে বিদ্যুৎ উৎপাদন হলে সবার আগে করত বিএনপি: চিফ হুইপ!
লংমার্চ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হলে সবার আগে বিএনপিই লংমার্চ করত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ছাত্রলীগের পদ পেতে সাদ্দাম-ইনানের পা চাটতেন সারজিস, দাবি রাশেদের!

ছাত্রলীগের পদ পেতে সাদ্দাম-ইনানের পা চাটতেন সারজিস, দাবি রাশেদের!
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, শেখ হাসিনাবিরোধী…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

মির্জাপুরে ‘আর নয় বিদ্বেষ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা

মির্জাপুরে ‘আর নয় বিদ্বেষ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ‘আর নয় বিদ্বেষ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা সাংবাদিক…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

চলন্ত ট্রেনে মোবাইল চুরির চেষ্টা, জানালায় ঝুলিয়ে রাখলেন যাত্রীরা!

চলন্ত ট্রেনে মোবাইল চুরির চেষ্টা, জানালায় ঝুলিয়ে রাখলেন যাত্রীরা!
ভারতের বিহারে চলন্ত ট্রেন থেকে এক যাত্রীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে যাত্রীদের হাতে ধরা পড়েছেন এক সন্দেহভাজন চোর। ট্রেন চলতে শুরু করলে…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

টিকটকে পরিচয়ের জেরে বাড়ি ছাড়া ৪ স্কুলছাত্রী হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধার

টিকটকে পরিচয়ের জেরে বাড়ি ছাড়া ৪ স্কুলছাত্রী হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধার
রাহাত চৌধুরী, জেলা প্রতিনিধি:কুমিল্লা থেকে নিখোঁজ হওয়া চার স্কুলছাত্রীকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত কয়েকজনের সাথে নতুন জীবন শুরুর পরিকল্পনা…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া এড়াতে বারান্দা দিয়ে নামতে গিয়ে ২১ তলা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু!

স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া এড়াতে বারান্দা দিয়ে নামতে গিয়ে ২১ তলা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু!
ভারতের উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় স্ত্রীর সঙ্গে সম্ভাব্য তর্ক এড়াতে ফ্ল্যাটের বারান্দা দিয়ে নিচে নামার চেষ্টা করতে গিয়ে ২১ তলা থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন হার্ষিত…
 ১৪ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক