হামাসের হাতে বন্দি জিম্মিদের সন্ধানে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নজরদারি ড্রোন ওড়ানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদরদপ্তর পেন্টাগনের দুই কর্মকর্তা।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে তারা জানিয়েছেন, জিম্মিদের অনুসন্ধানে ইসরায়েলি বাহিনীকে সহায়তা করতে গত এক সপ্তাহ ধরে গাজা উপত্যকায় গোয়েন্দা নজরদারি ড্রোন পরিচালনা করছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তপথ ইরেজ সীমান্তে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস। ওই দিন শেষ রাত থেকে কয়েক হাজার রকেট ছোড়ার পর বুলডোজার দিয়ে সীমান্ত বেড়া ভেঙ্গে ইসরায়েলে প্রবেশ করে কয়েক শ’ হামাস যোদ্ধা এবং শত শত ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিকদের নির্বিচারে হত্যার পাশপাশি ২৩৪ জনকে জিম্মি হিসেবে গাজায় ধরে নিয়ে যায় তারা।
প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আম্বানি, আপনিই ভারতের আসল বস-মাস্কের তীব্র বিদ্রুপ!

জবাবে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী (আইএএফ), যা এখনও চলছে। গত শনিবার থেকে আইএএফের পাশাপাশি গাজায় অভিযান শুরু করেছে স্থল বাহিনীও।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, এই জিম্মিদের মধ্যে ১৩৮ জনই যুক্তরাষ্ট্রসহ ৪০টি বিভিন্ন দেশের নাগরিক। পেন্টাগনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১০ জনেরও বেশি মার্কিন নাগরিক এখনও জিম্মি অবস্থায় রয়েছেন হামাসের হাতে।
গত প্রায় এক মাসের যুদ্ধে হামাসের হামলায় নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিক। অন্যদিকে ইসরায়েলের বিমান বাহিনীর অভিযানে গাজায় নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯ হাজার ৬১ জনে।
















