প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   বঙ্গভূমিতে যোদ্ধাসুফি

বঙ্গভূমিতে যোদ্ধাসুফি

১৯ মার্চ ২০২৩ ০৫:৫৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বঙ্গভূমিতে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণ চিহ্নিত করতে গেলে আমরা দেখতে পাবো এ বিষয়ে নানা মুনির নানা মত। পুরো ভারতজুড়ে কিন্তু এই মুসলিম আধিক্য দেখা যায় না। দেশবিভাগের পর এখন ভারতের ১৩৩ কোটি মানুষের মধ্যে হিন্দু প্রায় ৮০%, মুসলমান ১৪%, বাকি ৬% হলো অন্যান্য ধর্মাবলম্বী। সাড়ে সাতশ বছর মুসলিম শাসনামলে তলোয়ারের জোরে ইসলাম প্রচারের যে তত্ত্ব (Theory of Sword) ইসলামদ্বেষী পণ্ডিতরা প্রচার করে থাকেন তা যদি সত্য হতো তাহলে এই পরিসংখ্যানটি উল্টো হতো। ইসলাম ধর্ম গ্রহণে কাউকে বাধ্য করা ইসলামের নীতি বিরুদ্ধ, কোর’আনে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সুতরাং কেউ যদি তলোয়ার বাগিয়ে কাউকে দিয়ে কলেমা পড়ায় সে দায় তার নিজের। সে আল্লাহর দীনের সবচেয়ে বড় অবমাননাকারী। কেননা তার এই কাজের দ্বারা ইসলামের আদর্শিক দৈন্যই প্রমাণিত হয়। ইসলাম এমন খাদ্য নয় যে কারো টুটি চিপে গলধঃকরণ করাতে হবে।

ভারতবর্ষের হিন্দু রাজাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে আরব্য, আফগান, পারসি, তুর্কি, মুঘলরা তাদের সিংহাসনটাই কেবল দখল করেছিল, এর অধিবাসীদেরকে ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করেনি। ইসলামের সাম্যনীতির পরিচয় পেয়ে নিপীড়িত বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও নিম্নবর্গের হিন্দুরা ধর্মান্তরিত হয়েছিল। যে যুগে ইসলাম বিস্তারলাভ করেছিল সে যুগের ‘ইসলাম’ আজকের মতো ধর্মের মৃত-গলিত শব ছিল না। ইসলাম ছিল এক প্রাণবন্ত সভ্যতা যার রত্নভাণ্ডারে মানবজাতিকে দেওয়ার মতো বহু মণি-মাণিক্যই ছিল। ইসলামের প্রেরণাসঞ্জাত শিল্প, সাহিত্য, জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, চিত্রকলা, সঙ্গীত, স্থাপত্যবিদ্যা, সমরবিদ্যার পাশাপাশি মুসলিমদের আর্থিক সমৃদ্ধি, ন্যায়পূর্ণ বিচারব্যবস্থা, চারিত্রিক ঋজুতা, সততা, মৃত্যুভয়হীনতা, অসাম্প্রদায়িকতা, বিশ্বজোড়া দৃষ্টিভঙ্গি, আকাশ ছোঁয়া পরিকল্পনা সবকিছুই ক্ষয়িষ্ণু বৈদিক দর্শনের চাইতে আকর্ষণীয়, আধুনিক, যুক্তিপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য ছিল। রাজার ধর্ম প্রজারা তো আপনিই গ্রহণ করে। তার উপর যদি তলোয়ারের ঝলকানি দেখানো হতো তাহলে ভূ-ভারতে অমুসলিম খুঁজে পাওয়া যেত না। বস্তুত যারা ধর্মান্তরিত হয়েছিল তারা নিজেদের আদর্শ ও বিশ্বাসের চেয়ে উন্নততর চিন্তার সন্ধান পেয়েই হয়েছিল। অবশ্য গোমাংস খাইয়ে জাত মেরে মুসলমান বানানোর যে ঘটনাগুলো ইতিহাসে পাওয়া যায় সেগুলো সে সময়ের হিন্দুদের চিন্তার জড়ত্ব, যুক্তিহীন কুসংস্কারের উদাহরণ হিসাবেই বেশি উল্লেখযোগ্য। ইসলাম কারো ‘জাত মেরে’ মুসলমান বানানোর পক্ষপাতি নয়।

সাড়ে সাতশ বছরের মুসলিম শাসনামলে ভারতবর্ষে যারা রাজসিংহাসনে আসীন হয়েছিলেন তারা নিজেদেরকে সুলতান বলে পরিচয় দিতেন। ‘বাদশাহ’ ও ‘সুলতান’ এই দুটো শব্দের মধ্যে পার্থক্য হলো, সুলতান শব্দের সঙ্গে ধর্মের কর্তৃত্ব ও মনোনয়ন জড়িত, বাদশাহ কেবলই একজন শাসক। সুলতানকে আল্লাহর ছায়া বলে সে যুগে খোতবায় আস-সুলতানু জিললুল্লাহ পাঠ করা হতো, এখনও সেই গৎ পাঠ করা হয়, যদিও সেই সুলতানও নেই, সেই জুমাও নেই।

আরও পড়ুন

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো -এম আর হাসান

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো  এম আর হাসান

বাংলার ইতিহাসের স্বর্ণযুগ বলা হয় কোন যুগকে? স্কুল কলেজের চৌকাঠ যারা মাড়িয়েছেন তারা সবাই এর উত্তরটা জানেন। সেটা হলো সুলতানী যুগ। এই যুগে মুসলিম শাসকরা রাজ্য পরিচালনা ও যুদ্ধ-বিগ্রহ নিয়েই বেশি ব্যস্ত ছিলেন। সুলতান মুসলমান হলেও ভারতবর্ষের অধিকাংশ এলাকাই ছিল হিন্দু রাজাদের দ্বারা পরিচালিত করদ রাজ্য। সেসব রাজা সুলতানকে বাৎসরিক কিছু নজরানা দিয়ে নিজেদের পরম্পরা ও খেয়ালমতই রাজত্ব চালাতেন। ফলে ইসলামের কোনো সুফল প্রজাদের পর্যন্ত পৌঁছাতো না। কিন্তু মুসলিম সুলতানের করদ রাজ্য হওয়ায় ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে অনেক সুফিবাদী ব্যক্তিই ওসব রাজ্যে গিয়ে বসবাস করতে শুরু করেন। তাদের মাধ্যমে বহু লোকই ইসলামের শিক্ষা সম্পর্কে ঘনিষ্ঠভাবে জানতে পারেন এবং ধর্মান্তরিত হন। উল্লেখ্য যে, এই মানবহিতৈষী ব্যক্তিগণ অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত, সামাজিকভাবে নির্যাতিত, মানবিকভাবে অবহেলিত, রোগেশোকে পীড়িত দীনদুঃখী মানুষের সাথে মিশে ও পাশে থেকে তাদের আশ্রয়দান, অন্নদান ও সেবাশুশ্রুষা করেন। যার দরুন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে।

গল্পটা সবসময় কিন্তু এভাবেই শেষ হয় নি। ইসলামের এই জনপ্রিয়তা দেখে অনেক সময় হিন্দু ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে যারা স্বধর্মীয় রাজাকে উত্তেজিত করে তুলেছে এবং ইসলাম প্রচারকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তখন সুলতানগণ সেনাবাহিনী পাঠিয়ে সহযোগিতা করেছেন। আবার বহু স্থানে প্রজাপীড়ক হিন্দু রাজাদের হাত থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে যে মোজাহেদরা যুদ্ধাভিযান করেছেন, তাদের মৃত্যুর পর তাদের কবরকে দরগায় পরিণত করা হয়েছে। ইসলামের এই মহান ব্যক্তিগণ ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্য নিয়েই বঙ্গদেশে আমগন করেন। তাঁদের অনেকে অসীম দুঃখকষ্ট ভোগ করেন, নানা বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হন, এমন কি সশস্ত্র সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গ করেন। সুলতানগণ সৈন্যপরিবেষ্টিত হয়ে দুর্গে বাস করতেন। কিন্তু ইসলামের এই নিঃস্বার্থ সেবকগণ শহরে-বন্দরে, গ্রামে-গঞ্জে এমন কি দুর্গম বনে-জঙ্গলে আস্তানা বা শিবির নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে থেকে ইসলামের শিক্ষা তাদের কাছে তুলে ধরেছেন। ষোলো শতকের গোড়ার দিকে আশরাফ সিমনানি (মৃত্যু – ১৪১৪) বলেন যে, “বঙ্গদেশে নগর তো দূরের কথা, এমন কোনো শহর ও গ্রাম নেই, যেখানে ধার্মিক সাধকগণ (Holy saints) বসতি স্থাপন করেননি।” অনেক মুসলিম সুলতান ও শাসক এই সুফি-সাধকদের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং তাদের রাজনৈতিক উপদেষ্টারূপেও মান্য করতেন। জমি, অর্থ বা স্থাপনা তৈরি করে দিয়ে তাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা করতেন।

আজকে আমরা যাদেরকে পীর, অলি-আউলিয়া বলে জানি, যাদের মাজারে ভক্তবৃন্দ মোমবাতি জ্বালেন তাদের অনেকেই দীন প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধ করেছেন। এটা মনে রাখতে হবে, যে সময়ের কথা আমরা আলোচনা করছি সে সময়ে প্রচলিত ইসলামের উপর সুফিবাদী মতবাদের প্রভাব অত্যন্ত প্রবল ছিল। এই ইসলাম প্রচারক ও মুজাহিদদের অনেকেই বিভিন্ন সুফি তরিকায় বিশ্বাসী ছিলেন এবং তারা আধ্যাত্মিক সাধকও ছিলেন। পাশাপাশি তারা আল্লাহর রাহে প্রাণ ও সম্পদ উৎসর্গকারী দুর্ধর্ষ যোদ্ধাও ছিলেন, শাসকও ছিলেন। কয়েকটি উদাহরণ দিচ্ছি।

সিলেটের শাহজালাল (রহ.) হিন্দু রাজা গৌড়গোবিন্দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয়ী হন। তাঁর সেই তলোয়ার এখনও বিদ্যমান। মুন্সিগঞ্জের বাবা আদম শহীদ স্থানীয় সেন বংশীয় রাজা বল্লাল সেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে শহীদ হন। দিনাজপুরের চিহিল গাজী মাজারটিতে শায়িত আছেন চল্লিশজন মর্দে মোজাহেদ। ৫৬ ফুট লম্বা এই কবরটি প্রকৃতপক্ষে একটি গণকবর। তারা ১৪’শ শতকে বরেন্দ্রভূমির এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করতে গমন করেন এবং স্থানীয় রাজা গোপালের কোপানলে পড়েন ও যুদ্ধ করে সবাই শহীদ হন। রংপুরের শাহ ইসমাইল গাজি (মৃত্যু ১৪৭৪) ‘দরবেশ যোদ্ধা’রূপে অভিহিত হয়ে থাকেন। সুলতান রুকন উদ্দিন বারবক শাহ (১৪৫৯-১৪৭৮) এর সেনাপতিরূপে তিনি একাধিক যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন এবং বিজয়লাভ করেন। বিশেষ করে কলিঙ্গ ও কামরূপের সমরাভিযান ও বিজয়গৌরব তাঁকে ইতিহাসে অমর করে রেখেছে। মধ্য এশিয়ার বলখ শহরে জন্মগ্রহণকারী শাহ সৈয়দ সুলতান মাহমুদ বালখি মাহিসওয়ার (রহ.) মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ইসলাম প্রচার করেন। হিন্দুরাজা বলরাম কালিপূজারী ছিলেন এবং নরবলি দিতেন। এর প্রতিবাদ করায় রাজা তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন। তিনি রাজাকে হত্যা করেন ও মন্ত্রীকে ইসলামে দীক্ষিত করেন। তার হাতে সিংহাসন ছেড়ে দিয়ে তিনি মহাস্থানগড়ে চলে যান। সেখানেও রাজা পরশুরামের সঙ্গে তাঁর বিরোধ ও যুদ্ধ হয়। রাজা যুদ্ধে পরাজিত হন।

রাজশাহী অঞ্চলের জনপ্রিয় পীর শাহ মাখদুম রুপোশ (মৃত্যু ১৩৩১ খ্রি.) রাজশাহীর বাঘাতে একটি সেনাছাউনি গড়ে তুলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেন এবং সেখান থেকেই মহাকালগড়ের (রাজশাহীর পূর্বনাম) দেওরাজার বিরুদ্ধে তিনবার যুদ্ধ করেন এবং বিজয়ী হন। রাজা তৃতীয় যুদ্ধে সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং পরিবার-প্রজাদের নিয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। এমন উদাহরণ আরো বহু আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদের ‘বাংলার সুফি পির-দরবেশ: ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ – নামক গবেষণাগ্রন্থে প্রাচীন ও মধ্যযুগের সময়সীমার মধ্যে বঙ্গভূমিতে আগত পীর-দরবেশদের মধ্যে ১০৭ জনের সংক্ষিপ্ত বৃত্তান্ত উল্লেখ করা হয়েছে।

এই দরবেশ যোদ্ধাদের যোদ্ধাজীবনকে আড়াল করে তাদের জীবন ও শিক্ষাকে মরমীবাদী, সুফিবাদী, অতিন্দ্রীয়বাদী বলে প্রচার চালানো হচ্ছে কয়েক শতাব্দী ধরে। এই প্রচারে বেশি উৎসাহ দেখাচ্ছেন মুসলমান বুদ্ধিজীবীদের সেই অংশটি যারা ইসলাম নিয়ে, বিশেষ করে দীন প্রতিষ্ঠার জেহাদ নিয়ে লজ্জিত। এ বিষয়ে তারা তাদের বিদেশি প্রভুদের কাছে করজোড়ে এটাই বলতে চান যে, ‘ইসলাম আক্রমণাত্মক সংগ্রামের অনুমতি দেয় না। এই যে দেখুন, বাংলাদেশে ইসলাম কারা এনেছেন? সুফি-সাধকগণ। তাদের মুখে প্রেমের বাণী শুনেই দলে দলে মানুষ মুসলমান হয়ে গেছে।’ অথচ তাদের চোখে যারা অনুসরণীয় জাতি, সেই ইউরোপীয় জাতিগুলো বিশেষ করে ব্রিটিশ, জার্মান, ডাচরা যে সমস্ত মুসলিম প্রধান ভূমি ছলের দ্বারা ও বলের দ্বারা জয় করে সেখানে তাদের উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করেছে, লক্ষ লক্ষ নেটিভদের রক্ত ঝরিয়েই তারা শোষণের রাজপথ উন্মুক্ত করেছে। এমন যাদের কৃতকর্ম তারাই আবার ইসলামের দিকে আঙুল তুলে বলছে যে ইসলাম কেবল তলোয়ারের শক্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। না, ইসলামের যদি আদর্শের শক্তি না থাকতো, ইসলাম যদি মানবসমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অক্ষম হতো, তাহলে আরবের মরুবাসীদের সেই বিজয় চেঙ্গিস-হালাকু খানদের মতোই ক্ষণস্থায়ী হতো, বুদ্বুদের মতো কালের সাগরে মিলিয়ে যেত।

যারা এইসব সুফি-সাধকদের জীবনবৃত্তান্ত রচনা করেছেন তারা অনেক গবেষণা করে, শ্রম দিয়ে প্রামাণিক ইতিহাস সংগ্রহের চেষ্টা করেছেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদেরকে নির্ভর করতে হয়েছে কল্পনানির্ভর জনশ্রুতি, মিথ বা কিংবদন্তীর উপর। আপামর জনসাধারণ বঙ্গের সুলতানদের নাম ভুলে গেছে কিন্তু মানুষ গড়ার কারিগর এই সুফি-সাধকগণ আজও তাঁদের স্মৃতিবাহিত মাজার, দরগাহ, লালশালু, হাজত-মানত, শিরনি, ওরস মোবারকের মাধ্যমে বেঁচে আছেন। সেগুলো অধিকাংশই আজ গাঁজার ধোঁয়া ও অসামাজিক ক্রিয়াকলাপের দায়ে কালিমালিপ্ত। আল্লাহর রসুলের ইসলামের আকিদার কোনো লেশমাত্রও সেগুলোতে খুঁজে পাওয়া যায় না। কোথাও কোথাও সেই পূর্বপুরুষদের সুনাম ও সিলসিলা বিক্রি করে লোক ঠকিয়ে খাচ্ছেন পরবর্তী বংশধরেরা ও খলিফারা। ভক্তসংখ্যা বেড়ে গেলে কোনো কোনো পীর ও পীরের খলিফারা নেমে পড়ছেন রাজনীতিতে, মুরিদরা হচ্ছে তাদের ভোটব্যাংক।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

কুড়িগ্রামে হেযবুত তওহীদের নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে হেযবুত তওহীদের নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ধর্মান্ধ, কূপমন্ডকতা, বিকৃত ফতোয়াবাজি ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের নারীদের নিয়ে সমাবেশ করেছে হেযবুত তওহীদ কুড়িগ্রাম জেলা শাখা নারী বিভাগ। রবিবার বার  (৮ নভেম্বর) বিকেলে কুড়িগ্রাম…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

অবসর ও কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন ১৩ হাজার এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী!

অবসর ও কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন ১৩ হাজার এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী!
দীর্ঘদিন ধরে অবসর ও কল্যাণ সুবিধার টাকার অপেক্ষায় থাকা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৩ হাজার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর পাওনা পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ২০২২ ও…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

দেশে ফিরে শেখ হাসিনাকে বরণ করার স্বপ্ন বাস্তব হবে না: রিজভী

দেশে ফিরে শেখ হাসিনাকে বরণ করার স্বপ্ন বাস্তব হবে না: রিজভী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বক্তব্যকে ‘দিবাস্বপ্ন’ আখ্যা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, শত শত মানুষ হত্যার পর শেখ হাসিনা…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

সাদুল্লাপুরে ডিবি পুলিশের অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার, তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

সাদুল্লাপুরে ডিবি পুলিশের অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার, তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪২ পিস ইয়াবা ও ৫০০ গ্রাম শুকনো গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮ হাজার ৫০০ পরিবার পাচ্ছে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৮ হাজার ৫০০ পরিবার পাচ্ছে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার চরাঞ্চলের দরিদ্র ও অসহায় ৮ হাজার ৫০০ পরিবারকে পরিবারপ্রতি ৬০ হাজার টাকা করে শর্তহীন আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পরিবারের জীবনযাত্রার…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

চিকিৎসায় সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা, তবুও সাত বছরের সংসারের ইতি টানলেন স্বামী!

চিকিৎসায় সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা, তবুও সাত বছরের সংসারের ইতি টানলেন স্বামী!
সাত বছরের দাম্পত্য জীবনে সন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অবহেলা, নির্যাতন ও মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন নরসিংদীর মাধবদীর…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

আনসার-ভিডিপি সদস্যদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানে সাফল্য: প্রথম পরীক্ষায়ই জাপানে চাকরির প্রস্তাব

আনসার-ভিডিপি সদস্যদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানে সাফল্য: প্রথম পরীক্ষায়ই জাপানে চাকরির প্রস্তাব
গাজীপুর প্রতিনিধি:বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের জন্য আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাপানের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ‘হিরাটা প্ল্যানিং কোম্পানি লিমিটেডে’ সরাসরি চাকরির…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

‘সুপুরুষ ব্যতীত বিবাহ করতেছি না’, ডাকসু নেত্রীর পোস্ট ঘিরে আলোচনা!

‘সুপুরুষ ব্যতীত বিবাহ করতেছি না’, ডাকসু নেত্রীর পোস্ট ঘিরে আলোচনা!
বিয়ের আগে সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী সম্পর্কে ভালোভাবে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু)…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব হতে ইউএফসি প্রধানকে ট্রাম্পের প্রস্তাব!

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব হতে ইউএফসি প্রধানকে ট্রাম্পের প্রস্তাব!
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব হিসেবে জনপ্রিয় মিশ্র মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতা ইউএফসির প্রধান ডানা হোয়াইটকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। শুধু তাই…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ইত্যাদির শুটিং দেখতে গিয়ে বিপাকে দর্শক, ২০০ মোবাইল চুরি!

ইত্যাদির শুটিং দেখতে গিয়ে বিপাকে দর্শক, ২০০ মোবাইল চুরি!
জয়পুরহাটে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র দৃশ্যধারণ দেখতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দর্শকেরা। বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমের সুযোগ নিয়ে অনুষ্ঠান চলাকালে দুই শতাধিক দর্শকের মোবাইল ফোন চুরির…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    রাজশাহী

বিয়ের খবর দিলেন পারশা মাহজাবিন, ফুল দিয়ে ঢাকলেন বরের মুখ!

বিয়ের খবর দিলেন পারশা মাহজাবিন, ফুল দিয়ে ঢাকলেন বরের মুখ!
সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী পারশা মাহজাবিন জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে ভক্তদের সুখবর জানিয়েছেন তিনি। তবে বিয়ের খবর প্রকাশ করলেও…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

কাবা শরিফের সামনে জীবনসঙ্গীকে নিয়ে ছবি, বিয়ের খবর জানালেন নাজনীন নীহা!

কাবা শরিফের সামনে জীবনসঙ্গীকে নিয়ে ছবি, বিয়ের খবর জানালেন নাজনীন নীহা!
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাজনীন নাহার নীহার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চলা জল্পনার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্পর্কের ইঙ্গিত দেওয়ার কয়েক মাস পর এবার পবিত্র কাবা…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

দুর্নীতির কারণে কার্যকারিতা হারিয়েছে সমবায় সমিতি: রাষ্ট্রপতি

দুর্নীতির কারণে কার্যকারিতা হারিয়েছে সমবায় সমিতি: রাষ্ট্রপতি
দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের অনেক সমবায় সমিতি কার্যকারিতা হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সমবায় খাতের হারানো সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে আইন…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

উদারতার সুযোগে শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ, আওয়ামী লীগকে হুঁশিয়ারি নুরের!

উদারতার সুযোগে শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ, আওয়ামী লীগকে হুঁশিয়ারি নুরের!
রাজনৈতিক উদারতার সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী এখনো অনলাইনে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    বরিশাল

নেত্রকোণায় ‘প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠাই নারী মুক্তির একমাত্র উপায়’ শীর্ষক জেলা নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নেত্রকোণায় ‘প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠাই নারী মুক্তির একমাত্র উপায়’ শীর্ষক জেলা নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
নেত্রকোণা হেযবুত তওহীদের নারী বিভাগের উদ্যোগে  অনুষ্ঠিত নারী সম্মেলন ‎আজ রবিবার ( ৮ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবে হেযবুত তওহীদের নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত…
 ৮ নভেম্বর ২০২৬    ময়মনসিংহ