প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   দীন প্রতিষ্ঠা বলতে আমরা কী...

দীন প্রতিষ্ঠা বলতে আমরা কী বুঝি?

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:১৯ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী

ইসলাম প্রতিষ্ঠা বা দীন প্রতিষ্ঠা বলতে কী বোঝায়? এর মানে আসলে কী? কীভাবে বুঝব কোনো দেশে দীন প্রতিষ্ঠা হয়েছে কিনা? ধরুন, একটি গোষ্ঠী দাবি করল তারা দীন প্রতিষ্ঠা করেছে। তাদের দাবি সঠিক নাকি ভুল, সেটা বোঝার উপায় কী? তাদের লম্বা দাড়ি বা গায়ে আরবীয় জোব্বা থাকলেই কি আমরা ধরে নিব তারা দীন প্রতিষ্ঠা করেছে? নাকি দেশের নাম ইসলামিক আমিরাত বা ইসলামিক স্টেট বা ইসলামিক রিপাবলিকান ইত্যাদি রাখলে ধরে নিব দীন প্রতিষ্ঠা হয়ে গেছে? আসলে বিষয়টা বোঝার উপায় কী?
দীন প্রতিষ্ঠা নিয়ে মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে দীন বলতে কী বোঝানো হচ্ছে সেটা জেনে নেওয়া প্রয়োজন। দীন মানে জীবনব্যবস্থা। পৃথিবীতে জীবনব্যবস্থা মূলত দুই ধরনের হয়। এক- আল্লাহর দেওয়া, দুই- মানুষের তৈরি করে নেওয়া। আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থার নাম ইসলাম, যার আভিধানিক অর্থ শান্তি। আল্লাহ তার জীবনব্যবস্থার নাম “শান্তি” রেখে মানুষকে বোঝাচ্ছেন- হে মানুষ! তোমরা যে শান্তির দেখা পেতে সারা বিশ্ব তোলপাড় করে ফেলছো, যদি আমার দেওয়া জীবনব্যবস্থা গ্রহণ করো তাহলেই কেবল তোমাদের জীবনে সেই মহাকাক্সিক্ষত “শান্তি” আসবে, অন্যত্থায় আসবে না। যুগে যুগে মানবজীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যই আল্লাহ দীন পাঠিয়েছেন এবং শেষবার আখেরী নবীর মাধ্যমে যখন দীন পাঠিয়েছেন, তখন মো’মেনদের জন্য দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন। (হুজরাত ১৫)
গত কয়েক শতাব্দী ধরে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় জীবনে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চলছে। বহু আন্দোলন ও সংগঠনের জন্ম হয়েছে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য। কোথাও তারা রাজনৈতিকভাবে, কোথাও সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে, কোথাও সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে তারা দীন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে বিশ্বের বহু দেশে তারা সফলও হয়েছে, রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করতে পেরেছে। যখনই তারা কোথাও ক্ষমতায় গেছে, অনেকে ধরেই নিয়েছে সেখানে ইসলাম প্রতিষ্ঠা হয়ে গেছে। তাদেরকে নিয়ে অনেকে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে।
কিন্তু ওইসব দল কথিত দীন প্রতিষ্ঠার পর শান্তির ছিটেফোঁটাও দেখাতে পেরেছেন কি? তারা কি পেরেছেন ন্যায়, শান্তি, সুবিচার প্রতিষ্ঠা করতে? তারা কি পেরেছেন নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে? তারা কি পেরেছেন জনগণকে বাক স্বাধীনতা দিতে? তারা কি পেরেছেন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে? তারা কি পেরেছেন মানুষকে অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে মুক্ত করে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে? উত্তর আমাদের সবারই জানা। তারা পারেননি। শুধু যে পারেননি তাই নয়, তারা ধর্মের নামে এমন ব্যবস্থা জনগণের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন যেটা জনগণকে মুক্তির স্বাদ দেওয়ার বদলে বন্দীত্বের শৃঙ্খল পরিয়ে দিয়েছে। কথা বলা যাবে না, গান শোনা যাবে না, ছবি আঁকা যাবে না, দাড়ি কাটা যাবে না, নারীরা ঘরের বাইরে যেতে পারবে না, খেলাধুলা করা যাবে না, টেলিভিশন দেখা যাবে না, মেয়েরা পড়াশোনা করা যাবে না ইত্যাদি বিধিনিষেধ আরোপ করে জনগণকে শাসরুদ্ধকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। অন্যদিকে মানুষ যেটা চায় অর্থাৎ ন্যায়, শান্তি, সুবিচার, মানবাধিকার, উন্নতি, প্রগতি- সেসবের ছিটেফোঁটাও সমাজে প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। ফলে মানুষ কিছুদিনের মধ্যেই বুঝে গেছে এটা ইসলাম নয়, এটা শান্তি নয়। এটা ইসলামের নামে আরেক জবরদস্তির নাম। সেই জবরদস্তি থেকে বাঁচার জন্য এক সময় মুসলিম ঘরের ছেলে মেয়েরাই সংগ্রাম করে তথাকথিত ইসলামী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। তাহলে কী বোঝা গেল?
বোঝা গেল- কোথাও দাড়ি টুপিওয়ালা ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ক্ষমতা দখল দেখলেই সেটাকে ইসলাম প্রতিষ্ঠা বা দীন প্রতিষ্ঠা বলে খুশিতে আত্মহারা হবার সুযোগ নেই। আমাদেরকে মনে রাখতে হবে, দাড়ি টুপি আর আলখেল্লার নাম ইসলাম নয়। ইসলাম হলো ন্যায়, শান্তি, সুবিচার, নিরাপত্তা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা হবার নাম। কোথাও ইসলাম প্রতিষ্ঠা হয়েছে কিনা, বা আল্লাহর হুকুম প্রতিষ্ঠা হয়েছে কিনা সেটা বিচার করারও মাপকাঠি দাড়ি টুপি জোব্বা বোরকা পাঞ্জাবি নয়। সেটা বিচারের মাপকাঠি হলো- ওই সমাজের মানুষ শান্তির দেখা পেয়েছে কিনা, মানবাধিকার পেয়েছে কিনা, নিরাপত্তা পেয়েছে কিনা, নারীদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে কিনা সেটা।
পাঠক, আরও পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য হাদিসের পাতা থেকে দু’টি ঘটনা তুলে ধরছি।
১. প্রচণ্ড নির্যাতনের মুখে অধৈর্য্য হয়ে একবার খাব্বাব (রা.) বিশ্বনবীর কাছে আরজ করলেন, হে আল্লাহর রসুল, আপনি কাফেরদের বিরুদ্ধে আমাদের জন্য দোয়া করুন। বিশ্বনবী তখন কী বলেছিলেন তা ইতিহাস হয়ে আছে। বিশ্বনবী বলেছিলেন, শিঘ্রই এমন সময় আসবে যখন সানা থেকে হাদরামাউত পর্যন্ত একা একজন আরোহী পথ চলবে, তার মনে আল্লাহ ও বন্য জন্তু ছাড়া আর কোনো ভয় থাকবে না। দীন প্রতিষ্ঠার পর কেমন সমাজ তৈরি হবার কথা, সেটা এই হাদিসেই বোঝা যাচ্ছে। সমাজ থেকে ভয় জিনিসটা উঠে যাবে। কোনোকিছু হারানোর ভয় থাকবে না। মানুষ মাইলের পর মাইল পথ চলবে নির্বিঘ্নে।
২. এবার দেখুন হাতিম তাইয়ের ছেলে আদির সাথে রসুলাল্লাহর কথোপকথন। আল্লাহর রসুল আদিকে বললেন- ‘হে আদি, তুমি বোধহয় ইসলাম গ্রহণ করছ না আমার আশপাশের মানুষগুলোর অবস্থা দেখে। তুমি কি আল-হিরার নাম শুনেছ?’ আদি বললেন, ‘হ্যাঁ, শুনেছি, তবে কখনো যাইনি ওই শহরে।’ নবী (সা.) বললেন, ‘শিঘ্রই এমন সময় আসবে যখন একজন নারী একা হিরা থেকে মক্কায় আসবে তার মনে কোনো ভয়ের কারণ থাকবে না।’ অর্থাৎ এই হাদিসেও সেই একই কথা। কোনো ভয় থাকবে না। কতখানি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা হবে বোঝাই যাচ্ছে।
পাঠক, হাদিসের আরেকটি দিক লক্ষ করুন। আল্লাহর রসুল দীন প্রতিষ্ঠার পর কেমন সমাজ তৈরি হবে তা বলতে গিয়ে নারীদের সম্পর্কে কী বললেন? তিনি কিন্তু বলেননি- হে খাব্বাব! দীন প্রতিষ্ঠা হলে হিরা থেকে মক্কা পর্যন্ত একজন নারীও ঘরের বাইরে বেরোতে পারবে না, একজন নারীরও চেহারা দেখা যাবে না, একজন নারীও পড়াশোনা করতে পারবে না, একজন নারীও চাকরি বাকরি করতে পারবে না ইত্যাদি! রসুল (সা.) এসব কথা বললেন না, কারণ এই নারীবিদ্বেষী আইন প্রতিষ্ঠা তাঁর লক্ষ্য ছিল না। বরং তিনি কী বললেন খেয়াল করুন। তিনি বললেন, দীন প্রতিষ্ঠার পর একজন নারী একা হিরা থেকে মক্কায় আসবে কিন্তু সেই নারীর মনে কোনো ভয় থাকবে না। একবার ভাবুন তো, একজন নারী শত শত মাইল পথ চলছে একা একা, কিন্তু কোনো ভয় নেই। তাহলে ওই সমাজের নিরাপত্তা কেমন হতে হবে? মূলত তেমন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার নামই হলো ‘দীন প্রতিষ্ঠা’। আল্লাহর রসুল স্পষ্টভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, ইসলামের উদ্দেশ্য নারীকে ঘরের মধ্যে বন্দী করা নয়, বরং নারী যাতে একা একা শত শত মাইল পথ নির্ভয়ে চলতে পারে, সমাজে কোনো চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, ইভটিজিং না থাকে তেমন পরিবেশ তৈরি করা!
বলা বাহুল্য, আল্লাহর রসুল ঠিকই সেই সমাজ তৈরি করতে পেরেছিলেন। দীন প্রতিষ্ঠার পর তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীটি কীভাবে অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়িত হয়েছিল তার ইতিহাস নতুন করে বলার দরকার পড়ে না। আদি ইবনে হাতিম তাঁর জীবদ্দশাতেই সেই দৃশ্য দেখে গেছেন এবং সাক্ষ্য দিয়ে গেছেন।
সুতরাং আজ যারা দীন প্রতিষ্ঠার কথা বলছেন, তাদের টুপি দাড়ি বা লেবাস দেখে নয়, তাদেরকে বিচার করা দরকার তারা কেমন সমাজ তৈরি করল সেটা দেখে। ক্ষমতা দখল করা তো কঠিন নয়, কঠিন হলো জনগণকে শান্তি নামক সোনার হরিনটি পাইয়ে দেওয়া। ক্ষমতা দখল করার জন্য ইসলাম লাগে না, সমাজতন্ত্র বা গণতন্ত্রের চেতনা কাজে লাগিয়েও বিশ্বের বহু দেশে ক্ষমতার উত্থান পতন হয়ে থাকে। তেমনি ইসলামের চেতনা ব্যবহার করেও ক্ষমতা দখল করা সম্ভব। কিন্তু যদি সেটা সত্যিকারের ইসলাম না হয়ে থাকে, যদি সেটা আল্লাহ-রসুলের দেওয়া প্রকৃত ইসলাম না হয়ে থাকে, তাহলে তা কস্মিনকালেও ন্যায়, সুবিচার, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। আর তা না পারলে কখনই সেটাকে দীন প্রতিষ্ঠা বলা যাবে না।
[মতামতের জন্য যোগাযোগ: ০১৭১১৫৭১৫৮১, ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫]

 

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর