প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   কী দিল এই বস্তুবাদী সভ্যতা?...

কী দিল এই বস্তুবাদী সভ্যতা? (৩য় পর্ব)

১৬ জুলাই ২০২২ ১০:৩৫ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

১৫৩৪ সনে ব্রিটেনে আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মকে মানুষের সার্বিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করে ব্যক্তিগত জীবনে নির্বাসিত করার সময় থেকেই শুরু হয় মধ্যযুগ থেকে আধুনিক ইউরোপের পথচলা। একটি নতুন সভ্যতার বিকাশ ঘটতে শুরু করে। অবশ্য এই বিকাশ ও উন্নতি কেবল বৈষয়িক জীবনের, চারিত্রিক নয়। ইউরোপীয় খ্রিষ্টানরা ক্রমেই বস্তুবাদী (Materialistic) হয়ে পড়তে শুরু করল। এটা একটা পরিহাস (Iroû) যে, যে জাতির সকল লোক এমন একটি ধর্ম গ্রহণ করলো যে ধর্মের মূলমন্ত্রই হচ্ছে আত্মশুদ্ধি, কেউ এক গালে চড় দিলে তাকে অন্য গাল পেতে দাও, জোর করে গায়ের কোট খুলে নিলে তাকে আলখেল্লাটাও দিয়ে দাও, সেই জাতি একটি কঠোর বস্তুবাদী সভ্যতার জন্ম দেবে। তারা প্রথমেই সমুদ্র অভিযানের মাধ্যমে অনুসন্ধান ও ভৌগোলিক আবিষ্কার শুরু হয়। সমুদ্রতীরের দেশসমূহের মানুষজনের পেশা ছিল মাছ ধরা ও ব্যবসা বাণিজ্য। তবে মহাসাগর অতিক্রম করার কথা প্রথমে ভাবে পর্তুগিজ ও স্পেনিশ নাবিকরা। এসব অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলে লাভজনক উপনিবেশিক রাজত্বের বিস্তার। নতুন নতুন ভূখণ্ড ও সমুদ্রপথ আবিষ্কারকারী নাবিকদের মধ্যে কলম্বাস, ভাস্কো-দা-গামা, বার্থোলোমে দিয়াজ, ম্যাগেলান অন্যতম। তাদের দুঃসাহসী অভিযানের দ্বারা নতুন গোলার্ধ, নতুন মহাদেশ, নতুন দেশ, নতুন দ্বীপ, নতুন সভ্যতা আবিষ্কৃত হল। আমেরিকা মহাদেশ, ভারতর্ষ, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকার অধিকাংশ ভূখণ্ডই ইউরোপীয় বিভিন্ন জাতি দখল করে নিল।

১৫শ শতাব্দীর শুরু থেকে ১৭শ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত এই আবিষ্কার ও অনুসন্ধানের যুগে ইউরোপীয় সংস্কৃতি ব্যাপক সমুদ্র অভিযানের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে যায় এবং বিশ্বায়নের সূচনা করে। ইউরোপে উপনিবেশবাদ ও বাণিজ্যবাদের ব্যাপক উত্থান ঘটে এবং তা বিভিন্ন দেশের জাতীয় নীতি হিসবে গৃহীত হয়। ইউরোপিয়ানদের সমুদ্র অভিযানে দাস ব্যবসার বিশ্বায়ন শুরু হয়। স্পেনীয়রা আমেরিকায় পৌঁছালে সেখানকার বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে রাস্তাঘাট নির্মাণে প্রচুর সস্তা শ্রমিকের দরকার পড়ে। তারা দেখল যে ক্রীতদাস প্রথাই আদর্শ সমাধান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পেরু, মেক্সিকো, ব্রাজিল প্রভৃতি দেশের গরিব জনগণকে ধরে ধরে দাস বানিয়ে এ কাজ উদ্ধা করা হল। মাটি খুঁড়ে সোনা রূপা কয়লা বের করতে আরও দাস দরকার পড়ল। এভাবে গড়ে প্রতি বছরে ৭৫ হাজার থেকে ৮৬ হাজার দাসকে আটলান্টিকের এপার থেকে ওপারের আমেরিকা মহাদেশে নিয়ে যাওয়া শুরু হয়। প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন দাসপ্রথা উচ্ছেদের ঘোষণা (Emancipation Proclamation-1863) দিলেও এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর শ্বেতাঙ্গদের হাতে কৃষ্ণাঙ্গদের নিগ্রহ সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়।

এদিকে নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটতে থাকে। মুসলিম বিজ্ঞানীদের বহুবিধ বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনের ভিত্তির উপর নতুন প্রযুক্তিগত সভ্যতার ইমারত প্রতিষ্ঠা করেন ইউরোপীয় বিজ্ঞানীরা। এই কারিগরি আবিষ্কারগুলো ইউরোপে সামতন্ততন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে নতুন ধনতন্ত্রের পথ সুগম করেছে। এই প্রযুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে অশ্বশক্তি, জলশক্তি ও বায়ুশক্তির ব্যবহার। সমুদ্রপথে চলাচলের জন্য জাহাজের হাল ও কম্পাসের আবিষ্কার, বারুদের আবিষ্কার; কাচ, কাগজ ও মুদ্রণযন্ত্রের আবিষ্কার। এই সকল প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পেছনে মুসলিম আবিষ্কর্তাদের বিপুল অবদান রয়েছে। এভাবে জ্ঞান হাতবদল হয়ে প্রাচ্য থেকে ইউরোপে চলে আসে। ইউরোপের পদানত দাসে পরিণত হতে থাকে একের পর এক মুসলিম ভূখণ্ড।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

এভাবে ইউরোপীয়দের চিন্তার ঘরের এক হাজার বছরের রুদ্ধদ্বার খুলে যায়। বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে, শিল্পবিপ্লবে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে, ব্যাঙ্ক বীমা স্থাপনে, কৃষিতে, সংস্কৃতিতে, বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখায়, চিকিৎসায়, প্রকৌশলে, যুক্তিবিদ্যায়, দর্শনে, শিল্পে, সাহিত্যে বিকশিত হয়ে উঠল। অতীতের ভাববাদী দর্শনের পৃষ্ঠাকে উল্টে রেখে সকল বিষয়ে একটি বস্তুবাদী দর্শন, সকল প্রশ্নের, সকল ইতিহাসের একটি বস্তুবাদী ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে ফেলল। আগে মানব ইতিহাসকে ব্যাখ্যা করা হত আদম-হাওয়া থেকে, এখন ডারউইনসহ অন্যান্য প্রকৃতিবিদগণ নিয়ে আসলেন বিবর্তনবাদ। বিশ্বজগৎ সৃজনের কৃতিত্বও আর স্রষ্টাকে দেওয়া হল না, বলা হল আমরা একটি আকস্মিকভাবে সৃষ্ট মহাবিশ্বে (an accidental universe) বাস করছি। বিজ্ঞান ও ধর্মকে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থানে দাঁড় করানো হল। এই যুগটিকে আলোকায়নের যুগ (১৬৮৫-১৮১৫), Age of Enlightenment অথবা Age of reason বলা হয়ে থাকে। আলোকিত যুগের দর্শনের মতে ক্যাথেলিক চার্চের কর্তৃত্বের পাশাপাশি রাজতন্ত্রও অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। তারা এসকল প্রথা বা ঐতিহ্যের পরিবর্তে যুক্তিনির্ভর একটি সমাজকাঠামো গড়ে তুলতে মানুষকে উৎসাহিত করেন।

ফ্রান্সের সাধারণ মানুষকে রাজার আরোপ করা কর, গির্জা কর্তৃক আরোপ করা কর, ভুস্বামী বা জমিদারদের আরোপ করা কর দিতে হতো। আইনও ছিল গরিবের বিপক্ষে। তাদের বিচার করার সময় সাক্ষ্য-প্রমাণ নিয়ে ততটা মাথা ঘামানো হতো না। সব মিলিয়ে জ্বলে ওঠে বিপ্লবের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ। মানুষ সামাজিক বৈষম্য, কর্মহীনতা, ক্ষুধা, প্রভাবশালী, অভিজাত, বুর্জোয়া শ্রেণির আগ্রাসন, করারোপের মাধ্যমে শোষণের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে। ফ্রান্সের সম্রাট ষোড়ষ লুইয়ের বিরুদ্ধে বিপ্লবের ডাক দেন আলোকিত যুগের অন্যতম প্রবক্তা জ্যাক রুশো। তিনি তাঁর লেখনির মাধ্যমে ফরাসি মননে বিপ্লবের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ জাগ্রত করতে সক্ষম হন। মন্টেস্কু, ভলতেয়ার, দেনিস দিদেরো প্রমুখ লেখক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, সাহিত্যিকগণও ফরাসি বিপ্লবের (১৪ জুলাই ১৭৮৯) মানসিক ক্ষেত্র প্রস্তুতে অসামান্য ভূমিকা রাখেন। ফরাসি বিপ্লব শুধু ফ্রান্স নয়, গোটা ইউরোপের চিত্র বদলে দিয়েছিল। মানুষের চিন্তার জগৎ আলোড়িত হয়েছিল। বহুদেশে রাজতন্ত্রের পতন হয়েছিল। ফরাসি বিপ্লব গোটা মানব সভ্যতাকে বস্তুবাদী ধর্মবিবর্জিত দৃষ্টিভঙ্গিতে নতুনভাবে লিখতে ভূমিকা রেখেছে। ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিল সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতা। উনিশ শতকে ফ্রান্স ছাড়িয়ে সারা ইউরোপে নতুন ভাবধারার সূচনা করেছিল এই বিপ্লব।

খ্রিষ্টধর্ম মোতাবেক সমষ্টিগত জীবন পরিচালনা ব্যর্থ হওয়ার পর সার্বভৌমত্ব আল্লাহর হাত থেকে মানুষের হাতে তুলে নেবার পর সংবিধান, আইন-কানুন, দণ্ডবিধি, অর্থনীতি ইত্যাদি তৈরী করে মানব জীবন পরিচালনা আরম্ভ হলো, যার নাম দেয়া হলো ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র (Secular Democracy)। টমাস হবস, ডেভিড হিউম, জন লক, স্পিনোজা প্রমুখ দার্শনিকগণ তাঁদের বিভিন্ন তত্ত্বে এই সংসদীয় গণতন্ত্রের রূপরেখা প্রস্তাব করেন। এই গণতন্ত্রের সার্বভৌমত্ব রইলো মানুষের সংখ্যাগরিষ্ঠের হাতে। অর্থাৎ মানুষ তার সমষ্টিগত, জাতীয় জীবন পরিচালনার জন্য সংবিধান ও সেই সংবিধান নিঃসৃত আইন-কানুন প্রণয়ন করবে শতকরা ৫১ জন বা তার বেশী। যেহেতু মানুষকে আল্লাহ সামান্য জ্ঞানই দিয়েছেন সেহেতু সে এমন সংবিধান, আইন-কানুন দণ্ডবিধি, অর্থনীতি তৈরী করতে পারে না যা নিখুঁত, নির্ভুল ও ত্রুটিহীন, যা মানুষের মধ্যকার সমস্ত অন্যায়, অবিচার দূর করে মানুষকে প্রকৃত শান্তি (ইসলাম) দিতে পারে। কাজেই ইউরোপের মানুষের তৈরী ত্রুটিপূর্ণ ও ভুল আইন-কানুনের ফলে জীবনের প্রতিক্ষেত্রে অন্যায় ও অবিচার প্রকট হয়ে উঠলো। বিশেষ করে অর্থনৈতিক জীবনে সুদভিত্তিক ধনতান্ত্রিক অর্থনীতি চালু করায় সেখানে চরম অবিচার ও অন্যায় আরম্ভ হয়ে গেলো। মুষ্টিমেয় মানুষ ধনকুবের হয়ে সীমাহীন প্রাচুর্য্য ও ভোগবিলাসের মধ্যে ডুবে গেলো আর অধিকাংশ মানুষ শোষিত হয়ে দারিদ্র্যের চরম সীমায় নেমে গেলো। স্বাভাবিক নিয়মেই ঐ অর্থনৈতিক অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে ইউরোপের মানুষের এক অংশ বিদ্রোহ করলো ও গণতান্ত্রিক ধনতন্ত্রকে বাদ দিয়ে নতুন কোনো অর্থনৈতিক ব্যবস্থা অনুসন্ধান করতে শুরু করল। এমন একটি সময়ে জন্ম নিল সমাজতান্ত্রিক মতবাদ।

সবকিছুর বস্তুবাদী ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর ধারাবাহিকতায় জার্মান সমাজবিজ্ঞানী কার্ল মার্ক্স (১৮১৮-১৮৮৩) উদ্ভাবন করলেন দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ বা Dialectical materialism, এবং ১০ বছর ধরে লিখলেন পুঁজিবাদের সমালোচনামূলক যুগান্তকারী বই ডাস ক্যাপিটাল। ওদিকে ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস দিলেন বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের রূপরেখা। এই দুইজনে যৌথভাবে লিখলেন কমিউনিস্ট ম্যানুফেস্টো (১৮৪৮)। বাজল পুঁজিবাদের বিদায়ঘণ্টা। তাঁরা বললেন, মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত- শাসক আর শোষিত। বললেন মানুষের ইতিহাস শ্রেণিসংগ্রামের ইতিহাস। তাদের প্রচারিত সমাজতন্ত্র লেনিনের নেতৃত্বে তিন মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম একটি বৃহত্তম সাম্রাজ্য রাশিয়ার জারতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে দিল। বিশ্বের বড় একটি অংশের মানুষ সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা করলো। ইউরোপের মানুষের অন্য একটা অংশ গণতান্ত্রিক পদ্ধতির অন্যান্য দিকের ব্যর্থতা দেখে সেটা বাদ দিয়ে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করলো। অর্থাৎ গণতন্ত্র থেকে একনায়কতন্ত্র, ধনতন্ত্র থেকে সমাজতন্ত্র, সাম্যবাদ এগুলো সবই অন্ধকারে হাতড়ানো, এক ব্যবস্থার ব্যর্থতায় অন্য নতুন আরেকটি ব্যবস্থা তৈরী করা। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে বাদ দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা, প্রকৃতপক্ষে সমষ্টিগত জীবনের ধর্মহীনতা অবলম্বন করার পর থেকে যত তন্ত্র (-পৎধপু), যত বাদই (-রংস) চালু করার চেষ্টা ইউরোপের মানুষ করেছে সবগুলির সার্বভৌমত্ব মানুষের হাতে রয়েছে। অর্থাৎ রাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, সাম্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, এসবগুলিই মানুষের সার্বভৌমত্বের বিভিন্ন ধাপ, বিভিন্ন পর্যায় (চযধংব, ংঃবঢ়) মাত্র। এই সবগুলি তন্ত্র বা বাদের সমষ্টিই হচ্ছে এই ইহুদী-খ্রিষ্টান সভ্যতা, দাজ্জাল।

[লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট; ইমেইল: mdriayulhsn@gmail.com; ফোন: ০১৬৭০১৭৪৬৫১, ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১৫৭১৫৮১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের এই করুণ পরিণতি কোনো নিয়তির নির্মম পরিহাস নয়, বরং তা আল্লাহর বিধান থেকে দূরে সরে যাওয়ারই অবশ্যম্ভাবী ফসল। আমরা নামের শেষে মুসলিম…
 ১৬ জুন ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার
চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন
চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের জন্য সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পসহ নতুন ও সংশোধিত পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়