প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   নির্বাচনের নামে সহিংসতার শেষ কোথায়?

নির্বাচনের নামে সহিংসতার শেষ কোথায়?

১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৮:৫৮ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

আদিবা ইসলাম

সামনে একাদশতম সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে চারদিকে বিরাজ করছে টানটান উত্তেজনা। পাড়ায় পাড়ায়, চায়ের দোকানে, গলির মোড়ে সকল জায়গাতেই আলোচনার মুখ্য বিষয় নির্বাচন। মনোনয়নপ্রাপ্ত দলগুলোও চালাচ্ছে ব্যাপক প্রচারণা। প্রার্থীরা সুবিধাবঞ্চিত জনগণকে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে আদায় করে নিচ্ছে নিজেদের ভোট।
কিন্তু সব কিছুর আড়ালেও বড় সত্য হচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশের মাঝেও আতংকে আছে সাধারণ জনগণ। কারণ আমরা দেখেছি যে প্রত্যেকবারেই নির্বাচনের নামে কী পরিমাণ সহিংসতার স্বীকার হতে হয় সাধারণ জনগণকে। নির্বাচনকালীন রাজনৈতিক সহিংসতা যেন দেশের নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। হত্যা, গুম, লুটপাট ইত্যাদি যেন নির্বাচনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অমীমাংসিত বিষয়গুলোই আবারও সামনে আসতে শুরু করেছে।
দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় ২২ বছরে প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজার ৫১৯ জন, আর একই সময়ে কম-বেশি আহত হয়েছেন দেড় লাখ মানুষ। রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন, হরতাল, অবরোধ, নির্বাচনী সহিংসতা এবং দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। গণমাধ্যমের জরিপ অনুযায়ী, প্রত্যেক সরকারের শাসনামলে সহিংসতা ঘটেছে। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সালের বিএনপির শাসনামলে রাজনৈতিক সহিংসতায় মারা গেছে ১৭৪ জন, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রাণ গেছে ৭৬৭ জনের। পরবর্তী ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে ৫ বছরে বিএনপির সরকারের শাসনামলে নির্বাচনী হত্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭২ জনে। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালে মারা গেছে ৫৬৪ জন মানুষ। এদের মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক ব্যক্তি থেকে শুরু করে জনসাধারণ। মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকারের’ হিসাবে হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি। অধিকার বলছে, শুধু ২০০১ সাল থেকে ২০১৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩ হাজার ৯২৬ এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৫৮ হাজার ২১১ জন। এর মধ্যে ২০০১ সালেই মারা গেছেন ৬৫৬ জন।
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৫ সালে রাজনৈতিক সহিংসতায় মারা গেছেন ১৯৮ আর ২০১৬ সালে নিহত হয়েছেন ৬৪ জন। মানবাধিকার সংগঠন ‘আসক’ এর হিসাব অনুযায়ী, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৬৬৪টি রাজনৈতিক সহিংসতা হয়েছে, যাতে নিহত হয়েছেন ১৪৭, আর আহত হয়েছেন ৮ হাজার ৩৭৩ জন। এদিকে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ এক বিবৃতিতে জানায়, ২০১৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত সহিংসতায় ১৪৯ জন নিহত এবং ৪ হাজার ৮৮৬ জন আহত হন।
গত ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের দিন সহিংসতায় নিহত হয়েছিলেন ১৯ জন। নির্বাচন-পূর্ব সহিংসতার দিক থেকেও এ নির্বাচন অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। জাতীয় নির্বাচন ছাড়াও ইউপি নির্বাচনেও সহিংসতা পিছিয়ে নেই। অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনী সহিংসতা। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর তথ্য মতে, ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপেই নিহত হয় ১০০ এর বেশি মানুষ। সুজনের দাবি, এর আগে ১৯৮৮ সালের নির্বাচন সবচেয়ে বেশি সহিংসতাপূর্ণ ও প্রাণঘাতী ছিল। ওই নির্বাচনে ৮০ জনের প্রাণহানি হয়।
তবে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতার সবচেয়ে নির্মম অধ্যায়টি রচিত হয় ২০১৫ সালে, পেট্রল বোমাবাজীর মাধ্যমে। নিরাপরাধ জনগণকে বাসের মধ্যে পেট্রল বোমা মেরে ঝলসে দেওয়ার ঘটনাগুলো বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে আছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন আরেকটি কালো অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে কিনা সেটাই সুস্থচিন্তার মানুষের সামনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে! এর শেষ কোথায় তা বুঝতে হলে ইরাক সিরিয়া লিবিয়ার দিকে তাকানোই যথেষ্ট। ক্ষমতার অধিকার নিয়ে রাজনৈতিক গোলোযোগ একটি দেশকে শেষ পর্যন্ত এমন জায়গাতেই নিয়ে যায় যে তখন আর কারো পালানোর পথ থাকে না, ইংরেজিতে একে বলে রাজনীতি হবে মানবতার কল্যাণে। যে রাজনীতি মানবতার কল্যাণে করা হয় তা বড় এবাদত। অথচ বর্তমানে রাজনীতির দোহাই দিয়ে চালানো হচ্ছে অপরাজনীতি। এই অবস্থায় যতই নির্বাচন করা হোক না কোন নির্বাচনই জনগণকে শান্তি দিতে পারবে না। কারণ আমাদের গোটা সমাজ ব্যবস্থাটাই ভুল পথে চালিত হচ্ছে। সমাজব্যবস্থা, রাষ্ট্রব্যবস্থা যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়, সেটা দ্বারা ব্যক্তিও প্রভাবিত হতে বাধ্য। কাদামাটি দিয়ে মাইলের পর মাইল পথ চলবেন, কিন্তু গায়ে কোনো কাদার ছিটা লাগবে না- তা কি সম্ভব? কাজেই গায়ের কাদা পরিষ্কার করার চেয়েও বেশি প্রয়োজন রাস্তা মেরামত। রাষ্ট্রব্যবস্থা হচ্ছে ওই রাস্তার মত, সেখানে পরিচ্ছন্নতা না থাকলে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতায় ফল হবার নয়, নোংরা-আবর্জনার ছিটা লাগবেই।
ফলে একটি মানুষ সৎ ভাবে জীবন যাপন করতে চাইলেও সে করতে পারে না। বরং সৎ থাকতে গেলে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলে সবচেয়ে বেশি ঝুকির মধ্যে থাকতে হয় তাকে এবং তার পরিবারকে। এইরকম একটি মৃত সমাজব্যবস্থায় যতই সুষ্ঠ নির্বাচন করা হোক না কেন তার ফলাফল শেষ পর্যন্ত শূন্য। কারণ গলদ গোড়াতেই।
বাকা পথে আপনি চাইলেও সোজা করে গাড়ি চালাতে পারবেন না। আবার রাস্তা যখন সোজা হবে কেউ চাইলেও বাকা করে গাড়ি চালাতে পারবেনা। আমাদের সমাজে একটি কথা চালু আছে, আগে নিজে ভালো হোন তারপর দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে। এই কথাটি সম্পূর্ণ অমূলক। কারণ একটি জীবনব্যবস্থায় মানুষের সামষ্টিক জীবনের গুরুত্ব সর্বাধিক। ব্যক্তি কখনও সামষ্টিক সিস্টেমের বিরুদ্ধে পথ চলতে পারে না। বিশাল এক রাষ্ট্রব্যবস্থায় একজন ব্যক্তি যমুনা নদীর তুলনায় এক টুকরো শোলার মতো।
শেষ রসুল হুজুরে পাক (সা.) আল্লাহর দেওয়া নীতি অনুযায়ী এমন একটি সমাজ ব্যবস্থা আরবে প্রতিষ্ঠিত করলেন যেখানে একা একটি যুবতী স্বর্ণালংকার পরিহিত অবস্থায় সানা থেকে হাদরামাউত পর্যন্ত প্রায় তিনশ মাইল রাতের অন্ধকারে হেঁটে যেত কিন্তু তার মনে এক আল্লাহ ও বন্য জন্তুর ভয় ছাড়া আর কোনো ভয় কাজ করত না। আদালতে মাসের পর মাস বিচার সংক্রান্ত কোনো মামলা আসত না। রাতে ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘুমানোর প্রয়োজন হতো না। উটের পিঠে খাবার বোঝায় করে ঘুরে বেড়ানো হতো অথচ খাবার নেওয়ার মতো কোন লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। এমনই একটি জীবনব্যবস্থা দিয়ে গিয়েছিলেন বিশ্বনবী। এমনই অনাবিল শান্তি বিরাজ করেছিল আরবে। আজ এমন একটি জীবনব্যবস্থা আমাদের কাছে অলীক কল্পনার মতো মনে হয়।
অষ্টম হেনরীর সময় ইংল্যান্ডের প্রথম যখন আনুষ্ঠানিক ভাবে সার্বিক জীবন থেকে ধর্মকে বাদ দিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে নির্বাসিত করা হলো তখন মানুষ নিজে তার সার্বিক জীবন পরিচালনার ভার তার হাতে তুলে নিল। জন্ম হলো ধর্ম নিরপেক্ষতার। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত একের পর এক মানুষের তৈরী জীবনব্যবস্থা মানুষ তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিসহ সামষ্টিক জীবনের সকল ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে আসছে। কিন্তু কোনো জীবনব্যবস্থাই কাঙ্খিত শান্তি দিতে পারে নি। শান্তির জন্য পাগলপারা জনগণ একের পর এক জীবনব্যবস্থা প্রণয়ন করছে, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন নতুন আইন রচনা করা হচ্ছে, আইনের সংশোধন করা হচ্ছে, বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা শান্তির জন্য সভা-সমাবেশ করছে, আলোচনা করছে, শান্তিসংঘ খুলছে কিন্তু শান্তি নেই। কোথাও শান্তি নেই। রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, একনায়কতন্ত্র, গণতন্ত্র, পুঁজিবাদ সহ একে একে সকল তন্ত্র মন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। কেউ শান্তি দিতে পারে নি। মানুষ আজ হারে হারে ভোগ করছে ভুল সমাজব্যবস্থার পরিণতি। প্রত্যেকটা দেশে ক্ষমতার কামড়া কামড়ি, রাজনৈতিক সহিংসতা। বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে চলছে স্নায়ুযুদ্ধ। বিশ্বের রাজনৈতিক পরিবেশ এখন টালমাটাল। যেকোনো সময় যুদ্ধের শঙ্খ বেজে উঠবে। মানুষ আজ সভ্যতার ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে আছে। লক্ষ লক্ষ অ্যাটম বোম বানিয়ে রাখা হয়েছে মানবজাতিকে বিনাশ করে দেওয়ার জন্য। বাংলাদেশকে নিয়েও চলছে গভীর ষড়যন্ত্র। এরমধ্যে আবার সারাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে চারদিকের পরিবেশ ঘোলাটে। ভয়াবহ সঙ্কট ধেয়ে আসছে। সুতরাং আমরা দেখতে পাচ্ছি যে ধর্মকে বাদ দিয়ে এখন পর্যন্ত মানবজাতি শান্তি স্থাপন করেছে এমন কোনো জীবনব্যবস্থার নজির দেখাতে পারে নি। অতএব এটাই প্রমাণিত হয় যে ধর্মকে বাদ দিয়ে জাতীয় জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব না।

[লেখিকা: সহকারী সাহিত্য সম্পাদক, হেযবুত তওহীদ; যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর