বিমানযাত্রায় ভোগান্তির শিকার হয়ে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সেবার মান ও ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। উড়োজাহাজে ওঠার পর ককপিটে কাজ চলতে দেখা এবং পরে যাত্রীদের আবার নামিয়ে দেওয়ার ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে বিমানটিকে ‘এয়ারপোর্টের লোকাল বাস’ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি। এমনকি রসিকতা করে সংস্থাটিকে ‘বেইমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’ বলেও উল্লেখ করেছেন এই অভিনেতা।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে একটি ভিডিওসহ পোস্ট দিয়ে বিমানযাত্রার এই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন ইরফান সাজ্জাদ। পোস্টে তিনি জানান, উড়োজাহাজে ওঠার পর ককপিটে কাজ চলতে দেখে তাঁর মনে পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। এরপর যাত্রীদের কোনো সদুত্তর না দিয়েই আবার উড়োজাহাজ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে ইরফান সাজ্জাদ লেখেন, ‘প্লেনে ওঠার পর দেখতে পেলাম ককপিটে কাজ চলছে, বুঝলাম ঘটনা খারাপ! এরপর তারা আবার প্লেন থেকে নামিয়ে দিল! এ প্লেন কবে উড়বে, তারাও জানে না, আমরাও জানি না! এই হলো আমাদের এয়ারপোর্টের লোকাল বাস!’
চলচ্চিত্রে এসে কি আমরা পাপ করেছি? ক্ষুব্ধ ওমর সানী, মামলা করার হুঁশিয়ারি!

ঘটনাটি ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরতে ভিডিওর পেছনে মজার সংগীতও যুক্ত করেন অভিনেতা। তাঁর পোস্টে ব্যবহৃত রসিকতাপূর্ণ ভাষা এবং বিমানযাত্রার ভোগান্তির বর্ণনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ইরফান সাজ্জাদের এই পোস্টে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সেবার মান, ফ্লাইটের সময়সূচি এবং যাত্রীদের ভোগান্তি নিয়ে নানা মন্তব্য করেছেন ভক্ত ও নেটিজেনরা। অনেকে তাঁর অভিজ্ঞতার সঙ্গে একমত হয়ে বিমানসেবার মান উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন।
তবে ফ্লাইটটি বিলম্বিত হওয়ার কারণ, নির্ধারিত সময়সূচি এবং পরবর্তী সময়ে উড়োজাহাজটি কখন যাত্রা করেছে, সে বিষয়ে পোস্টে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করেননি অভিনেতা। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিমানযাত্রার বিড়ম্বনার বিষয়টি সামনে এলেও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

















