ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম মন্তব্য করেছেন, ক্ষমতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি এবং অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতার কারণে বিএনপির নিজস্ব নেতাকর্মীরাও নিরাপদ নন। নাটোর পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দলটিকে সন্ত্রাসের রাজনীতি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম। পোস্টে তিনি দাবি করেন, জুলাই বিপ্লবের পর থেকে বিএনপির সন্ত্রাসী রাজনীতির শিকার হয়েছেন অসংখ্য মানুষ।
মিটফোর্ডে পাথর দিয়ে আঘাতের ঘটনায় নিহত সোহাগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সাদিক কায়েম বলেন, এবার নিজ দলের নেতাকর্মীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন নাটোর পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলাম। বিএনপির এক সংসদ সদস্যের দুই ছেলের বিরোধের জেরে শাকিলকে হত্যা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য, আলোচনায় নির্বাচনী পরিবেশ!

শাকিল হত্যাকাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও বিএনপির নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ডাকসুর ভিপি। তাঁর ভাষ্য, স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা নিহত হওয়ার পরও দলের নীরব থাকা বিস্ময়কর। দলীয় স্বার্থ ও রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের কারণে প্রতিবাদ বাধাগ্রস্ত হলে তা দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, হত্যা ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে সাদিক কায়েম বলেন, গত দুই বছরে দলটির বেপরোয়া রাজনীতিতে দেশবাসী অতিষ্ঠ। তাঁর অভিযোগ, গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রেও নামমাত্র বহিষ্কারের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিএনপির নিজস্ব নেতাকর্মীরাও নিরাপদ নন। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে বিএনপিকে সন্ত্রাসের রাজনীতি ও অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি। অন্যথায় জনগণের প্রত্যাখ্যানের মুখে দলটিকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন ডাকসুর ভিপি।
















