রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করেছে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হলেও অন্যটি অবিস্ফোরিত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট। এ ঘটনায় জড়িত দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তাঁদের গতিবিধি শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁও লিংক রোডে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে রাত আড়াইটার দিকে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, রাত সোয়া ১টার দিকে মোটরসাইকেলে করে দুই ব্যক্তি ঘটনাস্থলে আসেন। সেখানে দুই থেকে তিন মিনিট অবস্থান করে আশপাশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তাঁরা। এরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তাঁদের সম্ভাব্য চলাচলের পথ সম্পর্কে পুলিশ তথ্য পেয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁরা আগারগাঁও হয়ে কাফরুল সড়কের দিকে চলে গেছেন।
ময়মনসিংহে ‘প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠাই নারীমুক্তির একমাত্র উপায়’ শীর্ষক বিভাগীয় নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জড়িতদের শনাক্ত করতে আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হবে। তবে রাতে দোকানপাট ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সব ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। সকালে প্রতিষ্ঠানগুলো খুললে ফুটেজ সংগ্রহ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপকমিশনার ইবনে মিজান।
অবিস্ফোরিত ককটেলটি পরীক্ষা করে তাতে কোনো স্প্লিন্টার বা ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বস্তুটি দেখতে অনেকটা পটকার মতো ছিল।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কাছাকাছি এলাকায় এমন ঘটনায় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে উপকমিশনার বলেন, দুর্বৃত্তরা মূল সড়ক ব্যবহার না করে লিংক রোড দিয়ে এসে ককটেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়। মূল সড়ককেন্দ্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকলেও তারা বিকল্প পথ ব্যবহার করেছে।
ইবনে মিজান আরও জানান, ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ককটেল নিক্ষেপে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
















