আজিজুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার:
“জড়তা, অন্ধত্ব, সংকীর্ণতা, ধর্মব্যবসা ও বাড়াবাড়ির বিরুদ্ধে নারীকেই জাগতে হবে, জাগাতে হবে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরিশাল জেলায় হেযবুত তওহীদের নারী বিভাগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় বরিশাল জেলা হেযবুত তওহীদের কার্যালয়ের হলরুমে এ সভার আয়োজন করা হয়। দুপুর থেকেই শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারীরা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন।
কুড়িগ্রামে যুবকের ছুরিকাঘাতে টাউন হলের কেয়ারটেকার নিহত, স্ত্রী আহত

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিশু মনোবিজ্ঞানী ডা. সুলতানা রাজিয়া। তিনি হেযবুত তওহীদের কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পাদক এবং আপন শিশু বিকাশ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
বিভাগীয় সাহিত্য গবেষণা সম্পাদক মরিয়ম আক্তার জেরিনের সঞ্চালনায় এবং বরিশাল জেলা নারী নেত্রী জারিন তাজনিন লাবনীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন হেযবুত তওহীদের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক যোগাযোগ সম্পাদক আল আমিন সবুজ, বরিশাল আঞ্চলিক সভাপতি রুহুল আমিন মৃধা, বরিশাল জেলা সভাপতি লোকমান হোসেন, মহানগর নারী নেত্রী খাদিজা আলমসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রীরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. সুলতানা রাজিয়া বলেন, নারীদের জড়তা, অন্ধত্ব, সংকীর্ণতা, ধর্মব্যবসা ও বাড়াবাড়ির বিরুদ্ধে জাগতে হবে এবং অন্যদেরও জাগাতে হবে। এ সময় তিনি বিকৃত ফতোয়া, পর্দা নিয়ে বাড়াবাড়ি এবং ধর্মীয় উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ইসলামের প্রকৃত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, হেযবুত তওহীদ বিভিন্ন সভা, সমাবেশ ও সেমিনারের মাধ্যমে জনগণের মাঝে ইসলামের সুমহান আদর্শ তুলে ধরছে। সংগঠনটির আহ্বানে আল্লাহর বিধানের ওপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে উপস্থিত নারীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে বর্তমান সমাজে নারীদের নিরাপত্তা ও অধিকারহীনতার চিত্র তুলে ধরে বক্তারা বলেন, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল জাতি গঠনে নারীদের সচেতন ও জাগ্রত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমান সময়ে নারীদের নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিদ্বেষমূলক প্রচার-প্রচারণা ও আচরণ লক্ষ করা যাচ্ছে। তাই নারীদের অধিকার, মর্যাদা ও সামাজিক ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।
তাঁরা আরও বলেন, সমাজে নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতনের বিভিন্ন ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় নারীদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
এ সময় উপস্থিত নারীরা হেযবুত তওহীদের এ উদ্যোগের সাফল্য কামনা করেন। পাশাপাশি জাতীয় জীবনে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার এই সংগ্রামে নারী বিভাগের প্রতিটি কর্মসূচির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
















