প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ধর্মজীবীরা কেন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে...

ধর্মজীবীরা কেন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারেন না?

১৩ মে ২০২১ ০৮:৪৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান

পূর্ববর্তী ধর্মের অনুসারী সম্প্রদায়গুলোর ধর্মীয় পুরোহিতদের সাথে বর্তমানের বিকৃত ইসলামের ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণিটির যথেষ্ট মিল আছে। এমন আকর্ষণীয় সুরে তারা বয়ান করে থাকেন যে, তারা যা বলেন মানুষ তাকেই সত্য কথা, কোর’আন হাদিসের কথা মনে করে। ধর্মব্যবসায়ীদের এই চিরন্তন বৈশিষ্ট্যের কথাই আল্লাহ কোর’আনে আমাদেরকে সতর্কবার্তারূপে জানিয়ে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “তাদের মধ্যে একদল রয়েছে, যারা বিকৃত উচ্চারণে মুখ বাঁকিয়ে কিতাব পাঠ করে, যাতে তোমরা মনে কর যে, তারা কেতাব থেকেই পাঠ করছে। অথচ তারা যা তেলাওয়াত করছে তা আদৌ কেতাব নয়। এবং তারা বলে যে, এসব কথা আল্লাহর তরফ থেকে আগত। অথচ এসব আল্লাহর তরফ থেকে প্রেরিত নয়। তারা বলে যে, এটি আল্লাহর কথা অথচ এসব আল্লাহর কথা নয়। আর তারা জেনে শুনে আল্লাহরই প্রতি মিথ্যারোপ করে।” [সুরা ইমরান ৭৮]

আমাদের সমাজের ধর্মজীবীরাও ঠিক এভাবেই ওয়াজ করেন করেন, যেন সবাই বিশ্বাস করে যে তারা বুঝি আল্লাহ-রসুলের কথাই বলছেন। কিন্তু আদৌ তা নয়। তারা সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী একটি ইসলামকে যা তাদের পূর্বসূরীগণ বিকৃত করেছে সেগুলোকে অভিনব মুখভঙ্গি ও সুর সহযোগে আল্লাহর নামে চালিয়ে দেন। এমন পরিষ্কারভাবে আল্লাহ এই ধর্মজীবী ওয়াজকারীদের মুখোশ উন্মোচিত করে দেওয়ার পর আর কী বলার বাকি থাকে?

নবী-রসুলদের দায়িত্ব ছিল মানুষের সামনে ন্যায়-অন্যায়, সত্য-মিথ্যা আলাদা করে দেওয়া। এরপর ন্যায়পথে যারা চলতে চায় তাদেরকে নিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা। স্বভাবতই সেই নবীর প্রতি ঈমান আনয়নের পর প্রতিটি মো’মেনের উপরও এই একই ঐশী দায়িত্ব অর্পিত হয়। সেই মো’মেনদের দায়িত্ব কী, তারা কেন শ্রেষ্ঠ জাতি সেটা আল্লাহ পবিত্র কোর’আনে জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন,“তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি। মানবজাতির মধ্য থেকে তোমাদের উত্থান ঘটানো হয়েছে এই জন্য যে তোমরা মানুষকে ন্যায়কাজের আদেশ করবে, অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখবে এবং আল্লাহর উপর ঈমান রাখবে।” [সুরা ইমরান ১১০]

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

কিন্তু যে সকল কথিত আলেম-ওলামারা ধর্মব্যবসা করেন তাদের পক্ষে এইভাবে সত্য ও মিথ্যাকে আলাদা করে দেওয়া এবং মিথ্যার বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব হয় কি? কস্মিনকালেও না। এর কারণ তারা একটি শ্রেণির কাছে আত্মবিক্রয় করেছেন। এটা চিরকাল হয়ে এসেছে যে, কোনো শাসক যখন অন্যায় করেন তখন সঙ্গে সঙ্গে সেই অন্যায়ের সমর্থনে বা নিজ দায়মুক্তির জন্য আইনও তৈরি করেন। সেই আইন তৈরি করে দেন আইন পরিষদের সদস্যরা, এর পক্ষে বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন বুদ্ধিজীবীরা। পূর্বকালে যখন ধর্মের আইন দিয়ে রাষ্ট্র চলত তখন শাসকের অন্যায়কে সমর্থন যোগাতে ধর্মের বিধানের মধ্যেও যোগ-বিয়োগ করা হয়েছে। সেটা করেছেন তখনকার ধর্মবেত্তাগণ তথা আলেম-মুফতিগণ। তাদের তৈরি করা শরিয়তকেই স্রষ্টার বিধান বলে কার্যকর করা হয়েছে। আজকে আমরা ইসলামের যে রূপটি দেখি সেটার খুব সামান্যই স্রষ্টার নাজিল করা। বাকিটা ধর্ম ব্যবসায়ীদের প্রণীত। সুলতান, বাদশাহদের পাপ কাজকে কোর’আন সুন্নাহর মাপকাঠিতে বৈধতা দিতে তারা ভাড়াটিয়া আলেমদের ব্যবহার করেছেন যারা পদ ও সম্পদের লোভে জনগণকে ইসলাম সম্পর্কে ভুল শিখিয়েছে। আজও এই শ্রেণিটি আমাদের সমাজে রয়েছে যারা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের প্রয়োজনমাফিক ফতোয়া ও ব্যাখ্যা প্রদান করতে অত্যন্ত পটু।

ধর্মব্যবসার একটি অতি প্রচলিত রূপ হচ্ছে মসজিদগুলোতে নামাজের ইমামতির চাকরি করা। বর্তমানে এটাই সর্বজনবিদিত রেওয়াজে পরিণত হয়েছে যে সমাজে যারা বিত্তবান, প্রভাবশালী (যাদের বিরাট একটি সংখ্যা দুর্নীতিগ্রস্ত) তাদেরকে মসজিদ কমিটির পরিচালক বা সদস্য করা হয়। তাদের আয়ের উৎস কী সেটা নিয়ে কেউ আর প্রশ্ন তোলে না, তাদের অর্থ আছে, প্রভাব আছে এটাই যোগ্যতার মানদণ্ড। এর উদ্দেশ্য যে প্রধানত অর্থনৈতিক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মসজিদের ইমামগণ এই কমিটির অধীনে চাকরি করেন। তাদের চৌহদ্দি মসজিদের চার দেওয়াল। কেউ মারা গেলে, দোকান উদ্বোধন, মুসলমানি, বিয়ে পড়ানোর জন্য, গরু বকরি জবাই করতে তাদের ডাক পড়ে। জীবনের বাস্তব অঙ্গনে তাদের কোনো অংশগ্রহণের সুযোগই নেই।

এবার দেখুন ইমামতির হাল:

খ্রিষ্টানদের প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থা ও জীবনব্যবস্থার ফলে আমাদের সমাজেও দুই ধরনের নেতা সৃষ্টি হয়েছে – ধর্মীয় নেতা এবং অধর্মীয় নেতা। আজ মসজিদে যে নামাজ হয় তাতে অর্ধশিক্ষিত কয়েক হাজার টাকার বেতনভোগী ‘ধর্মীয়’ ইমাম সাহেবের পেছনে তার তকবিরের (আদেশের) শব্দে ওঠ-বস করেন সমাজের ‘অধর্মীয়’ অর্থাৎ রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা। নামাজ শেষ হলেই কিন্তু ঐ ‘অধর্মীয় নেতারা’ আর ‘ধর্মীয় নেতা’র দিকে চেয়েও দেখেন না। কারণ তারা জানেন যে ঐ ‘ধর্মীয়’ নেতার দাম কয়েক হাজার টাকা বেতনের বেশি কিছুই নয়, জাতীয় জীবনে তার কোনো দাম নেই, প্রভাব নেই, কর্তৃত্ব নেই। ঐ ‘ধর্মীয় নেতারা’ অর্থাৎ ইমামরা যদি ‘অধর্মীয় নেতাদের’ সামনে কোনো ধৃষ্টতা-বেয়াদবি করেন বা কোনো একটি আদেশের অবাধ্যতা করেন তবে তখনই তাদের নেতৃত্ব অর্থাৎ মসজিদের ইমামতির কাজ শেষ। পশ্চিমা খ্রিষ্টান প্রভুদের অন্ধ অনুকরণ ও আনুগত্য করতে করতে এ জাতি এমন জায়গায় এসে পৌঁছেছে যে, ঐ খ্রিষ্টানদের পাদ্রীদেরও তাদের জাতির উপর যেটুকু সম্মান ও প্রভাব আছে, এই ‘ইমাম’ সাহেবদের তাও নেই। কমিটির লোকেরা যত বড় অন্যায়ই করুক, সুদখোর হোক, মাদকব্যবসা করুক, ঘুষখোর হোক, ধান্ধাবাজির রাজনীতি করুক সেগুলোর শক্ত প্রতিবাদ ইমাম সাহেবরা করতে পারেন না।

এ তো গেল ব্যক্তিস্বার্থে ধর্ম বিক্রি। এভাবে বহুরকম স্বার্থে যখন ন্যায়ের কণ্ঠস্বর মৌন হয়ে যায়, তখন ‘ধর্ম’ পরাজিত হয়ে যায়। আর ধর্মের মিম্বরে দাঁড়িয়ে যখন অধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলা হয় না, তখন সমাজ থেকে ধর্ম বিদায় নিতে সময় লাগে না। আজ ঠিক সেটাই হয়েছে। ধর্ম এখন টিকে আছে কেবল বেশভূষায়, আনুষ্ঠানিকতায়, আড়ম্বরে। ধর্ম আর ন্যায়ের দ- হয়ে অন্যায়কে আঘাত করে না, বরং অন্যায়ের পক্ষে ব্যবহৃত হয়।

অথচ অন্যায়কারী মানুষের মর্জিমত না চলে আল্লাহর আয়াত দ্বারা যাবতীয় অন্যায়কে প্রতিহত করাকেই আল্লাহ জেহাদে আকবর, বড় জেহাদ বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, “তোমরা সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের (কাফের) আনুগত্য করো না এবং এর (আল্লাহর কেতাব) দ্বারা শ্রেষ্ঠ জেহাদ (জেহাদে আকবর) করো।” [সুরা ফোরকান ৫২] তিনি আরেকটি আয়াতে বলেছেন, “আমরা সত্য দ্বারা মিথ্যাকে আঘাত করি, অতঃপর তা মিথ্যার মস্তক চূর্ণ করে দেয়। মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।” [সূরা আম্বিয়া: ১৮] সত্য আসে মিথ্যাকে দূর করার জন্যই। এজন্যই আল্লাহ আরো বলেছেন, সত্য যখন আসে তখন মিথ্যাকে বিতাড়িত হতেই হয়। মিথ্যা তো বিতাড়িত হওয়ারই বিষয়। [সুরা বনী ইসরাইল ৮১] কাজেই ধর্মের মিম্বরে দাঁড়িয়ে সত্য দ্বারা মিথ্যাকে আঘাত করতে না পারলে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ অবস্থান নিতে না পারলে ঐ মিম্বরে দাঁড়ানোই নিরর্থক। এজন্যই আল্লাহর রসুল (সা.) বলেছেন, “সর্বোত্তম জেহাদ হচ্ছে অত্যাচারী শাসকের সামনে হক কথা বলা।” [হাদিস: তিরমীজি, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ, মুসনাদে আহমদ, দারেমি]।

যখন অন্যায়ের প্রতিবাদ অর্থাৎ আদর্শিক লড়াই করার হিম্মত, সাহস ও যোগ্যতা জাতির মধ্যে থেকে লুপ্ত হয়ে গেল, তখন ভারসাম্যহীন সুফিবাদীরা বিকল্প হিসাবে নফসের বিরুদ্ধে জেহাদকে আবিষ্কার করলেন। আজকে জেহাদে আকবর বলতেই বোঝানো হয় নফসের বিরুদ্ধে জেহাদ। এ জেহাদের আবিষ্কর্তারা তাদের বক্তব্যের সমর্থনে মাত্র তিনটি হাদিসের উল্লেখ করতে পেরেছেন। এগুলোর একটি বর্ণনা করেছেন ইবনে নাজ্জার, একটি দায়লামি ও তৃতীয়টি খতিব। সমস্ত মুহাদ্দিসগণ এক বাক্যে ঐ তিনটি হাদিসকে দুর্বল অর্থাৎ দয়ীফ বলে রায় দিয়েছেন। হাফেয ইবনে হাজার আসকালানীর মতো বিখ্যাত মুহাদ্দীস ঐ হাদিসগুলোক হাদিস বলেই স্বীকার করেন নি। বলেছেন নফসের সঙ্গে যুদ্ধ জেহাদে আকবর, এটা হাদিসই নয়। এটি একটি আরবি প্রবাদবাক্য মাত্র [তাশদীদ উল কাভেস- হাফেজ ইবনে হাজার]। গত কয়েক শতাব্দী ধরে আল্লাহর ঘোষণার বিপরীত এই ‘জেহাদে আকবর’ চালু করার ফল এই হয়েছে যে, সমগ্র জাতি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সংগ্রামের চরিত্র হারিয়ে নির্জীব, নিবীর্য্য, নিষ্প্রাণ হয়েছে। সেজন্য তাদের আবিষ্কৃত আত্মার বিরুদ্ধে জেহাদও দুনিয়া জোড়া তাদের মার খাওয়া ঠেকাতে পারল না, গোলাম হওয়া ঠেকাতে পারল না এমন কি চারিত্রিক অবক্ষয় থেকে সৃষ্ট সামাজিক অপরাধও দূর করতে পারল না।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর দ্রুত আদায়ের নির্দেশ স্থগিত!

গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর দ্রুত আদায়ের নির্দেশ স্থগিত!
ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণের কাছে পাঁচ করবর্ষের বকেয়া ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি কর দ্রুত আদায়ের বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশের একটি অংশ স্থগিত করেছেন সুপ্রিম…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের কারণ জানতে চাইল সরকার!

সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের কারণ জানতে চাইল সরকার!
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রদূতকে তলব করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কারণ ও এ-সংক্রান্ত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

নারী অধিকার রক্ষায় ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বড়াইগ্রামে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নারী অধিকার রক্ষায় ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বড়াইগ্রামে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ধর্মের নামে গোঁড়ামি, কুসংস্কার ও ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে নারীদের সচেতন করতে নাটোরের বড়াইগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো এক নারী সমাবেশ। অরাজনৈতিক আন্দোলন ‘হেযবুত তওহীদ’-এর আয়োজনে আজ দুপুরে নাটোরের…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

আমির হামজার তাফসির মাহফিলের অনুমতি দেয়নি প্রশাসন!

আমির হামজার তাফসির মাহফিলের অনুমতি দেয়নি প্রশাসন!
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার তাফসির মাহফিল আয়োজনের অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল থেকে গোদাগাড়ী মহিলা কলেজ মাঠে এ…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

ফেনীতে ৯ বোতল বিদেশি মদসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার

ফেনীতে ৯ বোতল বিদেশি মদসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার
ফেনী প্রতিনিধি:ফেনীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯ বোতল বিদেশি মদসহ চারজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। মাদক ব্যবসার সঙ্গে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

হেযবুত তওহীদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

হেযবুত তওহীদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
‘প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠাই নারীমুক্তির একমাত্র উপায়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে হেযবুত তওহীদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় নারী সম্মেলন-২০২৬। আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) সকাল…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পরিদর্শনে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদল

ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পরিদর্শনে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদল
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে অবস্থিত ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (EUST) পরিদর্শন করেছে যুক্তরাজ্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

সাগরে ভাসছে আইফোন-সুগন্ধি, সংগ্রহে হরমুজে জেলেদের ভিড়!

সাগরে ভাসছে আইফোন-সুগন্ধি, সংগ্রহে হরমুজে জেলেদের ভিড়!
ইরানের উপকূলে পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে যাওয়ার পর সাগরে ভেসে থাকা পণ্য সংগ্রহ করতে হরমুজ প্রণালিসংলগ্ন এলাকায় নেমেছেন শত শত জেলে। ডুবে যাওয়া সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী জাহাজ…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ল্যাপটপ নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে খেয়ে ফেললেন, বিএনপি নেতার পোস্ট!

ল্যাপটপ নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে খেয়ে ফেললেন, বিএনপি নেতার পোস্ট!
জয়পুরহাটে জুলাইযোদ্ধাদের মধ্যে বিনা মূল্যে ল্যাপটপ বিতরণ এবং সার ডিলারশিপ বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সাল আলিম। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

৮০ বছরের ইতালীয় নারীকে বিয়ে করলেন ২১ বছরের যুবক!

৮০ বছরের ইতালীয় নারীকে বিয়ে করলেন ২১ বছরের যুবক!
৫৯ বছরের বয়সের ব্যবধান। একজনের বয়স ৮০, অন্যজনের মাত্র ২১। এত বড় বয়সের ব্যবধান সত্ত্বেও ইতালীয় এক নারীকে বিয়ে করেছেন তুরস্কের এক যুবক। ব্যতিক্রমী এই…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বাবা ফিরবেন ভেবে মাকে সান্ত্বনা দেয় চার বছরের প্রান্থি!

বাবা ফিরবেন ভেবে মাকে সান্ত্বনা দেয় চার বছরের প্রান্থি!
‘মা, তুমি কেঁদো না। বাবা তো আকাশের তারা হয়ে গেছে, কদিন পরেই ফিরবে।’ চার বছরের প্রান্থি হয়তো এখনো বোঝেনি, তার বাবা আর কোনো দিন ফিরে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

ওমরাহ পালন করতে গিয়ে মক্কায় বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু!

ওমরাহ পালন করতে গিয়ে মক্কায় বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু!
পবিত্র ওমরাহ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবের মক্কায় জহুরা বেওয়া (৬৮) নামে এক বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পারশাওতা বিনোদপুর গ্রামের বাসিন্দা।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

হাসপাতালের ওয়াশরুম নিজ হাতে পরিষ্কার করলেন এমপি খোকন!

হাসপাতালের ওয়াশরুম নিজ হাতে পরিষ্কার করলেন এমপি খোকন!
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপরিচ্ছন্ন ওয়াশরুম দেখে নিজেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে নেমেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) আসন্ন শারদীয়…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

মেসির জোড়া গোলে মায়ামির দাপুটে জয়, গড়লেন অনন্য রেকর্ড!

মেসির জোড়া গোলে মায়ামির দাপুটে জয়, গড়লেন অনন্য রেকর্ড!
লিওনেল মেসির জোড়া গোলের নৈপুণ্যে আটলান্টা ইউনাইটেডকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। বিরতির পর মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে দলকে জয় এনে দেওয়ার…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে ক্ষুব্ধ ইসলামী আন্দোলনের নেতা!

ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে ক্ষুব্ধ ইসলামী আন্দোলনের নেতা!
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকের আস্তানায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের আকস্মিক অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা শেখ ফজলুল করীম মারুফ। পিস্তল সদৃশ আগ্নেয়াস্ত্র…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত