প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   নফসের (আত্মার) বিরুদ্ধে জেহাদ, বড়...

নফসের (আত্মার) বিরুদ্ধে জেহাদ, বড় জেহাদ নয়

৯ এপ্রিল ২০২৩ ০৮:৪৬ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বর্তমানের মুসলিম জাতির মধ্যে একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত আছে যে নফসের বিরুদ্ধে জেহাদ করাই সবচেয়ে বড় জেহাদ। কিন্তু এই কথাটির সত্যতা কতটুকু? আল্লাহ তাঁর রসুলকে মক্কার আইহ্যামে জাহেলিয়াত যুগে প্রেরণ করলেন এবং আল্লাহর রসুল সেই আইহ্যামে জাহেলিয়াতের যুগ অর্থাৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগে এসে সেই যুগকে তেইশ বছরে পরিবর্তন করে, সেই যুগের অশিক্ষিত, বর্বর, অসভ্য মানুষদের এমনভাবে গড়ে তুললেন যে তারা পরবর্তীতে সমগ্র বিশ্বের সামনে শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে মর্যাদা পেল। আল্লাহ তাঁর রসুলকে যে দায়িত্ব দিয়ে প্রেরণ করেছিলেন সে দায়িত্ব , রসুল চলে যাওয়ার আগে, তিনি তাঁর গড়া এই উম্মাহর উপর অর্পন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় আল্লাহর রসুলের ওফাতের পরপরই এই উম্মাহ সে দায়িত্ব নিয়ে বের হয়ে পড়ে এবং অর্ধ পৃথিবীতে আল্লাহর শান্তিপূর্ণ শেষ দীন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে। কিন্তু রসুল (স.) এর ওফাতের ৬০-৭০ বছর পর এ জাতি তাঁদের এই দায়িত্ব ভুলে যায়, ইসলামের প্রকৃত আকিদা ভুলে যায়। আকিদা ভুলে যাওয়ার ফলে দায়িত্ব সম্পন্নের একমাত্র মাধ্যম জেহাদ বা সর্বাত্মক সংগ্রামের চেহারাও পাল্টে যায়। আল্লাহর রাস্তায় সকল অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে করা সর্বাত্মক সংগ্রাম কে পাল্টে নফসের (আত্মা) সাথে সংগ্রাম করাকেই বড় জেহাদ বলে প্রতিষ্ঠা করা হয়।

আল্লাহর রসুল এসেছিলেন সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ তাই রসুলকে (স.) ডাকা হয় রহমাতাল্লিল আলাামিন। কারণ আল্লাহ তাঁর মাধ্যমে যে দীন প্রেরণ করেছেন তা প্রতিষ্ঠিত হলে, ক্ষুদ্র পরিবার জীবন থেকে শুরু করে বৃহৎ রাষ্ট্রীয় জীবন পর্যন্ত সকল জায়গায় শান্তি অবধারিত। কিন্তু সেই দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম যখন এ জাতি ভুলে যায় তখন সর্বাত্মক সংগ্রাম হিসেবে আত্মার কু-প্রবৃত্তির সাথে সংগ্রামকে বেছে নেয়া হয়। মূলত এই কাজের উদ্দেশ্য ছিল প্রচণ্ড গতিশীল, বহির্মুখী মুসলিম জাতিকে স্থবির ও অন্তর্মুখী করে ফেলা। এ কারণেই যে সর্বাত্মক সংগ্রামকে আল্লাহর রসুল তাঁর সুন্নাহ বলে আখ্যা দিয়ে গেছেন তাকে পরিবর্তন করে রসুলের ব্যক্তিগত অভ্যাস, পছন্দ-অপছন্দগুলোকে জীবনের মূল সুন্নাহ বলে চালিয়ে দেয়া হল। প্রকৃত সংগ্রাম বিকৃত হয়ে যাওয়ার ফলে উম্মাহ অস্ত্র ফেলে দিয়ে তসবিহ উঠিয়ে খানকায় প্রবেশ করল এবং তারই ফলস্বরূপ জাতির আজ এই অবস্থা।

প্রথমে দেখা যাক নফসের বিরুদ্ধে জেহাদ যে বড় জেহাদ নয় এ ব্যাপারে মুহাদ্দিসরা কী বলছেন। হাদীস শরীফে নফসের বিরুদ্ধে জেহাদ বড় জেহাদ এ সম্পর্কে তিনটি হাদিসের উল্লেখ পাওয়া যায়। একটি বর্ণনা করেছেন ইবনে নাজ্জার, একটি দায়লামি ও তৃতীয়টি খতিব। কিন্তু সমস্ত মুহাদ্দিসগণ এক বাক্যে এই তিনটি হাদিসকে দয়ীফ অর্থাৎ দুর্বল বলে রায় দিয়েছেন। হাফেজ ইবনে হাজারের মতো বিখ্যাত মুহাদ্দিসগণ হাদিসগুলোকে হাদিস বলেই স্বীকার করেননি। তাঁদের মতে নফসের সাথে যুদ্ধ জেহাদে আকবর এটা হাদিস নয়, একটি আরবী প্রবাদ বাক্য মাত্র।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

দ্বিতীয়ত একটি হাদিস সত্য কী মিথ্যা তা যাচাই করার অন্যতম প্রধান সূত্র হচ্ছে কোর’আন। আল্লাহর রসুল নিজে এই মাপকাঠি নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আল্লাহর বাণী আমার বানীকে বাতিল বা রদ করবে, কিন্তু আমার বাণী আল্লাহর বাণীকে বাতিল করবে না।” তাহলে দেখা যাক কোর’আনে আল্লাহ কী বললেন। সুরা ফোরকানের ৫২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, “কাফেরদের কথা শুননা, মেননা, এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর, চূড়ান্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাও।” এই আয়াতে আল্লাহ যে শব্দটি ব্যবহার করেছেন সেটি হচ্ছে ‘জেহাদান কবিরা’। কবির ও আকবর দুটো শব্দই একই মূল থেকে এসেছে এবং একই অর্থ বহন করে। অর্থাৎ আল্লাহ কোর’আনে বললেন যে জেহাদে আকবর বা বড় জেহাদ হচ্ছে সত্য অস্বীকারকারী, অন্যায়কারী কাফেরদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সংগ্রাম করা, তাদের প্রতিহত করা আর বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে যে জেহাদে আকবর বা বড় জেহাদ হচ্ছে নফসের সাথে, নিজের আত্মার সাথে সংগ্রাম করা। আল্লাহর রসুলও এ ব্যাপারে একই অভিমত দিয়েছেন। “রসুল (স.) কে একবার প্রশ্ন করা হল- কোন জেহাদ সর্বোত্তম, সর্বশ্রেষ্ঠ? রসুল জবাব দিলেন, জীবন ও সম্পদ দির্য়ে আল্লাহর রাস্তায় মোশরেকদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা (হাদিস আব্দুল্লাহ বিন হাবশী (রা.) থেকে আবু দাউদ, নেসায়ি, মেশকাত)।” দেখা যাচ্ছে রসুল আল্লাহর কথারই প্রতিধ্বনী করেছেন। অতএব বিষয়টি পুরোপুরি স্পষ্ট হয় যে নফসের বিরুদ্ধে জেহাদ, জেহাদে আকবর বা বড় জেহাদ হতে পারে না।

অতএব বর্তমান মুসলিম জাতিকে নফসের বিরুদ্ধে জেহাদ করা জেহাদের আকবর, এই প্রবঞ্চনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। জাতিকে আল্লাহর রসুলের প্রকৃত সুন্নাহ বুঝতে হবে এবং ইসলামের সঠিক আকিদা বুঝার মাধ্যমে প্রকৃত জেহাদে আকবর অর্থাৎ সকল অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নামতে হবে। তাহলেই এই মুসলিম জাতির বর্তমান দুর্দশা ঘোচানো সম্ভব।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে একই উপজেলার দুই প্রান্তের দুটি বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এর আগে সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুনকে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!
গাজীপুর প্রতিনিধি:  গাজীপুরের শ্রীপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত
জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনাকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার সঙ্গে তুলনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন,…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলে ছয় দিনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া সাত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার খবর সামনে এসেছে। দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার পর দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়েছে তার। তবে গ্রিন…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করা এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ৩৮ জেলার ১১১ জন সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জাপানি বিনিয়োগকারীরা। এ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হলে দ্রুত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ চার সহ-সভাপতি। ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় বাংলাদেশের ফুটবলের…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু!

মাঝ আকাশে দরজা খুলে ঢাকায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু!
ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে মাঝ আকাশে দরজা খুলে যাওয়ায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। পরে উড়োজাহাজে থাকা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর!

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দেশ, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর!
সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী মোটরসাইকেল শনাক্ত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে মোটরসাইকেলের পেছনের পাশাপাশি সামনের অংশেও রেজিস্ট্রেশন নম্বরসংবলিত প্লেট লাগাতে হবে। বাংলাদেশ সড়ক…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি!

অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি!
ভাষাশহীদদের স্মরণে আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ শুরু হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। মাসব্যাপী এ বইমেলা চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। রোববার (১৮ অক্টোবর) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

‘কখনো কল্পনাও করিনি এত টাকা উপার্জন করব’: সোনালি কুলকার্নি

‘কখনো কল্পনাও করিনি এত টাকা উপার্জন করব’: সোনালি কুলকার্নি
বলিউড অভিনেত্রী সোনালি কুলকার্নি জানিয়েছেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে অভিনয়ের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করবেন, তা কখনো কল্পনাও করেননি তিনি। শৈশবে সংসারের খরচ মেটাতে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর দ্রুত আদায়ের নির্দেশ স্থগিত!

গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর দ্রুত আদায়ের নির্দেশ স্থগিত!
ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণের কাছে পাঁচ করবর্ষের বকেয়া ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি কর দ্রুত আদায়ের বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশের একটি অংশ স্থগিত করেছেন সুপ্রিম…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের কারণ জানতে চাইল সরকার!

সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের কারণ জানতে চাইল সরকার!
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রদূতকে তলব করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কারণ ও এ-সংক্রান্ত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

নারী অধিকার রক্ষায় ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বড়াইগ্রামে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নারী অধিকার রক্ষায় ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বড়াইগ্রামে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ধর্মের নামে গোঁড়ামি, কুসংস্কার ও ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে নারীদের সচেতন করতে নাটোরের বড়াইগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো এক নারী সমাবেশ। অরাজনৈতিক আন্দোলন ‘হেযবুত তওহীদ’-এর আয়োজনে আজ দুপুরে নাটোরের…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী