দেশের সব মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নির্ধারিত মাপের ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট লাগানো ও প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে মোটরসাইকেল মালিকদের অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
সম্প্রতি বিআরটিএ সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী প্রতিটি মোটরসাইকেলের পেছনে সরকারি ডিজিটাল নম্বরপ্লেটের পাশাপাশি সামনের অংশেও নিবন্ধন নম্বর দৃশ্যমান রাখতে হবে। এ বিধান কার্যকর করতেই মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় প্রতিযোগিতার সেরা তরুণদের জাতিসংঘে পাঠাবে সরকার: মাহ্দী আমিন

বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুটার শ্রেণির মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্লেটের দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার হতে হবে। উভয় ধরনের প্লেটে বাংলা অক্ষর ও সংখ্যার ফন্টের উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখাও বাধ্যতামূলক।
নম্বরপ্লেট তৈরির উপকরণ ও নকশার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে বিআরটিএ। প্লেটটি স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি হতে হবে। এতে কোনো অতিরিক্ত নকশা বা শোভাবর্ধক উপাদান ব্যবহার করা যাবে না। সাদা অথবা প্রাকৃতিক ধাতব রঙের পটভূমিতে কালো রঙে স্পষ্টভাবে বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা লিখতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে নম্বরপ্লেটের উদাহরণ হিসেবে ‘ঢাকা মেট্রো-ল-১১-১২২৯’ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, মোটরসাইকেলের সামনে মূল নিবন্ধন নম্বরের যথাযথ অনুলিপি প্রদর্শন করতে হবে।
সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও যানবাহনের পরিচয় শনাক্তকরণ সহজ করার লক্ষ্যে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছে বিআরটিএ। সংস্থাটির নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সব মোটরসাইকেল মালিককে নিজ দায়িত্বে নির্ধারিত নিয়মে সামনের নম্বরপ্লেট লাগাতে হবে। অন্যথায় সড়ক পরিবহন আইনের আওতায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

















