পাবনার সদর উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত ছয়জনকে একই কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে একসঙ্গে জানাজা শেষে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। একসঙ্গে ছয়জনের এমন মৃত্যু ও একই কবরস্থানে সারিবদ্ধভাবে দাফনের ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শনিবার সকাল ১০টায় সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের মহাদেবপুর গোরস্থান মাঠে নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে একই কবরস্থানে পাশাপাশি ছয়জনকে দাফন করা হয়।
এর আগে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে মালঞ্চি ইউনিয়নের সোনাপাতি বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারান তারা। নিহতরা হলেন, গজমতিকুন্ডা এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে শাওন (২৪), নলমুড়া এলাকার ইসমাইল মোল্লার ছেলে রব্বেল মোল্লা (২০), শাজাহান প্রামাণিকের ছেলে মিজানুর রহমান (১০), নাজিম উদ্দিনের ছেলে সাজিদ (১৪), শাহাদুলের ছেলে আব্দুল্লাহ (১৮) এবং ইবাদুলের ছেলে ইমন (১৪)।
পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর মাগুরায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু!

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন সোনাপাতি বিলে মাছ ধরতে যান। বিকেলে বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মধ্যে নয়জন বিলের একটি টং ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন আরও তিনজন।
বজ্রপাতের পর হতাহতরা বেশ কিছুক্ষণ টং ঘরের ভেতরেই পড়ে ছিলেন। পরে সন্ধ্যার দিকে আশপাশের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেন। পাশাপাশি আহত তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে নিহত ও আহতদের পরিবারের জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তার কথাও জানিয়েছেন পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা। তিনি জানান, নিহতদের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সরকার ঘোষিত বজ্রপাতে নিহত ও আহতদের আর্থিক সহায়তা নীতিমালার আওতায় নিহতদের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা এবং আহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

















