প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ১৪ শত বছরের ব্যবধান

১৪ শত বছরের ব্যবধান

১৯ মে ২০১৫ ০৫:১৫ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ হারেসুর রহমান

মোসলেম নামধারী কিছু অজ্ঞ লোকের হঠকারী কাজের ফলে ইসলামের শত্রুরা আজ পবিত্র জেহাদকে সন্ত্রাসী কর্ম বলে প্রতিস্থাপিত করতে সক্ষম হয়েছে। জেহাদের কথায় মানুষ আজ ভয়ে আৎকে উঠে, জেহাদ মানে সন্ত্রাস মনে করা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে জেহাদ ও সন্ত্রাস এক জিনিস নয়, বরং সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিপরীতমুখী বিষয়। সন্ত্রাসের শাস্তি ইসলামে অত্যন্ত কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক। উল্টোদিক থেকে বলা যায়, সন্ত্রাস বন্ধ করাই জেহাদের অন্যতম উদ্দেশ্য। আসলে জেহাদ ছাড়া ঈমান নেই। ঈমান ছাড়া ঈমানের পরীক্ষাও নেই। পরীক্ষা ছাড়া ফল নেই। ঈমান এনেছি এ কথা বললেই আল্লাহ তায়ালা ছেড়ে দেন না। তিনি দেখতে চান ঈমানের দাবী পূরণ করতে চেষ্টা-জেহাদ করা হয়েছে (২৯ঃ২, ৪৭ঃ৩১)। ঈমান প্রসঙ্গে পবিত্র কোর’আনে যত আয়াত এসেছে তার পরের স্থানই দখল করে আছে জেহাদ, সালাত (নামাজ), সওম (রোজা) ইত্যাদি নয়। জেহাদ কোনক্রমেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নয়। সত্যদীনের প্রচার ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্ব রকম চেষ্টা-প্রচেষ্টার সম্মিলিত রূপই হলো জেহাদ। মুখের সামান্য কথা থেকে শুরু করে যুদ্ধের ময়দান পর্যন্ত জেহাদের পরিধি বিস্তৃত । আর সত্যদীন অর্থাৎ সত্য জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হলে সমগ্র মানবজাতিরই কল্যাণ হবে। মানবজীবনের প্রতিটি অঙ্গন থেকে অন্যায়, অবিচার নির্মূল হয়ে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে। তাই এই জেহাদ ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানবের কল্যাণের জন্যই। এ জেহাদের গুরুত্বকে প্রাথমিক যুগের মো’মেন এবং মোসলেমগণ কতটা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন এবং সে সাথে তারা মানুষ হিসেবে কতটা পরিশীলিত হয়েছিলেন তার একটা নমুনা ইতিহাস থেকে পেশ করছি:
ওমর (রা:) এর খেলাফতকালে সাফ্ফী নামের এক যোদ্ধার কোন একটি অপরাধের শাস্তি হিসাবে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। সে সময় উম্মতে মোহাম্মদীর সেনারা পারস্য অভিযানে বের হচ্ছেন। চারিদিকে সাজ সাজ রব। সবাই যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সাফ্ফী কারাকক্ষে বসে সবকিছু শুনছেন। যুদ্ধে যাবার জন্য তারও মন উতলা হয়ে উঠেছে। কিন্তু যাবেন কিভাবে,তিনি তো অপরাধী হিসেবে কারাগারে বন্দী। যতই দিন যাচ্ছে ততই তার মন ছটফট করছে। তিনি একসময় কারাগার থেকে পালালেন এবং পালিয়ে গিয়ে যুদ্ধের মাঠে উপস্থিত হলেন। মোসলেম বাহিনীর সাথে একত্র হয়ে বীরদর্পে যুদ্ধ করতে থাকলেন। স্বভাবতই খলিফা জানতে পারলেন যে সাফ্ফী পালিয়েছেন। তিনি যুদ্ধের সেনাপতি সা’দ বিন আবি ওয়াক্কাসকে (রা:) আদেশ দিলেন যে, “তাকে বন্দী করে রাখা হোক।” তিনি একদিকে কারাগার থেকে পালিয়ে এক অপরাধ করেছেন, অপর দিকে বিনা অনুমতিতে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে আরো এক অপরাধ করেছেন। অবাধ্য, বিশৃঙ্খল মোজাহেদকে উম্মতে মোহাম্মদীর বাহিনীতে যুদ্ধ করতে দেয়া যায় না। সেনাপতি সাফ্ফীকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বন্দী করে রাখলেন। বন্দীর দেখাশোনার দায়িত্ব পড়লো সেনাপতির স্ত্রী সালমার (রা:) উপরে।
যুদ্ধের গতি বাড়তে থাকে, পরিস্থিতি ভয়াবহ জটিল আকার ধারন করে। বন্দী অবস্থায় যুদ্ধের সংবাদ নেন তিনি। মোজাহেদের রক্ত টগবগ করতে থাকে, চিত্ত আরো চঞ্চল হয়ে উঠে, কিভাবে বন্দী দশা থেকে মুক্ত হয়ে যুদ্ধে যাওয়া যায়। কোন ফন্দিই কাজে আসছে না। উপায় না দেখে একদিন তিনি সেনাপতির স্ত্রী সালমা (রা:)-কে অনুরোধ করলেন- ‘আমাকে কিছু সময়ের জন্য মুক্ত করে দিন, আমি যুদ্ধে যাব। যদি বেঁচে থাকি তবে আবার এসে সেচ্ছায় বন্দীত্বের শিকল পরে নেব।’ কিন্তু সালমা (রা:) কিছুতেই রাজী হলেন না। তাই বলে সাফ্ফীও হাল ছাড়ার পাত্র নন। তিনি বার বার বিভিন্নভাবে অনুনয়-বিনয় করতে লাগলেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হলো না। অবশেষে একদিন সাফ্ফী সুর করে তার জেহাদে যেতে না পারার কষ্ট বর্ণনা করে আবৃত্তি করতে লাগলেন। কবিতার মর্মস্পর্শী ভাষা ও সুরে এবার সালমা (রা:) একদম অভিভূত হয়ে পড়েন। তিনি চিন্তা করলেন, এই জেহাদ-অন্তঃপ্রাণ মানুষটিকে জেহাদের এই তুমুলক্ষণে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিৎ। হয়তো বা সে মো’মেনদের পক্ষে যুদ্ধে বড় কোন অবদান রাখতে পারবে। আর যদি সে জীবিত থাকে, তবে তো ফিরেই আসবে, আর আল্লাহ তাকে শহীদ করলে সে মুক্তি পেয়ে যাবে। এসব ভেবে তিনি সাফ্ফীর শিকল খুলে দিলেন। মুক্তি পাবার সঙ্গে সঙ্গে সাফ্ফী যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে হাজির। আবার মরণপণ যুদ্ধ করতে লাগলেন। যে মোসলেম সেনারা তাকে চিনতেন তারা অবাক হয়ে গেলেন, আরে এতো সাফ্ফী। তাকে তো বন্দী করে রাখা হয়েছিল। মুহুর্তে খবর চলে গেল সেনাপতির কানে। তিনি এসে দেখলেন সাফ্ফী পদাতিকবাহিনীর সামনের কাতারে দাঁড়িয়ে প্রচণ্ড যুদ্ধ করে যাচ্ছেন।
সূর্য অস্ত যাওয়া অবধি যুদ্ধ চলল। যুদ্ধ শেষ হতেই সাফ্ফী ফিরে এসে সালমাকে (রা:) বললেন, “আমি হাজির। আমাকে শিকল পরিয়ে দিন।” সালমা শিকল পরিয়ে দিলেন। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সেনাপতি ফিরে এসে সাফ্ফীর খোঁজ খবর নেন। তিনি অবাক হলেন, এই তো সাফ্ফী শিকল পড়ে বসে আছে। সাফ্ফীর কাণ্ড দেখে সা’দ (রা:) নিজেও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেন। তিনি নিজ হাতে তার শেকল খুলে দিয়ে বললেন, ‘আল্লাহর রাস্তায় জেহাদ করার জন্য যার হৃদয় এমন পাগলপারা, সেই মোজাহেদকে আমি বন্দী করে রাখতে পারি না।’
পাঠক! মাত্র ১৪ শত বছরের ব্যবধান। পৃথিবীর আয়ুষ্কালের নিরিখে সময়টুকু একটি পলক মাত্র। এতটুকু সময়ের ব্যবধানে অবস্থা এই দাঁড়িয়েছে যে, আজ মোসলেম দাবিদারদের অন্তকরণ কেঁপে উঠে জেহাদের নাম শুনলে, জেহাদের ভয়ে। একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, একজন উম্মতে মোহাম্মদী হয়তো ষড়রিপুর তাড়নায় কোন অপরাধ করে ফেলতে পারে কিন্তু ওয়াদা, প্রতিশ্র“তি রক্ষায় তারা কেমন দৃঢ় ছিলেন! সাফফী’র এই ঘটনা থেকে অনুমান করা যায় যে, উম্মতে মোহাম্মদীর প্রত্যেকের চরিত্র এমন ছিল যে, পাহাড় নড়তে পারে কিন্তু ওয়াদা নড়বে না। আজকে সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, অতি ধার্মিকদের মধ্যেই এই চরিত্র খুঁজে পাওয়া যায় না। এমন কি তথাকথিত মোসলেম দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাও এখন কথায় কথায় ওয়াদা বরখেলাফ করেন। কী আমূল পরিবর্তন! হ্যাঁ। লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও চরিত্রের এই আমূল পরিবর্তনের কারণে অবস্থারও আমূল পরিবর্তন ঘটেছে সেই ১৪০০ বছর আগের উম্মতে মোহাম্মদীর সঙ্গে আজকের নামসর্বস্ব মোসলেম জনগোষ্ঠীর; তারা ছিলেন অর্ধ পৃথিবীর শাসক আর আমরা সমগ্র পৃথিবীর গোলাম, তারা ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি, আমরা সর্বনিকৃষ্ট, জঘন্য, সবার ঘৃণার পাত্র।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না: বিএমএ

সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না: বিএমএ
সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার নিজস্ব স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) নেতারা। আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জাতীয়…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে বিএনপির মতবিনিময়

কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে বিএনপির মতবিনিময়
কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি:শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের সাথে কাউনিয়া উপজেলা বিএনপির এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে এই…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

অধ্যক্ষকে পালাতে সহযোগিতার খবর অপপ্রচার দাবি করে গাইবান্ধায় বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

অধ্যক্ষকে পালাতে সহযোগিতার খবর অপপ্রচার দাবি করে গাইবান্ধায় বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুর হাজি ওসমান গণি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা ও দলের…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ব্যাংকের টাকা চুরির অপরাধে গণ পরিষদের নেতা গ্রেফতার

ব্যাংকের টাকা চুরির অপরাধে গণ পরিষদের নেতা গ্রেফতার
ব্যাংকের টাকা চুরি মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ কে এম ফরিদ আমিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) কুমিল্লার…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পটুয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত, সংকট মোকাবিলায় ঐক্যের আহ্বান

পটুয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত, সংকট মোকাবিলায় ঐক্যের আহ্বান
পটুয়াখালী প্রতিনিধি:পটুয়াখালী জেলা হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের সংকট মোকাবিলায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় পটুয়াখালী সদর…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্যসচিব কে এম চঞ্চলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, স্বপদে বহাল

নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্যসচিব কে এম চঞ্চলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, স্বপদে বহাল
ঢাকা প্রতিনিধি:ঢাকা মহানগর দক্ষিণ নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্যসচিব কে এম চঞ্চলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। একই সাথে তাকে স্বপদে বহাল…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কারিগরি প্রশিক্ষণ শেষে সিসিলিতে চাকরির সুযোগ পেলেন আনসার-ভিডিপির প্রশিক্ষণার্থী

কারিগরি প্রশিক্ষণ শেষে সিসিলিতে চাকরির সুযোগ পেলেন আনসার-ভিডিপির প্রশিক্ষণার্থী
দিনাজপুর প্রতিনিধি:বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দিনাজপুর আঞ্চলিক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সিসিলিতে উচ্চ বেতনে…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

নাইক্ষ্যংছড়িতে আনসার সদস্যের তথ্যে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মোটরসাইকেল উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে আনসার সদস্যের তথ্যে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মোটরসাইকেল উদ্ধার
বান্দরবান প্রতিনিধি:বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন আনসারের সহকারী প্লাটুন কমান্ডার আবুল বশরের দেওয়া গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২ হাজার পিস বার্মিজ…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না, বিএমএর আলোচনা সভা

সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না, বিএমএর আলোচনা সভা
সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার নিজস্ব স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) নেতারা। আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জাতীয়…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

‘লড়াই চলবে, মোদি সরকারের পতন শিগগিরই’: ককরোচ জনতা পার্টি

‘লড়াই চলবে, মোদি সরকারের পতন শিগগিরই’: ককরোচ জনতা পার্টি
ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির নেতারা বলেছেন, তাদের লড়াই থামবে না; বরং…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বাঙলা কলেজে একাডেমিক কাজে পরিবহন না পেয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

বাঙলা কলেজে একাডেমিক কাজে পরিবহন না পেয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা
রিপোর্ট: আশিকুর রহমান রকিব, ক্যাম্পাস প্রতিনিধিঃ সরকারি বাঙলা কলেজে তিনটি বাস থাকা সত্ত্বেও সিলেবাসভুক্ত বাধ্যতামূলক মাঠকর্ম পরিচালনায় পরিবহন-সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন ভূগোল ও পরিবেশ…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা
একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী; যারা সাধারণ মানুষের রক্ষাকবচ, তারা নিজেরাই যখন সমাজে নিরাপদ নয় তখন সেই রাষ্ট্রের সার্বিক নিরাপত্তা অবস্থা কেমন তা সহজেই অনুমান করা…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

রসুল (সা.) ছিলেন সত্যের মূর্তপ্রতীক, নায়েবে নবী দাবিদারদের চরিত্রের এ কি দশা! -ওবায়দুল হক বাদল

রসুল (সা.) ছিলেন সত্যের মূর্তপ্রতীক, নায়েবে নবী দাবিদারদের চরিত্রের এ কি দশা! -ওবায়দুল হক বাদল
আমাদের শেষ নবী, আখেরি নবী রহমাতাল্লিল আলামিন হুজুরে পাক আহমদে মোস্তফা (সা.) ছিলেন সত্যের মূর্তপ্রতীক। তাঁর জীবদ্দশায় একটি মিথ্যা শব্দ উচ্চারণের নজির নেই। নিজের ব্যক্তিস্বার্থ…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

সামাজিক অপরাধ দূরীকরণে ধর্ম -শারমিন সুলতানা চৈতী

সামাজিক অপরাধ দূরীকরণে ধর্ম  -শারমিন সুলতানা চৈতী
  প্রকৃত ধর্মের শিক্ষা এমন এক শক্তি যা পুরো সমাজকে পরিবর্তন করতে পারে। আল্লাহর পক্ষ থেকে যে দীন এসেছে তার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে মানুষের কল্যাণ…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা হবে রিয়াদে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ, ৪ জন আইসিইউতে

রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা হবে রিয়াদে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ, ৪ জন আইসিইউতে
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এ ঘটনায় আহত আরও চার বাংলাদেশি…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়