প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   “মাথাব্যথা? নো টেনশান। মাথাটা কেটে...

“মাথাব্যথা? নো টেনশান। মাথাটা কেটে ফেলুন”

১৫ জানুয়ারি ২০১৯ ০৮:৫১ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান

আমরা সবাই জানি রসুলাল্লাহ নারীদেরকে সমাজের সকল কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন। তিনি নারীদেরকে নিয়ে যুদ্ধে গেছেন, মসজিদে পাঞ্জেগানা নামাজে পুরুষদের সঙ্গে নারীদের অংশগ্রহণকেও নিশ্চিত করেছেন। মদিনায় যুদ্ধাহত সাহবিদের চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল যে হাসপাতালের প্রধান ছিলেন একজন নারী যার নাম রুফায়দাহ (রা.)। উম্মে শেফা (রা.) ছিলেন মদিনার বাজার ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে। জাহেলিয়াতের যুগে মোশরেকরা কাবায় হজ্ব করার সময় নারী ও পুরুষ আলাদাভাবে ক্বাবা তাওয়াফ করত। কিন্তু রসুলাল্লাহ যে হজ্বের নিয়ম প্রবর্তন করলেন সেখানে নারী-পুরুষ একত্রেই হজ্বের সকল আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণ করে। ঈদ, জুমা, হজ্ব এগুলো হলো মুসলিম জাতির সামষ্টিক কর্মকা- যেখানে খলিফার পক্ষ থেকে জাতির উদ্দেশে দিক নির্দেশনা প্রদান করা হতো। এগুলো হলো রাষ্ট্রীয় এবাদত, যেখানে আল্লাহর হুকুম প্রতিষ্ঠিত আছে কেবল সেখানেই ঈদ, জুমা, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি পালন করার নির্দেশ। যেখানে আল্লাহর হুকুম প্রতিষ্ঠিত নেই সেখানে এগুলো পালন করার অর্থ ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়তে চাওয়া। আজ সারা বিশ্বে মুসলিম জনগোষ্ঠী সেটাই করছে। আল্লাহ ঋতুবতী নারীদেরকে সালাহ কায়েম করা থেকে ছাড় দিয়েছেন, কিন্তু জুমা বা ঈদের জামাতে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেননি। রসুল বলেছেন, “ঋতুকালীন অবস্থাতেও মেয়েরা নামাজের স্থানে যাবে। তারা সালাহ কায়েম করবে না কিন্তু বক্তব্য শুনবে। সালাহ শেষে মোনাজাতেও অংশ নেবে”। অর্থাৎ তিনি জাতির এই অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে কোনো অবস্থাতেই, কোনো অজুহাতেই সামষ্টিক সামাজিক কর্মকা- থেকে পশ্চাৎপদ হতে দেননি। যুদ্ধের মতো সংকটময় ঘটনাবলিতেও তিনি নারীদেরকে কাজে লাগিয়েছেন পুরোপুরি। মেয়েরা কেবল যে রসদ সরবরাহ করেছে তা-ই নয়, তারা ঢাল-তলোয়ার, বর্শা হাতে লড়াই পর্যন্ত করেছেন, বিরুদ্ধপক্ষের সৈন্যদের কুপোকাত করেছেন।
নারীরা জ্ঞানচর্চাতেও পিছিয়ে ছিলেন না। আম্মা আয়েশা (রা.) তাঁর অধিকাংশ সময় কোর’আন অধ্যয়নে ব্যয় করতেন। তিনি ছিলেন রসুলাল্লাহর তিনজন কোর’আন মুখস্থকারী স্ত্রীদের একজন। সর্বোচ্চ হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবিদের তালিকা তাঁর অবস্থান দ্বিতীয়। তিনি মোট ২২১০টি হাদিস বর্ণনা করেন। হাফসা বিনতে ওমর ও উম্মে সালামাও (রা.) ছিলেন বিপুল জ্ঞানের অধিকারী যাদের কাছ থেকে পরবর্তী প্রজন্ম ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে। পরবর্তী প্রজন্মের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ও জ্ঞানী নারী হচ্ছেন উম্মে দারদা আল সুগরাহ। তিনি ৭০০ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি রসুলাল্লাহর বাণীসমূহ সম্পর্কে অগাধ জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন এবং সে সময়ের অনেক প্রসিদ্ধ জ্ঞানী ব্যক্তি তাঁর কাছ থেকে শিক্ষাগ্রহণ করতেন। এদেরই একজন হলেন হাসান বসরি যিনি ছিলেন একজন বিচারক। প্রথিতযশা ফকিহ মোহাম্মদ ইবনে শিরিন ও মদিনার বিচারক আবু বকর ইবনে হাজামও ছিলেন উম্মে দারদার ছাত্র। তিনি দামেস্কের মসজিদে নিজ ছাত্রদেরকে ইসলামের শাসনতন্ত্র সম্পর্কে জ্ঞান দান করতেন। এমনকি উমায়াই খলিফা আব্দুল মালিক বিন মারওয়ানও তাঁর কাছে শরিয়তের বিধি-বিধান শিক্ষা করতে যেতেন।
ইসলামের প্রাথমিক যুগের আরেক বিদুষী নারী ছিলেন নাফিসা বিনতে আল হাসান (৭৬২-৮২৪)। তিনি রসুলাল্লাহর দৌহিত্র হাসানের (রা.) কন্যা ছিলেন। তিনি মদিনায় ইমাম মালিক ইবনে আনাসের কাছ থেকে শিক্ষাগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে যখন মুসলিম বিশ্বে তাঁর প্রসিদ্ধি ছড়িয়ে পড়ল তখন ইসলামের দুই প্রধানতম ফকিহ ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ইদ্রিস আল শাফী এবং ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল উভয়ই তাঁর কাছে আসেন এবং ফেকাহসংক্রান্ত জ্ঞান লাভ করেন। তাঁদের লেখা ফেকাহশাস্ত্রের অনুসারীরাই বর্তমানে যথাক্রমে শাফেয়ী ও হাম্বলী মাজহাবের অনুসারী।
এ হচ্ছে ইসলামিক রাষ্ট্র পরিচালনার জ্ঞান। বিচারক, খলিফা, আইনবিশারদগণ শিক্ষাগ্রহণ করছেন নারীদের কাছ থেকে এমন দৃষ্টান্ত প্রকৃত ইসলামের যামানায় থাকলেও আজ সেটা হওয়ার কোনো উপায় নেই। উপায় রাখেননি পরবর্তী যুগের আলেম সাহেবরা। নারীরা যে কেবল দীনের জ্ঞানই লাভ করেছিল তা কিন্তু নয়। সকল বিষয়ে তারা নিজেদের প্রতিভা ও মেধার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। স্পেন অঞ্চলে যখন ইসলাম পৌঁছাল তখন পুুুুরুষদের পাশাপাশি মেয়েরাও সর্ববিষয়ক জ্ঞানচর্চায় এগিয়ে এসেছিলেন। যেমন লাবানা অব কর্ডোবা, ফাতিমা আল ফিহরি, সুলতানা রাজিয়া, যয়নাব বিনতে ওমর আল কিন্দি, আয়েশা বিনতে তালহা প্রভৃতি। এঁদের প্রত্যেকের কীর্তিকে আলাদা করে তুলে ধরতে গেলে একটা বই হয়ে যাবে। তথাপি ফাতিমা আল ফিহরি সম্পর্কে কিছু না বললেই নয়। পৃথিবীর সর্বপ্রথম সনদ বিতরণকারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ফাতিমা আল-ফিহরির নামটি ইতিহাসের পাতায় অবস্থান করছে। গিনেজ বুকের রেকর্ড অনুসারে মরক্কোর ফেজ নগরীর কারাওইন বিশ্ববিদ্যালয়ই (৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দ) হচ্ছে পৃথিবীর সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয়।
এমনিভাবে ‘রাদিয়া’ নামে এক সুপ-িত মহিলা ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। যেহেতু তখন বই ছাপার প্রেস ছিল না তাই কোনো বইয়ের দ্বিতীয় কপি প্রয়োজন পড়লে সেটা হাতে লিখে নেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। এই কাজটি করার ক্ষেত্রে জ্ঞানী পুরুষদের বাড়ির মেয়েরা স্ত্রী-কন্যা বোনেরা সহযোগিতা করতেন।
কিন্তু সেই মুসলিম জাতির আলেমসমাজ আজ থেকে কয়েকশ বছর আগেই নারীর এই অগ্রযাত্রায় বাধ সেধেছেন ফতোয়া আর মাসলার দোহাই দিয়ে। তাদের দাবি হচ্ছে এখন ফেতনার যুগ। এই ফেতনার যুগে নারীদের ঘরের বাইরে বের হওয়া নিরাপদ নয়, মসজিদে তাই আর তাদের না গেলেও চলবে। বহু মসজিদে তারা এমন সাইনবোর্ড পর্যন্ত টাঙিয়ে দিয়েছেন যে মসজিদে নারীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ, এমনকি মসজিদ সংলগ্ন পথ দিয়েও তাদের চলাচল নিষিদ্ধ। তাতে মসজিদের পবিত্রতা নাকি নষ্ট হয়ে যাবে, পুরুষদের ধ্যানমগ্নতায় বিঘœ হবে, তাদের ওজুও ভেঙে যেতে পারে সুন্দরী নারীরা মসজিদে নামাজ পড়তে আসলে ইত্যাদি।
এই ফেতনার যুগের অজুহাতে তারা শত শত বছর ধরে নারীদেরকে পিছিয়ে রাখতে রাখতে এখন তাদেরকে একেবারেই অক্ষম ও পরনির্ভরশীল জনগোষ্ঠীতে পরিণত করেছেন। যারা তাদের এই ফতোয়ার চোখ রাঙানিকে ভয় না করে শিক্ষিত হয়েছে তারা সেই ধর্মব্যবসায়ী প্রাচীনত্বের পূজারীদের চক্ষুশূল হয়েছেন। তারা সমাজ পরিবর্তনের কোনো চিন্তা না করে নারীদেরকে অবদমিত করে বোরকাবন্দী করার সরল পন্থাটি বেছে নিয়েছেন। ধর্মবিশ্বাসী নারীরা সেই ব্যবস্থাকে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় জাহান্নামের আগুনের ভয়ে মেনে নিয়েছে। ঠিক একইভাবে আলেম ওলামা শ্রেণি পশ্চিমা বস্তুবাদী সভ্যতার বিধিবিধানকে মেনে নিয়ে সকল অন্যায়ের সামনে মাথা নত করে দিয়েছেন। তারা এই ফেতনার বিরুদ্ধে লড়াই করা দূরে থাক, একটা শব্দও উচ্চারণ করতে ভীত। তারা দুনিয়াপূজারী, ভোগী। তাদেরকে দুর্নীতিবাজ প্রতারক ধর্মহীন শাসকগোষ্ঠী সামান্য মূল্যের বিনিময়ে কিনে নিয়ে নিজেদের পোষাপ্রাণীতে পরিণত করেন। তারাও স্বার্থ নিয়ে এক ধর্মীয় গোষ্ঠী আরেক ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গলা ফাটান। তারা ভুলে গেছেন যে, তাদের দায়িত্ব ছিল এই ফেতনাকে নির্মূল না করা পর্যন্ত লড়াই করা। সে দায়িত্ব আল্লাহ কর্তৃক মো’মেনদের উপর অর্পিত। আল্লাহ বলেছেন, “হে মোমেনগণ! তোমরা লড়াই চালিয়ে যাও যে পর্যন্ত না সকল ফেতনার অবসান হয় এবং জীবনব্যবস্থা (দীন) কেবল আল্লাহরই হয়। (সুরা আনফাল ৩৯)।”
সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের আমির মওলানা শাহ আহমদ শফি একটি ওয়াজ মাহফিলে নারীদের উচ্চশিক্ষার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানকে সুস্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেছেন, “আপনাদের মেয়েদেরকে স্কুলে দিবেন না। খুব বেশি হলে ফোর ফাইভ পর্যন্ত পড়াবেন। যেন সে তার স্বামীর টাকা পয়সার হিসাব রাখতে পারে, স্বামীর কাছে চিঠি লিখতে পারে। যদি এর বেশি পড়ান তাহলে আপনার মেয়ে আপনার থাকবে না, অন্য পুরুষ মানুষ নিয়ে যাবে। আপনারা ওয়াদা করেন মেয়েদের ফোর ফাইভের বেশি পড়াবেন না।”
আল্লামা শফির এই মত কিন্তু তার একার মত নয়। আমাদের দেশে কোটি কোটি মাদ্রাসাশিক্ষিত মানুষের অধিকাংশই এই মতের পক্ষে রায় দেবেন। আমাদের সমাজে নারীরা আসলেই নিরাপদ নয়, তাদের সুশিক্ষা ও সম্মানের জন্য উপযোগী শিক্ষা-পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি আমাদের সমাজ। বস্তুত পশ্চিমা সভ্যতা নারী ও পুরুষ সকলকেই ধর্মের সকল বন্ধন থেকে মুক্ত করে দিতে সর্বব্যাপী উদ্যোগ নিয়েছে। যার পরিণামে সমাজে ইভটিজিং থেকে শুরু করে ধর্ষণসহ সর্বপ্রকার নারী নিগ্রহ। নারী আজ পণ্যে রূপায়িত। তাই কট্টপন্থী আর রক্ষণশীল মহল মেয়েদেরকে পাশ্চাত্য সভ্যতার সংশ্রব থেকে দূরে রাখতে বদ্ধপরিকর। কিন্তু অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে? অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে অশিক্ষিত করে রাখাটাও তো কোনো কাজের কথা নয়। এটা হবে মাথা ব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলার মতো সমাধান, তাদের মাথাব্যথা যাবে বটে কিন্তু জীবনও থাকবে না। তাহলে যেটা করা দরকার সেটা হলো, শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন, সমাজের পরিবর্তন। আল্লামা শফিদের নারীদের পথরোধ না করে উচিত হবে এমন একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যেখানে তারা স্বাধীনভাবে জ্ঞানচর্চা করতে পারবে। তাদের মেধার বিকাশ ঘটিয়ে সভ্যতার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে, যেমনটা রেখেছিল সোনালি যুগের মুসলিম নারীরা। রসুল এমন একটি নিরাপদ সমাজ কায়েম করেছিলেন যেখানে একজন নারী একাকী সারা গায়ে স্বর্ণালঙ্কার পরিহিত অবস্থায় দিনের পর দিন পথ চলতে পারত। নির্ভয়ে। আল্লামা শফিরা সে সমাজ কায়েম করতে পারবেন না, এটা তারা জানেন। ওপথ সংগ্রামের পথ, ত্যাগের পথ। তারা তো ভোগের পথে হাঁটতে অভ্যস্ত। তাই তারা সমাজ পরিবর্তনের আশাও করেন না, করেন মনগড়া ফতোয়াবাজি আর সেটা চালিয়ে দেন ইসলামের নামে। কিন্তু এমন অবস্থা তো চিরটাকাল চলতে পারে না। জনগণ এখন একটু একটু করে বুঝতে পারছে তাদের ভ-ামি। হয়তো অচিরেই সেই সময় আসবে যখন এই ধর্মবণিকদের সকল মুখোস জনগণের সামনে উন্মোচিত হয়ে যাবে। মানুষ তাদেরকে বয়কট করবে, পরিত্যাগ করবে নির্ভয়ে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার
ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে টানা তিন দফা স্বর্ণের দাম কমার পর এবার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৫…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    অর্থনীতি

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) পরিচালিত ‘নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ (মউশিক) প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এস এম তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা এলাকা থেকে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল মাতুব্বরকে গ্রেফতার করেছে মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)…
 ১৫ আগস্ট ২০২৬    ঢাকা

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের
​ঢাকা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কর্তৃক হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার অন্যায্য ও অগণতান্ত্রিক দাবির তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান…
 ১০ আগস্ট ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি