প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   রোজার উদ্দেশ্য কতটুকু সফল?

রোজার উদ্দেশ্য কতটুকু সফল?

২১ মার্চ ২০২৬ ০৭:০৮ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

সুয়াইবুল বান্না সহি:
আল্লাহ সূরা বাকারার ১৮৩ নং আয়াতে বলেছেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর সওম ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যাতে তোমরা তাকওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জন করতে পারো।” এই আয়াতে কয়েকটি বিষয় লক্ষ্যনীয়। আল্লাহ প্রথমেই বলেছেন, “ইয়া আইয়্যুহাল্লাজিনা আমানু”, অর্থাৎ ‘হে ঈমানদারগণ’ বা ‘হে মুমিনগণ’। অর্থাৎ সওম/রোজার যে বিধান তা ঈমানদার মুমিনদের জন্য। সওমের বিধান আল্লাহ কেন দিয়েছেন- সেটাও তিনি বলে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘যাতে তোমরা তাকওয়াহ অবলম্বন করতে পারো’। আয়াতটিতে আল্লাহ এ-ও বলে দিলেন যে, ‘তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্যও এটা ফরজ করে দেওয়া হয়েছিল’। মানে পূর্বের উম্মাহর জন্যও এটা ফরজ ছিল।

প্রথমেই আমাদেরকে বুঝতে হবে সওম কেন? সওমের উদ্দেশ্যটা কী? আমরা রোজা কেন রাখবো? আমাদের রোজা রাখার দরকার কি? এইযে যেকোন আমলের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানা- এই উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানার নামই আকিদা। আকিদা যদি ভুল হয় ঈমানও ভুল, আমলও ভুল। সুতরাং সওম বা রোজার আকিদা সম্পর্কে আমাদেরকে পরিষ্কার হতে হবে।

আমরা সবাই জানি, ইসলামের মূল ভিত্তি পাঁচটি, যা হাদীস অনুযায়ী ইসলামের পঞ্চস্তম্ভ হিসেবে পরিচিত। রসুলাল্লাহ (সা.) বলেন, ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি জিনিসের ওপর স্থাপিত। পাঁচটা পিলার। পাঁচটা বুনিয়াদের উপরে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত। যার প্রথমেই আছে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা.)’। দ্বিতীয় হলো সালাহ। তৃতীয় যাকাত। চতুর্থ হজ। পঞ্চম বা সর্বশেষে আছে সওমে রমাদান। এই যে সওম এটা কিন্তু ইসলামের পঞ্চম পিলার।

আরও পড়ুন

কওমে লুত: এক অভিশপ্ত জাতির ইতিহাস –ওবায়দুল হক বাদল

কওমে লুত: এক অভিশপ্ত জাতির ইতিহাস –ওবায়দুল হক বাদল – Image 1

এখন আসি এই সওমের উদ্দেশ্যটা কী? একজন মানুষ যদি একটা গাড়ির উদ্দেশ্য না জানে তাহলে সে একটা চাকার উদ্দেশ্যও বুঝবে না। সে যখন বুঝবে যে একটা গাড়ির উদ্দেশ্য হচ্ছে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় মানুষ ও মালামাল পরিবহন করা; তখন সে গাড়ির ভেতরের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বা তার অংশগুলোর কোনটার কি উদ্দেশ্য তাও পরিষ্কার হয়ে যাবে। গাড়ির ভেতরের প্রতিটা যন্ত্রাংশ একটা আরেকটার সাথে সংযুক্ত, কানেক্টেড, রিলেটেড। এই যন্ত্রাংশগুলোর কোনোটাই বিচ্ছিন্ন নয় বরং একে অন্যের সাথে কানেক্টেড- এই ব্যাপারটাই হলো ‘আকদ’। ‘আকদ’ থেকেই আকিদা শব্দের উৎপত্তি। আকদ মানে গিট বা গিরু।

এখন প্রশ্ন হলো- সম্পর্কটা কোন জায়গায়! সালাতের সাথে ঈমানের সম্পর্ক কোথায়, ঈমানের সাথে সওমের সম্পর্ক কোন জায়গায়, সওমের সাথে ঈমানের কী সম্পর্ক, হজের সাথে ঈমানের কী সম্পর্ক- এটা জানার নামই আকিদা। এটা যদি আপনি মিলাতে না পারেন তাহলে আপনার কিন্তু বিচ্ছিন্ন আমলের কোন মূল্য থাকবে না। একইভাবে ইসলামের উদ্দেশ্য যারা বুঝবেন না তাদেরকে সওমের উদ্দেশ্য বোঝানো যাবে না।

সওম শব্দের অর্থ হলো- সেলফ কন্ট্রোল, আত্মসংযম, সংযমতা অবলম্বন করা। আমরা যে ‘রোজা’ শব্দটা বলি এই শব্দটা কিন্তু কোর’আনে নেই। রোজা হলো ফারসি ভাষার শব্দ। পারস্যরা অগ্নি উপাসক ছিল। তারা উপবাস থাকতো। ওই উপবাসটাকে তারা বলত রোজা। কিন্তু আমাদের কোর’আনে যে সওমের কথা বলা হয়েছে এটার অর্থ কিন্তু ব্যাপক, এর মানে হলো কন্ট্রোল, সংযম, নিয়ন্ত্রণ, আত্মনিয়ন্ত্রণ, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ।

আজ মুসলিম বিশ্বে সওমকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। লক্ষ কোটি মুসলমান সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকছেন। অনেক বৃদ্ধ ও শিশুদেরকেও আমরা সওম রাখতে দেখি। মোট কথা সওমের মাধ্যমে মুসলমানগণ আল্লাহর প্রতি তাকওয়া অবলম্বন করছেন। পুরো রমজান মাসে একটাও সওম ভাঙেন না।

এখানে রাসুলাল্লাহর (সা.) একটা হাদিস স্মরণ করতে চাই যেখানে তিনি বলেন, এমন একটা সময় আসবে মানুষ তাহাজ্জুদ পড়বে, তা হবে ঘুম নষ্ট করা। আর রোজা রাখবে, যা হবে শুধুমাত্র উপবাস বা না খেয়ে থাকা। এ কথাটি অত্যন্ত মারাত্মক। এখানে অনেক কিছু বুঝার আছে। প্রথমত, শুধুমাত্র মোকাম্মেল ঈমানদার ছাড়া সবাই কিন্তু তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে না। দ্বিতীয় কথা হলো- রোজা কে রাখে? রোজা রাখার ক্ষেত্রে কোন রিয়া কাজ করে না। যারা আল্লাহকে সত্যিকার অর্থে বিশ্বাস করে, যাদের অন্তরে সত্যিকারের আল্লাহভীতি রয়েছে, যারা প্রকৃত ঈমানদার শুধুমাত্র তারাই কিন্তু রোজা রাখে।

জেহাদের মধ্যে লোক দেখানোর ব্যাপার আছে। জেহাদের ময়দানে শহীদ হলে লোকেরা বীর বলবে। দানের ক্ষেত্রেও লোক দেখানোর ব্যাপার আছে। লোকেরা দানবীর বলবে। এমনকি নামাজের ক্ষেত্রেও কিন্তু লোক দেখানোর ব্যাপার আছে। কিন্তু রোজার মধ্যে লোক দেখানোর কোন ব্যাপার নাই। একেবারে যারা সত্যিকার অর্থে আল্লাহকে বিশ্বাস করেন তারা রোজা রাখেন। সেই রোজা হবে না! কেন হবে না?

ঘুরেফিরে সেই কথায় আসি- আপনি যদি ইসলামের উদ্দেশ্য না বুঝেন তাহলে রোজার উদ্দেশ্য বুঝবেন না। ইসলামের উদ্দেশ্য কি? ইসলাম হচ্ছে আল্লাহর দেওয়া একটা জীবন ব্যবস্থা (দীনুল হক্ব)। এটা রসুলকে (সা.) আল্লাহ দিয়েছেন। এই দীনুল ইসলামের উদ্দেশ্য হচ্ছে এটাকে কায়েম করে, প্রতিষ্ঠা করে, এটাকে কার্যকরী করা। এই দীনের নকশা হল কোর’আন; আল্লাহর বিধান। পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। এটাকে কার্যকরী করে এটাকে কায়েম করে রাষ্ট্রীয় জীবন, সামাজিক জীবন তথা জীবনের সকল অঙ্গনে প্রতিষ্ঠা করাই এর উদ্দেশ্য। ইসলাম প্রতিষ্ঠা হলে আপনার আদালত চলবে আল্লাহর বিধানে, আপনার অর্থনীতি চলবে আল্লাহর হুকুমে, আপনার সমাজ চলবে আল্লাহর হুকুমে অর্থাৎ পুরো রাষ্ট্র চলবে আল্লাহর বিধানে।

আল্লাহর এই দ্বীন কায়েম করে সমাজে শান্তি, ন্যায়বিচার, সুবিচার প্রতিষ্ঠা করাই প্রধান কাজ। শান্তি প্রতিষ্ঠা হলে তবেই এই দীনের নাম ‘ইসলাম’ শব্দটি বাস্তব রূপ পায়। সেই শান্তির রূপটা কেমন! ইসলাম প্রতিষ্ঠা হলে মানুষ রাতে দরজা খোলা রেখেই ঘুমাবে, একজন মেয়ে মানুষ একা রাতের অন্ধকারে ভ্রমণ করবে তার মনে কোনো ভয় থাকবে না। মানুষের মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা, নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

মানুষ সৃষ্টির শুরুতেই যখন ইবলিশ চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল, আল্লাহ যখন আমাদেরকে খলিফা হিসেবে বানালেন তখন আল্লাহ বললেন সমস্ত ফেরেশতাদেরকে সেজদা করো, সবাই সেজদা করল। ইবলিশ সেজদা করলো না। তখন আল্লাহ বললেন সেজদা করলি না কেন? তখন ইবলিশ বলে ও মাটি আমি হচ্ছি আগুন। এই যে অহংকার করলো আল্লাহ তাকে বের করে দিলেন। তখন ইবলিশ একটা চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল তোমার দেওয়া এই খলিফাকে আমি সিরাতুল মুস্তাকিমে থাকতে দেব না।

আল্লাহ যখন মানুষ সৃষ্টি করেন তখন ইবলিশ আদমকে (আ.) সেজদাহ করতে অস্বীকৃতি জানায়। তখনই আল্লাহর সাথে ইবলিশের একটা চ্যালেঞ্জ হয়েছিল। ইবলিশ বলেছিল, মানুষকে দিয়ে সে পৃথিবীতে অন্যায়, রক্তপাত, যুদ্ধ করাবে। আর আল্লাহ বলেন, তার একনিষ্ঠ বান্দাদের জন্য তিনি পথ প্রদর্শক পাঠাবেন এবং তারা কখনোই ইবলিশের দেখানো পথে যাবে না। তাহলে বুঝা যাচ্ছে এই দুনিয়াতে আমাদের কাজ হলো- আল্লাহকে বিজয়ী করে, আল্লাহর হুকুম কায়েম করে শান্তি কায়েম করার মধ্য দিয়ে ইবলিশকে পরাজিত করা। ইবলিশ যেন হেরে যায়। এখন প্রশ্ন আসে এই উদ্দেশ্য হাসিল করবে কে? উত্তর হলো- মুমিন। এই মুমিনদের একজন নেতা থাকবে। মুমিনরা একটা উম্মতে অন্তর্ভুক্ত হবে, যার নাম উম্মতে মোহাম্মদী। আর মুমিনরাই প্রাণ-সম্পদ দিয়ে জিহাদ করে এই পৃথিবীতে আল্লাহর দেওয়া দীন প্রতিষ্ঠা করবে। যেন মানুষ দরজা খুলে ঘুমাতে পারে। এটা হলো ইসলামের উদ্দেশ্য। এজন্যই নবীর (সা.) সংগ্রাম। এজন্যই কোর’আন নাযিল হয়েছে। এইজন্য নবী এতো লড়াই করেছেন।

কিন্তু এই কাজ কোনো সাধারণ কাজ নয়। এই কাজ করার জন্য মুমিনদের মধ্যে অনেকগুলো চারিত্রিক গুণাবলী দরকার, প্রশিক্ষণ দরকার, ট্রেনিং দরকার। এই প্রশিক্ষণের কোনোটা আধ্যাত্মিক, কোনোটা শারীরিক, কোনোটা মানসিক। এই প্রশিক্ষণ হিসেবেই আল্লাহ মুমিনদেরকে বিভিন্ন আমলের নির্দেশ দিয়েছেন। আমলগুলো হচ্ছে মূলত মুমিনের প্রশিক্ষণ। যেমন একদল সেনাবাহিনী বিভিন্নভাবে প্রশিক্ষিত করা হয়, ট্রেনিং দেওয়া হয়। কোনোটা তার শরীর সুঠাম করে, কোনোটা তার মনকে স্থির রাখে, তাকে পিটি করায়, প্যারেড করায়, ড্রিল করায়, এক্সারসাইজ করায়। এসবের উদ্দেশ্য হচ্ছে একটা চৌকশ পারফেক্ট সৈনিক বানানো। যেন সে যুদ্ধ করে রাষ্ট্রকে রক্ষা করতে পারে। আল্লাহর উদ্দেশ্য হচ্ছে একদল মুমিন ইবলিশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, লড়াই করে, জিহাদ করে এই পৃথিবীতে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা করবে। এজন্য তার কিছু আধ্যাত্মিক চরিত্র দরকার। শারীরিক ফিটনেস দরকার। এটার জন্যই আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সালাহ, যাকাত, হজ, সাওম এই ব্যবস্থাগুলো রেখেছেন। যেমন সালাতের মাধ্যমে মুমিন কি শিখবে? পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা শিখবে। কাতার সোজা করার মধ্য দিয়ে ভাতৃত্ব শিখবে। শৃঙ্খলা শিখবে, সোজা হয়ে দাঁড়াবে। নেতার আনুগত্য করার মধ্য দিয়ে, আনুগত্য শিখবে। কেবলামুখী হওয়ার মধ্য দিয়ে সে লক্ষ্যের ঐক্য ঠিক করবে। একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করলেই বুঝা যাচ্ছে- শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা, আনুগত্য, ঐক্য ইত্যাদি সালাতের মাধ্যমে শিক্ষা হচ্ছে। তাহলে সওমের মাধ্যমে কি শিক্ষা হচ্ছে? আপনি সারা বছর খাবেন একমাস আপনি খাবেন না। কন্ট্রোল করবেন। এই যে কন্ট্রোল- আমরা খাবো না। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করব। এটার মাধ্যমে মানুষ তার আত্মার উপরে একটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করছে। ক্ষুধা পিপাসা সহ্য করার একটা প্রশিক্ষণ হচ্ছে তার ভিতরে। সে যেন রণাঙ্গনে, সংগ্রামে, বাস্তব জীবনে, আল্লাহর হুকুম বাস্তবায়ন করার জন্য যে কোন ধরনের কষ্ট মোকাবেলা করতে পারে। সে যেন ভোগবাদী না হয়। কারণ দ্বীন প্রতিষ্ঠা করতে হলে ভোগের বিপরীত দিকে যেতে হবে, তথা ত্যাগ করতে হবে। তাহলে সওমের উদ্দেশ্য কি? রোজার উদ্দেশ্য কি? রোজার উদ্দেশ্য হলো- মুমিনের আধ্যাত্মিক চরিত্র গঠন। নৈতিক চরিত্র তৈরি।

এখন যেই মানুষটা ঈমান আনেনি। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া কারো হুকুম মানি না) কথার মধ্যে যে ব্যক্তি নাই। যেই লোকটা বাস্তব জীবনে ব্রিটিশের আইন মানে, মানুষের আইন মানে এবং যেই লোকের ইসলামের কোন উদ্দেশ্য নাই; তার রোজা রাখাটাই হল উপবাস থাকা। এইজন্য আজকে মুসলমান সমাজে রোজার কোন বাস্তব প্রতিফলন নাই। এজন্যই রসুল (সা.) বলেছেন, এমন এক সময় আসবে মানুষ তাহাজ্জুদ পড়বে, তা হবে ঘুম নষ্ট করা। রোজা রাখবে, সেটা হবে না খেয়ে থাকা। আজ যারা রোজা রাখছেন তাদের সকলের কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারা কষ্ট করে রোজার উদ্দেশ্যটা ভালো করে বুঝে নিবেন। এই বিষয়ে আমাদের একটা বই আছে ‘সওমের উদ্দেশ্য’। বইটা পড়ার আহ্বান থাকবে।

সওম রাখার আগে উদ্দেশ্য ভালো করে জেনে নিবেন। বুঝে নিবেন- আল্লাহ কেন সওম ফরজ করেছেন? আমি না খেয়ে থাকলে আল্লাহর কী উপকার? আসলে আল্লাহর কথা হল- ‘এখানে আমার (আল্লাহর) কিছু যায় আসে না। এখানে তাকওয়া হবে তোমার (বান্দার)। তোমার এই তাকওয়ার গুণাবলী লাগবে। কারণ ময়দানে সংগ্রামে আল্লাহর এই দীন প্রতিষ্ঠা করার দায়িত্ব তোমার উপরে। এটা তুমি করতে হলে তোমার কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য লাগবে, গুণাবলী লাগবে, কিছু ট্রেনিং লাগবে। সেই ট্রেনিং স্বরূপ এই রোজা’। এখন তোমার যদি দীন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যই সামনে না থাকে তাহলে তোমার ওই রোজা রাখা হবে- না খেয়ে থাকা অর্থাৎ উপবাস থাকা। তাই সবার আগে ঈমান। সবার আগে আমাদেরকে মুমিন হতে হবে। আল্লাহর হুকুমের প্রতি শতভাগ আনুগত্যের অঙ্গীকার করতে হবে। তারপর সেই হুকুমের প্রতিষ্ঠা এবং এর জন্য আবশ্যকীয় চরিত্র। যা অর্জনের জন্য সওম বা রোজা। আল্লাহ সবাইকে সওমের প্রকৃত তাৎপর্য অনুধাবন করার সামর্থ্য দান করুন, আমিন।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

২৪ বছর পর ভাইরাল নায়ক মান্নার সেই বক্তব্য, ‘আমি কোনো অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করিনি’

২৪ বছর পর ভাইরাল নায়ক মান্নার সেই বক্তব্য, ‘আমি কোনো অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করিনি’
২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফায়ার’ সিনেমা নিয়ে ২৪ বছর পর আবারও আলোচনায় ঢাকাই সিনেমার প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্না। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে তার একটি পুরোনো ভিডিও, যেখানে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মেসির বিদায়ে বাংলাদেশের তারকাদের আবেগঘন পোস্ট!

মেসির বিদায়ে বাংলাদেশের তারকাদের আবেগঘন পোস্ট!
আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ফেলেছেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে বিদায়ী ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

বিশ্বকাপ ফাইনালে কী হয়েছিল? এবার মুখ খুললেন মেসি!

বিশ্বকাপ ফাইনালে কী হয়েছিল? এবার মুখ খুললেন মেসি!
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। বিদায়ী ম্যাচে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানোর পর আবেগঘন বক্তব্যে নিজের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের নানা অধ্যায় তুলে ধরেন…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নেতা বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’!

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নেতা বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’!
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয়…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-তৈরি পোশাকের বাজার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ!

ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-তৈরি পোশাকের বাজার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ!
ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, তৈরি পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানো…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ওসিকে হুমকি দেয়া সেই বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার

ওসিকে হুমকি দেয়া সেই বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) হুমকি দেওয়া এবং জুলাই বিপ্লবের এক শহীদের চাচাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, তৈরি হলো ভুয়া কাবিননামা!

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, তৈরি হলো ভুয়া কাবিননামা!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এক বিধবা নারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও টিপসই নেওয়ার পর তার নামে ভুয়া কাবিননামা তৈরির অভিযোগ…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল!

মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল!
ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হলসহ অন্তত ২০টি দোকান পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে আগুনের সূত্রপাতের পর তা দ্রুত আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য!

হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য!
সারা দেশে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এবার টিকাদান থেকে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে আগামী এক মাসে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে সংবিধানে আসছে নতুন বিধান!

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে সংবিধানে আসছে নতুন বিধান!
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশগ্রহণকারীদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দিতে যাচ্ছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সংবিধানের তফসিলে সুনির্দিষ্টভাবে জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত, দিল্লি-এনসিআরেও তীব্র কম্পন!

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত, দিল্লি-এনসিআরেও তীব্র কম্পন!
রাতের নীরবতা ভেঙে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ভারতের উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলা। মঙ্গলবার রাতে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের কম্পন দিল্লি-এনসিআরসহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকাতেও অনুভূত…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বিদায়ী ম্যাচে মেসির হাতে উঠল হলুদ-লাল কার্ড!

বিদায়ী ম্যাচে মেসির হাতে উঠল হলুদ-লাল কার্ড!
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচেও লিওনেল মেসিকে দেওয়া হলো হলুদ ও লাল কার্ড। তবে এগুলো কোনো শাস্তির কার্ড নয়; বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচ শেষে বিশেষ স্মারক…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

এক বাড়ির জন্য ৪১ লাখ টাকার সেতু!

এক বাড়ির জন্য ৪১ লাখ টাকার সেতু!
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি বাড়ির সামনে মাত্র ১১ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণে ৪১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৯ টাকা ব্যয় হয়েছে। সেতুটি নির্মাণের পর এর প্রয়োজনীয়তা, প্রকল্প…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

তুরস্ক গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান!

তুরস্ক গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান!
আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠেয় ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের প্রতিনিধি ফরিদা শহীদ

বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের প্রতিনিধি ফরিদা শহীদ
শিক্ষার অধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আগামী ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের শিক্ষার অধিকারবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদ। সরকারের আমন্ত্রণে এ সফরে তিনি ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়