প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   তওহীদ কী করে শতধাবিভক্ত মানবজাতিকে...

তওহীদ কী করে শতধাবিভক্ত মানবজাতিকে এক জাতি করবে?

১৬ জুন ২০১৮ ০১:০৭ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম:
মুসলিম নামক জাতিটি শত সহস্র ভাগে বিভক্ত হলেও জান্নাতে যাওয়ার পথ কিন্তু অতগুলো নয়, জান্নাতে যাওয়ার পথ একটাই। আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীন পবিত্র কোর’আনে বলেছেন, ‘আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তাদের কেউ মো’মেন আর কেউ কাফের (সুরা তাগাবুন ২)”। সুতরাং আল্লাহর ভাষায় মানুষের মধ্যে দল দু’টি, রাস্তাও দু’টি। আমরা প্রতি ওয়াক্ত নামাজে সুরা ফাতেহা পাঠ করি, সেখানে আছে, ‘ইহদিনাস্ সিরাতাল মোস্তাক্বীম’, ‘সহজ-সরল পথে আমাদের পরিচালিত করো’। এটি হচ্ছে একটি পথ। আরেকটি পথ হচ্ছে ‘গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ দ্বোয়াল্লিন’ – তাদের পথে নয় যারা পথভ্রষ্ট ও অভিশপ্ত। দোয়াল্লিন মানে ভুল পথ, ইবলিসের পথ। হুকুমও দুইটা – আল্লাহর হুকুম, ইবলিসের হুকুম। মানুষের পরিণতি দুইটা- জান্নাত জাহান্নাম, সত্য-মিথ্যা, ডান-বাম, বৈধ-অবৈধ, ন্যায়-অন্যায়। আমি বনি আদম ঠিক মধ্যখানে দাঁড়িয়ে আছি- আমাকে নফসের স্বাধীনতা, রুহের স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। আমি ডান দিকে যাব, নাকি বাম দিকে যাব, আল্লাহর হুকুমকে ধারণ করব, নাকি ইবলিসের হুকুমকে ধারণ করব এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার আমাকে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে দু’টো জিনিস।
এক) আপনি পৃথিবীতে সুখ-শান্তিতে বসবাস করবেন, নাকি অন্যায় অবিচার, যুদ্ধ-রক্তপাতের মধ্যে থাকবেন।
দুই) পরকালে আপনি জান্নাত যাবেন, নাকি জাহান্নাম যাবেন।
এই সিদ্ধান্তটি যেন মানবজাতি সঠিকভাবে নিতে পারে, এজন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নবী রসুলদের মাধ্যমে সঠিক পথনির্দেশও জানিয়ে দিয়েছেন। ইবলিস যখন প্ররোচনা দিয়ে বাবা আদম ও মা হাওয়াকে দিয়ে আল্লাহর হুকুম অমান্য করালো, তখন আল্লাহ বললেন, “তোমরা এখান থেকে নেমে যাও”। তখন তাঁরা ভীত-শঙ্কিত হলেন। আদম (আ.) আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন, “আল্লাহ আমি তো গুনাহ করে ফেলেছি, আমি জুলুম করে ফেলেছি নফসের উপরে, আমাকে ক্ষমা করুন। না হলে তো আমি ধ্বংস হয়ে যাব।” তখন আল্লাহ বললেন, “আদম তুমি চিন্তা করো না, ভয় করো না। আমার পক্ষ থেকে আমি হেদায়াহ্ পাঠাব, সঠিক পথ, Right Direction পাঠাব। যারা এই পথের উপর থাকবে, তাঁদের কোনো ভয় নেই। তারা চিন্তিত হবে না।” (সুরা বাকারা ৩৭)
এই যে আল্লাহর দেয়া পথ, সঠিক পথ, সেই পথের কি নাম? ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, এইটুকু কলেমা, তওহীদ। এর সঙ্গে সমসাময়িক নবীর নামটি যুক্ত হয়েছে। এই তওহীদের অর্থ হচ্ছে “আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা নেই”। এই কলেমা, তওহীদের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর সঙ্গে এই অঙ্গীকারে আবদ্ধ হই যে, আমরা আল্লাহর হুকুম ছাড়া কারো হুকুম মানবো না। আর কার হুকুম আছে পৃথিবীতে? ইবলিসের হুকুম, শয়তানের হুকুম, মানুষের মস্তিষ্কপ্রসূত হুকুম। মানবজাতি যদি সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা সেরাতুল মোস্তাক্বীমে উঠবে, তবে মানবজাতি বাঁচবে। এই একটা সমাধান আছে, আর কোনো সমাধান নাই।
আপনারা কেউ কেউ পরিচয় দিতে পারেন আপনারা হিন্দু। আপনারা ঈশ্বরকে, ভগবানকে পাওয়ার জন্য গীতা পাঠ করছেন, মূর্তির সামনে প্রণতি করছেন, আন্তরিকতার কোনো অভাব নাই। আবার কেউ পরিচয় দিতে পারেন তারা খ্রিষ্টান। তারা রবিবারে চার্চে যাচ্ছেন, যিশুর মূর্তির সামনে উপাসনা করছেন, বাইবেল পাঠ করছেন- অসুবিধা নেই। কেউ বলবে তারা ইহুদি, তারা তওরাত পাঠ করছেন, মুসাকে (আ.) শ্রদ্ধা করছেন, শনিবারে সাবাথ ডে-তে সিনাগগে উপস্থিত হচ্ছেন, আল্লাহকে, এলিকে পাওয়ার জন্য। আমরা যারা মুসলিম দাবি করি, আমরা আল্লাহকে বিশ্বাস করি, কোর’আন মুখস্থ করি। রসুলকে আল্লাহর প্রেরীত নবী বলে বিশ্বাস করি। আমরা মসজিদে যাই, নামাজ পড়ি, রোজা রাখি, জান্নাতে যাওয়ার আশা করি। আর বৌদ্ধদের মধ্যে তো বহু ভাগ হয়ে গেছে, অনেকে এখন আল্লাহর অস্তিত্বেও বিশ্বাস করে না। তারা বুদ্ধের মূর্তির সামনে বসে আরাধনা করছেন, মন্ত্রপাঠ করছেন নির্বাণ লাভের আশায়।
যাই হোক, আমি পুরো মানবজাতিকে বলছি, “হে মানবজাতি, আমি এক গোনাহগার সাধারণ মানুষ, আমার বাংলার মাটিতে, এই পবিত্র মাটির বুকে দাঁড়িয়ে আমি বলছি, তোমরা যারা মানবজাতিকে বিনাশ করে দেয়ার জন্য সমগ্র আয়োজন সম্পন্ন করেছ, অথচ তোমরা বাইবেল পাঠ করছ, ত্রিপিটক পাঠ করছ, জেন্দাবেস্তা পাঠ করছ, কোর’আন মুখস্থ করছ আল্লাহ, ঈশ্বর, ভগবান, এলি, গডকে পাওয়ার জন্য জান্নাতে, হ্যাভেনে, স্বর্গে যাওয়ার জন্য। আমি আল্লাহর কসম করে বলছি, তোমাদের সকলের ধর্মপরিচয় মিথ্যা! মিথ্যা! মিথ্যা! জেনে রাখ, ২০১৮ সালে দাঁড়িয়ে আমি আজ এই ঘোষণা দিচ্ছি, তোমাদের সকলের ধর্ম পরিচয় মিথ্যা। কারণ কি? এত বড় কথা! হয়ত সমস্ত ধর্মগুরুরা একত্রিত হবেন আমাকে হত্যা করার জন্য। কিন্তু লাভ হবে না। এই জমিন আল্লাহর, হুকুম চলবে আল্লাহর। তোমরা আল্লাহর দাসত্ব বাদ দিয়ে দাজ্জালের হুকুম মেনে নিয়েছ সবাই মিলে। এ জন্যে আজ দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা, শাসিতের উপর শাসকের জুলুমে দুনিয়া যেন এক নরককুণ্ডে পরিণত হয়েছে। বাতাস দূষিত হয়ে গিয়েছে, মাটি দূষিত হয়ে গিয়েছে, বায়ু দূষিত, পানি দূষিত হয়ে গিয়েছে, প্রতিটা মানুষের আত্মা আজকে দূষিত হয়ে গিয়েছে। মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার জন্য, মাটিকে পবিত্র করার জন্য, সমাজকে সুখময় করার জন্য, মানবজাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য আমরা এসেছি। আমাদের আর কোন স্বার্থ নাই, আমাদের আর কোন অভিসন্ধি নাই, আমাদের আর কোন চাওয়া পাওয়া নাই, এটা আমার পরিষ্কার কথা। এখন মানবজাতির একটাই কর্তব্য, মানবজাতি আবার সেই তওহীদ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এই কথার উপরে ঐক্যবদ্ধ হওয়া।
আমি আবারও আমাদের অতীত ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। বাবা আদম পৃথিবীর বুক থেকে চলে গেলেন। কিন্তু তাঁর বংশবৃদ্ধি হতে লাগল। পৃথিবীর বুকে তাঁর সন্তান, তাদের সন্তানেরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়তে লাগলেন। আবার ইবলিস তাদেরকে ভ্রান্ত পথে, দালালাহতে নিয়ে গেল। ভাই ভাইয়ের শত্রু হল। দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার চলল। আল্লাহ আবার নবী-রসুল পাঠালেন। তাঁরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে আবার সেরাতুল মোস্তাকীমে মানুষকে আনলেন, তওহীদে আনলেন। ইবলিস আবার তাদের মন-মগজে ঢুকে তাদেরকে প্ররোচিত করে ভুল পথে নিয়ে গেল। এইভাবে নবী-রসুল আসছেন-যাচ্ছেন, আসছেন-যাচ্ছেন, হাদিস মোতাবেক এভাবে এক লক্ষ চব্বিশ হাজার কি দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার নবী-রসুল দিন গুজরান করে গেলেন।
বাবা আদমের (আ.) কলেমা ছিল ‘লা ইলাহা এল্লাল্লাহ আদম সফিউল্লাহ’; ইব্রাহিম (আ.) এর কলেমা ছিল ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ’; মুসা (আ.) এর কলেমা ছিল – ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুসা কালিমুল্লাহ’; ইসমাইল (আ.) এর কলেমা ছিল – ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ইসমাঈল জাবিউল্লাহ’; ঈসা (আ.) এর কলেমা ছিল – ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ঈসা রুহুল্লাহ’; এভাবেই শেষ নবীর কলেমা হয়েছে – ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রসুলাল্লাহ (সা.)’। আল্লাহ সিদ্ধান্ত নিলেন, মানবজাতি যতদিন আছে পৃথিবীতে তিনি আর নতুন করে নবী-রসুল আর পাঠাবেন না। তাঁর উপাধি দিলেন ‘রাহ্মাতাল্লিল আ’লামীন’। তাঁকে আল্লাহ বললেন, “আপনি বলুন, ‘ইয়া আইয়ুহান্নাস, কুল, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তুফলিহুন’ অর্থাৎ হে মানবজতি! তোমরা বলো – আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা নেই, তোমরা সফল হবে।” তিনি সে কথাটিই মানবজাতির উদ্দেশে বললেন। আল্লাহ আরো বললেন, “হে রসুল আপনি বলুন, আমি তোমাদের সবার জন্যে আল্লাহর রসুল।” অর্থাৎ পুরো মানবজাতির জন্য তিনি আসলেন। যে কেতাবটা নিয়ে আসলেন, সেই কেতাবের নাম আল্লাহ রাখলেন ‘ফোরক্বান’, ‘কোর’আনুল ক্বারীম’, ‘কোর’আনুল মাজিদ’ ইত্যাদি। ‘ফোরক্বান’ অর্থ ‘ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য নির্ধারণকারী’, ‘সত্য-মিথ্যা আলাদাকারী’। যেই দীনটি নিয়ে আসলেন সেই দীনের নাম আল্লাহ রাখলেন, দীনুল হক্ব (সত্য দীন), দীনুল কাইয়্যেমাহ্ (চিরন্তন, সনাতন দীন), দীনুল ফিতরাহ্ (প্রাকৃতিক দীন)। এই জাতির নাম রাখলেন উম্মাতে ওয়াসাতা (ভারসাম্যপূর্ণ উম্মাহ্)। এই যে ভারসাম্যপূর্ণ, প্রাকৃতিক জীবনের উপরে একটা জীবনবিধান দিয়ে আল্লাহর রসুলকে আল্লাহ পাঠালেন সেটা কী দায়িত্ব দিয়ে? সমগ্র পৃথিবীর মানুষকে সুখ, শান্তি, ন্যায়, সুবিচারের মধ্যে রাখার জন্য। ওই লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে আল্লাহর রসুল অক্লান্ত পরিশ্রম করে আরব উপদ্বীপে সত্যদীন প্রতিষ্ঠা করলেন। ঐটাই ছিল প্রকৃত ইসলাম।
আজকের মুসলমানদেরকে এই কথা বুঝতে হবে, আমার রসুল আমাদেরকে যে তরিকার মধ্যে রেখে গিয়েছিলেন, যে রাস্তার মধ্যে তুলে দিয়েছিলেন, যে আদর্শের মধ্যে রেখে দিয়েছিলেন, আমরা গত তেরশো বছরে আল্লাহর রসুলের রেখে যাওয়া সেই আদর্শকে প্রত্যাখ্যান করেছি, সেই রাস্তা থেকে আমরা সরে গিয়েছি, সেই ইসলামকে আমরা ভুলে গিয়েছি। এখন আমাদের করণীয় কি? জনগণের সামনে ইসলামের সেই রূপটাকে এখন তুলে ধরতে হবে। ইসলামের চেহারা এতগুলো নয়, এতগুলো আকিদা নয়। ইসলামের সিদ্ধান্ত সকল ক্ষেত্রে হবে একটা।
আমি আপনাদেরকে প্রশ্ন করতে চাই, এই বস্তুটার কি নাম (মোবাইল ফোন দেখিয়ে)? মোবাইল ফোন। এটা কি জন্য? কথা বলার জন্য। এটা কি নাম (সানগ্লাস দেখিয়ে)? এটা কী জন্য? রৌদ্রময় দিনে চোখে দেওয়ার জন্য। এটা কি পাথর ভাঙার জন্য? এটা কি মানুষের মাথায় মারার জন্য? না। এই বস্তুটির সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করার নাম হচ্ছে আকিদা। সমস্ত আলেমরা একমত যে, আকিদা ভুল হলে ঈমানের কোনো মূল্য নাই। ঈমান না থাকলে আমলের কোনো মূল্য নাই। বুখারি শরীফের সপ্তম হাদিস, ইসলামের বুনিয়াদ পাঁচটা। এক নাম্বারটা কি? ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রসুলাল্লাহ’। দুই নম্বর সালাহ্। তিন নম্বরে যাকাত। চার নম্বরে হজ। পাঁচ নম্বরে রোজা বা সওম। এই পাঁচটি বিষয়ের প্রথমটি হচ্ছে ঈমান আর পরেরগুলো হলো আমল। যার ঈমান নাই তার আমলের কোনো মূল্য নাই। আমরা মসজিদ বানাচ্ছি আমল করার জন্য। টাইলসের মসজিদ, এ.সি.যুক্ত মসজিদ, সোনার গম্বুজওয়ালা মসজিদ, সেখানে এমাম সাহেব বসেন সোনার চেয়ারে। সুরা ক্বেরাত যেন ভুল না হয়, নিখুঁতভাবে উচ্চারণ করে যাচ্ছি। মাদ্রাসায় পড়ছি আমল করার জন্য। হজ্ব করছি আমল করার জন্য। রোজা রাখছি, সেহেরে খাচ্ছি, ইফতার করছি, সব আমল করছি। কিন্তু আগে ঈমান তারপরে আমল। আমি বারবার এ কথাটা বলছি – আপনারা মনে রাখুন। এই আমল কেন করবেন, কী জন্য করবেন, ঈমান কেন আনবেন ইত্যাদি জানার নাম আকিদা। তাহলে তিনটা বিষয়- আকিদা, ঈমান, আমল। আকিদা ভুল হলে ঈমানের কোনো দাম নাই। ঈমান না থাকলে আমলের কোনো মূল্য নাই।
এখানে অনেকের মনে একটা খটকা লাগতে পারে যে, হেযবুত তওহীদের এমাম কী বলছেন? আমরা তো আল্লাহ বিশ্বাস করি। আমরা তো আল্লাহ বিশ্বাস করি বিধায় নামাজ পড়তে যাই, আমাদের ঈমান নাই কীভাবে? আমি আপনাদেরকে একটা উদাহরণ দিলে বুঝবেন। অস্তিত্বে বিশ্বাস করা এক জিনিস আর হুকুম মানা আরেক জিনিস। ধরুন আপনি আপনার বাবাকে বিশ্বাস করেন যে তিনিই আপনার জন্মদাতা পিতা। কারণ অবিশ্বাসের কোন উপায় নাই। তাঁকে সম্মান করেন, ভক্তি-শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। অন্য কেউ বাবাকে গালি দিলে আপনি ক্ষিপ্ত হন। কিন্তু বাবাকে বাবা বলে বিশ্বাস করা এক জিনিস আর তাঁর হুকুম মানা, তাঁর কথা শোনা আরেক জিনিস। যেমন তিনি বললেন, ‘তুমি সন্ধ্যার পরে বাজারে ঘুরবে না, অসৎসঙ্গে পড়বে। সন্ধ্যার পরে বাসায় এসে পড়াশুনা করবে।’ আপনি ভাবলেন, “বাবা বুড়ো মানুষ। তিনি কী বুঝবেন? আমি রাত বারোটা পর্যন্ত বাজারে ঘুরবো।” এভাবে তাঁর হুকুম অমান্য করে অসৎ সঙ্গের ফাঁদে পড়ে আপনি খারাপ হয়ে গেলেন। বাবা বললেন, ‘মদ খেও না, এটা তোমাকে, তোমার চরিত্র ধ্বংস করে দিবে, নিজের আত্মার উপর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।’ আপনি ভাবলেন যে, “এই যুগে মদ খাওয়া কোনো দোষের কাজ নয়। বাবা প্রাচীন মানুষ। তিনি কী বুঝবেন?” এভাবে আপনি পড়াশুনা করলেন না, বাজে লোকদের পাল্লায় পড়লেন, মাদকসেবী হলেন, দুশ্চরিত্র হলেন। এখন আপনি মিথ্যাবাদী, চোর, ডাকাত, খুনী, চোরাকারবারী। আপনাকে এখন পুলিশ খুঁজছে।
এই যে আপনার এই দৈন্যদশা হল, কী কারণে বলুন তো দেখি? বাবার হুকুম না মানার কারণে, নয় কি? আপনি কি বাবাকে বিশ্বাস করতেন না? শ্রদ্ধা করতেন না? এই যে, আমরা আল্লাহকে বিশ্বাস করি, আল্লাহকে শ্রদ্ধা করি, আল্লাহকে সেজদা করি। আল্লাহকে গালি দিলে আমরা সহ্য করতে পারি না সবই সত্য, কিন্তু ইবলিসের প্ররোচনায়, আমরা একে একে আল্লাহর সমস্ত হুকুমকে প্রত্যাখ্যান করেছি। এর ফলে কী হয়েছে? আমরা কলেমার চুক্তি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে গিয়েছি। কলেমার কথা কি ছিল? ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, – আল্লাহ তোমার হুকুম ছাড়া কারো হুকুম মানবো না। এই কথার মধ্যে যখন আমি চুক্তিতে আবদ্ধ হলাম, তখন আমি নামাজ পড়ার অধিকার পেলাম। যারা কলেমাতেই নেই তার জন্য কি নামাজের প্রয়োজন আছে, নাকি পড়ে লাভ হবে? নামাজ কার জন্য? নিশ্চয়ই মো’মেনের জন্য। আমি এই কথার মধ্যে যখন আসলাম যে, আল্লাহ, এই বাঁ দিকের রাস্তায় আমি থাকব না, ইবলিসের আনুগত্য করব না, শয়তানের আনুগত্য করব না, আমি তোমার হুকুম মানব, তোমার আনুগত্য করব, তবেই তো আপনার জন্য নামাজ পড়া ফরদ। আল্লাহ কোর’আনে বললেন, ‘হে মো’মেনগণ, তোমরা সালাহ এবং সবরের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা কর (সুরা বাকারা ১৫৩)।’ কাকে সম্বোধন করলেন? মো’মেনকে। রোজার হুকুম আল্লাহ কাকে দিলেন, ‘হে মো’মেনগণ, তোমাদের জন্য রোজা ফরয করে দেয়া হল।” কার জন্য ফরজ করা হলো? মো’মেনের জন্য। বলা হলো, ‘হে মো’মেনগণ, মিথ্যা সাক্ষ্য দিও না।’ ‘হে মো’মেনগণ, ব্যভিচার করো না।’ পুরো কোর’আনে আল্লাহ এই সমস্ত আমলের নির্দেশ কাকে দিচ্ছেন? মো’মেনদেরকে। ‘হে মো’মেনগণ, মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।’ এটা কি আমার কথা না আল্লাহর কথা? আল্লাহর কথা। মুসলমান হবে কে? মো’মেনগণ। তাহলে আগে মো’মেন না আগে মুসলমান? আমে মো’মেন। আগে আমল না আগে মো’মেন? আগে মো’মেন হন, তারপরে আমলের চিন্তা করুন।
আজকে আমরা ১৬০ কোটি। আজকে আমরা আল্লামা হতে পারি, মুফতি হতে পারি, মুহাদ্দিস হতে পারি, শায়েখ-দরবেশ হতে পারি, বিরাট আমল করনেওয়ালা হতে পারি, একাধিকবার হজ্বকরনেওয়ালা হাজি হতে পারি, আমরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজ্ঞ হতে পারি কিন্তু আল্লাহর ঘোষণা মোতাবেক ঘোষণা দিচ্ছি, আল্লাহর মানদণ্ড মোতাবেক ১৬০ কোটি জনসংখ্যা, আমরা মো’মেন না, মুসলমান না।
ভয়ংকর কথা। এই কথাকে হজম করতে হবে। আপনি বলতে পারেন, এত বড় দুঃসাহসী কথা বল তুমি? আমরা মো’মেন না? আমি বলব তাহলে, আমার আল্লাহ কি মিথ্যা কথা বলেছেন (নাউযুবিল্লাহ)? সুরা নূরের ৫৫ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলছেন, ‘যদি তোমরা মো’মেন হও, ঈমান আন, আমলে সালেহ্ কর, পৃথিবীতে আমি তোমাদেরকে কর্তৃত্ব দিব।’ এটা আল্লাহর ওয়াদা নয় কি? তিনিই অন্যত্র বলেছেন, “আল্লাহর ওয়াদা হক্ব, সত্য; তাওরাত, কোর’আন এবং ইনজিলেও তিনি এই ওয়াদা করেছেন” (সুরা তওবা ১১১)। আল্লাহর ওয়াদা আমাদের ওয়াদার মতো না। তাহলে আল্লাহর ওয়াদা যদি হক্ব হয় তাহলে আমরা না-হক্ব, মিথ্যাবাদী। আমার প্রশ্ন, বলেন, আমরা হক্ব না কি আল্লাহ হক্ব। নিশ্চয়ই আল্লাহই হক্ব। তাহলে আমরা কি মো’মেন? আমি জানি এ সত্য কথা স্বীকার করতে কষ্ট হবে। তবু স্বীকার না করে উপায় নেই। আমরা হেযবুত তওহীদ মানুষের সামনে মো’মেন হওয়ার সেই পথ তুলে ধরছি।

[উত্তর বাড্ডায় অনুষ্ঠিত একটি কর্মিসভায় হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমাম জনাব হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম প্রদত্ত ভাষণ থেকে সম্পাদিত। সম্পাদনায় মো. রিয়াদুল হাসান, সাংবাদিক ও কলামিস্ট, ফেসবুক: riad.hassan.ht; ফোন: ০১৬৭০-১৭৪৬৪৩, ০১৬৭০-১৭৪৬৫১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো -এম আর হাসান

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো -এম আর হাসান
দ্বিতীয় হিজরির রমজান মাস। মদিনা থেকে কিছুটা পথ পেরিয়ে মুসলিম বাহিনী যাত্রাবিরতি করেছে ‘বুয়ুতুস সুকয়া’ প্রান্তরে। সুকয়ার কূপে তাঁবু ফেলে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক এক করে…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ডাক -রিয়াদুল হাসান

আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ডাক -রিয়াদুল হাসান
আজকের দিনে সাধারণ মানুষের কাছে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি কিংবা জীবনযাত্রার হালচাল জানতে চাইলে অধিকাংশের মুখ থেকেই শোনা যাবে এক গভীর সংকটের বিবরণ। কেউ বলবেন অর্থনৈতিক…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

সৌদি-হুতি সংঘাত: কার স্বার্থে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য, মূল্য দিচ্ছে কারা? -হাসান মাহদী

সৌদি-হুতি সংঘাত: কার স্বার্থে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য, মূল্য দিচ্ছে কারা? -হাসান মাহদী
মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মানবিক সংকট। এই অঞ্চলে দশকের পর দশক ধরে সংঘাত ও যুদ্ধ চলমান। কখনো ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, ফিলিস্তিন, আবার…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

সরকার তুমি কার, জনগণের না আমলার? -কথক দা

সরকার তুমি কার, জনগণের না আমলার? -কথক দা
সরকার কি কেবল সরকারি কর্মচারীদের? সরকারি কর্মচারীরাই কি কেবল জনগণ? অন্যান্য শ্রমিকরা কি এদেশের সিটিজেন নয় নাকি তারা মানুষই নয়? -এই প্রশ্নগুলো পুরনো হলেও নতুন…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন
ওবায়দুল হক বাদল:রাজধানী ঢাকায় অরাজনৈতিক ও অসাম্প্রদায়িক সামাজিক সংগঠন ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের শুভ সূচনা ও কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) বিকাল…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

আন্দোলন নয়, বিরোধী দলকে সংসদে এসে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান চিফ হুইপের!

আন্দোলন নয়, বিরোধী দলকে সংসদে এসে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান চিফ হুইপের!
বিরোধী দলকে রাজপথে আন্দোলনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদে এসে নিজেদের বক্তব্য ও দাবি তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

তোশকের নিচে হেরোইন রেখে ধর্মীয় নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ পুলিশের এএসআইয়ের বিরুদ্ধে!

তোশকের নিচে হেরোইন রেখে ধর্মীয় নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ পুলিশের এএসআইয়ের বিরুদ্ধে!
ভারতের পাঞ্জাবে এক ধর্মীয় নেতাকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে। বাড়িতে স্থাপন করা গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওতে…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ভারতে আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা ইমরান খান!

ভারতে আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা ইমরান খান!
ভারতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। সোমবার (২ নভেম্বর) বোম্বে হাইকোর্টের তিরস্কারের…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুত ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট!

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুত ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট!
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নতুন একটি গ্যাসকূপের সন্ধান পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। সুন্দলপুর সাউথ-১ নামের এ কূপের দুটি জোনে মোট ৯৭…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান ৭ বার রক্ত দিয়েছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান ৭ বার রক্ত দিয়েছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বেচ্ছায় রক্তদানে মানুষকে আরও বেশি উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, রক্তদানে শরীরের ক্ষতি হয়—এমন ভুল ধারণা…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

শাহরাস্তিতে চোরাই মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেফতার

শাহরাস্তিতে চোরাই মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেফতার
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে মোটরসাইকেল চুরি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ইমরান হোসেনকে (৩৬) চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার (১ নভেম্বর) শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশের একটি দল অভিযান…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে চিঠি!

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে চিঠি!
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

শৈলকুপায় মুদি দোকানের পেছন থেকে ২৫ বস্তা বিএডিসি সার উদ্ধার

শৈলকুপায় মুদি দোকানের পেছন থেকে ২৫ বস্তা বিএডিসি সার উদ্ধার
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় অভিযান চালিয়ে একটি মুদি দোকানের পেছনের কক্ষ থেকে ২৫ বস্তা বিএডিসি সার উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    খুলনা

করিমগঞ্জে সমাজসেবক শিহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার স্মরণে ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

করিমগঞ্জে সমাজসেবক শিহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার স্মরণে ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শিহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার স্মরণে এক ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায়…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় মানববন্ধন

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় মানববন্ধন
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনকাজে বাধা দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর