প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস সেরা জাতি...

মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস সেরা জাতি যেভাবে গোলাম হলো

১০ জুন ২০২৫ ০৭:২৬ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী:
মুসলমানদের কোনো দেশে অমুসলিমরা হামলা করলে আমরা অনেকেই প্রত্যাশা করি- আক্রান্ত মুসলমানদের বাঁচাতে অন্যান্য মুসলিম দেশগুলা যেন সেনাবাহিনী পাঠিয়ে যুদ্ধ শুরু করে। যেমন- ফিলিস্তিন ও লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর আগ্রাসন দেখে আমরা অনেকেই ভাবি- আহা! আমাদের মিশর, তুরস্ক, সৌদি আরব, ইরান ইত্যাদি শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো যদি একযোগে ইসরাইলে হামলা করত, তাইলে এই পুচকে ইসরায়েলকে উচিত শিক্ষা দেওয়া যেত। এটা আমাদের মুসলমান জনসাধারণের ভাবনা। ধর্মীয় সেন্টিমেন্টের জায়গা থেকে আমরা এভাবেই চিন্তা করে থাকি।

কিন্তু বাস্তবতা ঠিক তার বিপরীত। দেখা যায় অন্যান্য মুসলিমপ্রধান দেশগুলো মুসলমানদের বাঁচাতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামা দূরে থাক, একটা প্রতিবাদ পর্যন্ত করতে সাহস পায় না। নীরবতা পালন করে। কেউ কেউ তো আবার ইসরায়েলকেই সহযোগিতা করতে থাকে। যেমন জর্ডানের কথা বলা যায়। এটা মুসলিমপ্রধান একটা দেশ। শাসকও একজন মুসলিম। কিন্তু অভিযোগ আছে এই দেশটা ফিলিস্তিনের পক্ষে না থেকে- কার্যত ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। (তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা)

এছাড়াও মিশর সৌদি আরব তুরস্ক- এসব দেশগুলোও তাকিয়ে তাকিয়ে ইসরায়েলি গণহত্যা দেখছে। অথচ তাদের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী আছে, অস্ত্রশস্ত্র আছে, শক্তিশালী অর্থনীতি আছে। তারা চাইলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলকে বেকায়দায় ফেলতে পারত। কিন্তু কিছুই করছে না। প্রশ্ন হলো- কেন করছে না?

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পাঠক, আমরা সাধারণ মুসলমানরা বিষয়টাকে জেনারেলাইজ করে এভাবে ব্যাখ্যা করি যে, এই মুসলিম শাসকদের ঈমান নাই, তারা হলো মুনাফেক গাদ্দার, তারা ইহুদি খ্রিষ্টানদের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে ইত্যাদি। অর্থাৎ পুরো বিষয়টার জন্য আমরা কয়েকজন শাসককে দায়ী করেই বিষয়টার মীমাংসা করে ফেলতে চাই। কিন্তু পাঠক, শুধু কয়েকজন শাসকের দোষ দেখলে তো হবে না, নিজেদের দিকেও একবার তাকাতে হবে। এটা কীভাবে হতে পারে যে, আমরা বিশ্বের ২০০ কোটি মুসলমান সবাই হলাম পাক্কা ঈমানদার, কিন্তু আমাদের শাসকরা সবাই মুনাফেক? আসলে ঘটনা সেটা নয়। মুসলিম বিশ্বের এই পরিস্থিতির নেপথ্যে আরও গভীর কারণ আছে, যা বোঝার জন্য কিছুটা ইতিহাসের বিশ্লেষণ প্রয়োজন। আসুন সংক্ষেপে ইতিহাসের একটা পাতায় চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক-

রসুল (সা.) এর তৈরি উম্মাহর দুইটা বৈশিষ্ট্য
আল্লাহর রসুল মুহাম্মদ (সা.) সারাজীবন কষ্ট করে, খেয়ে না খেয়ে, সংগ্রাম করে, রক্ত দিয়ে- একটা উম্মাহ তৈরি করে গিয়েছিলেন। সেই উম্মাহর প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল দুইটা-
সবসময় একজন নেতার অধীনে ঐক্যবদ্ধ থাকা।
সবসময় আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার জেহাদ করতে থাকা।

আপনি ইতিহাস পড়ে দেখুন- ঐ উম্মাহর কাঠামোটা কেমন ছিল? তাদের একজন ইমাম ছিলেন, একটা রাষ্ট্র ছিল ও একটা বাহিনী ছিল, আর সেই বাহিনী সার্বক্ষণিক আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিয়োজিত ছিল। যেমন ধরুন খলিফা উমর (রা.) এর শাসনকালের দিকে যদি তাকান তাহলে দেখতে পাবেন- তখন পুরো মুসলিম উম্মাহর ইমাম ছিলেন একজন- উমর (রা.)। সেই উম্মাহর রাষ্ট্রও ছিল একটাই এবং সেনাবাহিনীও ছিল একটাই। ঐ সেনাবাহিনীতে যারা লড়াই করত তাদের যে কাউকে আপনি যদি জিজ্ঞেস করতেন- আপনারা কী চান? তারা বলত- আমাদের লজ্জা নিবারণের জন্য এক প্রস্থ কাপড়, আর ক্ষুধা নিবারণের জন্য দুমুঠো খাবার ছাড়া এই দুনিয়াতে আর কিছুই চাই না। আমরা বেঁচেই আছি পৃথিবীতে ন্যায় শান্তি ও সুবিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে যাবার জন্য। এই ছিল উম্মতে মোহাম্মদীর আকিদা, উম্মতে মোহাম্মদীর কাঠামো বা ডিজাইন।

কিন্তু রসুল (সা.) এর কাছ থেকে সরাসরি ইসলাম শেখা ঐ মানুষগুলো যখন একে একে দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন, পরবর্তী প্রজন্মগুলো মারাত্মক দুইটা ভুল করে ফেলল।

মুসলিম উম্মাহর দুইটা মারাত্মক ভুল
প্রথমত- মুসলিম উম্মাহ তাদের “এক নেতা এক রাষ্ট্র” এই ডিজাইন ভেঙে বহু নেতা ও বহু রাষ্ট্রে বিভক্ত হতে লাগলো। ততদিনে শিয়া সুন্নিসহ বিভিন্ন মতবাদ তৈরি হয়ে গিয়েছিল, ফলে দেখা গেল শিয়াদের আলাদা রাষ্ট্র (ফাতেমি খেলাফত) ও সুন্নিদের আলাদা রাষ্ট্র (আব্বাসি খেলাফত) দরকার হয়ে পড়ছে। তাছাড়া কখনও খলিফা একজন নামমাত্র থাকলেও তার অধীনস্থ আমিররা বিভিন্ন এলাকায় স্বাধীনভাবে শাসন করতে লাগলেন। তা করতে গিয়ে এক আমিরের সাথে আরেক আমির যুদ্ধ পর্যন্ত করতেন। এদিকে ধর্মীয়ভাবে শিয়া সুন্নি ছাড়াও হানাফি হাম্বলি, খারেজি রাফেজী, মুতাজিলা, আশারিয়া ইত্যাদি তেহাত্তর টুকরায় বিভক্ত হয়ে গেল মুসলিম উম্মাহ। এক টুকরা আরেক টুকরার বিরুদ্ধে বাহাস-মুনাজারা ইত্যাদিতে লিপ্ত হলো। এক ফেরকা আরেক ফেরকাকে কাফের ফতোয়া দিতে লাগলো। এক কথায়- সবাই মিলে মহাসমারোহে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ভাঙার কাজ সম্পন্ন করল- যা ছিল মুসলিম উম্মাহর সর্বকালের সবচাইতে বড় ভুল।

দ্বিতীয়ত- উম্মাহ দীন প্রতিষ্ঠার জেহাদ ছেড়ে দিল। যেই উম্মাহর দায়িত্ব ছিল সারা বিশ্বে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত জেহাদ চালিয়ে যাওয়া, তারা সেই মিশন ভুলে গিয়ে অস্ত্র ফেলে একদল হাতে তুলে নিল খাতা কলম, আরেকদল হাতে তুলে নিল তসবিহ। খাতা কলম নেওয়া দলটি লক্ষ লক্ষ মাসলা মাসায়েল রচনা করে আলেম ফকিহ হবার সাধনা শুরু করল, আর তসবিহ নেওয়া দলটি আত্মার ঘসামাজা করে পীর দরবেশ হবার সাধনা শুরু করল। যা ছিল উম্মাহর দ্বিতীয় বড় ভুল।

তার মানে বুঝতেই পারছেন- রসুল (সা.) এই উম্মাহকে মূল যেই দুইটা বিষয় শিক্ষা দিয়ে গিয়েছিলেন, সেই দুইটা শিক্ষাই এই উম্মাহ প্রত্যাখ্যান করল। বলা বাহুল্য- এই ঘটনাগুলোই মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। মুসলিমদের ভাগ্যে পরাজয় ও গোলামীর বন্দোবস্ত চূড়ান্ত হয়ে যায়।

এর পরবর্তী ইতিহাস- ক্রসেডারদের হাতে, মঙ্গোলদের হাতে ও ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকদের হাতে মুসলিম উম্মাহর মার খাওয়ার ইতিহাস, পরাজিত হবার ইতিহাস, গোলামী করার ইতিহাস।

আল্লাহর পক্ষ থেকে ভয়াবহ শাস্তি
পাঠক, আমাদের ধর্মনেতারা ওয়াজ মাহফিলে ও জুমার খুতবায় কোর’আনের বহু আয়াত তর্জমা করেন, শানে নুজুল বলেন। কিন্তু তারা কখনই সুরা তওবার ৩৯ নম্বর আয়াতটা বলেন না। এই আয়াতে আল্লাহ মুসলিম উম্মাহকে বলেছেন- “যদি তোমরা (জেহাদের) অভিযানে বের না হও তাহলে তিনি তোমাদেরকে কঠিন শাস্তি দিবেন ও তোমাদের স্থলে অন্য জাতিকে চাপিয়ে দিবেন।” (সুরা তওবা: ৩৯)

কী ভয়ংকর কথা! কী ভয়াবহ সতর্কবাণী! আল্লাহ কোর’আনে কোথাও বলেননি, নামাজে বের না হলে সবাইকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিবেন ও অন্য জাতিকে চাপিয়ে দিবেন। কিংবা বলেননি- হজ্ব করতে বের না হলে সবাইকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিবেন ও অন্য জাতিকে চাপিয়ে দিবেন। বলেছেন জেহাদের অভিযানে বের না হলে এমনটা করবেন। অর্থাৎ জেহাদ ছাড়ার শাস্তি হলো দুনিয়াতে লাঞ্ছনাদায়ক আজাব ও অন্য জাতির গোলামী।

পাঠক! আজকে মুসলিম বিশ্ব কেন মর্মন্তুদ শাস্তি ভোগ করছে, কেন তারা অন্য জাতির গোলাম হচ্ছে, এবং কেন আল্লাহ তাদেরকে উদ্ধার করছেন না- তা কি বোঝা যাচ্ছে এবার? সুতরাং মনে করার কারণ নাই যে, আমাদের উপর যে নির্যাতন চলছে, যে গণহত্যা চলছে, যে হামলা চলছে- তা আমাদের মুসলিম শাসকদের মুনাফেকির ফল, গাদ্দারির ফল, আর আমরা সাধারণ মুসলমানরা হলাম পাক্কা ঈমানদার। না ভাই, এমনটা ভাবার কারণ নাই। এই পরাজয় ও বিপর্যয় শুধু আমাদের শাসকদের কর্মফল নয়, পুরো মুসলিম উম্মাহর কর্মফল।

মুসলিম উম্মাহর বর্তমান বাস্তবতা
আমরা যে কথায় কথায় বলি- মুসলিম বিশ্ব, সেটা আমাদের সেন্টিমেন্টের জায়গা থেকে বলা হয় আর কি। বাস্তবে মুসলিম বিশ্ব বলে আলাদা কোনোকিছুর অস্তিত্ব নাই। আমরা আজ কেউ বাংলাদেশি, কেউ পাকিস্তানি, কেউ লেবানিজ, কেউ মিশরীয়, কেউ তুর্কি ইত্যাদি। আমাদের আলাদা আলাদা রাষ্ট্রনায়ক, আলাদা আলাদা সরকার, আলাদা আলাদা সীমান্ত, আলাদা আলাদা সার্বভৌমত্ব এবং অবশ্যই আলাদা আলাদা শত্রু-মিত্র। সৌদি আরব ও ইরান দুইটা দেশই মুসলিমপ্রধান দেশ। কিন্তু সৌদি আরবের সাথে আমেরিকার গভীর বন্ধুত্ব, আর ইরানের সাথে শত্রুতা। কারণ কী? কারণ সৌদি আরবের পররাষ্ট্রনীতি ভিন্ন, ইরানের পররাষ্ট্রনীতি ভিন্ন। আপনি বলতে পারেন- এই জাতিরাষ্ট্রের ধারণা তো ইসলামসম্মত নয়। কিন্তু পাঠক, বিশ্ব তো ইসলামের না।

আমরা যারা ইসলামে বিশ্বাস করি, আমরা জেহাদ ছেড়ে দেওয়ার কারণে ও ঐক্য ভেঙে ফেলার কারণে যখন দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম, সেই সুযোগে ইউরোপীয়রা সারা বিশ্বকে দখল করেছে। আমাদেরকেও দখল করেছে। তারপর তারা তাদের তৈরি বিশ্বব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে, তাদের তৈরি জাতিরাষ্ট্রের ধারণা মোতাবেক সারা বিশ্বকে ২০০ টুকরায় বিভক্ত করেছে। তারা চাইলে ৪০০ টুকরাতেও বিভক্ত করতে পারে এবং ইসলামের প্রত্যেকটা বিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারা অনৈসলামিক সিস্টেম চালু করতে পারে- আমাদের কিচ্ছু করার নাই।

পাঠক! আমাদের কোর’আনে আছে সুদ হারাম। কিন্তু তাতে ওদের কী? ওরা সুদভিত্তিক পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা তৈরি করে সারা বিশ্বে প্রবর্তন করেছে। এখন আমাদেরকে সেই বিশ্বব্যবস্থার অধীনেই বসবাস করতে হচ্ছে আর তাদের তৈরি সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থাই মানতে হচ্ছে। ইসলামকে তারা নির্বাসন দিয়েছে মসজিদ ও মাদ্রাসার চার দেওয়ালের মধ্যে। ওখানে বসে আপনি যত খুশি কোর’আন তেলাওয়াত করতে থাকেন অসুবিধা নাই। কিন্তু কোর’আনের বিধান দিয়ে জীবনযাপন করতে চাইলে খবর আছে।

মোদ্দাকথা হলো- এই বিশ্বের সার্বভৌমত্ব এখন পশ্চিমা ইহুদি-খ্রিষ্টান সভ্যতার হাতে। এই সভ্যতার কারসাজিতে মুসলিম বিশ্ব এখন ৫৬ টুকরা হয়েছে। সামনে হয়ত আরও টুকরার সংখ্যা বাড়তেই থাকবে। একটা তরমুজকে যেমন একসঙ্গে খাওয়া যায় না, আগে কেটে টুকরা টুকরা করতে হয়, তেমনি আমাদেরকেও তারা প্রথমে টুকরা টুকরা করেছে, এখন একটা একটা করে ধ্বংস করছে। সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান, লেবানন, লিবিয়া, ইয়েমেন- এই তালিকা দিনদিন বাড়তেই থাকবে। এখন চলছে ইরানের পালা।

এখানে পুরো বিশ্বব্যবস্থা, পুরো সভ্যতাই মুসলিমদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আছে। আপনি মার খাবেন, মরবেন, উদ্বাস্তু হবেন, সারা বিশ্ব তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবে আর কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করবে। কিন্তু প্রতিরোধ করতে যাবেন, আপনার বিরুদ্ধে সবাই মিলে যৌথ সামরিক জোট গঠন করে হামলা চালাবে। কারণ বিশ্বটা ওদের। জাতিসংঘ ওদের, ন্যাটো ওদের, আইএমএফ ওদের, মানবাধিকার সংস্থা ওদের, প্রযুক্তি ও অস্ত্রপাতি ওদের। এমনকি আমাদের তেল গ্যাসের নিয়ন্ত্রও ওদের হাতে। আমাদের কেউ নাই, কিচ্ছু নাই। আমাদের একজনই আছেন, তিনি হলেন মহান রব্বুল আলামিন, কিন্তু তার হুঁশিয়ারী আমরা শুনিনি, মানিনি। তাঁর প্রেরিত রসুলের শিক্ষার বিপরীত কাজ চালিয়ে গেছি হাজার বছর ধরে। এখন তিনি আমাদেরকে পরিত্যাগ করেছেন। আমাদের অভিভাবকত্ব ত্যাগ করেছেন। আমাদের উপর লানত দিয়েছেন। এই লানত একমাত্র তখনই উঠবে- যখন আমরা পুনরায় সেই দুইটা শিক্ষাকে ধারণ করতে পারবো। এক- তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্য, দুই- দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।

আল্লাহ আমাদেরকে তাঁর মনোনীত ইমামের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবতীর্ণ হবার তওফিক দান করুন।

[লেখক: কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য,
হেযবুত তওহীদ; যোগাযোগ: ০১৬১৭-৩২৯৩৯২]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

এমন কোনো প্রতীক নেই, যেটায় ভোট দিলে জান্নাতে যাবে!

এমন কোনো প্রতীক নেই, যেটায় ভোট দিলে জান্নাতে যাবে!
‘পৃথিবীতে এমন কোনো প্রতীক নেই, যে প্রতীকে ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যায়’—এমন মন্তব্য করেছেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোল্লা তরিকুল ইসলাম শোভন। সোমবার…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

ফেসবুকে প্রেম, বিয়ে করতে ভারত থেকে জয়পুরহাটে যুবক!

ফেসবুকে প্রেম, বিয়ে করতে ভারত থেকে জয়পুরহাটে যুবক!
ফেসবুকে গড়ে ওঠা প্রেমের টানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় এসেছেন এক যুবক। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন নিজের ভাইকেও। ভারতীয় দুই যুবকের আগমনের খবর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

পারিবারিক জেরে অন্তঃসত্তা স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

পারিবারিক জেরে অন্তঃসত্তা স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:​গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

গলাচিপায় জিম্মি করে জবানবন্দি নেওয়ার অভিযোগে মাদ্রাসা সুপারের সংবাদ সম্মেলন

গলাচিপায় জিম্মি করে জবানবন্দি নেওয়ার অভিযোগে মাদ্রাসা সুপারের সংবাদ সম্মেলন
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও বক্তব্য ধারণ এবং ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন মধ্য-পানপট্টি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মুহা. মাকছুদুর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

সাভারে অস্ত্র ও খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

সাভারে অস্ত্র ও খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেফতার
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:ঢাকা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে তিনটি ধারালো ছোরা এবং একটি খেলনা পিস্তলসহ ডাকাত ও ছিনতাইকারী দলের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ আর নেই!

সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ আর নেই!
সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা রুশনাফ ওয়াদুদ মারা গেছেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে নিজ বাসায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩৮ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

৭ দেশে টিকটকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করল মেটা!

৭ দেশে টিকটকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করল মেটা!
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা যুক্তরাষ্ট্রসহ সাতটি দেশে চীনা প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের বিজ্ঞাপন প্রচার নিষিদ্ধ করেছে। এর ফলে এসব দেশে টিকটকসহ বাইটড্যান্সের অন্যান্য সেবার প্রচারণামূলক…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    প্রযুক্তি

ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের দায়িত্ব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারপ্রধান হিসেবে প্রত্যেক নাগরিকের…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ফিফা থেকে অতিরিক্ত ১ কোটি ডলার পেতে পারে বাংলাদেশ!

ফিফা থেকে অতিরিক্ত ১ কোটি ডলার পেতে পারে বাংলাদেশ!
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে সদস্য দেশগুলোর জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা ও উত্তর, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

উচ্চস্বরে আজান দেওয়ার অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার!

উচ্চস্বরে আজান দেওয়ার অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার!
ভারতের উত্তর প্রদেশের বিজনোর জেলায় নির্ধারিত শব্দসীমা অতিক্রম করে লাউড স্পিকারে আজান দেওয়ার অভিযোগে মোহাম্মদ ফাইজান নামে এক মুয়াজ্জিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতে হাজির করার…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ছাত্রদলকে ব্যবহার করে চুয়েটের ভিসিকে চেয়ারে বসানো হয়েছে: হাসনাত

ছাত্রদলকে ব্যবহার করে চুয়েটের ভিসিকে চেয়ারে বসানো হয়েছে: হাসনাত
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্যকে ‘গুন্ডা’ আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

মালয়েশিয়ায় বিশ্বসেরা, দেশে ফিরতেই হাফেজ হীরাকে সংবর্ধনা!

মালয়েশিয়ায় বিশ্বসেরা, দেশে ফিরতেই হাফেজ হীরাকে সংবর্ধনা!
মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ প্রথম স্থান অর্জন করে দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন বাংলাদেশের হাফেজ ইহতিশামুল হক হীরা। তাঁর এই আন্তর্জাতিক সাফল্যে দেশে…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বৃদ্ধ মা-বাবার পাশে থাকতে মাইক্রোসফটের চাকরি ছাড়লেন কর্মকর্তা!

বৃদ্ধ মা-বাবার পাশে থাকতে মাইক্রোসফটের চাকরি ছাড়লেন কর্মকর্তা!
বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও ক্যারিয়ারের সাফল্যের চেয়ে বৃদ্ধ মা-বাবার সঙ্গে সময় কাটানোকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন মাইক্রোসফটের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। দীর্ঘ ২৩ বছর প্রতিষ্ঠানটিতে দায়িত্ব পালনের পর…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বাবা নেই, মায়ের স্বপ্ন পূরণে ১৩ মাসে হাফেজ হলেন নাঈম!

বাবা নেই, মায়ের স্বপ্ন পূরণে ১৩ মাসে হাফেজ হলেন নাঈম!
মাত্র ১৩ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ১০ বছর বয়সী শিশু মুহাম্মদ নাঈম আহমদ। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায়…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ সবার আগে নেবে!

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ সবার আগে নেবে!
সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে সংসদ সদস্যের স্ত্রীই সবার আগে সেই কার্ড নেবেন বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)…
 ১২ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত